<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

	<channel>
		<title>medivoicebd.com</title>
		<atom:link href="https://medivoicebd.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
		<link>https://medivoicebd.com</link>
		<description>medivoicebd.com - বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত মুখপত্র</description>
		<lastBuildDate>Fri, 05 Jun 2026 17:08:00 UTC+6</lastBuildDate>
		<language>bn</language>
		<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
		<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>

		<image>
			<url>https://medivoicebd.com/assets/img/default-image.png</url>
			<title>medivoicebd.com</title>
			<link>https://medivoicebd.com</link>
		</image>

				<item>
			<title>হাম ও উপসর্গে পাঁচ শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34822/হাম-ও-উপসর্গে-পাঁচ-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 17:08:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34822/হাম-ও-উপসর্গে-পাঁচ-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছরে এই রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১০ জনে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছরে এই রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১০ জনে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এদের মধ্যে ল্যাব পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়া অন্তত ৯১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। এর পাশাপাশি হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫১৯ শিশু।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুসারে, গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে ১ হাজার ১৬৮ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে ২৪৩ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ল্যাব পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়া অন্তত ৯১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। এর পাশাপাশি হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরো ৫১৯টি শিশু। অর্থাৎ, সব মিলিয়ে প্রাণহানির সংখ্যা ৬১০-এ পৌঁছেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ১৯ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34821/সন্ধ্যার-মধ্যে-ঢাকাসহ-১৯-জেলায়-ঝড়বৃষ্টির-আশঙ্কা</link>
			<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 15:46:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34821/সন্ধ্যার-মধ্যে-ঢাকাসহ-১৯-জেলায়-ঝড়বৃষ্টির-আশঙ্কা</guid>
			<description><![CDATA[সন্ধ্যার মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৯ জেলার ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একইসঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে হতে পারে বজ্রপাতও।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> সন্ধ্যার মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৯ জেলার ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একইসঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে হতে পারে বজ্রপাতও।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া পূর্বাভাসে এই তথ্য জানা গেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছার স্বাক্ষরিত এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সন্ধ্যার মধ্যে রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেটের ওপর ঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে এই ঝড় হতে পারে। পাশাপাশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে বজ্রপাতেরও আশঙ্কা রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ পরিস্থিতিতে ১৯ জেলার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>৪৪তম বিসিএস: নবনিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের ১৫ জুনের মধ্যে যোগদানপত্র দাখিলের নির্দেশ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34820/৪৪তম-বিসিএস-নবনিয়োগপ্রাপ্ত-চিকিৎসকদের-১৫-জুনের-মধ্যে-যোগদানপত্র-দাখিলের-নির্দেশ</link>
			<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 11:22:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34820/৪৪তম-বিসিএস-নবনিয়োগপ্রাপ্ত-চিকিৎসকদের-১৫-জুনের-মধ্যে-যোগদানপত্র-দাখিলের-নির্দেশ</guid>
			<description><![CDATA[ ৪৪ তম বিসিএসে (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী সার্জনদের ১৫ জুনের (সোমবার) মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span>&nbsp;</strong></span><span style="font-size:16px">৪৪তম বিসিএস&nbsp;(স্বাস্থ্য) ক্যাডারে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী সার্জনদের ১৫ জুনের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, &lsquo;জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ০২.০৬.২০২৬ তারিখের ০৫.০০.০০০০.১৪৭.১১.০১৪.২৫-২৩৪ সংখ্যক প্রজ্ঞাপনমূলে ৪৪তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে নবনিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসককে আগামী ১৫ জুন পূর্বাহ্নে সশরীরে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে (কক্ষ নং-৩৩৮, ভবন নং-৩, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা) উপস্থিত হয়ে যোগদানপত্র স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বরাবর দাখিল করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আদেশের অনুলিপি অবগতির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><strong><a href="https://drive.google.com/file/d/1N38xnT9GWKB7cm_OxbU-Sa1Msgp1iwSc/view?usp=drive_link"><span style="color:#990000">►বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে ক্লিক করুন</span></a></strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1N38xnT9GWKB7cm_OxbU-Sa1Msgp1iwSc/preview" width="340"></iframe> </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>নওগাঁ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34819/নওগাঁ-মেডিকেল-কলেজের-শিক্ষার্থীর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 10:29:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34819/নওগাঁ-মেডিকেল-কলেজের-শিক্ষার্থীর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[বিরল রক্তরোগ ও অন্ত্রের যক্ষ্মায় (কোলনে টিবি) আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন নওগাঁ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মো. তালহা। তিনি কলেজের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের (৭ম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন।বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। অন্ত্রের যক্ষ্মা ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন তালহা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">বিরল রক্তরোগ ও অন্ত্রের যক্ষ্মায় (কোলনে টিবি) আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন নওগাঁ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী মো. তালহা। তিনি কলেজের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের (৭ম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিরল রক্তরোগ আইডিওপ্যাথিক থ্রম্বোসাইটোপেনিক পারপুরা (Idiopathic Thrombocytopenic Purpura-ITP) রোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তার কোলনে টিবি &nbsp;(অন্ত্রের যক্ষ্মা) শনাক্ত হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি একাধিকবার ভারতে চিকিৎসা নেন। দেশে ফিরে কিছুদিন বাসায় বিশ্রামে থাকলেও শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি ঘটে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তালহা নওগাঁ মেডিকেল কলেজের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন। চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও অসুস্থতার কারণে তিনি মাত্র চার থেকে পাঁচ মাস নিয়মিত ক্লাস করতে পেরেছিলেন। এরপর দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক জটিলতার কারণে আর শিক্ষা কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতে পারেননি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মৃত্যুর পর তাকে রাজশাহীর শাপুরা এলাকায় দাফন করা হয়েছে। নওগাঁর মহাদেবপুরে তার স্থায়ী নিবাস হলেও বাবার চাকরির সুবাদে পরিবার রাজশাহীতে বসবাস করত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দুই ভাইয়ের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সন্তান তালহা ছিলেন পরিবারের অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু। ব্যাংকার বাবার স্বপ্ন ছিল ছেলেকে মানবসেবায় নিবেদিত চিকিৎসক হিসেবে দেখতে। মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার মাধ্যমে সেই স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে গেলেও দীর্ঘদিনের অসুস্থতা শেষ পর্যন্ত তাকে জীবনযুদ্ধে পরাজিত করে। তার অকাল প্রস্থানের সঙ্গে পরিবারের একজন চিকিৎসক দেখার স্বপ্নও অপূর্ণ থেকে গেল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তালহার মৃত্যুতে তার পরিবার, স্বজন, সহপাঠী, শিক্ষক এবং নওগাঁ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহপাঠীরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>চলে গেলেন বাংলাদেশ মেডিকেলের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. দীপরা তাবাসসুম</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34818/চলে-গেলেন-বাংলাদেশ-মেডিকেলের-সাবেক-শিক্ষার্থী-ডা-দীপরা-তাবাসসুম</link>
			<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 09:58:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34818/চলে-গেলেন-বাংলাদেশ-মেডিকেলের-সাবেক-শিক্ষার্থী-ডা-দীপরা-তাবাসসুম</guid>
			<description><![CDATA[]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. দীপরা তাবাসসুম মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এফসিপিএস পরীক্ষায় পাস ১৫.৯৮ শতাংশ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34816/এফসিপিএস-পরীক্ষায়-পাস-১৫৯৮-শতাংশ</link>
			<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 19:27:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34816/এফসিপিএস-পরীক্ষায়-পাস-১৫৯৮-শতাংশ</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিসিপিএসের ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশিত হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong>বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিসিপিএসের ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ফলাফল অনুযায়ী,&nbsp;পাস করেছেন এক&nbsp;হাজার ৮৪৯ জন চিকিৎসক। পরীক্ষায় অংশ নেন ১১ হাজার ৫৬৮ জন। সে হিসাবে পাসের হার ১৫.৯৮ শতাংশ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শিক্ষার্থীরা <a href="https://bcps.edu.bd/result/" target="_blank"><span style="color:#990000">বিসিপিএস ওয়েবসাইটে</span></a> রোল নম্বর দিয়ে প্রবেশ করে নিজ নিজ ফলাফল দেখতে পারছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে গত ২ জুন সকাল ৯টায় মেডিসিন ও অ্যালাইডের মাধ্যমে প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত&nbsp;হয়। চার ঘণ্টার এ পরীক্ষা শেষ হয় দুপুর ১টায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দ্বিতীয় দিন ৩ জুন অনুষ্ঠিত হয় ৯টি বিষয়ের পরীক্ষা। সেগুলো হলো&mdash;১. অ্যানেস্থেসিওলজি, ২. বায়োকেমিস্ট্রি, ৩. ডেন্টাল সার্জারি (কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি অ্যান্ড এন্ডোডন্টিক্স, ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি, অর্থোডন্টিক্স, প্রস্থোডন্টিক্স), ৪. ডার্মাটোলজি অ্যান্ড ভেনেরিওলজি, ৫. ফরেনসিক মেডিসিন, ৬. মাইক্রোবায়োলজি, ৭. অবস্টেট্রিক্স অ্যান্ড গাইনেকোলজি অ্যান্ড অ্যালাইড, ৮. সাইকিয়াট্রি অ্যান্ড অ্যালাইড ও ৯. রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তৃতীয় দিন আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) যেসব বিষয়ের পরীক্ষা হয়&nbsp;সেগুলো হলো&mdash;১. অ্যানাটমি, ২. কমিউনিটি মেডিসিন, ৩. ফ্যামিলি মেডিসিন, ৪. হেমাটোলজি, ৫. অফথ্যালমোলজি অ্যান্ড অ্যালাইড, ৬. ওটোল্যারিংগোলজি&ndash;হেড অ্যান্ড নেক সার্জারি, ৭. পেডিয়াট্রিক্স অ্যান্ড অ্যালাইড, ৮. প্যাথোলজি, ৯. ফার্মাকোলজি, ১০. ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন, ১১. ফিজিওলজি, ১২. রেডিওথেরাপি, ১৩. সার্জারি অ্যান্ড অ্যালাইড ও ১৫. ট্রান্সফিউশন মেডিসিন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিসিপিএস নিয়ম অনুসরণে শেষ দিনের পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আজ&nbsp;বৃহস্পতিবার&nbsp;ফলাফল প্রকাশিত হলো।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ২৯ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টায় এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬ এর <a href="https://medivoicebd.com/article/34490" target="_blank"><span style="color:#990000">পরীক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত</span></a> হয়। এতে মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইডে চার হাজার ৩১২ জন, সার্জারি অ্যান্ড অ্যালাইডে দুই হাজার ৩৪২ জন ও গাইনি অ্যান্ড অ্যালাইডে দুই হাজার ১৩৫ জন তালিকাভুক্ত হন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও অন্যান্য বিষয় মিলিয়ে মোট ১২ হাজার ৪৮০ জন চিকিৎসক পরীক্ষায় বসার জন্য তালিকাভুক্ত হন, যা বিসিপিএসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে গত ৭ জানুয়ারি <a href="https://medivoicebd.com/article/33946" target="_blank"><span style="color:#990000">এফসিপিএস পার্ট-১ জানুয়ারি-২৬ এর পরীক্ষা</span></a> অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ১০ হাজার ৮৫০ জন চিকিৎসক। এর মধ্যে মোট দুই হাজার ৩০৮ জন পাস করেছেন। সে অনুযায়ী, পাসের হার ২১.২৭ শতাংশ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সারা দেশে হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34815/সারা-দেশে-হামের-উপসর্গে-আরও-চার-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 18:11:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34815/সারা-দেশে-হামের-উপসর্গে-আরও-চার-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">সারা দেশে হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশু মারা গেছে। এ সময় হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৯ জনের। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নয় হাজার ২৬০ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১৪ জনে। সব মিলিয়ে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা ৬০৫ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ১৩৬ জন এবং উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ৩৬ জন। এই সময় ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ১০১ জন। আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা সাতান্ন হাজার ৯০২ জন এবং মোট ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা তিপ্পান্ন হাজার ৭২২ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, গত ১৫ মার্চ থেকে সারা দেশে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। এরপর দিন দিন হামের উপসর্গে মৃ্ত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু, কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও অব্যবস্থাপনা প্রমাণিত</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34814/আদ্-দ্বীন-হাসপাতালে-৬-নবজাতকের-মৃত্যু-কর্তৃপক্ষের-অবহেলা-ও-অব্যবস্থাপনা-প্রমাণিত</link>
			<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 16:56:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34814/আদ্-দ্বীন-হাসপাতালে-৬-নবজাতকের-মৃত্যু-কর্তৃপক্ষের-অবহেলা-ও-অব্যবস্থাপনা-প্রমাণিত</guid>
			<description><![CDATA[রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও অবহেলা স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে তদন্তে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span> রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও অবহেলা স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে তদন্তে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিজ কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গতকাল বুধবার (৩ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি মন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করে। সংবাদ সম্মেলনে সেই প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চিকিৎসক ও নার্সদের দায়িত্বহীন অবহেলা এবং হাসপাতালে রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়ক পরিবেশ না থাকার কারণেই এই মর্মান্তিক শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিবেদনের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডের বদ্ধ কক্ষে অক্সিজেনের ঘাটতি থাকার কারণে নবজাতকদের প্রাণহানি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও জানান, এই তদন্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও অব্যবস্থাপনা পুরোপুরি প্রমাণিত হওয়ায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এই নজিরবিহীন অবহেলার সাথে জড়িত হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তদন্ত প্রতিবেদনে&nbsp;দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট কক্ষে দীর্ঘ সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বন্ধ ছিল এবং পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশনের অভাবে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়। একই সঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যায়। প্রায় ৯০০ বর্গফুটের কক্ষে রোগী, নবজাতক ও স্বজন মিলিয়ে প্রায় ৫০ জন অবস্থান করছিলেন, যা কক্ষটির ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, নবজাতকদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও কোনো জরুরি চিকিৎসা প্রতিক্রিয়া কার্যকর করা হয়নি। অভিভাবকদের অভিযোগের পরও দায়িত্বপ্রাপ্ত সেবিকারা যথাসময়ে সাড়া দেননি এবং কোনো চিকিৎসককে অবহিত করার উদ্যোগও নেননি। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তদন্তে হাসপাতাল প্রশাসনের একাধিক ত্রুটি চিহ্নিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে রোগীদের তত্ত্বাবধানে কোনো চিকিৎসক নিয়োজিত ছিলেন না, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্মীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণও ছিল না। পাশাপাশি আলো-বাতাস চলাচল নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত লোকজন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী রোববারের মধ্যে জানানো হতে পারে। ঘটনার পর দেশের সব বেসরকারি হাসপাতালের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানান সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, ভবিষ্যতে নতুন হাসপাতালের লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে ভবনের উপযুক্ততা যাচাই এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্&zwnj;-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। হাসপাতালের মালিক ডা. শেখ মহিউদ্দিনকে আগামী ৭ জুন বিকেল ৫টার মধ্যে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, হাসপাতালটির প্রাথমিক অনুমোদন থাকলেও ভবনের কাঠামোগত বিভিন্ন পরিবর্তন আইনসম্মত ছিল না বলে সংশ্লিষ্ট তদন্তে উঠে এসেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>স্বাস্থ্যে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ, বাস্তবায়ন কোন পথে?</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34813/স্বাস্থ্যে-বরাদ্দ-প্রায়-দ্বিগুণ-বাস্তবায়ন-কোন-পথে</link>
			<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 16:33:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34813/স্বাস্থ্যে-বরাদ্দ-প্রায়-দ্বিগুণ-বাস্তবায়ন-কোন-পথে</guid>
			<description><![CDATA[আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতের জন্য ৩৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতের জন্য ৩৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নতুন এডিপি অনুযায়ী, মোট উন্নয়ন বাজেটের ১১ দশমিক ৮৬ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পরিবহন ও যোগাযোগ এবং শিক্ষা খাতের পর স্বাস্থ্য খাতেই তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, গত বাজেটে ছিল ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তবে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন দুই বিভাগের বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সূত্রের তথ্য&nbsp;মতে,&nbsp;চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ মিলে ব্যয় করেছে মাত্র ৯৩৩ কোটি টাকা। অথচ এ সময় তাদের জন্য বরাদ্দ ছিল ১২ হাজার ৮৮৪ কোটির বেশি। অর্থাৎ মোট বরাদ্দের এক-দশমাংশেরও কম ব্যয় হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এক দশকের বেশি সময় ধরে দেশে স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় জিডিপির ১ শতাংশের নিচে রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন এ ব্যয় জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার সুপারিশ করেছিল। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারেও একই লক্ষ্য উল্লেখ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি মাসেই বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট উপস্থাপনের কথা রয়েছে। এর আগে গত ১৯ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) তিন লাখ নয় হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন দেয়। স্বাস্থ্যে&nbsp;এডিপির মোট ৩৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকার মধ্যে&nbsp;২৬ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ আর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ পাবে আট&nbsp;হাজার ২২১ কোটি টাকা। এ ছাড়া অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫০৩ কোটি টাকা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নে&nbsp;সবচেয়ে পিছিয়ে&nbsp;স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তবে চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ। এ&nbsp;কারণে সংশোধিত এডিপিতে তাদের মূল বরাদ্দের ৬৫ শতাংশের বেশি কমিয়ে দেওয়া হয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানা গেছে,&nbsp;এপ্রিল পর্যন্ত স্বাস্থ্যের&nbsp;বিভাগ দুটি সংশোধিত বরাদ্দের মাত্র ২০ শতাংশ ব্যয় করতে সক্ষম হয়েছে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সরকারের&nbsp;মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন ডিভিশনের (আইএমইডি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দুই বিভাগে বিভক্ত করার পর থেকে ২০২০-২১ অর্থবছর ছাড়া কোনো বছরই বিভাগ দুটি জাতীয় গড় বাস্তবায়ন হার অর্জন করতে পারেনি। ওই অর্থবছরেও কেবল স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ সামান্য ব্যবধানে জাতীয় গড় বাস্তবায়ন হার অতিক্রম করেছিল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>বরাদ্দের&nbsp;সঙ্গে&nbsp;অর্থ ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ&nbsp;বিশেষজ্ঞদের</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্বল বাস্তবায়ন সক্ষমতা, জটিল ক্রয় ও অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং পুরোনো বাজেট ব্যবস্থাপনার কারণে স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন ব্যয় কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে&nbsp;শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, বরং অর্থ ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিশ্চিত করাও জরুরি বলে মনে করেন&nbsp;তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><em><strong>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি)&nbsp;স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ মেডিভয়েসকে&nbsp;</strong></em>বলেন, &lsquo;আমরা দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য খাতের বাজেট বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকেও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বাজেট বৃদ্ধির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে বাজেট বাড়ানোর পাশাপাশি এর কার্যকর ও যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত অর্থবছরে এডিপিতে বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশ ব্যয়ই করা যায়নি, যা উদ্বেগের বিষয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>ব্যয়ে&nbsp;অপচয়-অনিয়ম রোধ না হলে&nbsp;ফল আসবে না</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;বাজেট বড় হতে হবে। তবে সেই বাজেট জনকল্যাণে যথাযথভাবে ব্যয়ও করতে হবে। বড় বাজেট বরাদ্দ দিয়ে যদি অপচয় বা অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ ব্যয় করা হয় এবং জনগণ তার সুফল না পায়, তাহলে সেই বাজেটের কোনো ফলাফল থাকবে না।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তার মতে, স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নের জন্য তিনটি বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে&mdash;পর্যাপ্ত বরাদ্দ, বরাদ্দের শতভাগ বাস্তবায়ন এবং জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও&nbsp;বলেন, &lsquo;বাজেট বাস্তবায়নের পথে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দূর করে জনগণের উপকারে আসে&mdash;এমন খাতে অর্থ ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে। কেবল অর্থ ব্যয় হলেই হবে না বরং সেই ব্যয় যদি জনগণের কল্যাণের পরিবর্তে কিছু আমলা, ঠিকাদার বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর সুবিধা নিশ্চিত করে, তাহলে বড় বাজেটের কোনো মূল্য নেই।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;রাষ্ট্রের অর্থ রাষ্ট্রের জনগণের। তাই বাজেট বাস্তবায়নের দায়িত্ব সরকারের। বাজেট বাস্তবায়নে যেন কোনো ধরনের অপচয়, অনিয়ম বা দুর্নীতি না হয়, সে বিষয়ে সরকারকেই কঠোর নজরদারি করতে হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>অবকাঠামোয় বাজেট বাস্তবায়নে&nbsp;প্রতিবন্ধকতা</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অবকাঠামোগত খাতে বাজেট বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, &lsquo;স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে উপযুক্ত প্রকল্প পরিচালক না পাওয়া একটি বড় সমস্যা। এই খাতে চিকিৎসকদের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু অবকাঠামো উন্নয়ন, নির্মাণ ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প পরিচালনার মতো বিষয়ে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যোগ্য ও সৎ চিকিৎসকদের অনেকেই প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হন না জানিয়ে&nbsp;তিনি বলেন, &lsquo;এর&nbsp;কারণ হলো, এ দায়িত্বের সঙ্গে অতিরিক্ত সুবিধা বা ভাতা নেই। অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রভাব বা বিশেষ স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনেক সময় এসব পদে আসতে আগ্রহী হন, যদিও তাদের সবাই প্রয়োজনীয় দক্ষতার অধিকারী নন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রকল্প পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন অধ্যাপক&nbsp;আব্দুল হামিদ।&nbsp;বলেন, &lsquo;প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের পর তাকে এবং তার টিমকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। সাভারে নির্মাণাধীন হেলথ কেয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটে (এইচএসসিএমআই)&nbsp;অন্তত এক মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। একজন প্রকল্প পরিচালককে প্রশাসনিক জটিলতা, রাজনৈতিক চাপ এবং বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হয়। তাই তাদের দক্ষতা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ অপরিহার্য।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রকল্প বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অপরিহার্যতার কথা উল্লেখ করে এই স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ বলেন, &lsquo;যদি কোনো প্রকল্পের মেয়াদ পাঁচ বছর হয়, তাহলে এমন কর্মকর্তাকে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে, যার চাকরির মেয়াদ অন্তত সাত বছর অবশিষ্ট রয়েছে। ঘন ঘন প্রকল্প পরিচালক পরিবর্তন হলে প্রকল্প বাস্তবায়ন বিলম্বিত হয়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও&nbsp;বলেন, &lsquo;প্রকল্পের কাজ অবশ্যই যোগ্য ও অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানকে দিতে হবে। আমাদের দেশে অনেক সময় দক্ষতার পরিবর্তে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবের ভিত্তিতে কাজ দেওয়া হয়, যা প্রকল্পের মান ও গতি&mdash;উভয়কেই ক্ষতিগ্রস্ত করে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রশাসনিক জটিলতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, &lsquo;সিস্টেমের বিভিন্ন দুর্বলতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে অডিট ও হিসাব-সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার জটিলতায় প্রকল্পের অর্থ ছাড়ে&nbsp;বিলম্ব&nbsp;হয়, যা উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ড. আব্দুল হামিদ বলেন, &lsquo;বরাদ্দের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সরকারকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। মাঠপর্যায়ের সমস্যাগুলো যেন দ্রুত সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের নজরে আসে, সে জন্য কার্যকর মনিটরিং ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে আরও তৎপর হতে হবে, যাতে বাস্তব সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত ও সমাধান করা যায়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এফসিপিএস নীতিমালার প্রস্তাব বাতিলসহ সাত দফা দাবি ইন্টার্ন চিকিৎসকদের</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34812/এফসিপিএস-নীতিমালার-প্রস্তাব-বাতিলসহ-সাত-দফা-দাবি-ইন্টার্ন-চিকিৎসকদের</link>
			<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 15:26:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34812/এফসিপিএস-নীতিমালার-প্রস্তাব-বাতিলসহ-সাত-দফা-দাবি-ইন্টার্ন-চিকিৎসকদের</guid>
			<description><![CDATA[এফসিপিএস প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য প্রস্তাবিত নীতিমালা বাতিল, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং বেতন কাঠামোর সংস্কারসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছে ইন্টার্ন ডাক্তার সোসাইটি (আইডিএস), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক স্মারকলিপিতে বলা হয়, সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি নোটিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">এফসিপিএস প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য প্রস্তাবিত নীতিমালা বাতিল, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং বেতন কাঠামোর সংস্কারসহ সাত&nbsp;দফা দাবি জানিয়েছে ইন্টার্ন ডাক্তার সোসাইটি (আইডিএস), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক স্মারকলিপিতে বলা হয়, সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি নোটিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ওই নোটিশে এফসিপিএস কোর্সে অধ্যয়নরত চিকিৎসকদের বেতন কাঠামোয় বৈষম্য সৃষ্টির প্রস্তাব এবং প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে দুই বছর উপজেলা পর্যায়ে বাধ্যতামূলক পদায়নের বিষয়টি চিকিৎসক সমাজে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্মারকলিপিতে আইডিএসের নেতারা বলেন, এসব প্রস্তাব চিকিৎসা শিক্ষা, পেশাগত উন্নয়ন এবং প্রশিক্ষণের স্বাভাবিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা ও সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না করে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ স্বাস্থ্যখাতের জন্যও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হতে পারে বলে তারা মনে করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়, গত কয়েক মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়লেও এখনও&nbsp;দৃশ্যমান ও কার্যকর অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি। কর্মস্থলে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে স্বাস্থ্যসেবার মানও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-&nbsp;এফসিপিএস পার্ট-১ উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়নসংক্রান্ত কমিটির প্রস্তাব বাতিল, বিএমইউ ও বিসিপিএসের পরীক্ষার ফি কমিয়ে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণ, বিসিএসে চিকিৎসকদের বয়সসীমা পুনর্বহাল করে ৩৪ বছর করা, স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বেতন ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা এবং ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন ৯ম গ্রেডের সমপর্যায়ে নির্ধারণ, নতুন মেডিকেল কলেজ অনুমোদন সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে বিদ্যমান কলেজগুলোর মানোন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়ন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন (আইডিএস) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাপতি ডা. মোস্তফা আমীর ফয়সাল, সহ সভাপতি ডা. আব্দুল্লাহ আল মারুফ, সাধারণ সম্পাদক ডা. নাবিল বিন কাশেম এবং সহ সাধারণ সম্পাদক ডা. আশরাফ সিদ্দিকী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়,&nbsp;এসব দাবি ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জনের জন্য নয়,&nbsp;বরং চিকিৎসা শিক্ষা, চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা এবং জনগণের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের স্বার্থে উত্থাপন করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/জেএইচ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>স্বীকৃত সরকারি মেডিকেল-ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণরত সকল প্রশিক্ষণার্থী ভাতা পাবেন: বিসিপিএস</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34811/স্বীকৃত-সরকারি-মেডিকেল-ইনস্টিটিউটে-প্রশিক্ষণরত-সকল-প্রশিক্ষণার্থী-ভাতা-পাবেন-বিসিপিএস</link>
			<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 15:31:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34811/স্বীকৃত-সরকারি-মেডিকেল-ইনস্টিটিউটে-প্রশিক্ষণরত-সকল-প্রশিক্ষণার্থী-ভাতা-পাবেন-বিসিপিএস</guid>
			<description><![CDATA[স্বীকৃত সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণরত সকল চিকিৎসক ভাতা সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের  (বিসিপিএস) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">স্বীকৃত সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণরত সকল চিকিৎসক ভাতা সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের &nbsp;(বিসিপিএস) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বুধবার (৩ জুন) রাতে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে মেডিভয়েসকে নিশ্চিত করেছেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিসিপিএস সভাপতি বলেন, স্বীকৃত সরকারি মেডিকেল কলেজ ও ইনস্টিটিউটে যেসব জায়গায় কোর্স চলমান আছে এবং বিসিপিএসের প্রশিক্ষক আছেন,&nbsp;সেখানে প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকরা ভাতা পাবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানা গেছে, গতকাল বুধবার (৩ জুন) বিকেল থেকে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিসিপিএস কর্তৃপক্ষের মিটিং হয়, যা রাত পর্যন্ত গড়ায়। সেখানে এ সিদ্ধান্ত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মিটিং অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে সমাপ্ত হওয়ার কথা জানিয়ে অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা বলেন, &lsquo;মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার পরিচয় দিয়েছে এবং আমাদের কথাগুলো অনুধাবন করেছে। এজন্য বিসিপিএস মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>উপজেলায় প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত&nbsp;বাদ</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;মিটিংয়ে উপজেলায় দুই বছর প্রশিক্ষণের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রত্যাহার করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে এই মুহূর্তে প্রশিক্ষণার্থী না নেওয়ার সিদ্ধান্তও।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;মিটিংয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো, পুরনোরাও তো ভাতা পাবেনই। এর পর প্রতি সেশনে নতুন করে সর্বাধিক দুই হাজার বেসরকারি প্রার্থীর অনুমোদন করানো গেছে। যদিও কখনো বেসরকারি দুই হাজার প্রার্থী যুক্ত হয়নি, হবেও না। তবুও অনুমোদন নিয়ে রাখা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীদের হয়রানি রোধসহ যে কোনো বিপত্তি এড়ানো যায়। যুগান্তকারী এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামীতে কোনো দিন বিসিপিএসে ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা হবে না&rsquo;&mdash;বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এদিকে গত ১৯ মের নীতিমালা বাতিল করে সংশোধিত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেছে বিসিপিএস।&nbsp;আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানা গেছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিষ্ঠানের সচিব (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. কোহিনুর বেগম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, &lsquo;এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কলেজের এফসিপিএস ১ম পর্ব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষাণার্থীগণ বিসিপিএস কর্তৃক স্বীকৃত সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সমূহে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলে, প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী সকল প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ ভাতার আওতাভুক্ত হবেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়, &lsquo;বিগত ১৯/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা শিক্ষা-১ শাখা কর্তৃক এফসিপিএস ১ম পর্ব উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়ন ও ভাতা প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করার পর সৃষ্ট উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিসিপিএস কর্তৃপক্ষের সফল আলোচনার ভিত্তিতে উপজেলায় প্রশিক্ষণ গ্রহণের বিষয়টি বাতিলপূর্বক স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা শিক্ষা-১ শাখা কর্তৃক (স্মারক নং- ৫৯,০০,০০০০,১৪০.১৬.১০.২৫.৩৩৬, তারিখ: ১৯-০৫-২০২৬ খ্রি.) এফসিপিএস ১ম পর্ব উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়ন ও ভাতা প্রদান সংক্রান্ত সংশোধিত নীতিমালা (সংযুক্ত) জারি করা হয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px; text-align:justify">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এফসিপিএস পরীক্ষার নতুন নিয়ম এবং কিছু প্রাসঙ্গিক বাস্তবতা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34810/এফসিপিএস-পরীক্ষার-নতুন-নিয়ম-এবং-কিছু-প্রাসঙ্গিক-বাস্তবতা</link>
			<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 15:10:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34810/এফসিপিএস-পরীক্ষার-নতুন-নিয়ম-এবং-কিছু-প্রাসঙ্গিক-বাস্তবতা</guid>
			<description><![CDATA[যেভাবে বাংলাদেশের পোস্ট গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি ফেলো অব দ্য কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (এফসিপিএস) নিয়ে একের পর এক নতুন নিয়ম জারি করা হচ্ছে, তা দেখে আমি শুধু অবাকই হচ্ছি না, বরং লজ্জাও বোধ করছি। বিশেষ করে যখন ভাবি—এই নিয়মগুলোর পেছনে আসলে কারা আছেন!]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যেভাবে বাংলাদেশের পোস্ট গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি ফেলো অব দ্য কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (এফসিপিএস) নিয়ে একের পর এক নতুন নিয়ম জারি করা হচ্ছে, তা দেখে আমি শুধু অবাকই হচ্ছি না, বরং লজ্জাও বোধ করছি। বিশেষ করে যখন ভাবি&mdash;এই নিয়মগুলোর পেছনে আসলে কারা আছেন!</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দীর্ঘদিন ধরে আমার ইরানে থাকার অভিজ্ঞতা থেকে সেখানকার সেন্ট্রাল মেডিকেল পরীক্ষাগুলোর কিছু বিষয় এবং এফসিপিএস পরীক্ষার&nbsp;কিছু দিক তুলে ধরছি:</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><strong>১. প্রশ্নপত্রের মানদণ্ড</strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ইরানে প্রতিটি পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের পাস করানো হয়। কিন্তু আমাদের দেশে বছরে দু&rsquo;বার অনুষ্ঠিত এফসিপিএস পরীক্ষার প্রশ্নের কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড আছে বলে মনে হয় না। কখনো কোনো বিষয়ে ১০০ জন পাস করেন, আবার কখনো মাত্র ১০ জন। এতেই স্পষ্ট হয় যে, প্রশ্ন কখনো অতিরিক্ত সহজ, আবার কখনো খুব কঠিন হয়। আমার মনে হয়, এর মাধ্যমে মূলত শিক্ষার্থীদের বারবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার একটা ফাঁদ তৈরি করে রাখা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><strong>২. দ্রুত উত্তর প্রকাশ</strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ইরানে সেন্ট্রাল মেডিকেল পরীক্ষাগুলো হওয়ার পরপরই শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের গড় হিসেব করে পাসের হার (পার্সেন্টেজ) নির্ধারণ করা হয়। এমনকি পরীক্ষা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রশ্নপত্রের সঠিক উত্তর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><strong>৩. অভিযোগের সুযোগ ও মূল্যায়ন</strong></span><br />
<span style="font-size:16px">প্রশ্ন বা উত্তর নিয়ে শিক্ষার্থীদের কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলে, তারা রেফারেন্সসহ ২ দিনের মধ্যে ওয়েবসাইটে অভিযোগ জানাতে পারে। রেফারেন্স সঠিক হলে ভুল প্রশ্নটি বাতিল করা হয় কিংবা সবাইকে তার পূর্ণ নম্বর দেওয়া হয়। আবার কোনো প্রশ্নের দুটি উত্তর সঠিক হলে, দুটিকেই সঠিক ধরে নম্বর দেওয়া হয়। এফসিপিএস-এ যেহেতু ২১০ নম্বরে পাস, তাই প্রতিটি পয়েন্ট এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ সঠিক মূল্যায়নের অভাবে মাত্র ১ নম্বরের জন্য অনেককে বারবার পরীক্ষায় বসতে হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><strong>৪. ফলাফল দেখার অতিরিক্ত ফি</strong></span><br />
<span style="font-size:16px">ইরানে পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনের পর ওয়েবসাইটেই নম্বর প্রকাশ করা হয় এবং এটি দেখতে কোনো বাড়তি টাকা লাগে না। অথচ আমাদের দেশে এফসিপিএস পরীক্ষার জন্য ১১ হাজার টাকা নেওয়ার পর, আবার ফলাফল দেখার জন্য আলাদাভাবে ৫০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এটি শুধু দৃষ্টিকটুই নয়, বরং এক ধরণের চরম অন্যায্য নিয়ম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><strong>৫. শিক্ষকদের জবাবদিহিতা</strong></span><br />
<span style="font-size:16px">সেখানে মেডিকেলের কোনো পরীক্ষায় পাসের হার নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে কম হলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষকদের &#39;শোকজ&#39; করা হয়। শিক্ষার্থীদের পড়ানোর ক্ষেত্রে শিক্ষকদের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, সেই জবাবদিহিও করতে হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক ড. জিন্নাত রেহানা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34809/পরিবার-পরিকল্পনা-অধিদপ্তরের-নতুন-মহাপরিচালক-ড-জিন্নাত-রেহানা</link>
			<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 13:09:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34809/পরিবার-পরিকল্পনা-অধিদপ্তরের-নতুন-মহাপরিচালক-ড-জিন্নাত-রেহানা</guid>
			<description><![CDATA[পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিন্নাত রেহানা। বুধবার (৩ জুন)  স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো ড. জিন্নাত রেহানা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিন্নাত রেহানা। বুধবার (৩ জুন) স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, &lsquo;জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনমূলে এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ হতে অবমুক্ত হয়ে নিম্নস্বাক্ষরকারী অদ্য ০৩ জুন ২০২৬ পূর্বাহ্নে মহাপরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর), স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে যোগদান করলাম।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে, গত ১ জুন &nbsp;ড. জিন্নাত রেহানাকে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:18px"><a href="https://drive.google.com/file/d/1ORHttdeIsAp1ocwzfbtpVn5inLJQaqvp/view?usp=drive_link"><span style="color:#990000">►চিঠিটি দেখতে ক্লিক করুন</span></a></span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1ORHttdeIsAp1ocwzfbtpVn5inLJQaqvp/preview" width="340"></iframe> </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34808/মেধাক্রমের-ভিত্তিতে-ভাতা-সীমাবদ্ধ-হলে-প্রশিক্ষণার্থীরা-আর্থিক-অনিশ্চয়তায়-পড়বেন</link>
			<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 12:45:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34808/মেধাক্রমের-ভিত্তিতে-ভাতা-সীমাবদ্ধ-হলে-প্রশিক্ষণার্থীরা-আর্থিক-অনিশ্চয়তায়-পড়বেন</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএস কোর্সে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা সীমাবদ্ধ করার নীতি একজন প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসককে আর্থিক অনিশ্চয়তা ও পেশাগত সীমাবদ্ধতায় ঠেলে দেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স&nbsp;অ্যান্ড সার্জন্সের&nbsp;(বিসিপিএস) এফসিপিএস কোর্সে&nbsp;উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা সীমাবদ্ধ করার নীতি একজন প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসককে আর্থিক অনিশ্চয়তা ও পেশাগত সীমাবদ্ধতায় ঠেলে দেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এফসিপিএসের নতুন প্রশিক্ষণ নীতিমালা নিয়ে বুধবার (৩ জুন) নিজের ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক পোস্টে এই আশঙ্কা প্রকাশ&nbsp;করেন তিনি।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডাকসুর এই কার্যনির্বাহী সদস্য বলেন, বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স&nbsp;অ্যান্ড সার্জন্স&nbsp;(বিসিপিএস) কর্তৃক জারিকৃত নতুন এফসিপিএস প্রশিক্ষণ নীতিমালার কয়েকটি শর্ত গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। দেশের স্বাস্থ্যখাতের অন্যতম চালিকাশক্তি তরুণ চিকিৎসকদের প্রতি এমন নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি কেবল হতাশাজনক নয়, বরং ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্যও অশনিসংকেত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, নীতিমালায় প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বার পরিচালনা, সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান গ্রহণ এবং অন্য কোনো আয়ের উৎসের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ করা, উৎসবভাতা ও অন্যান্য আর্থিক প্রণোদনা থেকে বঞ্চিত করা এবং দীর্ঘ সময় বাধ্যতামূলক কর্মস্থলে অবস্থানের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এসব বিধান একজন চিকিৎসককে কার্যত আর্থিক অনিশ্চয়তা ও পেশাগত সীমাবদ্ধতার মধ্যে ঠেলে দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;বাস্তবতা হলো, একজন চিকিৎসক বিশেষজ্ঞ হওয়ার আগে দীর্ঘ শিক্ষাজীবন, কঠোর প্রশিক্ষণ এবং উল্লেখযোগ্য আর্থিক ব্যয় বহন করেন। সেই পর্যায়ে তার ন্যূনতম আর্থিক নিরাপত্তা, মর্যাদা ও জীবনযাত্রার বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে এমন শর্ত চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। একজন প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব প্রত্যাশা করা হবে, কিন্তু তার বিনিময়ে ন্যূনতম সম্মান ও নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হবে না, এমন নীতি ন্যায়সঙ্গত নয়&rsquo;&mdash;বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সর্ব মিত্র বলেন, &lsquo;আমি মনে করি, দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে চিকিৎসকদের অংশীদার হিসেবে দেখতে হবে। যে নীতিমালা তরুণ চিকিৎসকদের নিরুৎসাহিত করে, তাদের আর্থিকভাবে দুর্বল করে এবং পেশাগত স্বাধীনতাকে সংকুচিত করে, তা দীর্ঘমেয়াদে দক্ষ ও প্রতিযোগিতাশীল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;অতএব, বিসিপিএসের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি, চিকিৎসক সমাজের যৌক্তিক উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে এই বিতর্কিত শর্তসমূহ অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করা হোক। দেশের স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করতে হলে প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা এবং আর্থিক বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দিতে হবে&rsquo;&mdash;দাবি ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্যের।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে&nbsp;গত ১৯ মে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে জানুয়ারি থেকে জুন শিক্ষাবর্ষে এফসিপিএস-১ম পর্বে উত্তীর্ণ ৫ হাজার চার জন প্রশিক্ষণার্থীর পদায়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা অনুমোদন করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ&nbsp;ব্যাপারে</span><span style="font-size:16px">&nbsp;চিকিৎসা শিক্ষা-১ শাখার এক&nbsp;প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় প্রশিক্ষণার্থীর পদায়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির তৃতীয় সভা চলতি বছরের ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় এবং সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ সচিবের অনুমোদন লাভ করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এফসিপিএস ১ম পর্বে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়নের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর নির্ধারিত সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যাটাগরি বিন্যাস অনুসরণ করা হবে। &lsquo;এ&rsquo; ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ২৪ জন, &lsquo;বি&rsquo; ও &lsquo;সি&rsquo; ক্যাটাগরিতে ২০ জন এবং &lsquo;ডি&rsquo; ক্যাটাগরিতে ১৬ জন প্রশিক্ষণার্থী রাখার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া প্রশিক্ষক হিসেবে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এফসিপিএস বা সমমান ডিগ্রিধারী সহকারী অধ্যাপক ও সদর হাসপাতালের কনসালটেন্টদের বিবেচনা করা হবে। ইউনিট প্রধানের তত্ত্বাবধানেই প্রশিক্ষণার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নীতিমালার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক, প্রশিক্ষণার্থীদের মেধা ও পছন্দের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে পদায়ন নিশ্চিত করা। অটোমেশন প্রক্রিয়ার বাইরে কোনো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশিক্ষণার্থী গ্রহণ করতে পারবে না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া পদায়নপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থীদের নিজ নিজ উপজেলায় পাঁচ বছরের মধ্যে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত বা প্রশিক্ষণে থাকার শর্ত আরোপ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিসিন ও গাইনি অ্যান্ড অবস বিভাগে অতিরিক্ত প্রশিক্ষণার্থীর চাপ কমানো না পর্যন্ত নতুন পদায়ন বন্ধ থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সরকারি ভাতাভুক্ত প্রশিক্ষণার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতি সেশনে সর্বোচ্চ এক হাজার জনকে মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হবে। শুধুমাত্র অটোমেশন প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীরাই এ ভাতার জন্য বিবেচিত হবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জাতীয় প্রয়োজন বিবেচনায় এনাটমি, ফিজিওলজি, ফার্মাকোলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, প্যাথলজি, মাইক্রোবায়োলজি, ফরেনসিক মেডিসিন, কমিউনিটি মেডিসিন, এনেস্থেসিওলজি, ডার্মাটোলজি, হেমাটোলজি, সাইকিয়াট্রি, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন, ফ্যামিলি মেডিসিন, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন, রেডিওথেরাপি এবং রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংসহ কয়েকটি বিষয়ে পদায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিষয়ের প্রশিক্ষণার্থীদের অবশিষ্ট আসনের বিপরীতে পছন্দ ও মেধাক্রম অনুযায়ী পদায়ন করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় যারা নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হবেন, তারা পরবর্তী সেশনে অগ্রাধিকার পাবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এফসিপিএসের নতুন প্রশিক্ষণ নীতিমালা চূড়ান্ত হয়নি: বিসিপিএস</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34807/এফসিপিএসের-নতুন-প্রশিক্ষণ-নীতিমালা-চূড়ান্ত-হয়নি-বিসিপিএস</link>
			<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 11:02:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34807/এফসিপিএসের-নতুন-প্রশিক্ষণ-নীতিমালা-চূড়ান্ত-হয়নি-বিসিপিএস</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্স (বিসিপিএস) সংশ্লিষ্ট সাম্প্রতিক একটি নোটিশকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া বিভ্রান্তি ও উদ্বেগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কাউন্সিলর। তারা বলেছেন, কোথায় এবং কীভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে কিংবা পদায়নের কাঠামো কেমন হবে—এ বিষয়ে এখনো বিসিপিএস কাউন্সিল কোনো চূড়ান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। বুধবার (৩ মে) রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে বিসিপিএসের কাউন্সিলর অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর, অধ্যাপক ডা. নুরুদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. লুৎফুল আজিজ এবং অধ্যাপক ডা. সেহেরিন ফরহাদ সিদ্দিকা এ তথ্য জানান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span>&nbsp;</span></strong><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স&nbsp;অ্যান্ড সার্জন্স (বিসিপিএস) সংশ্লিষ্ট সাম্প্রতিক একটি নোটিশকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৃষ্ট&nbsp;বিভ্রান্তি ও উদ্বেগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কাউন্সিলর। তারা বলেছেন, কোথায় এবং কীভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে কিংবা পদায়নের কাঠামো কেমন হবে&mdash;এ বিষয়ে এখনো বিসিপিএস কাউন্সিল কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বুধবার (৩ মে) রাতে&nbsp;এক যৌথ বিবৃতিতে বিসিপিএসের কাউন্সিলর অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর, অধ্যাপক ডা. নুরুদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. লুৎফুল আজিজ এবং অধ্যাপক ডা. সেহেরিন ফরহাদ সিদ্দিকা এ তথ্য জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিবৃতিতে বলা হয়, &lsquo;সম্প্রতি প্রশিক্ষণ ভাতা, প্রশিক্ষণের পদায়ন ও প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা দেখা গেছে। প্রথমেই আমরা সকল বেসরকারি প্রশিক্ষণপ্রার্থীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, যোগ্য বেসরকারি প্রশিক্ষণপ্রার্থীরা প্রশিক্ষণ ভাতার আওতাভুক্ত থাকবেন। ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত বা পরিকল্পনা নেই।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা জানান, মন্ত্রণালয় সম্ভাব্য উপকারভোগীদের একটি আনুমানিক সংখ্যা নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে আর্থিক বরাদ্দ ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা যায়। অতীতের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি প্রাথমিক সংখ্যা নির্ধারণ করা হলেও এর সঙ্গে ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা সীমিত করার কোনো সম্পর্ক নেই। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় শিগগিরই একটি সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি জারি করবে বলেও জানান তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রশিক্ষণকালীন পদায়ন ও প্রশিক্ষণ কাঠামো প্রসঙ্গে কাউন্সিলররা বলেন, নতুন কাউন্সিল দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি বাস্তবসম্মত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কাঠামো প্রণয়ন করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিসিপিএস সবসময় প্রশিক্ষণের গুণগত মান, একাডেমিক উৎকর্ষ, কার্যকর মনিটরিং এবং আন্তর্জাতিক মানের পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিকেল শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রশিক্ষণের মান ক্ষুণ্ণ&nbsp;হয়&mdash;এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নেই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কাউন্সিলররা জানান, সম্প্রতি আলোচিত নোটিশটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হয়েছে। বিসিপিএসের সাংগঠনিক কাঠামো ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের পর্যায়ে রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধৈর্য ধারণ করে অফিসিয়াল সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করার অনুরোধ জানান কাউন্সিলররা। তারা বলেন, বিসিপিএসের নিজস্ব লেটারহেড ও অফিসিয়াল মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ছাড়া অন্য কোনো তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ। একই সঙ্গে চিকিৎসা শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ও একাডেমিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমান কাউন্সিল কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>গ্রামে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা জোরদারে প্রতিটি হাসপাতালে নারী-পুরুষ ফিজিওথেরাপিস্ট থাকবেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34806/গ্রামে-স্বাস্থ্য-ব্যবস্থা-জোরদারে-প্রতিটি-হাসপাতালে-নারী-পুরুষ-ফিজিওথেরাপিস্ট-থাকবেন-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 21:09:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34806/গ্রামে-স্বাস্থ্য-ব্যবস্থা-জোরদারে-প্রতিটি-হাসপাতালে-নারী-পুরুষ-ফিজিওথেরাপিস্ট-থাকবেন-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[গ্রামীণ চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদারে প্রতিটি হাসপাতালে একজন করে নারী ও পুরুষ ফিজিওথেরাপিস্ট পদ থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ বুধবার (৩ জুন) সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নিজ সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">গ্রামীণ চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদারে প্রতিটি হাসপাতালে একজন করে নারী ও পুরুষ ফিজিওথেরাপিস্ট পদ থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (৩ জুন) সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নিজ সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ৪৯২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে বাকি ৮টি উপজেলায় ১০০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে। এ ছাড়া যেখানে নতুন ভবন প্রয়োজন, সেখানে নতুন ভবন করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;হাসপাতালগুলোকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কার্যক্রম নতুনভাবে করার জন্য আজকে থেকে শুরু করছি। সেই হিসেবে জনবল ও যন্ত্রপাতি দেওয়ার জন্য প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে নিয়ে একটি মিটিংয়ে নির্দেশনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান&rsquo;&mdash;জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পাঁচটি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যার শিশু বিশেষায়িত হাসপাতাল হবে। এই হাসপাতালগুলো আগামী ছয় মাসের মধ্যে উদ্বোধন করা হবে। এসব হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল ও সুযোগ সুবিধা থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, চায়না-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যাগে ৫টি বড় শহরে নারী ও মহিলাদের জন্য এক হাজার শয্যার বড় হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। এই হাসপাতালগুলো আধুনিক ডিজাইনে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দুর্নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে সহজ ও জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের শিক্ষার্থীরা অমানবিক পরিবেশে জীবন যাপন করেন। বিগত ১৭ বছরের দুর্নীতি ও অবহেলায় স্বাস্থ্য খাতে কোনো কাজ হয়নি। আমরা সেই দুর্নীতির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে একটি দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা খাত তথা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, আমাদের সেবক ও ডাক্তারদের আবাসন ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় এক হাজার ১০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নতুন আবাসিক ভবন নির্মাণ করতে যাচ্ছি।&rsquo; </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এফসিপিএস কোর্সের নতুন নীতিমালা সংশোধনের আহ্বান এনডিএফের</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34805/এফসিপিএস-কোর্সের-নতুন-নীতিমালা-সংশোধনের-আহ্বান-এনডিএফের</link>
			<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 20:06:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34805/এফসিপিএস-কোর্সের-নতুন-নীতিমালা-সংশোধনের-আহ্বান-এনডিএফের</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) ঘোষিত নতুন প্রশিক্ষণ নীতিমালা সংশোধন করে চিকিৎসকদের স্বার্থ সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন। আজ বুধবার (৩ জুন) সংগনটির অফিস সম্পাদক ডা. একেএম জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> </span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স&nbsp;অ্যান্ড সার্জন্সের&nbsp;(বিসিপিএস) এফসিপিএস কোর্সের নতুন প্রশিক্ষণ নীতিমালা সংশোধন করে চিকিৎসকদের স্বার্থ সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন&nbsp;ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম&nbsp;(এনডিএফ)।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (৩ জুন) এক&nbsp;সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের&nbsp;সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন এ আহ্বান জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনডিএফের অফিস সম্পাদক ডা. একেএম জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি ঘোষিত নতুন প্রশিক্ষণ নীতিমালা নিয়ে চিকিৎসক সমাজে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এনডিএফের মতে, বর্তমান বাস্তবতায় নীতিমালার কিছু শর্ত নবীন প্রশিক্ষণার্থী&nbsp;চিকিৎসকদের আর্থিক নিরাপত্তা, পারিবারিক জীবন এবং উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণের আগ্রহের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংগঠনটির নেতারা বলেন, উচ্চতর কোর্সে অধ্যয়নরত বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের জন্য পর্যাপ্ত ভাতা প্রাপ্তির&nbsp;অনিশ্চয়তা, উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও রিসোর্স ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদি স্থানান্তরভিত্তিক প্রশিক্ষণের নির্দেশনা এবং নারী প্রশিক্ষণার্থী জন্য বিদ্যমান পারিবারিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ চিকিৎসকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাদের মতে, বাস্তবতাবিবর্জিত এ ধরনের নীতিমালা উচ্চতর প্রশিক্ষণে চিকিৎসকদের আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে। একই সঙ্গে বিদেশমুখী প্রবণতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে&nbsp;প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের জন্য সম্মানজনক ভাতা, আর্থিক নিরাপত্তা, যৌক্তিক কর্মঘণ্টা, নিরাপদ আবাসন এবং নারী প্রশিক্ষণার্থীর জন্য বিশেষ সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানায় এনডিএফ। পাশাপাশি নীতিমালা বাস্তবায়নের আগে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনারও আহ্বান জানায় তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য উচ্চতর প্রশিক্ষণ যেমন জরুরি, তেমনি প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>উপজেলায় এফসিপিএস প্রশিক্ষণের কাঠামো নেই, নীতিমালা সংশোধন হবে: বিসিপিএস</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34804/উপজেলায়-এফসিপিএস-প্রশিক্ষণের-কাঠামো-নেই-নীতিমালা-সংশোধন-হবে-বিসিপিএস</link>
			<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 20:06:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34804/উপজেলায়-এফসিপিএস-প্রশিক্ষণের-কাঠামো-নেই-নীতিমালা-সংশোধন-হবে-বিসিপিএস</guid>
			<description><![CDATA[উপজেলায় এফসিপিএস প্রশিক্ষণের কাঠামো ও প্রশিক্ষক নেই। তাই সেখানে কখনোই প্রশিক্ষণের কথা বিবেচনা করেনি বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্স (বিসিপিএস)। প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসদের পদায়ন ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালায় সমন্বয়হীনতার জন্য উপজেলায় দুই বছরের প্রশিক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বিসিপিএসের কথা হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালায় এটি বাদ যাবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> উপজেলায় এফসিপিএস প্রশিক্ষণের কাঠামো ও প্রশিক্ষক নেই। তাই সেখানে কখনোই প্রশিক্ষণের কথা বিবেচনা করেনি বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্স (বিসিপিএস)। সমন্বয়হীনতার জন্য উপজেলায় দুই বছরের প্রশিক্ষণের বিষয়টি নতুন নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ&nbsp;নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বিসিপিএসের কথা হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালায় এটি বাদ যাবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><em><strong>বিসিপিএস সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা আজ বুধবার (৩ জুন) বিকেলে মুঠোফোনে মেডিভয়েসকে</strong></em> এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নোটিসে উপজেলা প্রশিক্ষণের বিষয়ে বিসিপিএস অবগত কিনা&mdash;এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের জ্ঞাতার্থে হয়ইনি, প্রশ্নই আসে না। কারণ আমাদের (বিসিপিএস) নীতিমালায় এটা নেই। ... যাক, কোনো না কোনো&nbsp;<br />
সমন্বয়ের ঘাটতির জন্য হয়েছে। আমি মন্ত্রণালয়কেও দোষ দেবো না। আজ দুপুরে আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছি। মন্ত্রণালয় খুব ভালোভাবে বিষয়টি অনুধাবন করেছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;তারা (মন্ত্রণালয়) বলেছেন, ও আচ্ছা&mdash;উপজেলায় তো আসলে প্রশিক্ষণ হওয়ার কথা না। এটা আমরা সংশোধন করে নিচ্ছি&rsquo;&mdash;উল্লেখ করেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ফোনালাপে উপজেলায় নেওয়া প্রশিক্ষণ কোর্সে গণ্য না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেন বিসিপিএস সভাপতি। বলেন, &lsquo;উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের সেবা হচ্ছে, এটা ঠিক আছে। কিন্তু সেখানে এফসিপিএস প্রশিক্ষণের অবকাঠামোও নেই, প্রশিক্ষকও নেই। বিদ্যমান অবস্থায় উপজেলায় সুপারভাইজড স্টাকচারড ট্রেনিং সম্ভব নয় বিধায় বিসিপিএস উপজেলায় কখনোই প্রশিক্ষণ বিবেচনা করেনি এবং এখনো করছে না।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাহলে নীতিমালায় দুই বছর প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করার&nbsp;বিষয়ে আপনাদের বক্তব্য কী? এ ব্যাপারে তাঁর পরিষ্কার জবাব, &lsquo;আমরা এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কথা বলেছি। বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে, তারা আমলে নিয়েছেন এবং এটা সংশোধন করে নেবেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিসিপিএস সভাপতি বলেন, &lsquo;প্রশিক্ষণার্থীদের ৯৭-৯৮ ভাগ মেডিকেল কলেজ বা বড় বড় ইনসিটিটিউটগুলোতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। বাকি ১-২ ভাগ বিসিপিএস স্বীকৃত জেলায় ছয় মাসের জন্য প্রশিক্ষণ নিয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত </span><span style="font-size:16px">১৯ মে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে জানুয়ারি থেকে জুন শিক্ষাবর্ষে এফসিপিএস-১ম পর্বে উত্তীর্ণ ৫ হাজার চার জন প্রশিক্ষণার্থীর পদায়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা অনুমোদন করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ&nbsp;ব্যাপারে</span><span style="font-size:16px">&nbsp;চিকিৎসা শিক্ষা-১ শাখার এক&nbsp;প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় প্রশিক্ষণার্থীর পদায়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির তৃতীয় সভা চলতি বছরের ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় এবং সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ সচিবের অনুমোদন লাভ করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এফসিপিএস ১ম পর্বে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়নের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর নির্ধারিত সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যাটাগরি বিন্যাস অনুসরণ করা হবে। &lsquo;এ&rsquo; ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ২৪ জন, &lsquo;বি&rsquo; ও &lsquo;সি&rsquo; ক্যাটাগরিতে ২০ জন এবং &lsquo;ডি&rsquo; ক্যাটাগরিতে ১৬ জন প্রশিক্ষণার্থী রাখার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া প্রশিক্ষক হিসেবে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এফসিপিএস বা সমমান ডিগ্রিধারী সহকারী অধ্যাপক ও সদর হাসপাতালের কনসালটেন্টদের বিবেচনা করা হবে। ইউনিট প্রধানের তত্ত্বাবধানেই প্রশিক্ষণার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নীতিমালার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক, প্রশিক্ষণার্থীদের মেধা ও পছন্দের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে পদায়ন নিশ্চিত করা। অটোমেশন প্রক্রিয়ার বাইরে কোনো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশিক্ষণার্থী গ্রহণ করতে পারবে না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া পদায়নপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থীদের নিজ নিজ উপজেলায় পাঁচ বছরের মধ্যে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত বা প্রশিক্ষণে থাকার শর্ত আরোপ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিসিন ও গাইনি অ্যান্ড অবস বিভাগে অতিরিক্ত প্রশিক্ষণার্থীর চাপ কমানো না পর্যন্ত নতুন পদায়ন বন্ধ থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সরকারি ভাতাভুক্ত প্রশিক্ষণার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতি সেশনে সর্বোচ্চ এক হাজার জনকে মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হবে। শুধুমাত্র অটোমেশন প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীরাই এ ভাতার জন্য বিবেচিত হবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জাতীয় প্রয়োজন বিবেচনায় এনাটমি, ফিজিওলজি, ফার্মাকোলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, প্যাথলজি, মাইক্রোবায়োলজি, ফরেনসিক মেডিসিন, কমিউনিটি মেডিসিন, এনেস্থেসিওলজি, ডার্মাটোলজি, হেমাটোলজি, সাইকিয়াট্রি, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন, ফ্যামিলি মেডিসিন, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন, রেডিওথেরাপি এবং রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংসহ কয়েকটি বিষয়ে পদায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিষয়ের প্রশিক্ষণার্থীদের অবশিষ্ট আসনের বিপরীতে পছন্দ ও মেধাক্রম অনুযায়ী পদায়ন করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় যারা নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হবেন, তারা পরবর্তী সেশনে অগ্রাধিকার পাবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এফসিপিএস পার্ট-১: নতুন নীতিমালা বাতিলের দাবিতে রমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিক্ষোভ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34803/এফসিপিএস-পার্ট-১-নতুন-নীতিমালা-বাতিলের-দাবিতে-রমেকে-ইন্টার্ন-চিকিৎসকদের-বিক্ষোভ</link>
			<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 18:59:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34803/এফসিপিএস-পার্ট-১-নতুন-নীতিমালা-বাতিলের-দাবিতে-রমেকে-ইন্টার্ন-চিকিৎসকদের-বিক্ষোভ</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএসে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রমেকহা) ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। আজ বুধবার (৩ জুন) দুপুর ১২ টায় হাসপাতাল প্রাঙ্গনে রমেকহা ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির ব্যানারে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএসে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রমেকহা) ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (৩ জুন) দুপুর ১২ টায় হাসপাতাল প্রাঙ্গনে রমেকহা ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির ব্যানারে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সমাবেশে বক্তারা বলেন, এফসিপিএস প্রশিক্ষণার্থী চিকিৎসকদের জন্য বিসিপিএস যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা মনে করি, এ ধরনের সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের বিদেশমুখী হতে বাধ্য করবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বক্তারা আরও বলেন, যেখানে এফসিপিএস প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও সহজ করার প্রয়োজন ছিল, সেখানে নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা আরও কঠিন করে তোলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে দুই বছর উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সেখানে আমরা কার তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ নেব? এফসিপিএস প্রশিক্ষণের মূল ভিত্তিই হলো অভিজ্ঞ অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সরাসরি তত্ত্বাবধান। উপজেলা পর্যায়ে কোন কাঠামো নেই, সেক্ষেত্রে আমরা কীভাবে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করবো?</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা বলেন, একজন চিকিৎসকের এফসিপিএস সম্পন্ন করতে করতে ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়স হয়ে যায়। এত দীর্ঘ প্রশিক্ষণকালেও যদি কোনো ভাতা বা আর্থিক সহায়তা না থাকে, তাহলে তাদের জীবনযাপন কীভাবে সম্ভব হবে? এ বয়সে এসেও যদি একজন চিকিৎসককে মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে পরিবারের ওপর নির্ভর করতে হয়, তা অত্যন্ত লজ্জাজনক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দাবি আদায়ে পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে বক্তারা বলেন, আমরা বিসিপিএসের জারি করা এই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত মেনে নেওয়া না হলে সারাদেশের ইন্টার্ন &nbsp;চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এসময় আরও কিছু দাবি তুলে ধরে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এর মধ্যে রয়েছে, এক্সাম ফি কমিয়ে ৫০০-১০০০ টাকার মধ্যে করা, বিসিএস পরীক্ষার বয়স সীমা বাড়ানো, চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য আইন প্রণয়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বেতন ৩০ হাজার, ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন ৫০ হাজার করা,নতুন নতুন মেডিকেল কলেজের অনুমোদন বন্ধ করে, মানহীন মেডিকেল কলেজগুলো উন্নত করা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>নরসিংদী জেলা হাসপাতালকে ১০০ হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের নির্দেশ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34802/নরসিংদী-জেলা-হাসপাতালকে-১০০-হতে-২৫০-শয্যায়-উন্নীতকরণের-নির্দেশ</link>
			<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 17:03:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34802/নরসিংদী-জেলা-হাসপাতালকে-১০০-হতে-২৫০-শয্যায়-উন্নীতকরণের-নির্দেশ</guid>
			<description><![CDATA[নরসিংদী জেলা হাসপাতালকে ১০০ হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">নরসিংদী জেলা হাসপাতালকে ১০০ হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২ জুন) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, &lsquo;অর্থ বিভাগের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে, এ সংক্রান্ত যাবতীয় বিধি-বিধান, আনুষ্ঠানিকতা ও নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্তে জেলা হাসপাতাল, নরসিংদীর শয্যা সংখ্যা ১০০ হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন নির্দেশক্রমে প্রদান করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1pk5MQ3P5RtQpdz5dP6g2VdM2uXvdbH0s/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><span style="font-size:16px"><strong>►অফিস আদেশটি দেখতে ক্লিক করুন</strong></span></span></a></p>

<p style="text-align:justify"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1pk5MQ3P5RtQpdz5dP6g2VdM2uXvdbH0s/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ড্যাব নেতাদের তোপের মুখে কার্যালয় ছাড়লেন সোহরাওয়ার্দীর পরিচালক</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34801/ড্যাব-নেতাদের-তোপের-মুখে-কার্যালয়-ছাড়লেন-সোহরাওয়ার্দীর-পরিচালক</link>
			<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 16:23:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34801/ড্যাব-নেতাদের-তোপের-মুখে-কার্যালয়-ছাড়লেন-সোহরাওয়ার্দীর-পরিচালক</guid>
			<description><![CDATA[পতিত সরকার আওয়ামীলীগের দোসর আখ্যা দিয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মামুনুর রশীদকে কার্যালয় ত্যাগ করতে বাধ্য করেছে বিএনপি সমর্থক চিকিৎসক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, নার্স এবং ছাত্রদলের নেতারা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে বিএনপি সমর্থিত&nbsp;চিকিৎসকদের সংগঠন&nbsp;ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বাংলাদেশের&nbsp;(ড্যাব) সমর্থকদের&nbsp;প্রতিবাদের মুখে নিজ কার্যালয় ছেড়ে গেছেন&nbsp;শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মামুনুর রশীদ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (৩ জুন)&nbsp;ড্যাবের&nbsp;চিকিৎসক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, নার্স ও ছাত্রদলের নেতাদের জোটবদ্ধ প্রতিরোধের&nbsp;মুখে কার্যালয় ত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রত্যক্ষদর্শীসূত্রে জানা যায়, সাড়ে ১০টার দিকে&nbsp;দায়িত্ব পালন করছিলেন&nbsp;ডা. মামুনুর রশীদ। এ সময় তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগপন্থি চিকিৎসক হওয়ার সত্ত্বেও কোন ক্ষমতাবলে হাসপাতালের পরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছেন&mdash;এমন প্রশ্নের সম্মুখিন হন। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময়আওয়ামী লীগপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদে (স্বাচিপ) তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে বলে দাবি করে&nbsp;তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। তাঁর নেতৃত্বে হাসপাতালের কোনো চিকিৎসক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও নার্সরা কাজ করবে না বলে জানায় বিক্ষোভকারীরা। তাঁকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্যও বলেন বিক্ষোভকারীরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিক্ষোভকালে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো&nbsp;আংশিক সত্য বলে গণমাধ্যমে কাছে&nbsp;স্বীকার করেন&nbsp;ডা. মামুনুর রশিদ। তিনি দাবি করেন&nbsp;বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে স্বাচিপের সঙ্গে যুক্ত হতে বাধ্য হয়েছিলেন। যদিও তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক জীবন বিএনপিপন্থি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও জানান, বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি মন্ত্রণালয়ে যাবেন এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে গ্রহণ করবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আন্দোলনকারীদের দাবি, মামুনুর রশিদ ফ্যাসিবাদ তথা আওয়ামী লীগের দোসর ছিলেন এবং তিনি তথ্য গোপন করে এই পদ&nbsp;বাগিয়ে নিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে তার নিয়োগ বাতিল করে পরিচালকের পদে এমন কাউকে নিয়োগ দিতে হবে, যারা দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত ও বঞ্চিত ছিলেন এবং এই পদের জন্য যোগ্য।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এদিকে ডা. মামুনুর রশীদ তার কার্যালয় ত্যাগ করার পর বিক্ষোভকারীরা কার্যালয়ের সামনের নামফলক (নেমপ্লেট) খুলে ফেলেন এবং চূড়ান্ত কোনো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কার্যালয়টি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমানে কার্যালয়টি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই পুরো প্রক্রিয়াটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় পরিচালক পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কার্যালয় ত্যাগ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলে হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর গত ২০ মে যোগদান করতে হাসপাতালে আসেন&nbsp;ডা. মামুনুর রশীদ।&nbsp;তখন কলেজ শাখার সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদল নেতাদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে যোগদান না করেই দ্রুত চলে যান তিনি। এর একদিন পর ২১ মে যোগদান করেন তিনি। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর&nbsp;অল্প কয়েকদিনের মাথায় আজ দুপুর ১২টার দিকে তোপের মুখে তিনি&nbsp;কার্যালয় ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বোন ম্যারো প্রতিস্থাপন ও সেল থেরাপি বিষয়ক খসড়া নীতিমালা প্রণয়নে কমিটি গঠন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34800/বোন-ম্যারো-প্রতিস্থাপন-ও-সেল-থেরাপি-বিষয়ক-খসড়া-নীতিমালা-প্রণয়নে-কমিটি-গঠন</link>
			<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 15:48:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34800/বোন-ম্যারো-প্রতিস্থাপন-ও-সেল-থেরাপি-বিষয়ক-খসড়া-নীতিমালা-প্রণয়নে-কমিটি-গঠন</guid>
			<description><![CDATA[বোন ম্যারো প্রতিস্থাপন ও সেল থেরাপি বিষয়ক খসড়া নীতিমালা প্রণয়নে কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২ জুন) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">বোন ম্যারো প্রতিস্থাপন&nbsp;ও সেল থেরাপি বিষয়ক খসড়া নীতিমালা প্রণয়নে কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২ জুন) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, &lsquo;স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ও সেল থেরাপি বিষয়ক খসড়া নীতিমালা প্রণয়নের জন্য নিম্নোক্তভাবে একটি কমিটি গঠন করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ)&nbsp;হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে। সদস্য সচিব হয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) হেমাটোলজি ও&nbsp;বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট</span><span style="font-size:16px"> (বিএমটি) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান। এ ছাড়া ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টারের হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে সদস্য করা হয়েছে কমিটিতে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কমিটির কার্যপরিধি সম্পর্কে অফিস আদেশে বলা হয়, &lsquo;কমিটি আগামী দুই মাসের মধ্যে খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করবে, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ২০২৬ এর আলোকে প্রণীতব্য বিধিমালায় কোন কোন বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন- এ সংক্রান্ত সুপারিশ প্রদান করবে এবং কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। &rsquo; </span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:18px"><a href="https://drive.google.com/file/d/1S1zlfW4f1dzN3qMXwm7hxqtFZC5hjoEK/view?usp=drive_link"><span style="color:#990000">►অফিস আদেশটি দেখতে ক্লিক করুন</span></a></span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1S1zlfW4f1dzN3qMXwm7hxqtFZC5hjoEK/preview" width="340"></iframe> </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এফসিপিএস প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নীতিমালার প্রতিবাদ ইন্টার্ন চিকিৎসকদের</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34799/এফসিপিএস-প্রশিক্ষণার্থীদের-প্রশিক্ষণ-সংক্রান্ত-নতুন-নীতিমালার-প্রতিবাদ-ইন্টার্ন-চিকিৎসকদের</link>
			<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 12:22:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34799/এফসিপিএস-প্রশিক্ষণার্থীদের-প্রশিক্ষণ-সংক্রান্ত-নতুন-নীতিমালার-প্রতিবাদ-ইন্টার্ন-চিকিৎসকদের</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস্ এন্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএসে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা অনুমোদনের প্রতিবাদ জানিয়ে নতুন এই সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ৬ দফা দাবিতে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংগঠনগুলো। দাবিগুলো বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড&nbsp;সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএসে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালার প্রতিবাদ জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ৬ দফা দাবিতে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংগঠনগুলো। দাবিগুলো বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (৩ জুন) ডক্টরস মুভমেন্ট ফর জাস্টিস, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটিসহ&nbsp;বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা বিবৃতিতে এসব দাবি তুলে ধরেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পদায়নপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থীদের পাঁচ বছরের মধ্যে ন্যূনতম দুই বছর নিজ নিজ উপজেলায় কর্মরত বা প্রশিক্ষণে থাকার শর্ত আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি ভাতাভুক্ত প্রশিক্ষণার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতি সেশনে সর্বোচ্চ এক হাজার জনকে মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হবে। শুধুমাত্র অটোমেশন প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীরাই এ ভাতা পাওয়ার&nbsp;জন্য বিবেচিত হবেন। পদায়নের নতুন নীতিমালার এসব সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিবৃতিতে উপস্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে&mdash;এফসিপিএস প্রশিক্ষণসংক্রান্ত স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চলতি বছরের ১৯ মে জারি করা সিদ্ধান্ত আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারি করা। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং এই সংক্রান্ত অপরাধের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের নবম গ্রেডের সমমানের বেতন প্রদান এবং বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা। বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর নির্ধারণের দাবিও রয়েছে তাদের।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বলেছেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) ২০২৫ অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করে বিএমডিসির বাইরে অবৈধভাবে চিকিৎসক পরিচয়দানকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে বিসিপিএস ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সব ভর্তি পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা নির্ধারণের আহ্বান জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, উত্থাপিত দাবিগুলো শুধু চিকিৎসকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নয়, বরং দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার সঙ্গেও সম্পর্কিত। দ্রুত দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংগঠনটিগুলোর পক্ষ থেকে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি মেনে নেওয়া না হলে চিকিৎসক সমাজ দেশব্যাপী আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অভিন্ন দাবিতে বিবৃতি দিয়েছে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়াদী মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন ডক্টরস কমিটি (আইডিসি), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের&nbsp;ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন এবং&nbsp;বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>৪৯২ উপজেলার ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34798/৪৯২-উপজেলার-৫০-শয্যার-হাসপাতালকে-১০১-শয্যায়-উন্নীত-করা-হবে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 11:23:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34798/৪৯২-উপজেলার-৫০-শয্যার-হাসপাতালকে-১০১-শয্যায়-উন্নীত-করা-হবে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[দেশের ৪৯২ উপজেলার ৫০ শয্যার সরকারি হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সেখানে থাকবে বিশেষায়িত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) সুবিধা। আজ বুধবার (৩ জুন) সকালে এই কথা জানান তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span> দেশের ৪৯২ উপজেলার ৫০ শয্যার সরকারি হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সেখানে থাকবে&nbsp;নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র&nbsp;(আইসিইউ) সুবিধা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (৩ জুন) সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নিজ সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে গণপূর্ত বিভাগ এ নিয়ে আজ কাজ শুরু করেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">৪৯২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে জানিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, বাকি ৮টি উপজেলায় ১০০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে। এ ছাড়া যেখানে নতুন ভবন প্রয়োজন, সেখানে নতুন ভবন করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;হাসপাতালগুলোকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কার্যক্রম নতুনভাবে করার জন্য আজকে থেকে শুরু করছি। সেই হিসাবে জনবল যন্ত্রপাতি দেওয়ার জন্য প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে একটি মিটিং করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশনা প্রদান করেছেন&rsquo;&mdash;জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ চিকিৎসা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য প্রত্যেকটি হাসপাতালতে একজন নারী ফিজিওথেরাপিস্ট ও একজন পুরুষ ফিজিওথেরাপিস্ট পদ থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পাঁচটি বিভাগীয় শহরে ২০০ শয্যার শিশু বিশেষায়িত হাসপাতাল হবে। এই হাসপাতালগুলো আগামী ছয় মাসের মধ্যে উদ্বোধন করা হবে। এসব হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবল ও সুযোগ সুবিধা থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, চায়না-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যাগে ৫টি বড় শহরে নারী ও মহিলাদের জন্য এক হাজার শয্যার বড় হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। এই হাসপাতালগুলো আধুনিক ডিজাইনে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দুর্নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে সহজ ও জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক)&nbsp;হাসপাতালের শিক্ষার্থীরা অমানবিক পরিবেশে জীবন যাপন করেন। বিগত ১৭ বছরের দুর্নীতি ও অবহেলায় স্বাস্থ্য খাতে কোনো কাজ হয়নি। আমরা সেই দুর্নীতির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে একটি দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা খাত তথা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, আমাদের সেবক ও ডাক্তারদের আবাসন ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় এক হাজার ১০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নতুন আবাসিক ভবন নির্মাণ করতে যাচ্ছি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সহকারী অধ্যাপক হলেন নয় চিকিৎসক</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34797/সহকারী-অধ্যাপক-হলেন-নয়-চিকিৎসক</link>
			<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 11:01:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34797/সহকারী-অধ্যাপক-হলেন-নয়-চিকিৎসক</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের আরও পাঁচ জন চিকিৎসককে সহকারী অধ্যাপক পদে নতুন কর্মস্থলে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২ জুন) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</span></span></strong><span style="font-size:16px">সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের নয় জন চিকিৎসক। মঙ্গলবার (২ জুন) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p><span style="font-size:16px">সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, ডা. আরিফা আক্তারকে সহকারী অধ্যাপক (ফিজিওলজি) হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি রেখে মুগদা মেডিকেল কলেজ, ঢাকায় সংযুক্ত করা হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">নাটোর সদর হাসপাতালে কর্মরত ডা. মোছা. শামীমা পারভীনকে সহকারী অধ্যাপক (গাইনি অ্যান্ড অবস) করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পদায়ন করা হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) ডা. মোছা. মর্জিনা খাতুনকে সহকারী অধ্যাপক (গাইনি অ্যান্ড অবস) করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরও দুই বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. জান্নাতুন নাহারকে সহকারী অধ্যাপক (রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং) করে খুলনা মেডিকেল কলেজে এবং ডা. রেফায়াত যোবায়রাকে সহকারী অধ্যাপক (গাইনি অ্যান্ড অবস) হিসেবে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংযুক্ত রাখা হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেডিওলজিস্ট ডা. শারমিন রেজা শুচিকে সহকারী অধ্যাপক (রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং) হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) রেখে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পারফিউশনিস্ট ডা. তানভীর হায়াতকে সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) পদে ইনসিটু পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">রাজশাহীর পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. নিশাত আনাম বর্ণীকে সহকারী অধ্যাপক (গাইনি অ্যান্ড অবস) হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে (ওএসডি) রেখে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে (রামেক) সংযুক্ত করা হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">এদিকে, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) সহকারী অধ্যাপক (কলোরেক্টাল সার্জারি) ডা. মো. আরিফুল আলম সুমনকে একই পদে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পদায়ন করা হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, পদায়নকৃত কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও অবমুক্তির সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ, এইচআরএম ডাটাবেজে মুভ আউট এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর মুভ ইন সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1vqFM6v3G40j0akn6WPsffSZI2RtpnjOn/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">►প্রজ্ঞাপনটি দেখতে ক্লিক করুন</span></strong></span></a></p>

<iframe src="https://drive.google.com/file/d/1vqFM6v3G40j0akn6WPsffSZI2RtpnjOn/preview" width="340" height="180"></iframe>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এফসিপিএস পার্ট-১: জানুয়ারিতে উত্তীর্ণ ৫০০৪ প্রশিক্ষণার্থীর পদায়ন অনুমোদন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34796/এফসিপিএস-পার্ট-১-জানুয়ারিতে-উত্তীর্ণ-৫০০৪-প্রশিক্ষণার্থীর-পদায়ন-অনুমোদন</link>
			<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 18:58:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34796/এফসিপিএস-পার্ট-১-জানুয়ারিতে-উত্তীর্ণ-৫০০৪-প্রশিক্ষণার্থীর-পদায়ন-অনুমোদন</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস্ এন্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএস ১ম পর্বে উত্তীর্ণ ৫ হাজার চার জন প্রশিক্ষণার্থীর পদায়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা অনুমোদন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস্ এন্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএস-১ম পর্বে উত্তীর্ণ ৫ হাজার চার জন প্রশিক্ষণার্থীর পদায়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা অনুমোদন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা শিক্ষা-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। নীতিমালাটি প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির তৃতীয় সভা চলতি বছরের ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছিলো&nbsp;এবং সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ সচিবের অনুমোদন লাভ করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এফসিপিএস ১ম পর্বে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়নের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর নির্ধারিত সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যাটাগরি বিন্যাস অনুসরণ করা হবে। &lsquo;এ&rsquo; ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ২৪ জন, &lsquo;বি&rsquo; ও &lsquo;সি&rsquo; ক্যাটাগরিতে ২০ জন এবং &lsquo;ডি&rsquo; ক্যাটাগরিতে ১৬ জন প্রশিক্ষণার্থী রাখার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া প্রশিক্ষক হিসেবে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এফসিপিএস বা সমমান ডিগ্রিধারী সহকারী অধ্যাপক ও সদর হাসপাতালের কনসালটেন্টদের বিবেচনা করা হবে। ইউনিট প্রধানের তত্ত্বাবধানেই প্রশিক্ষণার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নীতিমালার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক, প্রশিক্ষণার্থীদের মেধা ও পছন্দের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে পদায়ন নিশ্চিত করা। অটোমেশন প্রক্রিয়ার বাইরে কোনো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশিক্ষণার্থী গ্রহণ করতে পারবে না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া পদায়নপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থীদের নিজ নিজ উপজেলায় পাঁচ বছরের মধ্যে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত বা প্রশিক্ষণে থাকার শর্ত আরোপ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিসিন ও গাইনি অ্যান্ড অবস বিভাগে অতিরিক্ত প্রশিক্ষণার্থীর চাপ কমানো না পর্যন্ত নতুন পদায়ন বন্ধ থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সরকারি ভাতাভুক্ত প্রশিক্ষণার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতি সেশনে সর্বোচ্চ এক হাজার জনকে মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হবে। শুধুমাত্র অটোমেশন প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীরাই এ ভাতার জন্য বিবেচিত হবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জাতীয় প্রয়োজন বিবেচনায় এনাটমি, ফিজিওলজি, ফার্মাকোলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, প্যাথলজি, মাইক্রোবায়োলজি, ফরেনসিক মেডিসিন, কমিউনিটি মেডিসিন, এনেস্থেসিওলজি, ডার্মাটোলজি, হেমাটোলজি, সাইকিয়াট্রি, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন, ফ্যামিলি মেডিসিন, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন, রেডিওথেরাপি এবং রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংসহ কয়েকটি বিষয়ে পদায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিষয়ের প্রশিক্ষণার্থীদের অবশিষ্ট আসনের বিপরীতে পছন্দ ও মেধাক্রম অনুযায়ী পদায়ন করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় যারা নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হবেন, তারা পরবর্তী সেশনে অগ্রাধিকার পাবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>দেশে হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34795/দেশে-হাম-উপসর্গে-আরও-৬-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 18:23:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34795/দেশে-হাম-উপসর্গে-আরও-৬-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে হামের নিশ্চিত সংক্রমণে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে হামের নিশ্চিত সংক্রমণে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫৯৪ জনে দাঁড়িয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে হামের নিশ্চিত সংক্রমণে কোনো মৃত্যু না হলেও উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫০৪ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">একই সময়ে দেশে নতুন করে ৪২ জনের শরীরে হামের নিশ্চিত সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ১৩৬ জনে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ২৯২ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট সন্দেহভাজন হামের সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৩৬২ জনে পৌঁছেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>দেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা শূন্যে নামানোর প্রস্তুতি সরকারের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34794/দেশে-ডেঙ্গু-রোগীর-সংখ্যা-শূন্যে-নামানোর-প্রস্তুতি-সরকারের-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 15:40:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34794/দেশে-ডেঙ্গু-রোগীর-সংখ্যা-শূন্যে-নামানোর-প্রস্তুতি-সরকারের-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বর্তমানে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা চার জন। এই সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> দেশে&nbsp;বর্তমানে ডেঙ্গু&nbsp;রোগী সংখ্যা চার জন। এই সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন&nbsp;স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে</span>&nbsp;<span style="font-size:16px">সচিবালয়ে&nbsp;মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে</span><span style="font-size:16px">&nbsp;রাজধানীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা কার্যক্রম উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে শোভাযাত্রা ও বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালিত হবে। আগামী তিন মাস এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও&nbsp;বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকে চিকিৎসকদের জন্য ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হবে। একই সঙ্গে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সিটি করপোরেশনগুলো মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও জানান, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসাসেবায় সহায়তার জন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে তাদের মোট শয্যার ১০ শতাংশ সংরক্ষণ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডেঙ্গু শনাক্তকরণ পরীক্ষার খরচেও ৮০ শতাংশ ফ্রি থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডেঙ্গু প্রতিরোধে টিকার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ রোগের ভ্যাকসিন এখনো বিশ্বব্যাপী সর্বজনীনভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। তাই আপাতত দেশে ডেঙ্গুর টিকাদান কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা নেই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, চলতি বছরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি কোন মাত্রায় পৌঁছাবে তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শেরপুরে হচ্ছে নতুন মেডিকেল কলেজ, স্থান পরিদর্শনের নির্দেশ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34793/শেরপুরে-হচ্ছে-নতুন-মেডিকেল-কলেজ-স্থান-পরিদর্শনের-নির্দেশ</link>
			<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 14:52:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34793/শেরপুরে-হচ্ছে-নতুন-মেডিকেল-কলেজ-স্থান-পরিদর্শনের-নির্দেশ</guid>
			<description><![CDATA[প্রস্তাবিত শেরপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের লক্ষ্যে একটি পরিদর্শন কমিটি গঠন করেছে সরকার। যা আগামী ৮ জুন সরেজমিনে পরিদর্শন করবে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;অবশেষে প্রস্তাবিত শেরপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের&nbsp;পরিদর্শন কমিটি গঠন করেছে সরকার। যা আগামী সোমবার (৮ জুন)&nbsp; সরেজমিনে সম্ভাব্য স্থান&nbsp;পরিদর্শন করবে বলে জানা গেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১ জুন) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের চিকিৎসা শিক্ষা শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাকি মো. জাকিউল আলমের জারি করা এক অফিস আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আদেশ অনুযায়ী, নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের উপযোগিতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে আগামী ৮ জুন সকাল ১০টায় প্রস্তাবিত শেরপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকা পরিদর্শন করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরিদর্শন কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন)। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন&mdash; সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিনের ডীন, জামালপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) কর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধি এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের প্রতিনিধি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়েছে, কমিটির সদস্যরা নির্ধারিত সময়ে প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন এবং পরিদর্শন শেষে মতামতসহ প্রতিবেদন সাত কর্মদিবসের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে দাখিল করবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে জানিয়ে&nbsp;পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী স্ব-স্ব কর্মস্থল থেকে টিএ অথবা ডিএ প্রাপ্য হবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া&nbsp;এই আদেশ জারির আগে মহাপরিচালকের সম্মতি নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন জেলায় চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শেরপুরে সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের&nbsp;সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/19UmTWQF-PUr2vgmEypRqXnLT-2p9dHi7/view?usp=sharing" target="_top"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">আদেশটি দেখতে ক্লিক করুন</span></strong></span></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/19UmTWQF-PUr2vgmEypRqXnLT-2p9dHi7/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ই-সিগারেট, ভেপসহ সব তামাকপণ্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে: প্রজ্ঞা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34792/ই-সিগারেট-ভেপসহ-সব-তামাকপণ্যের-বিরুদ্ধে-পদক্ষেপ-নিতে-হবে-প্রজ্ঞা</link>
			<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 15:23:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34792/ই-সিগারেট-ভেপসহ-সব-তামাকপণ্যের-বিরুদ্ধে-পদক্ষেপ-নিতে-হবে-প্রজ্ঞা</guid>
			<description><![CDATA[ই-সিগারেট, ভেপিংসহ অন্যান্য নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্য নিষিদ্ধের বিধান আইন থেকে বাদ দেওয়ায় তরুণদের মধ্যে নতুন ধরনের নিকোটিন আসক্তি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা)।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">ই-সিগারেট, ভেপিংসহ অন্যান্য নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্য নিষিদ্ধের বিধান আইন থেকে বাদ দেওয়ায় তরুণদের মধ্যে নতুন ধরনের নিকোটিন আসক্তি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমন পরিস্থিতিতে তামাক ও নিকোটিন আসক্তির ফাঁদ থেকে তরুণদের সুরক্ষায় ই-সিগারেট ও ভেপিংসহ সব নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্যের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোববার (৩১ মে) বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞা বলেছে, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন পাশের মাধ্যমে বাংলাদেশ তামাক নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে ই-সিগারেট, ভেপিং, নিকোটিন পাউচ ও অন্যান্য নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্য নিষিদ্ধের বিধান আইন থেকে বাদ দেওয়ায় তরুণদের মধ্যে নতুন ধরনের নিকোটিন আসক্তি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;তামাক ও নিকোটিন কোম্পানিগুলো তামাকপণ্যকে নতুন রূপে, নতুন মোড়কে এবং আগ্রাসী প্রচারের মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও তরুণদের কাছে বিশেষভাবে উপস্থাপন করছে। কোম্পানিগুলো মূলত তরুণদের টার্গেট করেই নতুন প্রজন্মের পণ্যকে নিরাপদ বা কম ক্ষতিকর হিসেবে প্রচার করছে, যা মোটেও সত্য নয়&rsquo;- প্রজ্ঞা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩ দশমিক ৭৮ কোটি মানুষ তামাক ব্যবহার করে এবং তামাকজনিত রোগে বছরে প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা তামাক খাত থেকে আহরিত রাজস্ব আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এ.বি.এম জুবায়ের বলেন, &lsquo;তামাক ও নিকোটিন আসক্তির ফাঁদ থেকে তরুণদের সুরক্ষায় ই-সিগারেট ও ভেপিংসহ সব নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্যের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞা মনে করে, তামাকমুক্ত প্রজন্ম গড়তে সদ্য পাস হওয়া তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন, তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ মোকাবেলায় নীতিমালা গ্রহণ এবং আসন্ন জাতীয় বাজেটে সবধরনের তামাকপণ্যের কর ও দাম কার্যকরভাবে বাড়িয়ে তরুণদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যেতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত চার চিকিৎসকের নতুন পদায়ন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34791/সহকারী-অধ্যাপক-পদে-পদোন্নতিপ্রাপ্ত-চার-চিকিৎসকের-নতুন-পদায়ন</link>
			<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 12:50:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34791/সহকারী-অধ্যাপক-পদে-পদোন্নতিপ্রাপ্ত-চার-চিকিৎসকের-নতুন-পদায়ন</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এনাটমি বিষয়ের চারজন চিকিৎসককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির পর নতুন কর্মস্থলে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (১ জুন) মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সচিব মো. ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এনাটমি বিষয়ের চারজন চিকিৎসককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির পর নতুন কর্মস্থলে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গতকাল সোমবার (১ জুন) মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সচিব মো. ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের&nbsp;(রামেক) এনাটমি বিভাগের লেকচারার ডা. এম আল মাসুদুর রায়হানকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালীতে ওএসডি করা হয়েছে এবং তাকে রামেকে&nbsp;সংযুক্তি দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ওএসডি হিসেবে কর্মরত লেকচারার ডা. রিজওয়ানা সাবা সিলভিয়াকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদায়ন করে মুগদা মেডিকেল কলেজে (মুমেক) সংযুক্ত করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের লেকচারার ডা. আতিকা সুলতানাকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে&nbsp;সংযুক্তি দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অন্যদিকে, রামেকের সহকারী অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) ডা. জান্নাতুল ফেরদৌসীকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নওগাঁ মেডিকেল কলেজে পদায়ন করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১২ মে জারি করা বদলি ও পদায়ন সংক্রান্ত আদেশে উল্লিখিত এসব কর্মকর্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অংশ বাতিল করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পদায়নকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ৮ জুনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় ৯ জুন সকালে&nbsp;তারা বর্তমান কর্মস্থল থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদানে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের যোগদানপত্র গ্রহণের পর তাৎক্ষণিকভাবে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখাকে ই-মেইলের মাধ্যমে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লিয়েন, প্রেষণ, শিক্ষা ছুটি বা মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকা কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ছুটি শেষে যোগদানের পর পদায়ন কার্যকর হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পদায়নপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের মানবসম্পদ তথ্যব্যবস্থার (এইচআরআইএস) মাধ্যমে বর্তমান কর্মস্থল থেকে &lsquo;মুভ আউট&rsquo; এবং নতুন কর্মস্থলে &lsquo;মুভ ইন&rsquo; সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1rXfig0HeewwrjP6oQwh0qqmMSmKtd4yy/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনটি দেখতে ক্লিক করুন</span></strong></span></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1rXfig0HeewwrjP6oQwh0qqmMSmKtd4yy/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিএমইউতে ঈদুল আযহা পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34790/বিএমইউতে-ঈদুল-আযহা-পরবর্তী-ঈদ-পুনর্মিলনী-অনুষ্ঠিত</link>
			<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 12:55:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34790/বিএমইউতে-ঈদুল-আযহা-পরবর্তী-ঈদ-পুনর্মিলনী-অনুষ্ঠিত</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) পবিত্র ঈদুল আযহা পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনী- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ মেডিকেল&nbsp;বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) পবিত্র ঈদুল আযহা পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনী- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, প্রো-ভিসি, রেজিস্ট্রার, ডিনবৃন্দসহ প্রশাসনের অন্যান্যদের সাথে&nbsp;বি ব্লকের শহীদ ডা. মিলন হলে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সাক্ষাৎ করেন। পরে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত সকল শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্সিং অফিসার, রেসিডেন্টস, ছাত্রছাত্রী এবং সকল পর্যায়ের কর্মচারীদের সাথে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে মিলিত হন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সৌহার্দ্য, সম্প্রীতির এই আয়োজনে ভিসি অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভিসি (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, সার্জারি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. মো. ইব্রাহীম সিদ্দিক, নার্সিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেন খান, ডেন্টাল অনুষদের ডিন ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামালের&nbsp;সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও ্ড্যাবের বিএমইউ শাখার সভাপতি ও বিএমইউর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, সিনিয়র সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আদনান হাসান মাসুদ, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার শফিকুল হাসান রতন, বিএমইউ ভিসির একান্ত সচিব-১ সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, উপ-রেজিস্ট্রার আইন সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবু হেনা হেলাল উদ্দিন আহমেদ, সহকারী প্রক্টর ডা. কে এম রফিকুল ইসলাম, সহকারী প্রক্টর ডা. মো. আশরাফুল ইসলাম, সহকারী প্রক্টর ডা. রিফাত রহমান, অর্থোপেডিক সার্জারী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. আলী নূর প্রমুখ উপস্থিত থেকে শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্ট, কর্মকর্তা, নার্স, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টসহ কর্মচারীদের&nbsp;সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিএমইউ ভিসি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, &lsquo;ঈদুল আযহা পরবর্তী ঈদ পুনমিলনী অনুষ্ঠান একটি ভালো ও সুন্দর উদ্যোগ। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা সবাই ঈদের পরে একসাথে মিলিত হয়ে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করি। তবে আমাদেরকে মনে রাখতে হবে আমরা সেবার পেশার সাথে যুক্ত। ঈদের ছুটির মাঝেও দুই দিন বহির্বিভাগের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম চালু ছিল। এর সাথে ইনডোর ও জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবাও চালু ছিল। ঈদের ছুটিতে স্বাভাবিকভাবে কাজকর্মে যে একটু &nbsp;ধীর গতি এসেছে তা দূর করে পুনরায় দক্ষতা ও গতিশীলতার সাথে চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজে নিয়োজিত হতে হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমইউ এর অতিরিক্ত পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. হাসনাত আহসান সুমন, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) নাছির উদ্দিন ভূঁঞা, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. বদরুল হুদা, অতিরক্তি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কামরুন নাহার, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মোহাম্মদ আবু নাছের, উপ-রেজিস্ট্রার সাবিনা ইয়াসমিন, মিডিয়া সেলে কর্মরত কর্মকর্তা শামীম আহম্মদ, অডিট অফিসার সুমাইয়া সরকার স্বর্ণা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সৈয়দ ইসবাহুর রহমান, পিএটু রেজিস্ট্রার সৈয়দ তাহিয়াতুর রহমান (সুজন) প্রমুখ । &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এদিকে সোমবার (১ জুন) প্রচলিত নিয়মে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতাল, অফিস ও বিভাগসমূহ সম্পূর্ণভাবে খুলেছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষা শুরু, চলবে ৪ জুন পর্যন্ত </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34789/এফসিপিএস-পার্ট-১-পরীক্ষা-শুরু-চলবে-৪-জুন-পর্যন্ত</link>
			<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 11:53:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34789/এফসিপিএস-পার্ট-১-পরীক্ষা-শুরু-চলবে-৪-জুন-পর্যন্ত</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬ পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) রাজধানীর মহাখালীতে বিসিপিএস ভবনে এ পরীক্ষা শুরু হয়েছে, চলবে আগামী বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পর্যন্ত। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬</span>&nbsp;<span style="font-size:16px">পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) রাজধানীর মহাখালীতে বিসিপিএস ভবনে এ পরীক্ষা শুরু হয়েছে, চলবে আগামী বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পর্যন্ত।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সূচি অনুযায়ী, প্রথম দিন মেডিসিন ও অল্যাইডের বিষয়সমূহের পরীক্ষা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬ পরীক্ষায় বসেছেন মোট ১২ হাজার ৪৮০ জন চিকিৎসক। গত ২৯ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টায় এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত হয়। এতে মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইডে চার হাজার ৩১২ জন, সার্জারি অ্যান্ড অ্যালাইডে দুই হাজার ৩৪২ জন ও গাইনি অ্যান্ড অ্যালাইডে দুই হাজার ১৩৫ জন তালিকাভুক্ত হয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও অন্যান্য বিষয় মিলিয়ে মোট ১২ হাজার ৪৮০ জন চিকিৎসক পরীক্ষায় অংশ নেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে গত ৭ জানুয়ারি এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ১০ হাজার ৮৫০ জন চিকিৎসক। এর মধ্যে মোট দুই হাজার ৩০৮ জন পাস করেছেন। সে অনুযায়ী, পাসের হার ২১.২৭ শতাংশ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34788/আদ-দ্বীন-হাসপাতালের-বিরুদ্ধে-আইনগত-পদক্ষেপ-নেওয়া-হবে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Mon, 01 Jun 2026 18:54:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34788/আদ-দ্বীন-হাসপাতালের-বিরুদ্ধে-আইনগত-পদক্ষেপ-নেওয়া-হবে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে প্রসব-পরবর্তী ওয়ার্ডের ছয় নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এসব কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">রাজধানীতে&nbsp;প্রসব-পরবর্তী ওয়ার্ডের ছয় নবজাতকের মৃত্যুতে&nbsp;আদ-দ্বীন হাসপাতালের&nbsp;বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এসব কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ সোমবার (১ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ঘটনাটিকে ঘিরে মন্ত্রণালয় কী ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করছে এবং কীভাবে কাজ এগোচ্ছে, তা অ্যাটর্নি জেনারেলকে অবহিত করা হয়েছে। তার দেওয়া আইনগত পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রতিবেদনটি আরও গতিশীল হওয়ার জন্য, আরও বাস্তব সম্মত হওয়ার জন্য ওই বাচ্চাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আইনগতভাবে একটি তদন্ত কমিটি হওয়া বাঞ্ছনীয়। ঈদের ছুটির কারণে এই তদন্ত কমিটি করা যায়নি। আজকেই তদন্ত কমিটি করা হবে, তিন দিনের মধ্যে তারা প্রতিবেদন দেবেন। এক্ষেত্রে আইনত বিষয়গুলো জানার জন্য বা কীভাবে বিষয়টিকে আইনানুগভাবে করা যায় সেটির বিষয়ে জানতে আমরা অ্যাটর্নি জেনারেলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। একজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এখানে উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমরা কী কী কার্যক্রম করছি, কীভাবে করছি, তা অ্যাটর্নি জেনারেলকে জানিয়েছি। তিনি আমাদের আইনানুগ উপদেশ দিয়েছেন, উনার পরামর্শ অনুযায়ী আমরা বাকি কাজগুলো করে যাব। তিন দিনের মধ্যে আমরা প্রতিবেদন পাব, তারপর আপনাদের বিস্তারিত জানাব।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল গণমাধ্যমকে বলেন, প্রকৃতপক্ষে কারও দায় থাকলে দায় নিরূপণ করা এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া, সেগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা নিয়ে সভায় কথা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির প্রধান জানিয়েছেন&nbsp;যে ৩ জুনের মধ্যেই প্রতিবেদন দেওয়া হবে। কমিটিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল ফয়সাল সিদ্দিকী অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দোষী চিহ্নিত হলে সে যেন আইনি ফাঁকফোকরের মধ্য দিয়ে পার না পায়, সেজন্য আইনগত পরামর্শ দিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজ করবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনগত সহযোগিতা চেয়েছিলেন। আইনগত দিকগুলো মন্ত্রী ও কমিটির সামনে উল্লেখ করেছি। বিশ্বাস করি, প্রকৃতপক্ষে দায়ী-দোষী ব্যক্তি বিচারের মুখোমুখি হবেন। এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে যেন আর না ঘটে সেটিই প্রত্যাশা। প্রকৃত অপরাধীরা যেন পার না পায়, সে কারণেই আজ মন্ত্রণালয়ে আসা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আদ-দ্বীন হাসপাতালে বেকারির বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আদ-দ্বীন হাসপাতালে বেকারি করতে পরিবেশ (অধিদপ্তর) থেকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে তারা স্বীকার করেছেন। কীভাবে লাইসেন্স দিয়েছেন, কেন দিয়েছেন তা আমরা খতিয়ে দেখছি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34787/হামের-উপসর্গে-আরও-তিন-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Mon, 01 Jun 2026 18:54:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34787/হামের-উপসর্গে-আরও-তিন-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[দেশে হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশু মারা গেছে। এ সময় হামে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু ঘটেনি। আজ সোমবার (১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৪৫ জনের।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</span></strong></span><span style="font-size:16px">দেশে হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন&nbsp;শিশু মারা গেছে। এ সময় হামে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু ঘটেনি। আজ সোমবার&nbsp;(১ জুন)&nbsp;স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ৪৫ জনের।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ নিয়ে হামে আক্রান্ত হয়েছে&nbsp;এক&nbsp;হাজার ১৩৪ জন শিশু&nbsp;এবং চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৯৪ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হামে&nbsp;মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯৮ জনে। সব মিলিয়ে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা ৫৮৮ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৪ জন এবং উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১৬ জন। এই সময় ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৮১ জন। আজ&nbsp;পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা সাতান্ন হাজার ৯০২ জন&nbsp;এবং মোট ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা তিপ্পান্ন হাজার ৭২২ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। এরপর দিন দিন হামের উপসর্গে মৃ্ত্যুর&nbsp;সংখ্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাড়ের ক্যান্সারে মুমেক শিক্ষার্থীর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34786/হাড়ের-ক্যান্সারে-মুমেক-শিক্ষার্থীর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Mon, 01 Jun 2026 16:13:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34786/হাড়ের-ক্যান্সারে-মুমেক-শিক্ষার্থীর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[মুগদা মেডিকেল কলেজের (মুমেক) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোল্লা রাহাত বিন কামাল মারা গেছেন। গত শনিবার (৩০ মে) ক্যান্সারে আক্রান্ত অবস্থায় মৃত্যবরণ করেন তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;মুগদা মেডিকেল কলেজের (মুমেক)&nbsp;২০২৪-২৫&nbsp;শিক্ষাবর্ষের&nbsp;শিক্ষার্থী মোল্লা রাহাত বিন কামাল মারা গেছেন।&nbsp;ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। শনিবার (৩০ মে) সকালে&nbsp;হাড়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সহপাঠী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে&nbsp;বিরল ও হাড়ের ক্যান্সারে (ইউইংস সারকোমা)&nbsp;ভুগছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাহাত জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিআরএইচ)&nbsp;কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি গ্রহণ করছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দীর্ঘ চিকিৎসা ও রোগের সঙ্গে লড়াইয়ের পর গত শনিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মুমেক&nbsp;দশম ব্যাচের এই&nbsp;শিক্ষার্থীর&nbsp;মৃত্যুতে&nbsp;ক্যাম্পাসে&nbsp;শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিক্ষার্থী,&nbsp;চিকিৎসক সমাজ ও&nbsp;শুভানুধ্যায়ীরা&nbsp;শোক প্রকাশ করে তার আত্মার শান্তি কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত,&nbsp;ইউইং&#39;স সারকোমা&nbsp;হাড়ের কোষ বা হাড়ের চারপাশের নরম টিস্যুতে বৃদ্ধির মাধ্যমে শুরু হয়। যদিও এটি যেকোনো বয়সে ঘটতে পারে, তবে এটি সাধারণত শিশু এবং তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে দেখা দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শিশু এবং তরুণদের মধ্যে অস্টিওসারকোমার পরে ইউইং&#39;স সারকোমা হলো&nbsp;দ্বিতীয় সবচেয়ে সাধারণ ধরনের প্রাথমিক হাড়ের ক্যান্সার। টিউমার তৈরির সবচেয়ে সাধারণ স্থান হল পেলভিস, পাঁজর এবং পা ও বাহুর লম্বা হাড়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/এমআই/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হলেন এস এম আহসানুল আজিজ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34785/পরিবার-পরিকল্পনা-অধিদপ্তরের-মহাপরিচালক-হলেন-এস-এম-আহসানুল-আজিজ</link>
			<pubDate>Mon, 01 Jun 2026 16:12:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34785/পরিবার-পরিকল্পনা-অধিদপ্তরের-মহাপরিচালক-হলেন-এস-এম-আহসানুল-আজিজ</guid>
			<description><![CDATA[পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) এস এম আহসানুল আজিজ। রোববার ( ২৪ মে) স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব সাধনা ত্রিপুরা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের&nbsp;(ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্ব পেয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) এস এম আহসানুল আজিজ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ সোমবার&nbsp;(১ জুন) স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ওয়েবসাইটে&nbsp;প্রকাশিত&nbsp;অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব সাধনা ত্রিপুরা স্বাক্ষরিত ওই&nbsp;আদেশে বলা হয়েছে, &lsquo;প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে এস এম আহসানুল আজিজ (৭৭৫৩), অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন), স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ-কে নতুন মহাপরিচালক যোগদান না করা পর্যন্ত মহাপরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এর অতিরিক্ত দায়িত্ব (রুটিন দায়িত্ব) প্রদান করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হয়েছে আদেশে হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1xkSSAsW-9dvfmKNU1VxuZizprCF24a8E/view?usp=drive_link"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>►অফিস আদেশ দেখতে ক্লিক করুন</strong></span></span></a>&nbsp;</p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1xkSSAsW-9dvfmKNU1VxuZizprCF24a8E/preview" width="340"></iframe> </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমআই/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>স্বাস্থ্যগত কারণে সরকারের এক মন্ত্রীর পদত্যাগ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34784/স্বাস্থ্যগত-কারণে-সরকারের-এক-মন্ত্রীর-পদত্যাগ</link>
			<pubDate>Mon, 01 Jun 2026 13:43:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34784/স্বাস্থ্যগত-কারণে-সরকারের-এক-মন্ত্রীর-পদত্যাগ</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্যের অবনতিতে বিএনপি সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার (১ জুন) তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। এদিন নিজ স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর পৌঁছে দেন তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;স্বাস্থ্যের অবনতিতে&nbsp;বিএনপি সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার (১ জুন) তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।&nbsp;এদিন নিজ স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর পৌঁছে দেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান উল্লেখ করেন&mdash; দায়িত্ব গ্রহণের পর হতেই তিনি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির স্বার্থে তার বর্তমান পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২০ বছর সরকারি চাকরি করার পর ২০০৫ সালে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন দীপেন দেওয়ান। বিএনপির মনোনয়নে পার্বত্য রাঙামাটি থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান। পার্বত্য রাঙ্গামাটির (২৯৯) আসনে প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে সর্বোচ্চ ব্যবধানে বিজয়ী হন তিনি। এরপর তাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">২১৩টি কেন্দ্রে দীপেন ভোট পেয়েছিলেন দুই লাখ ৫৯ হাজার ৯৮০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা পান ৩০ হাজার ৯৯২টি ভোট। ১৯৬৩ সালের ৮ জুন রাঙ্গামাটির রাঙ্গাপানি এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন দীপেন। তার বাবা সুবিমল দেওয়ান জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় উপদেষ্টা ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা দীপেন দেওয়ান দীর্ঘ প্রায় ২০ বছরের জুডিসিয়াল সার্ভিসের চাকরি ছেড়ে ২০০৫ সালে রাজনীতিতে যোগ দেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা ও রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সুবিমল দেওয়ানের ছেলে দীপেন দেওয়ান ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাঙামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, রাঙামাটি সরকারি কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা থাকলেও পারিবারিক চাপে বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সপ্তম বিসিএসে জুডিসিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন। পরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আহ্বানে ২০০৫ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে আসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাজনীতিতে যোগদানের পর নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যান তিনি। ২০১০ সালে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ২০১৬ সাল থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন দীপেন দেওয়ান। নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪ ভোট পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাকে এক&nbsp;লাখ ৭০ হাজার ৩২২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় আইসিডিডিআর,বি'র ড. তাহমিদ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34783/এশিয়ার-সেরা-১০০-বিজ্ঞানীর-তালিকায়-আইসিডিডিআরবির-ড-তাহমিদ</link>
			<pubDate>Mon, 01 Jun 2026 12:14:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34783/এশিয়ার-সেরা-১০০-বিজ্ঞানীর-তালিকায়-আইসিডিডিআরবির-ড-তাহমিদ</guid>
			<description><![CDATA[শিশু পুষ্টি ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ। গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর এই তালিকা প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’। এতে ড. তাহমিদ আহমেদ ছাড়াও বাংলাদেশের আরও দুই বিজ্ঞানী স্থান পেয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) এশিয়ান সায়েন্টিস্টের প্রকাশিত এই তালিকায় ড. তাহমিদ আহমেদ লাইফ সায়েন্সেস ক্যাটাগরিতে এ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> শিশু পুষ্টি ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ। গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর এই তালিকা প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সাময়িকী &lsquo;এশিয়ান সায়েন্টিস্ট&rsquo;। এতে ড. তাহমিদ আহমেদ ছাড়াও বাংলাদেশের আরও দুই বিজ্ঞানী স্থান পেয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মঙ্গলবার (২৬ মে)&nbsp;প্রকাশিত এশিয়ান সায়েন্টিস্টের এই তালিকায় ড. তাহমিদ আহমেদ লাইফ সায়েন্সেস ক্যাটাগরিতে এ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষকদের এই আন্তর্জাতিক তালিকায় স্থান পেতে হলে পূর্ববর্তী বছরে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক স্তরে বড় কোনো বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, পুরস্কার কিংবা অ্যাকাডেমিয়া ও শিল্প খাতে নেতৃত্বের প্রমাণ দিতে হয়। আন্তর্জাতিক এই তালিকায় স্থান পাওয়া গবেষকদের অনারি (সম্মানিত ব্যক্তি) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দীর্ঘদিন ধরে মাতৃ ও শিশু পুষ্টি, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, সংক্রামক রোগ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করে আসছেন ড. তাহমিদ। বিশেষ করে বাংলাদেশসহ নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে শিশু মৃত্যুহার কমানো, অপুষ্টি প্রতিরোধ এবং তথ্যভিত্তিক জনস্বাস্থ্য নীতি প্রণয়নে তাঁর গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃতি রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মাতৃ ও শিশু পুষ্টির উন্নয়ন এবং তথ্য-প্রমাণ ভিত্তিক জনস্বাস্থ্য কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ড. তাহমিদ ২০২৫ সালে &lsquo;টাইম ১০০ হেলথ&rsquo; স্বীকৃতি পান। এর আগে গেটস ফাউন্ডেশন থেকে ২০২৪ সালের &lsquo;গোলকিপারস চ্যাম্পিয়ন&rsquo; হিসেবে মনোনীত হন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ড. তাহমিদ পড়াশোনা করেছেন ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি&rsquo;স হাই স্কুল এবং নটরডেম কলেজে। এরপর তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালে আবাসিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন এবং পরে জাপানের সুকুবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অর্জন করেন। পরে ১৯৮৫ সালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে আইসিডিডিআর,বিতে যোগ দেন। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে নিউট্রিশন ও ক্লিনিক্যাল সার্ভিসেস বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক হন তিনি। ২০২০ সালে করোনা মহামারির শুরুর সময়ে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পান। ২০২১ সালের শুরুতেই নির্বাহী পরিচালক পদে নিয়োগ পান। আইসিডিডিআর,বি&rsquo;র ৬০ বছরের ইতিহাসে তিনিই প্রথম বাংলাদেশি নির্বাহী পরিচালক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও) পুষ্টি নির্দেশনা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শক দলের সদস্য হিসেবে শিশুদের তীব্র অপুষ্টি ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক নির্দেশিকা প্রণয়ন ও সংশোধনে অবদান রেখেছেন ডা. তাহমিদ আহমেদ। এছাড়া বিশ্বব্যাপী কলেরা কেস কন্ট্রোল টাস্ক ফোর্সকে (জিটিএফসিসি) শিশুদের কলেরা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ড. তাহমিদ &nbsp;৫৪টি কমনওয়েলথ দেশের শিশু হজম ও পুষ্টিবিদ্যার পেশাজীবীদের একটি সংস্থা কমনওয়েলথ অ্যাসোসিয়েশন অব পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএনটারোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনের (সিএপিজিএএন) সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জেমস পি. গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথে জনস্বাস্থ্য পুষ্টির অধ্যাপক এবং ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব গ্লোবাল হেলথে অ্যাফিলিয়েটেড অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">২০০৩ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরপ তাকে ড. সুলতান আহমেদ চৌধুরী স্বর্ণপদক প্রদান করে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স। ২০১৮ সালে তিনি ইসলামি ব্যাংক ডেভেলপমেন্ট ট্রান্সফরমারস রোডশো অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণা ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি শিশুদের সুস্থ জীবনের সূচনা নিশ্চিত করা এবং বিশ্বব্যাপী পুষ্টিগত ফলাফল উন্নত করার প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করেছেন। ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, ড. তাহমিদ আহমেদ ৫১৪টি গবেষণা প্রবন্ধের প্রধান ও সহ-লেখক, যা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য, জনস্বাস্থ্য, চিকিৎসা বা বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। তার গবেষণার প্রধান বিষয় অপুষ্টি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই তালিকায় স্থান পাওয়া আরও দুই বাংলাদেশী বিজ্ঞানী হলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মারজানা আক্তার ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ডায়স অ্যান্ড কেমিকেল&nbsp;ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন শায়ক।&nbsp;</span></p>

<p><span style="font-size:16px">মারজানা আক্তার বাংলাদেশের পোলট্রি খাতে প্রথমবারের মতো একটি বিশেষ ভাইরাস শনাক্ত করে ভাইরোলজি গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করার কারণে&nbsp;&nbsp;এবং ড. মোহাম্মদ আব্বাস পরিবেশবান্ধব টেক্সটাইল শিল্প ও কম কার্বন নির্গমন নিয়ে গবেষণা করে এই গৌরব অর্জন করেছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, ২০১৬ সাল থেকে প্রতিবছর এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ম্যাগাজিন&nbsp;এই অঞ্চলের বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখা গবেষক এবং উদ্ভাবকদের সম্মানিত করে&nbsp;&lsquo;এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০&rsquo; তালিকাটি প্রকাশ করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>কাগুজে শয্যা বৃদ্ধি: স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য এক নীরব বিপর্যয়</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34782/কাগুজে-শয্যা-বৃদ্ধি-স্বাস্থ্যব্যবস্থার-জন্য-এক-নীরব-বিপর্যয়</link>
			<pubDate>Sun, 24 May 2026 18:16:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34782/কাগুজে-শয্যা-বৃদ্ধি-স্বাস্থ্যব্যবস্থার-জন্য-এক-নীরব-বিপর্যয়</guid>
			<description><![CDATA[]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে দেখা গেছে, দেশের বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের জনবল, অবকাঠামো ও চিকিৎসাসামগ্রী বৃদ্ধি না করেই কেবল প্রশাসনিক আদেশে শয্যা সংখ্যা দ্বিগুণ বা তিনগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে একে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন মনে হলেও, বাস্তবে এটি একটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত। প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস ছাড়া শুধু কাগজে-কলমে শয্যা বৃদ্ধি করলে তা সেবার মান উন্নত করে না, বরং বিদ্যমান ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে, চিকিৎসকদের কর্মস্পৃহা নষ্ট করে এবং রোগীদের জীবনকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন, নীতিমালা এবং স্বাস্থ্য নিরাপত্তার লঙ্ঘন</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই &lsquo;কাগুজে শয্যা&rsquo; বৃদ্ধির সিদ্ধান্তটি শুধু একটি প্রশাসনিক অসঙ্গতি নয়; এটি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক একাধিক আইন, মানবাধিকার সনদ, শ্রমনীতি এবং স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত নীতিমালার সুস্পষ্ট পরিপন্থী। স্বাস্থ্যসেবা খাতে যেকোনো শয্যা বৃদ্ধি কেবল সংখ্যাগত সম্প্রসারণ নয়, বরং এর সঙ্গে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান, অবকাঠামো, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী নিশ্চিত করাও বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবে এসব মৌলিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ছাড়া শুধুমাত্র কাগজে-কলমে শয্যা বাড়ানো হচ্ছে, যা রোগীর নিরাপত্তা, চিকিৎসাসেবার মান এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মপরিবেশ&mdash;সবকিছুকেই মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">বাংলাদেশ সংবিধান ও দেশীয় আইন</span></span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ সংবিধান (অনুচ্ছেদ ১৫ ও ১৮) অনুযায়ী নাগরিকদের জন্য অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। অনুচ্ছেদ ১৮(১) অনুযায়ী জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্রের অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করা হবে। অবকাঠামো ও জনবল ছাড়া শয্যা বৃদ্ধি করে রোগীদের গাদাগাদি পরিবেশে নিম্নমানের সেবা দেওয়া প্রকারান্তরে নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন করার শামিল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬: এই আইনের ধারা ৬০, ৬১ ও ৬২ অনুযায়ী, যেকোনো কর্মক্ষেত্রে নিয়োজিত শ্রমিক বা কর্মীদের (চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ) পেশাগত স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত শয্যার বিপরীতে নতুন কর্মী নিয়োগ না দিলে বিদ্যমান কর্মীদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ সৃষ্টি হয়, যা শ্রম আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ওয়ার্ল্ড পেশেন্ট সেফটি</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগীর নিরাপত্তা বিষয়ক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী, নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবার মূল শর্ত হলো&mdash;নির্দিষ্ট শয্যা সংখ্যার অনুপাতে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম থাকা। পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য জনবলের অনুপাত না থাকলে চিকিৎসায় ভুল, ওষুধের ভুল প্রয়োগ এবং হাসপাতালে অর্জিত সংক্রমণ জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অবকাঠামো, ওয়ার্ডের আয়তন ও ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা না বাড়িয়ে অতিরিক্ত শয্যা গাদাগাদি করে বসানো হলে দুটি শয্যার মধ্যকার ন্যূনতম নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয় না। এর ফলে একজন রোগীর সংক্রমণ সহজেই অন্য রোগীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা অনুযায়ী, নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি শয্যার মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব, পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা থাকা জরুরি। কিন্তু কাগজে-কলমে শয্যা বাড়ানোর ফলে এসব ন্যূনতম মানদণ্ড উপেক্ষিত হচ্ছে, যা রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মী উভয়ের জন্যই গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>নার্স-রোগী অনুপাত</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আন্তর্জাতিক কাউন্সিল অব নার্সেসের&nbsp;(আইসিএন) বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, সাধারণ ওয়ার্ডে নার্স ও রোগীর আদর্শ অনুপাত হওয়া উচিত ১:৪ এবং আইসিইউতে ১:১। বাংলাদেশে এমনিতেই এই অনুপাত মারাত্মক সংকটের মুখে। নতুন জনবল ছাড়া শয্যা বাড়ালে একজন নার্সকে একসঙ্গে ৫০-৬০ জন রোগী দেখতে হয়, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) &lsquo;ডিসেন্ট ওয়ার্ক&rsquo; নীতিমালার পরিপন্থী এবং কর্মী ও রোগী উভয়ের জন্যই বিপজ্জনক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>যুক্তরাজ্যের এনএইচএস মডেলের বিধিমালা</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) মডেলে নিরাপদ কর্মী বিন্যাস একটি আইনি বাধ্যবাধকতা। এনএইচএস-এর বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো হাসপাতালে যদি শয্যা সংখ্যার অনুপাতে দক্ষ জনবল কম থাকে, তবে সেই শয্যাগুলোকে অকার্যকর বা অনিরাপদ ঘোষণা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে লজিস্টিকস ও কর্মী ছাড়া একটি শয্যাও বাড়ানোর কোনো আইনি সুযোগ নেই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিফলন</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দেশের মূলধারার সংবাদপত্রগুলোর সাম্প্রতিক অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য খাতের এই ভয়াবহ চিত্র বারবার উঠে এসেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৫০০ শয্যার হাসপাতালে বাস্তবে ১০০০ থেকে ১৫০০ রোগী পর্যন্ত ভর্তি থাকছেন। এর ওপর প্রশাসনিকভাবে কাগজে-কলমে শয্যা সংখ্যা আরও বাড়ানো হলেও সেই অনুপাতে বাজেট, জনবল বা চিকিৎসাসামগ্রী বাড়ানো হচ্ছে না। ফলে রোগীদের অনেককে শয্যার নিচে, করিডোরে কিংবা মেঝেতে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হতে হচ্ছে, যা মানবিক ও স্বাস্থ্যগত&mdash;উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত উদ্বেগজনক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতির চিত্রও প্রকট হয়ে উঠেছে। শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও অনেক হাসপাতালে এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম বা ইসিজি মেশিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকে; ল্যাবরেটরিতে প্রয়োজনীয় রিএজেন্টের অভাব দেখা দেয়। ফলে রোগীদের বাধ্য হয়ে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অন্যদিকে অতিরিক্ত রোগীর চাপ ও দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর তীব্র মানসিক ও শারীরিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত ডিউটি, রোগী ও স্বজনদের ক্ষোভ এবং সীমিত সম্পদের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে অনেক স্বাস্থ্যকর্মী বার্নআউট ও মানসিক অবসাদে ভুগছেন। এর ফলে রোগীদের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি, সেবার মানের অবনতি এবং ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর হামলার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>দেশি ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান সংখ্যাগত পরিসংখ্যানের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দেশি ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্যসেবার প্রকৃত উন্নয়ন কেবল শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিমাপ করা যায় না; বরং সেবার গুণগত মান, দক্ষ জনবল, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী এবং নিরাপদ অবকাঠামো নিশ্চিত করাই একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল ভিত্তি। বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, &lsquo;শুধু বেড বাড়িয়ে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন পরিমাপ করা এক ধরনের প্রশাসনিক দেউলিয়াত্ব। একটি কার্যকর শয্যা মানে কেবল একটি ম্যাট্রেস বা খাট নয়; এর সঙ্গে অক্সিজেন লাইন, স্যালাইনের স্ট্যান্ড, সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের জন্য নার্স এবং সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাক-আপ লজিস্টিকসও জড়িত।&rsquo; তাই প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামো ছাড়া কেবল কাগজে-কলমে শয্যা বৃদ্ধি স্বাস্থ্যসেবার প্রকৃত উন্নয়ন নয়, বরং এটি রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মী উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>নকল সক্ষমতা</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, কাগজে-কলমে শয্যা বৃদ্ধি রাজনৈতিক বা প্রশাসনিকভাবে বাহবা পাওয়ার জন্য ভালো হতে পারে, কিন্তু এটি জনগণের মনে একটি মিথ্যা আশার সঞ্চার করে, যা জরুরি মুহূর্তে স্বাস্থ্য খাতকে ধসিয়ে দিতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>যৌক্তিক দাবি ও সুপারিশমালা</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং জনস্বার্থ রক্ষার্থে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা জরুরি। প্রথমত, প্রতি একটি শয্যা বৃদ্ধির বিপরীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদ সৃষ্টি এবং দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। শুধু শয্যা বাড়িয়ে জনবল না বাড়ালে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও ভেঙে পড়বে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দ্বিতীয়ত, শয্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের অবকাঠামোগত সক্ষমতাও আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি করতে হবে। ওয়ার্ডের আয়তন, শৌচাগারের সংখ্যা, ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা এবং সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইনের ধারণক্ষমতা না বাড়িয়ে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি করা হলে তা রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মী উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তৃতীয়ত, বর্ধিত শয্যার রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ, পথ্য (খাবার) এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রীর পর্যাপ্ত বাজেট আগে থেকেই বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ ছাড়া শুধুমাত্র প্রশাসনিকভাবে শয্যা চালু করলে বাস্তবে রোগীরা কোনো কার্যকর সুফল পাবেন না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া, কোনো হাসপাতালে নতুন শয্যা বৃদ্ধির আগে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড&mdash;যেমন এনএইচএস বা ডব্লিউএইচও গাইডলাইন&mdash;অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করার জন্য একটি স্বাধীন টেকনিক্যাল অডিট কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। এই কমিশনের মাধ্যমে হাসপাতালের প্রকৃত সক্ষমতা, জনবল, অবকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা মূল্যায়ন করে তারপরই নতুন শয্যা অনুমোদন দেওয়া উচিত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যসেবা কোনো সংখ্যার খেলা নয়; এটি মানুষের জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত এক সংবেদনশীল প্রক্রিয়া। আন্তর্জাতিক আইন, বাংলাদেশের সংবিধান এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের সকল বৈজ্ঞানিক নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনবল ও সরঞ্জামহীন &lsquo;কাগুজে শয্যা&rsquo; বৃদ্ধির এই আত্মঘাতী প্রবণতা অবিলম্বে বন্ধ করা হোক। একটি নিরাপদ, জবাবদিহিমূলক এবং আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে সংখ্যাগত দেখনদারির চেয়ে গুণগত সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকেই সরকারের নজর দেওয়া উচিত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের উপসর্গে একদিনে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34781/হামের-উপসর্গে-একদিনে-আরও-১৬-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Sun, 24 May 2026 18:50:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34781/হামের-উপসর্গে-একদিনে-আরও-১৬-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ শিশু মারা গেছে। আজ রোববার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"><strong> </strong>সারা দেশে হামের&nbsp;উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ শিশু মারা গেছে। এ সময় হামে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু ঘটেনি। আজ রোববার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১২৮ জনের। এ নিয়ে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ হাজার ৪৩৪ শিশুর শরীরে। এবং চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আট হাজার ৬২২ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪২ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫২৮ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩০৬ জন এবং উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১৬৯ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ২০৩ জন। এখন পর্যন্ত অদ্যবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর ভর্তির সংখ্যা পঞ্চাশ হাজার ৫৫৮ জন। এবং অদ্যবধি মোট ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ছেচল্লিশ হাজার ২১৪ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। এরপর দিন দিন হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক স্টিয়ারিং কমিটি গঠন সরকারের</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34779/প্রতিবন্ধী-অধিকার-ও-সেবা-সুরক্ষা-বিষয়ক-স্টিয়ারিং-কমিটি-গঠন-সরকারের</link>
			<pubDate>Sun, 24 May 2026 13:13:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34779/প্রতিবন্ধী-অধিকার-ও-সেবা-সুরক্ষা-বিষয়ক-স্টিয়ারিং-কমিটি-গঠন-সরকারের</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা ও সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করা লক্ষ্যে ‘প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক স্টিয়ারিং কমিটি’ গঠন করেছে সরকার।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা ও সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে &lsquo;প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক স্টিয়ারিং কমিটি&rsquo; গঠন করেছে সরকার। এর&nbsp;সভাপতি হিসেবে আছেন&nbsp;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান&nbsp;ও&nbsp;সদস্য-সচিব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মঙ্গলবার (১২ মে) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রতিকল্প পরিচালক-৩ হাসিবুল হাসান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শনিবার (২৩ মে) প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী,&nbsp;বিকল্প সভাপতি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত রয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক ১২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন&mdash;সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। যে সকল মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী নেই সে সকল মন্ত্রণালয়ের সচিব এই কমিটির সদস্য হিসেবে গণ্য হবে। এ ছাড়া &#39;সচিব&#39; বলতে সিনিয়র সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন বলে জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবা প্রাপ্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কৌশলগত নেতৃত্ব ও নীতিগত দিকনির্দেশনা প্রদান। এছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতকরণে জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ, পর্যায়ক্রমিক সম্প্রসারণ এবং বাস্তবায়ন কৌশল নির্ধারণ ও অনুমোদন প্রদান করা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং গৃহীত কর্মসূচিকে জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকার, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার, জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) এবং জাতিসংঘের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সনদের&nbsp;(ইউএনসিআরপিডি) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা কমিটির অন্যতম দায়িত্ব। পাশাপাশি উচ্চ-পর্যায়ের নীতিগত, আইনগত ও প্রশাসনিক বাধা চিহ্নিত করে তা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, নির্ধারিত বিরতিতে কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনে স্বাধীন মূল্যায়ন বা বিশেষজ্ঞ সমীক্ষা পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করা হবে। কমিটির সভা প্রতি তিন মাসে ন্যূনতম একবার অনুষ্ঠিত হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1qTgxkx-MtXeXdO3BGiBD4Fp7z4LsivkF/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপন দেখতে ক্লিক করুন&nbsp;</span></strong></span></a></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এক হাজার শয্যায় উন্নীত হচ্ছে মুমেক হাসপাতাল  </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34778/এক-হাজার-শয্যায়-উন্নীত-হচ্ছে-মুমেক-হাসপাতাল</link>
			<pubDate>Sun, 24 May 2026 12:12:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34778/এক-হাজার-শয্যায়-উন্নীত-হচ্ছে-মুমেক-হাসপাতাল</guid>
			<description><![CDATA[রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ৫০০ হতে ১০০০ শয্যায় উন্নীতরকণ ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুকরণের অনুমোদন দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আজ রোববার (২৪ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-এক শাখার উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক  চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ৫০০ হতে এক হাজার&nbsp;শয্যায় উন্নীতরকণ ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুর অনুমোদন দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (২১&nbsp;মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-এক শাখার উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ রোববার (২৪ মে)&nbsp;স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ওয়েবসাইটে&nbsp;প্রকাশিত&nbsp;&nbsp;চিঠিতে বলা হয়,&lsquo;০৭.০০.০০০০.০০০.১৫৬.১৫,০০৬৩.২২-১৮৪ স্মারকে অর্থ বিভাগের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে, এ সংক্রান্ত যাবতীয় বিধি-বিধান, আনুষ্ঠানিকতা ও নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্তে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা, ঢাকার শয্যা সংখ্যা ৫০০ হতে ১০০০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন নির্দেশক্রমে প্রদান করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে, রোববার (১৭ মে) অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ-দুইয়ের উপসচিব শুক্লা সরকার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বিষয়ে সম্মতি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1kP2A-T3qknG6bcI7xPv9cBisXYy5LItn/view?usp=drive_link"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">►</span></span></a><a href="https://drive.google.com/file/d/1kP2A-T3qknG6bcI7xPv9cBisXYy5LItn/view?usp=drive_link"><strong><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000">চিঠি</span></span><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">&nbsp;দেখতে&nbsp;ক্লিক করুন</span></span></strong></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1kP2A-T3qknG6bcI7xPv9cBisXYy5LItn/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/ টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ডা. লি জং-উক স্মারক পুরস্কারে ভূষিত কিংবদন্তি চিকিৎসক অধ্যাপক আবুল ফায়েজ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34777/ডা-লি-জং-উক-স্মারক-পুরস্কারে-ভূষিত-কিংবদন্তি-চিকিৎসক-অধ্যাপক-আবুল-ফায়েজ</link>
			<pubDate>Sun, 24 May 2026 11:48:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34777/ডা-লি-জং-উক-স্মারক-পুরস্কারে-ভূষিত-কিংবদন্তি-চিকিৎসক-অধ্যাপক-আবুল-ফায়েজ</guid>
			<description><![CDATA[জনস্বাস্থ্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ ‘ড. লি জং-উইক মেমোরিয়াল প্রাইজ ২০২৬’-এ ভূষিত হয়েছেন কিংবদন্তি চিকিৎসক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল ফায়েজ। গত ১৯ মে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে তাঁকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ‍পুরস্কার তুলে দেন ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> </span></span><span style="font-size:16px">জনস্বাস্থ্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ&nbsp;ডা. লি জং-উক স্মারক পুরস্কারে&nbsp;ভূষিত হয়েছেন কিংবদন্তি চিকিৎসক&nbsp;অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল ফায়েজ। গত ২০&nbsp;মে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ৭৯তম ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে তাঁকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পুরস্কার তুলে দেন ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের প্রতিনিধি সম্মেলনের সভাপতি ডা. ভিক্টর এলিয়াস আতাল্লাহ লাজাম।&nbsp;সঙ্গে ছিলেন ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক ডা. টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস এবং গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে এসব পুরস্কারে&nbsp;সমর্থন জোগানো বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই সম্মাননা পেয়ে বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এই স্বনামধন্য মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও গবেষক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নেগলেকটেড ট্রপিক্যাল ডিজিজ (এনটিডি), সর্পদংশন (স্নেকবাইট এনভেনোমিং) এবং ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের লড়াইয়ে তাঁর দীর্ঘ ও নীরব আত্মত্যাগেরই এক বৈশ্বিক স্বীকৃতি&nbsp;এই পুরস্কার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দেশে &lsquo;এভিডেন্স বেইজড মেডিসিন&rsquo; প্র্যাকটিস ছড়িয়ে দিতে ১৯৯৯ সাল থেকে কাজ করছেন গবেষণা অন্তঃপ্রাণ অধ্যাপক ডা. আবুল ফায়েজ। সময়ের ব্যবধানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বিএমইউ) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সীমিত পরিসরে এর চর্চা শুরু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা সেবায় বিএমইউ ২০২৫ সালের জন্য ওয়ার্ল্ড এভিডেন্স-বেইজড হেলথকেয়ার (ইবিএইচসি) ডে কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে এভিডেন্স অ্যাম্বাসেডর হিসেবে স্বীকৃতি পায়, যার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল ফায়েজ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি দেশে ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া ছড়িয়ে&nbsp;পড়ার অন্তত দুই বছর আগেই এর পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। সাপের কামড়ের চিকিৎসা ও বিষহীন সাপ না মেরে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টিরও পথপ্রদর্শক এই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অর্থ ও সামাজিক খ্যাতির মোহ ত্যাগ করে গবেষণায় জীবন সঁপে দিয়েছিলেন এই ভীষণ বিনয়ী মানুষটি। এর কল্যাণেই বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃতি পেলেন তিনি। তার এই স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে মূলত দেশের চিকিৎসা ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় রচিত হলো।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>বেড়ে ওঠা ও কর্মজীবন</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক&nbsp;ডা. এম এ ফয়েজ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে&nbsp;এমবিবিএস পাস করেন, এরপর এফসিপিএস (এডিআইএন)&nbsp;এবং যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ক্যাসল থেকে পিএইচডি করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">১৯৭৮ সালে তিনি ইন সার্ভিস ট্রেইনি হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসক হিসেবে যোগদান করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. এম এ ফয়েজ ১৯৭৮ সাল থেকে স্নেক বাইট, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, টিবি ও নিপাহ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে গবেষণায় আত্মনিয়োগ করেন। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিস্তৃত কর্মজীবনে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৮-২০০৯ সালে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাঁর লেখা একটি আর্টিকেল গ্লোবাল ম্যালেরিয়া রিসোর্স &lsquo;ম্যালেরিয়া নেক্সাস&rsquo;র ২০১৪ সালের পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় গবেষণাপত্রগুলোতে প্রকাশিত সেরা দশটি আর্টিকেলের মাঝে প্রথম হয়। এ ছাড়াও অধ্যাপক ডা. এম এ ফয়েজের ম্যালেরিয়া রিসার্চ গ্রুপের একটি আর্টিকেল ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের ২০১০ সালের সেরা বৈজ্ঞানিক গবেষণামূলক আর্টিকেল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">আরও যারা পুরস্কৃত হলেন&nbsp;</span></strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ফায়েজের পাশাপাশি মালির বানকোনি কমিউনিটি হেলথ অ্যাসোসিয়েশন (আসাকোবা) কমিউনিটি-ভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় অগ্রণী ভূমিকার জন্য সাসাকাওয়া স্বাস্থ্য পুরস্কার লাভ করে। থাইল্যান্ডের ডা. ওয়ারাওইত টন্টিওয়াত্তানাসাপ গ্রামীণ, রাষ্ট্রহীন ও সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণে অবদানের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন পুরস্কার পান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সুস্থ ও ভালোভাবে বার্ধক্যে পৌঁছাতে সহায়তা করার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কুয়েত স্বাস্থ্য উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের &lsquo;শেখ সাবাহ আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ পুরস্কার&rsquo; দেওয়া হয়েছে দুই পক্ষকে। বয়স্ক মানুষের চিকিৎসা ও যত্নে নতুন ও উদ্ভাবনী পদ্ধতি চালু করার জন্য পুরস্কার পেয়েছে ফ্রান্সের অধ্যাপক ব্রুনো ভেলাস এবং আর কমিউনিটির মানুষকে যুক্ত করে সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে বয়স্কদের সুস্থ জীবন নিশ্চিতে অবদান রাখায় পুরস্কার পায় সিঙ্গাপুরের সিংহেলথ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগ নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল উদ্ভাবন এবং সমতা-ভিত্তিক প্রতিরোধমূলক জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নেলসন ম্যান্ডেলা স্বাস্থ্য উন্নয়ন পুরস্কার লাভ করেন মিশরের ডা. আমর মোহাম্মদ কানদিল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্বাহী বোর্ড গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিজয়ীদের নির্বাচন করে। সংস্থাটির ষষ্ঠ মহাপরিচালক ডা. লি জং-উকের মৃত্যুর ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ বছরের পুরস্কারগুলো বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের নতুন পরিচালক ডা. মো. মামুনুর রশীদ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34776/সোহরাওয়ার্দী-হাসপাতালের-নতুন-পরিচালক-ডা-মো-মামুনুর-রশীদ</link>
			<pubDate>Sun, 24 May 2026 11:30:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34776/সোহরাওয়ার্দী-হাসপাতালের-নতুন-পরিচালক-ডা-মো-মামুনুর-রশীদ</guid>
			<description><![CDATA[রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ (এসএইচএসএমসি) হাসপাতালের নতুন পরিচালক হিসেবে ডা. মো. মামুনুর রশীদকে পদায়ন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ (এসএইচএসএমসি) হাসপাতালের নতুন পরিচালক হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক</span>&nbsp;<span style="font-size:16px">ডা. মো. মামুনুর রশীদকে পদায়ন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানা গেছে, ডা. মামুনুর রশীদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সংযুক্ত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যুগ্মসচিব সানজীদা শারমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলি&nbsp;পূর্বক পদায়ন</span><span style="font-size:16px"> করা হলো।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>রংপুর নার্সিং কলেজে আন্তর্জাতিক প্রসবকালীন ফিস্টুলা নির্মূল দিবস পালিত</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34775/রংপুর-নার্সিং-কলেজে-আন্তর্জাতিক-প্রসবকালীন-ফিস্টুলা-নির্মূল-দিবস-পালিত</link>
			<pubDate>Sun, 24 May 2026 09:56:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34775/রংপুর-নার্সিং-কলেজে-আন্তর্জাতিক-প্রসবকালীন-ফিস্টুলা-নির্মূল-দিবস-পালিত</guid>
			<description><![CDATA[আন্তর্জাতিক প্রসবকালীন ফিস্টুলা নির্মূল দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, র‌্যালি ও সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে রংপুর নার্সিং কলেজ। শনিবার (২৩ মার্চ) সকালে ‘নারীর স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করি, প্রসবজনিত ফিস্টুলা নির্মূলে টেকসই বিনিয়োগ জোরদার করি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে 
রেখে কলেজ ক্যাম্পাসে এই  আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;রংপুর নার্সিং কলেজে&nbsp;আন্তর্জাতিক প্রসবকালীন ফিস্টুলা নির্মূল দিবস উপলক্ষে&nbsp;আলোচনা সভা, র&zwnj;্যালি ও সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শনিবার (২৩ মে) সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে &lsquo;নারীর স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করি, প্রসবজনিত ফিস্টুলা নির্মূলে টেকসই বিনিয়োগ জোরদার করি&rsquo; প্রতিপাদ্যকে সামনে&nbsp;রেখে এই&nbsp;আয়োজন করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে দক্ষ মিডওয়াইফদের অংশগ্রহণে একটি নরমাল ডেলিভারির রোল প্লে প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অতিথিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ&nbsp;সৃষ্টি করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রংপুর নার্সিং কলেজের সিনিয়র শিক্ষক শিউলি বেগম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেডিকেল কলেজের গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. সফুরা বেগম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় বক্তারা বলেন, প্রসবকালীন ফিস্টুলা প্রতিরোধে নিরাপদ ও সঠিকভাবে নরমাল ডেলিভারি পরিচালনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা জানান, গর্ভাবস্থায় নিয়মিত প্রসবপূর্ব পরিচর্যা (এএনসি) সেবা গ্রহণ, দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর তত্ত্বাবধানে প্রসব করানো, দীর্ঘ সময় প্রসব ব্যথা চললে দ্রুত রেফার করা এবং বাধাগ্রস্ত প্রসব দ্রুত শনাক্ত করা জরুরি। এ ছাড়া প্রয়োজন হলে সময়মতো সিজারিয়ান অপারেশন করা, প্রসবের সময় ভুল পদ্ধতি ও অতিরিক্ত চাপ এড়ানো, অল্প বয়সে গর্ভধারণ প্রতিরোধ, মায়ের পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও রক্তশূন্যতা নিয়ন্ত্রণ এবং প্রসব-পরবর্তী জটিলতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বক্তারা আরও বলেন, দীর্ঘ সময় বাধাগ্রস্ত প্রসবই ফিস্টুলার প্রধান কারণ। তবে সময়মতো চিকিৎসা ও সচেতনতার মাধ্যমে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই জটিলতা প্রতিরোধ সম্ভব।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এইচএম/এমআর/এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>কারিনার ভুল চিকিৎসার অভিযোগের জবাব ডা. সাকলায়েন রাসেলের</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34774/কারিনার-ভুল-চিকিৎসার-অভিযোগের-জবাব-ডা-সাকলায়েন-রাসেলের</link>
			<pubDate>Sun, 24 May 2026 02:29:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34774/কারিনার-ভুল-চিকিৎসার-অভিযোগের-জবাব-ডা-সাকলায়েন-রাসেলের</guid>
			<description><![CDATA[মেয়ে কারিনা কায়সারের মৃত্যু ঘিরে কিংবদন্তি সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদের চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসা নিয়ে করা অভিযোগের জবাব দিয়েছেন ইবরাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. সাকলায়েন রাসেল। জ্বর ও জন্ডিসে আক্রান্ত মেয়েকে যথাসময়ে হাসপাতালে না নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বাসায় রেখে প্যারাসিটামল খাওয়ানোকে প্রথম ভুল হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি, যা চিকিৎসকদের দ্বারা নয়, বরং পরিবারের সদস্যদের অমনোযোগিতায় হয়েছে। ডা. সাকলায়েন বলেন, সিঙ্গাপুর বা উন্নত বিশ্ব না করা সত্ত্বেও কারিনাকে ভারতে চিকিৎসার জন্য নেওয়াও ভুল ছিল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong>মেয়ে কারিনা কায়সারের মৃত্যু ঘিরে সাবেক কিংবদন্তি ফুটবলার কায়সার হামিদের চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে&nbsp;ভুল চিকিৎসা নিয়ে করা অভিযোগের জবাব দিয়েছেন ইবরাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. সাকলায়েন রাসেল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জ্বর ও জন্ডিসে আক্রান্ত মেয়েকে যথাসময়ে হাসপাতালে না নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বাসায় রেখে প্যারাসিটামল খাওয়ানোকে প্রথম ভুল হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। বলেন,&nbsp;চিকিৎসকদের দ্বারা নয়, বরং পরিবারের সদস্যদের অমনোযোগিতায় তা হয়েছে। ডা. সাকলায়েন বলেন, সিঙ্গাপুর বা উন্নত বিশ্ব না করা সত্ত্বেও কারিনাকে ভারতে চিকিৎসার জন্য নেওয়াও ভুল ছিল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বনামধন্য এই&nbsp;ভাসকুলার সার্জনের&nbsp;জবাবের পোস্টটি মেডিভয়েস পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভুলের গল্প</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রিয় কায়সার হামিদের উদ্দেশ্যে,</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যে মানুষটার পায়ে বল এলে আনন্দে কেঁপে উঠত লাল সবুজের গ্যালারি সে মানুষটা আজ কাঁদছে। আপনার এই শোকের মাঝেও কালবেলাকে দেয়া সাক্ষাৎকার, অসুস্থ অবস্থায় চ্যানেল আই ও বাংলা ট্রিবিউনকে দেয়া সাক্ষাৎকারসহ অনেক মতামত আমাদের নজরে এসেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আপনি অভিযোগ করেছেন ইন্ডিয়ান ডাক্তারের ভাষ্যমতে, কোনো&nbsp;না কোনোভাবে ভুল চিকিৎসা হয়েছে (সূত্র: কালবেলা, সময় টিভি); আক্ষেপ করেছেন, বাংলাদেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয় না, এটা জানতেন না। (সূত্র: চ্যানেল আই), ফ্যাটি লিভারের কারণে তিনি লিভার ফেইল্যর এ আক্তান্ত হয়েছেন। (সূত্র: চ্যানেল আই) ও ভুল অ্যান্টিবায়োটিক বা সিডেটিভ দেয়া হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সত্যি বলতে ভুল তো হয়েছে। একটা না একাধিক। আপনি যেহেতু অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন খেলোয়াড়, জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব সেহেতু আপনার কথার গুরুত্ব আছে। প্রতিটা কথা সমাজে ম্যাসেজ সরবরাহ করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">একজন চিকিৎসক ও একজন স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তি হিসেবে আমি সেই ভুলগুলো আপনাকে ধরিয়ে দিতে চাই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রথম ভুল, জ্বর ও জন্ডিস থাকার পরেও এক সপ্তাহের অধিক আপনি পাত্তাই দেননি। দশ এগারো দিন বাসাতে রেখেছেন (সুত্র: চ্যানেল আই)। হতে পারে টুকটাক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আচ্ছা, জ্বরে কি প্যারাসিটামল দিয়েছিলেন? দিয়ে থাকলেই মহাবিপদ। যে মানুষটা হেপাটাইটিস-এ এবং ই তে আক্তান্ত হয়ে লিভার ফেইল্যর&rsquo;র দিকে যাচ্ছে তার জন্যে সামান্য প্যারাসিটামলও কিন্তু অনেক ভয়ংকর!&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দ্বিতীয়ত লিভার ফেইল্যর হলে প্রথমেই দেহ থেকে টক্সিন বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়, আক্তান্ত হয় মস্তিস্ক, সেই সঙ্গে শুরু হয় ডিসেমিনেটেড ইনট্রাভাসকুলার কোয়াগুলেশন (ডিআইসি) নামক মহা জটিলতা দেখা দেয়। এতে ফুসফুস আক্রান্ত হয়। আর খুব দ্রুত একে একে সব অর্গান আক্রান্ত হয়। তাই ফুসফুস আক্তান্ত হবে এটাই স্বাভাবিক।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">লাইফ সাপোর্ট কাকে বলে জানেন? ফুসফুস যখন কাজ করে না, তখন কৃত্রিম ফুসফুস দিয়ে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখতে হয়। এটাকেই লাইফ সাপোর্ট (ভেন্টিলেটর) বলে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তৃতীয়ত বাংলাদেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয় না। এটাও ভুল। ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের যে অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) আমি অপারেশন করি, সেখানেই অতীতে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে। অধ্যাপক মো. আলীর তত্ত্বাবধানে এটি হয়েছিল। পিজিতেও হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কিন্তু নিয়মিত হয় না। কারণ এটা ব্যয়বহুল। এত টাকা দিয়ে রোগীরা দেশে অপারেশন করতে চায় না।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চতুর্থত উন্নত বিশ্বে যেখানে লিভার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) আছে, সেখানেও এ রোগে মৃত্যুর হার ৯০% এর বেশি। কেন জানেন? ওই যে ফালমিনেন্ট হেপাটিক ফেইল্যর হওয়ার সাথে সাথে রোগীর নানা জটিলতা শুরু হয়। তাই চাইলেও দ্রুত লিভার ট্রান্সপ্লান্ট আয়োজন করা যায় না। যেটা ইন্ডিয়াও পারেনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আর ফ্যাটি লিভারের কারণে এমন হয়েছে এই স্টেটমেন্টও ভুল। এতে করে যারা প্রাথমিক পর্যায়ের ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত তারা আতঙ্গে আছেন। এই কয় দিন এসব রোগীর ভীড় চেম্বারে বেড়ে গেছে। এটা ঠিক যে ফ্যাটি লিভার এডভান্স হলে অল্পতেই কাবু হওয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ের ফ্যাটি লিভার নিয়ম মেনে একদম ভাল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সিডেটিভ বা অ্যান্টিবায়োটিক সঠিক চিকিৎসারই অংশ। আর ওনাকে প্রাথমিক নয়, টারশিয়ারি লেভেলের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাবা হিসেবে অনিচ্ছা সত্ত্বেও আপনার কিছু ভুল হয়েছে। মেয়েকে ফিট রাখার চেষ্টা হয়ত করেছেন, পারেননি। এলোমেলো খাবার থেকে বিরত রাখতে পারেননি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যথাসময়ে মেয়েকে হাসপাতালে নেননি। বাসায় রেখে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় প্যারাসিটামল খাইয়েছেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দ্বিতীয় ভুল হলো সিঙ্গাপুর বা উন্নত বিশ্ব না করা সত্ত্বেও ওনাকে ইন্ডিয়ায় নিয়ে গেছেন। অ্যায়ারএ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া দিয়েছেন ৫৫ লাখ, নিশ্চয়ই ইন্ডিয়াতেও ৩০/৪০ লাখ যাবে। বাবার মন, তাই হয়ত মিরাকলের আশায় গেছেন। যেকোন সামর্থবান পিতাই এটা করবে। সেজন্যে এটাকে ভুল বলার জন্যে আমি দুঃখিত।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আরো একটা কারণে কাজটা ভাল হয়েছে। দেশের হাসপাতালে মারা গেলে আরো অনেক বেশি অভিযোগ আসত। উন্নত চিকিৎসার আশায় বিদেশে যাওয়ার খবর যতবেশি মার্কেট পায়। উন্নত কফিনে বিদেশ থেকে ফিরে আসার খবরগুলো ততটা পায় না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">একটা দেশ সব কিছুতে স্বয়ং সম্পূর্ণ হয় না। কিছু বাস্তবতা থাকে। এই যেমন&mdash;বাংলাদেশের একমাত্র ফাইলেরিয়া হাসপাতাল সৈয়দপুরে, ঢাকায় না কিন্তু। খোদ আমেরিকাতেও ফাইলেরিয়া ডেডিকেটেড হাসপাতাল নেই।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আপনি তো উন্নতমানের ফুটবলার। তবুও ফুটবলে বাংলাদেশের অবস্থান কত আমরা কিন্তু সে প্রশ্ন করছি না। কারণ কিছু সীমাবদ্ধতা, বাস্তবতা মেনে নিতে হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাই মানসিক স্বান্তনার জন্য মনগড়া অভিযোগ না তুলে প্রয়োজনে সরাসরি ব্যবস্থা নিন। বিশষজ্ঞের সাহায্য নিয়ে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ আনুন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পিতা হিসেবে আজ আপনি আহত। চিকিৎসক হিসেবে আমরাও আহত। এক একজন পিতা হিসেবে, দুই ভুল চিকিৎসার মনগড়া অভিযোগের কারণে। তবে আপনি কিছু ভুল তুলে আনতেই পারতেন। যেমন&mdash;খাদ্যে ভেজাল, দুষিত পানি কিংবা স্বাস্থ্য অসচেতন প্রজন্মের ভুল জীবন যাপন নিয়ে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরকালে মেয়ের সাথে আবারও দেখা হোক। বেহেশতি বাগানের কোন এক নদীর ধারে। এক জীবনের আফসোসগুলো না হয় সে সময় মিটিয়ে নিলেন। আমিন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শারীরিক সুস্থতায় যে কাজ করে ভিটামিন ও মিনারেলস</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34773/শারীরিক-সুস্থতায়-যে-কাজ-করে-ভিটামিন-ও-মিনারেলস</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 21:13:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34773/শারীরিক-সুস্থতায়-যে-কাজ-করে-ভিটামিন-ও-মিনারেলস</guid>
			<description><![CDATA[মানুষের শরীরকে যদি একটি বিশাল কর্মযন্ত্র হিসেবে কল্পনা করা হয়, তাহলে ভিটামিন ও মিনারেলস হলো সেই যন্ত্রের অদৃশ্য কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। আমরা প্রতিদিন খাবার খাই মূলত শক্তি পাওয়ার জন্য, কিন্তু শুধু ভাত, রুটি বা প্রোটিন খেলেই শরীর সুস্থ থাকে না। শরীরের প্রতিটি কোষ, প্রতিটি অঙ্গ, প্রতিটি রাসায়নিক বিক্রিয়া সঠিকভাবে পরিচালিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন নানা ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। এদের ঘাটতি হলে শরীর ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, শিশুদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, এমনকি মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের কাজও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই ভিটামিন ও মিনারেলসকে “মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট” বলা হলেও এদের গুরুত্ব মোটেও ছোট নয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানুষের শরীরকে যদি একটি বিশাল কর্মযন্ত্র হিসেবে কল্পনা করা হয়, তাহলে ভিটামিন ও মিনারেলস হলো সেই যন্ত্রের অদৃশ্য, কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। আমরা প্রতিদিন খাবার খাই মূলত শক্তি পাওয়ার জন্য, কিন্তু শুধু ভাত, রুটি বা প্রোটিন খেলেই শরীর সুস্থ থাকে না। শরীরের প্রতিটি কোষ, প্রতিটি অঙ্গ, প্রতিটি রাসায়নিক বিক্রিয়া সঠিকভাবে পরিচালিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন নানা ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। এদের ঘাটতি হলে শরীর ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, শিশুদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, এমনকি মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের কাজও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই ভিটামিন ও মিনারেলসকে &lsquo;মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট&rsquo;&nbsp;বলা হলেও এদের গুরুত্ব মোটেও ছোট নয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভিটামিন মূলত দুই ধরনের, যথা: ফ্যাট সলিউবল ও ওয়াটার সলিউবল। ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন শরীরে কিছুটা জমা থাকে, আর ওয়াটার সলিউবল ভিটামিন প্রতিদিন খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। অন্যদিকে মিনারেলস শরীরের গঠন, স্নায়ু, হরমোন, রক্ত ও কোষীয় কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভিটামিন এ মানুষের শরীরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি হলো চোখ ও এপিথেলিয়াল টিস্যুর সুরক্ষা। এটি চোখের রেটিনায় আলো অনুভবের জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক তৈরিতে সাহায্য করে। তাই ভিটামিন-এ&rsquo;র অভাবে রাতকানা রোগ হতে পারে। এ ছাড়া এটি শ্বাসনালী, অন্ত্র ও ত্বকের আবরণীকে সুস্থ রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। হাম রোগে ভিটামিন এ দেওয়া হয় মূলত এই কারণেই। এটি এপিথেলিয়াল ইন্টিগ্রেটি&nbsp;বজায় রাখে এবং জটিলতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। গাজর, কুমড়া, মিষ্টি আলু, কলিজা, ডিমের কুসুম ও সবুজ শাকসবজি ভিটামিন এ-এর ভালো উৎস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভিটামিন-ডি শরীরের ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হাড় ও দাঁত শক্ত রাখতে সাহায্য করে। সূর্যের আলো থেকে শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং বড়দের অস্টিওম্যালেসিয়া হতে পারে। বর্তমানে ঘরের ভেতরে বেশি থাকা, মোবাইল ও স্ক্রিন নির্ভর জীবনযাপন এবং পর্যাপ্ত রোদে না যাওয়ার কারণে ভিটামিন ডি ঘাটতি বাড়ছে। মাছ, ডিম, দুধ ও রোদ এটির প্রধান উৎস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভিটামিন-ই একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি র&zwj;্যাডিক্যালের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। কোষের ঝিল্লি সুরক্ষা, স্নায়ুর কার্যক্রম ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। বাদাম, বীজ, উদ্ভিজ্জ তেল ও শাকসবজিতে ভিটামিন ই পাওয়া যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভিটামিন কে রক্ত জমাট বাঁধার জন্য অপরিহার্য। এটি ছাড়া শরীর স্বাভাবিকভাবে রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে পারে না। নবজাতকদের জন্মের পর ভিটামিন-কে ইনজেকশন দেওয়া হয় যাতে তারা বিপজ্জনক রক্তক্ষরণ থেকে সুরক্ষিত থাকে। সবুজ শাকসবজি ও অন্ত্রের কিছু ব্যাকটেরিয়া ভিটামিন কে-এর উৎস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স আসলে একাধিক ভিটামিনের সমষ্টি। এরা শরীরে শক্তি উৎপাদন, স্নায়ুর কার্যক্রম, রক্ত তৈরির প্রক্রিয়া এবং মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয়। ভিটামিন বি১ বা থায়ামিনের অভাবে বেরিবেরি হতে পারে, যা হৃদযন্ত্র ও স্নায়ুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ভিটামিন বি১২ ও ফলিক এসিড রক্ত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ; এদের ঘাটতিতে মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া হয়। গর্ভাবস্থায় ফলিক এসিডের ঘাটতি শিশুর নিউরাল টিউব ডিফেক্টে</span><span style="font-size:16px">র ঝুঁকি বাড়ায়। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল ও শাকসবজি-বি ভিটামিনের প্রধান উৎস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভিটামিন-সি শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে, ক্ষত দ্রুত শুকাতে সহায়তা করে এবং আয়রন শোষণ বাড়ায়। এর অভাবে স্কার্ভি নামের রোগ হতে পারে, যেখানে মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে, শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং ক্ষত শুকাতে দেরি হয়। আমলকি, কমলা, পেয়ারা, লেবু ও টমেটো ভিটামিন সি-এর সমৃদ্ধ উৎস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মিনারেলসের মধ্যে আয়রন সবচেয়ে পরিচিত। এটি হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য অপরিহার্য। আয়রনের অভাবে আয়রন ডেফিসিয়েন্সি এনিমিয়া হয়, যা শিশুদের শেখার ক্ষমতা, আচরণ ও শারীরিক বৃদ্ধির উপর প্রভাব ফেলে। অনেক শিশু দুর্বলতা, খেতে না চাওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া বা বারবার অসুস্থ হওয়ার মাধ্যমে আয়রনের ঘাটতির লক্ষণ দেখায়। কলিজা, মাংস, মাছ, ডিম, ডাল ও শাকসবজি আয়রনের ভালো উৎস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের প্রধান উপাদান। এটি শুধু হাড়ের জন্যই নয়, বরং পেশি সংকোচন, হৃদস্পন্দন ও স্নায়ুর কার্যক্রমের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ক্যালসিয়ামের ঘাটতিতে শিশুদের হাড় দুর্বল হয় এবং বড়দের হাড় ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। দুধ, দই, ছোট মাছ ও সবুজ শাক ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জিংক শিশুদের বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও ক্ষত নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জিংকের ঘাটতিতে শিশুদের বৃদ্ধি কমে যেতে পারে এবং ডায়রিয়া ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। এজন্য ডায়রিয়ায় জিংক খাওয়ানো হয়। মাছ, মাংস, ডিম ও ডাল জিংকের উৎস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আয়োডিন থাইরয়েড হরমোন তৈরির জন্য অপরিহার্য। এর অভাবে গয়টার, মানসিক বিকাশের সমস্যা ও শিশুদের বুদ্ধিবিকাশে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিতে পারে। আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার এই সমস্যা প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও সোডিয়াম শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখে। এরা হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক স্পন্দন, পেশির কার্যক্রম এবং স্নায়ুর সংকেত আদান-প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডায়রিয়া, বমি বা অপুষ্টিতে এই খনিজগুলোর ভারসাম্য নষ্ট হলে খিঁচুনি, দুর্বলতা বা হৃদযন্ত্রের জটিলতা হতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেলেনিয়াম, কপার ও অন্যান্য ট্রেস এলিমেন্ট তুলনামূলক কম পরিমাণে প্রয়োজন হলেও শরীরের বিভিন্ন এনজাইম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদের ঘাটতি দীর্ঘমেয়াদে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও কোষীয় কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বর্তমান সময়ে একটি বড় সমস্যা হলো&mdash;অনেকে মনে করেন বাজারের মাল্টিভিটামিন খেলেই স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। বাস্তবে প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত ভিটামিন খাওয়াও ক্ষতিকর হতে পারে, বিশেষ করে ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন বেশি জমে টক্সিসিটি তৈরি করতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অযথা সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করা উচিত নয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সুষম খাদ্যই হলো ভিটামিন ও মিনারেলস পাওয়ার সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর উপায়। শিশুর খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ফলমূল, মাছ, মাংস, ডিম, ডাল ও দুধ রাখা প্রয়োজন। একঘেয়ে খাদ্যাভ্যাস শরীরে নীরব অপুষ্টি তৈরি করতে পারে, যার প্রভাব&nbsp;ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শরীরের সুস্থতা শুধু পেট ভরে খাওয়ার উপর নির্ভর করে না; বরং কী খাওয়া হচ্ছে এবং শরীর প্রয়োজনীয় ক্ষুদ্র পুষ্টি উপাদানগুলো পাচ্ছে কি না, সেটিই আসল বিষয়। ভিটামিন ও মিনারেলস হয়তো অল্প পরিমাণে লাগে, কিন্তু সুস্থ জীবন গঠনে এদের ভূমিকা অসীম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>‘উন্নত বিশ্বের মতো আধুনিক ও জনবান্ধব চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই’</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34772/উন্নত-বিশ্বের-মতো-আধুনিক-ও-জনবান্ধব-চিকিৎসা-ব্যবস্থা-গড়ে-তুলতে-চাই</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 20:22:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34772/উন্নত-বিশ্বের-মতো-আধুনিক-ও-জনবান্ধব-চিকিৎসা-ব্যবস্থা-গড়ে-তুলতে-চাই</guid>
			<description><![CDATA[ঢাকাবাসির জন্য উন্নত বিশ্বের মতো আধুনিক ও জনবান্ধব চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। আজ শনিবার (২৩ মে) সকালে রাজধানীর উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরের আইইএস উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে এ কথা বলেন তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">ঢাকাবাসির জন্য উন্নত বিশ্বের মতো আধুনিক ও জনবান্ধব চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (২৩ মে) সকালে রাজধানীর উত্তরার পাঁচ নম্বর সেক্টরের আইইএস উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে পরিদর্শনে গিয়ে&nbsp;এ কথা বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, জামায়াতের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প নতুন কোনো উদ্যোগ নয়। দীর্ঘদিন ধরে আমরা সর্বস্তরের নগরবাসীর জন্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি। চিকিৎসাসেবা সহজ করতে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, ব্লাড ব্যাংক, অক্সিজেন সরবরাহসহ বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এমনকি জরুরি&nbsp;কলের মাধ্যমে রোগীর বাসায় চিকিৎসক পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প সম্পর্কে আমীর&nbsp;বলেন, এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে ১৫টি সেবা বিভাগের প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ পাবেন। চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ভবিষ্যতে প্রতিটি সংসদীয় আসন ও ঢাকা উত্তর সিটির ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে এ ধরনের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেলিম উদ্দিন আরও বলেন, দেশের সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার দুরবস্থা&nbsp;এবং বেসরকারি হাসপাতালে অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে সাধারণ মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ বাস্তবতায় চিকিৎসাসেবা সহজীকরণে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও জানান, উন্নত বিশ্বের মতো&nbsp;ঢাকাবাসির জন্য আধুনিক ও জনবান্ধব চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। দেশের চিকিৎসা খাতে বাজেট অন্যান্য দেশের তুলনায় কম হলেও বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে মানুষকে বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পেতে হবে না। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ঢাকা উত্তর সিটি গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের সফলতা কামনা করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং ভবিষ্যতেও সেবার করার জন্য নগরবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা চান সেলিম উদ্দিন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে&nbsp;চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন ডা. জিহাদ খান ও ডা. হাসান বান্নাসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। এ সময়&nbsp;উপস্থিত ছিলেন, জামায়াত উত্তরা পূর্ব অঞ্চলের পরিচালক জামাল উদ্দিন, সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম, উত্তরা পশ্চিম থানার আমীর মাজহারুল ইসলাম, তুরাগ দক্ষিণের আমীর আবু বকর সিদ্দিক, উত্তরখান পূর্বের আমীর ইসরাইল হোসেন, তুরাগ মধ্য থানার নায়েবে আমীর কামরুল হাসান, মহানগরী যুব বিভাগের সেক্রেটারি ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ ও ডা. শফিকুল ইসলাম জুয়েলসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিভিন্ন মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে ১১ চিকিৎসকের পদোন্নতি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34771/বিভিন্ন-মেডিকেল-প্রতিষ্ঠানে-১১-চিকিৎসকের-পদোন্নতি</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 20:11:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34771/বিভিন্ন-মেডিকেল-প্রতিষ্ঠানে-১১-চিকিৎসকের-পদোন্নতি</guid>
			<description><![CDATA[বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে বিভিন্ন মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে ১১ চিকিৎসককে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আজ শনিবার (২৩ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে বিভিন্ন মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে ১১ চিকিৎসককে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আজ শনিবার (২৩ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,&lsquo;পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণ যোগদানপত্র গ্রহণপূর্বক তাঁদের নামের পার্শ্বে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলি/পদায়ন করা হলো&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, &lsquo;পদায়নকৃত কর্মকর্তাগণ আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তাঁর পদোন্নতিপ্রাপ্ত পদ ও পদায়নকৃত কর্মস্থলে যোগদান করবেন। অন্যথায় পরবর্তী কর্ম দিবসে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিক অব্যাহতি মর্মে গণ্য হবেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া অবমুক্তির সময় তাঁদের বর্তমান কর্মস্থল হতে ছাড়পত্র গ্রহণ করবেন এবং এইচআরএম ডাটাবেজ থেকে মুভ আউট হবেন এবং যোগদানের পর ন্যস্তকৃত বিভাগে অথবা কর্মস্থলে মুভ ইন হবেন বলে উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><a href="https://drive.google.com/file/d/1HSsvsCPG4CGpO1mai7_CEOYg14p_0kAm/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><strong>বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন</strong></span></a></span></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1HSsvsCPG4CGpO1mai7_CEOYg14p_0kAm/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের চিকিৎসায় দায়িত্বরত চিকিৎসক-নার্সদের ঈদছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34770/হামের-চিকিৎসায়-দায়িত্বরত-চিকিৎসক-নার্সদের-ঈদছুটি-বাতিল-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 18:02:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34770/হামের-চিকিৎসায়-দায়িত্বরত-চিকিৎসক-নার্সদের-ঈদছুটি-বাতিল-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[হাম আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবায় দায়িত্বরত চিকিৎসক, নার্স ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ শনিবার (২৩ মে) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span>&nbsp;</strong></span><span style="font-size:16px">হাম আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবায় দায়িত্বরত চিকিৎসক, নার্স ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (২৩ মে)&nbsp;সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যেসব হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুরা ভর্তি আছে, সে হাসপাতালগুলোতে ঈদের ছুটির মধ্যে চিকিৎসকরা থাকবেন কি-না, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম রোগীদের চিকিৎসা সেবায় দায়িত্বরত কোনো ডাক্তার ও নার্সের ঈদের ছুটি হবে না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ বিষয়ে ইতোমধ্যে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে জানিয়ে&nbsp;মন্ত্রী বলেন, </span><span style="font-size:16px">হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা জরুরি, তাই সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্বে থাকতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, টিকা নিলেই শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত হয় না। কিছু ক্ষেত্রে সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যায়, বিশেষ করে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, আক্রান্ত শিশুদের বড় জমায়েত বা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে না নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। কারণ ঘন সংস্পর্শে রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি বেশি। ঈদে জনসমাগম ও যাতায়াতের কারণে সংক্রমণ বাড়ার সম্ভাবনাও থাকতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ডুমুরিয়া হাসপাতাল ১০০ শয্যায় উন্নীত</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34769/ডুমুরিয়া-হাসপাতাল-১০০-শয্যায়-উন্নীত</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 17:24:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34769/ডুমুরিয়া-হাসপাতাল-১০০-শয্যায়-উন্নীত</guid>
			<description><![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেওয়া অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা। শপথ গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মধ্যে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবি করেছেন খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মাদ আলী আসগার লবি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ছিল ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা। শপথ গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মধ্যে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবি করেছেন খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মাদ আলী আসগার লবি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শুক্রবার (২২ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করে এমপি লবি বলেন, ডুমুরিয়ার বিশাল জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানো জরুরি ছিল। এখন ১০০ শয্যায় উন্নীত হওয়ার ফলে সাধারণ মানুষ আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন। পাশাপাশি সেবার মান বজায় রাখতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানা গেছে, ডুমুরিয়া উপজেলায় ১৪টি ইউনিয়ন ও ২২৬টি গ্রাম রয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) কাজল মল্লিক গণমাধ্যমকে বলেন, প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শয্যা সংকট দেখা দিত। রোগীর চাপ বেড়ে গেলে অনেককে মেঝেতে থেকেও চিকিৎসা নিতে হতো। তিনি বলেন, শয্যা সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরনের স্বস্তি আসবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>মদ্যপান বাড়ায় অন্ধত্বের ঝুঁকি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34768/মদ্যপান-বাড়ায়-অন্ধত্বের-ঝুঁকি</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 16:59:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34768/মদ্যপান-বাড়ায়-অন্ধত্বের-ঝুঁকি</guid>
			<description><![CDATA[বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে মদ্যপানের প্রবণতা। অনেকেই মনে করেন, অল্প পরিমাণ মদ শরীরের তেমন ক্ষতি করে না। কিন্তু অতিরিক্ত কিংবা ভেজাল মদ্যপান চোখের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে। এমনকি স্থায়ী অন্ধত্বও দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে মিথানলযুক্ত ভেজাল মদ চোখের অপটিক নার্ভকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে মদ্যপানের প্রবণতা। অনেকেই মনে করেন, অল্প পরিমাণ মদ শরীরের তেমন ক্ষতি করে না। কিন্তু অতিরিক্ত কিংবা ভেজাল মদ্যপান চোখের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে। এমনকি স্থায়ী অন্ধত্বও দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে মিথানলযুক্ত ভেজাল মদ চোখের অপটিক নার্ভকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>কীভাবে মদ্যপান অন্ধত্বের কারণ হয়?</strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">১. ভেজাল বা অবৈধ মদে প্রায়ই মিথানল নামক বিষাক্ত উপাদান থাকে। শরীরে প্রবেশের পর মিথানল ভেঙে ফর্মিক অ্যাসিড তৈরি করে, যা চোখের অপটিক নার্ভের কোষ ধ্বংস করে।<br />
২. দীর্ঘদিন অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্সের ঘাটতি তৈরি হয়, যা অপটিক নিউরোপ্যাথির কারণ হতে পারে।<br />
৩. অতিরিক্ত মদ্যপানে লিভার ও স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার প্রভাব পড়ে চোখেও।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>লক্ষণসমূহ</strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মদ্যপানের কারণে চোখ আক্রান্ত হলে নিচের উপসর্গগুলো দেখা দিতে পারে&mdash;<br />
১. হঠাৎ ঝাপসা দেখা।<br />
২. চোখের সামনে অন্ধকার নেমে আসা।<br />
৩. রঙ চিনতে সমস্যা হওয়া।<br />
৪. চোখে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া।<br />
৫. মাথা ঘোরা ও বমি বমি ভাব।<br />
৬. আলোতে তাকাতে কষ্ট হওয়া।<br />
৭. দুই চোখের দ্রুত দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া।<br />
৮. গুরুতর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অন্ধত্ব।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>কারা বেশি ঝুঁকিতে</strong><br />
নিয়মিত অতিরিক্ত মদ্যপানকারী ব্যক্তি, ভেজাল বা অবৈধ মদ গ্রহণকারী, অপুষ্টিতে ভোগা মানুষ, ডায়াবেটিস বা স্নায়ুরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং ধূমপানের সঙ্গে মদ্যপানের অভ্যাস যাদের আছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>রোগ নির্ণয়</strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসক সাধারণত নিচের পরীক্ষাগুলো করে থাকেন&mdash;<br />
চোখের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা, ফান্ডাস পরীক্ষা, অপটিক নার্ভ মূল্যায়ন, রক্তে মিথানলের মাত্রা নির্ণয়, সিটি স্ক্যান বা এমআরআই এবং রক্তের এসিড-বেইস ভারসাম্য পরীক্ষা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>চিকিৎসা</strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মদ্যপানের কারণে চোখের সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।<br />
১. রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।<br />
২. মিথানল বিষক্রিয়ায় বিশেষ অ্যান্টিডোট ব্যবহার করা হয়।<br />
৩. প্রয়োজনে ডায়ালাইসিস করা হয়।<br />
৪. ভিটামিন বি-১, বি-৬ ও বি-১২ দেওয়া হয়।<br />
৫. চোখের স্নায়ু রক্ষায় স্টেরয়েড বা অন্যান্য ওষুধ ব্যবহার করা হতে পারে।<br />
৬. সম্পূর্ণভাবে মদ্যপান বন্ধ করতে হবে।<br />
৭. চিকিৎসায় দেরি হলে দৃষ্টিশক্তি আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নাও হতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>প্রতিকার ও সচেতনতা</strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">১. ভেজাল ও অবৈধ মদ সম্পূর্ণভাবে বর্জন করতে হবে।<br />
২. অতিরিক্ত মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করা প্রয়োজন।<br />
৩. হঠাৎ চোখে ঝাপসা দেখা দিলে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।<br />
৪. সুষম খাদ্য ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে।<br />
৫. পরিবার ও সমাজে মদ্যপানের ক্ষতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে।<br />
৬. তরুণদের মধ্যে মাদকবিরোধী শিক্ষা জোরদার করা জরুরি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম ও উপসর্গে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৫১২ </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34767/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-১৩-শিশুর-মৃত্যু-মোট-মৃত্যু-৫১২</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 16:30:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34767/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-১৩-শিশুর-মৃত্যু-মোট-মৃত্যু-৫১২</guid>
			<description><![CDATA[সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (২৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৬৫ জনের। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আট হাজার ৪৯৪ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২৬ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫১২ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছে এক হাজার ৯৬৭ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ৮৭৮ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ৬০০ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34766/মেডিকেল-অ্যান্ড-ডেন্টাল-স্টুডেন্টস-অ্যাসোসিয়েশনের-নতুন-কমিটি-গঠন</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 16:21:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34766/মেডিকেল-অ্যান্ড-ডেন্টাল-স্টুডেন্টস-অ্যাসোসিয়েশনের-নতুন-কমিটি-গঠন</guid>
			<description><![CDATA[মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন, ফরিদপুরের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইমতিয়াজ আহমেদ লিমন (FMC) এবং সদস্য সচিব হিসেবে জহিরউদ্দীন মো. সাবের (DAMC) নির্বাচিত হয়েছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> </span></span><span style="font-size:16px">ফরিদপুরে&nbsp;মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের&nbsp;আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। নবগঠিত এ কমিটির আহ্বায়ক হয়েছেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের&nbsp;শিক্ষার্থী&nbsp;ইমতিয়াজ আহমেদ লিমন এবং সদস্য সচিব হয়েছেন ডেন্টাল আ্যডমিশন মেডিকেল কলেজের&nbsp;শিক্ষার্থী জহিরউদ্দীন মো. সাবের।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে গত (২০ মে) নতুন এ আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও নবগঠিত কমিটির উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন ডা. মো. সাকি খান, ডা. আল আমিন সরোয়ার, ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিম, ডা. হাফিজুর রহমান অভি, ডা. মো. তানজিল আবির, ডা. মাহফুজুল হক মাহিয়ান এবং ডা. অংকন অংশুমান। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন ইফতেখার রহমান (ডিএমডি), মো. সাইদুল ইসলাম অপু (ডিএএমসি), আসিফ ইকবাল (এমএসএমসিএইচ), মো. মোরসালিন (ডিএএমসি), মো. মোকাব্বেরুল রহমান (ডিএএমসি), ফয়সাল আহমেদ খান (এফএমসি), মো. খালেদ মিয়া (ডিএএমসি), খালিদ হাসান ইমন (এফএমসি), নাবিল বিন আলম (ডিএএমসি), সাকিব হাসান লস্কর (এফএমসি), জুবায়ের আহমেদ মুঈন (ডিএএমসি), নাঈম খান (এসএসএমসি), মাহবুবুর রহমান নাঈম (এফএমসি) এবং মাহরিন আলম মাইমা (ডিএমসি)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কমিটিতে যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন হাসিবুল ইসলাম প্রান্ত (এসএসএমসি), আমির ফয়সাল (ডিএমসি), মুনতাহা বিনতে মাহবুব (ডিএএমসি), ফাতেমা বিনতে খালিদ (ডিএমসি), হাসিবুল ইসলাম শান্ত (ডিএএমসি), সামিউল ইসলাম (এফএমসি), আনিকা রিফা ফিহা (ডিএমসি), আল নোমান (এসএসএমসি), সামিন আহমেদ (এফএমসি), শাওন খান (ডিএএমসি), সৈয়দা আফরা নাওয়াব (এসএসএমসি), সুদীপ্ত বিশ্বাস জয় (এফএমসি), আরেফিন জালাল (ডিএএমসি), সাদিয়া আক্তার (এফএমসি), জিহাদ হোসেন (এসএসএমসি), নুরে জান্নাত তিশা (এফএমসি), নাঈম মোল্লা (ডিএএমসি), এনি তালুকদার (এফএমসি) এবং মৌমিতা ঘোষ প্রমি (এফএমসি)। কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন হালিমা তুস সাদিয়া (ডিএমসি), রুদ্র করিম (এফএমসি), প্রতীপ বিশ্বাস (এফএমসি), দিবাকর সাহা (এফএমসি), মো. নাফিজ ইকবাল (এফএমসি), নাদিয়া ইসলাম (এফএমসি), ফাহিম আর রাফি (এফএমসি), জারা তানভীর রুপকথা (এফএমসি), মাহিদুল ইসলাম (এফএমসি), সুমাইয়া আক্তার (এফএমসি), আলভা অরিত্র (ডিএমসি), মো. আরিফ হোসেন (এসএসএমসি), আব্দুল্লাহ আল মাহি (এফএমসি), সামিউল হাসান (ডিএমসি), তাহসান আহমেদ (ডিএএমসি), আসিফ আরমান (এসএসএমসি), সাদিয়া ইসলাম (ডিএএমসি), আফিয়া ইবনাত ইভা (ডিএমসি), নূর কুতুব আলম (এসএসএমসি), ইসতি মাহমুদ আলিফ (ডিএএমসি), সাবাহ (এসএসএমসি) এবং রাহাতুন্নেসা রাকা (ডিএএমসি), সাজিদ আব্দুল্লাহ (এসএসএমসি)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, নতুন কমিটির মাধ্যমে মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা, গবেষণা কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট ইতিবাচক উদ্যোগ আরও বিস্তৃতভাবে পরিচালনা করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত,&nbsp;২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়&nbsp;মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন,&nbsp;ফরিদপুর। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে&nbsp;</span><span style="font-size:16px">মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের অধিকার, অ্যাকাডেমিক উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে কাজ করে আসছে সংগঠনটি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34765/ময়মনসিংহে-হামের-উপসর্গে-আরও-এক-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 13:31:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34765/ময়মনসিংহে-হামের-উপসর্গে-আরও-এক-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে এ ্হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোট ৩৫ শিশুর মৃত্যু হলো। একই সময়ে নতুন করে আরও ২৯ শিশু ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০০ শিশু।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট: </span></span></strong><span style="font-size:16px">ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে এ&nbsp;্হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোট ৩৫ শিশুর মৃত্যু হলো। একই সময়ে নতুন করে আরও ২৯ শিশু ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০০ শিশু।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শুক্রবার (২২ মে) সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের লক্ষণ নিয়ে নতুন করে ২৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মারা যাওয়া শিশুটি সাড়ে তিন বছর বয়সী এক কন্যাশিশু। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায়। গত বুধবার (২০ মে) তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শিশুটির মৃত্যু সনদে উল্লেখ করা হয়েছে, হামের উপসর্গের পাশাপাশি সে নিউমোনিয়া ও হার্ট ফেইলিউরেও আক্রান্ত ছিল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ মার্চ থেকে শনিবার (২৩ মে) সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে মোট ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৫৬০ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ৪২৫ শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। এ সময়ে কাউকে ঢাকায় রেফার্ড করতে হয়নি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে অল্পসংখ্যক শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হতে শুরু করে। তবে মার্চের মাঝামাঝি থেকে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালটিতে ৬৪ শয্যাবিশিষ্ট পৃথক হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। সেখানে তিনটি মেডিকেল টিম চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>অপরাধীদের দায়মুক্তির সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হবে: ইউনিসেফ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34764/অপরাধীদের-দায়মুক্তির-সংস্কৃতির-অবসান-ঘটাতে-হবে-ইউনিসেফ</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 13:12:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34764/অপরাধীদের-দায়মুক্তির-সংস্কৃতির-অবসান-ঘটাতে-হবে-ইউনিসেফ</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশে শিশুদের ওপর সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউনিসেফ। সংস্থাটি বলেছে, যেসব জায়গায় তাদের সবচেয়ে নিরাপদ থাকার কথা ছিল, সেখানেই এসব সহিংসতার শিকার হয়েছে। মেয়েশিশু ও ছেলেশিশুরা ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000">মেডিভয়েস রিপোর্ট: </span></span></strong><span style="font-size:16px">বাংলাদেশে শিশুদের ওপর সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউনিসেফ। সংস্থাটি বলেছে, যেসব জায়গায় তাদের সবচেয়ে নিরাপদ থাকার কথা ছিল, সেখানেই এসব সহিংসতার শিকার হয়েছে।&nbsp;মেয়েশিশু ও ছেলেশিশুরা ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (২৩ মে) বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্সের পাঠানো বিবৃতিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলা হয়, ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের ওপর নৃশংস ও যৌন সহিংসতার ঘটনার বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব ঘটনা দেশব্যাপী শিশু সুরক্ষা ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার জরুরি প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে এসেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংস্থাটি বলেছে, অপরাধীদের দায়মুক্তির সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হবে। একইসঙ্গে প্রতিরোধব্যবস্থা, অভিযোগ জানানোর সুযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা, শিশুবান্ধব পুলিশ ও বিচারব্যবস্থা, কমিউনিটি সুরক্ষা এবং সামাজিক সেবার ঘাটতি মোকাবিলা করা জরুরি। নারী ও শিশুদের জন্য মনোসামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্কুল, মাদ্রাসা, কর্মস্থল, পাড়া-মহল্লা ও যত্নসেবা কেন্দ্রগুলোর জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ইউনিসেফের ভাষ্য, সম্প্রদায় নীরব থাকলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সংস্থাটি শিশু, নারী, পরিবার ও কমিউনিটির সদস্যদের প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন বা শোষণের ঘটনা রিপোর্ট করার আহ্বান জানিয়েছে। এ ক্ষেত্রে চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮&ndash;এর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে সহায়তা ও রেফারেল সেবা পাওয়া যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভুক্তভোগীদের ছবি, ভিডিও বা ব্যক্তিগত পরিচয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ বা ছড়িয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধেও সতর্ক করেছে ইউনিসেফ। সংস্থাটি বলেছে, এ ধরনের কাজ বেঁচে থাকা ভুক্তভোগীদের ট্রমা, পরিবারের কষ্ট এবং তাদের প্রতি অসম্মান আরও বাড়িয়ে দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইউনিসেফ বলেছে, ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকারকে সম্মান করতে হবে এবং কোনো ধরনের ছবি বা পরিচয় প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে হবে। এর পরিবর্তে সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার, কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং অপরাধীদের দায়মুক্তির অবসানের দাবিতে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;প্রতিটি শিশুর সর্বত্র সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রয়েছে কমিউনিটিতে, স্কুলে, ঘরে&rsquo;&ndash; ইউনিসেফ।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>জেনেসিস অনলাইন ইউনিভার্সিটির মেডি অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34763/জেনেসিস-অনলাইন-ইউনিভার্সিটির-মেডি-অলিম্পিয়াড-অনুষ্ঠিত</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 12:39:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34763/জেনেসিস-অনলাইন-ইউনিভার্সিটির-মেডি-অলিম্পিয়াড-অনুষ্ঠিত</guid>
			<description><![CDATA[জেনেসিস অনলাইন ইউনিভার্সিটির (জেওইউ) উদ্যোগে ‘জেনেসিস মেডি অলিম্পিয়াড-২০২৫’ এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">জেনেসিস অনলাইন ইউনিভার্সিটির (জেওইউ) উদ্যোগে &lsquo;জেনেসিস মেডি অলিম্পিয়াড-২০২৫&rsquo;&nbsp;এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।&nbsp;শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর চায়না কিচেন রেস্টুরেন্টে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে&nbsp;এ প্রতিযোগিতা&nbsp;সম্পন্ন হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অলিম্পিয়াডের প্রাথমিক পর্ব চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত মূল্যায়ন (এসএকিউ) পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের আটটি বিভাগের অংশগ্রহণকারীদের মূল্যায়ন করা হয়। প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে প্রতিটি বিভাগ থেকে সেরা ১০ জন করে মোট ৮০ জন প্রতিযোগী চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ পান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চূড়ান্ত পর্বে এমসিকিউ, মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) এবং বিভাগভিত্তিক পোস্টার উপস্থাপনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারীদের অ্যানাটমি, ফিজিওলজি ও&nbsp;বায়োকেমিস্ট্রিসহ বিভিন্ন মৌলিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিষয়ে জ্ঞান, বিশ্লেষণী ও যোগাযোগের দক্ষতা&nbsp;মূল্যায়ন করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল পোস্টার উপস্থাপনা পর্ব। লটারির মাধ্যমে নির্ধারিত বিষয়ের ওপর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে সায়েন্টিফিক পোস্টার প্রস্তুত ও উপস্থাপনা করতে হয়। পোস্টারের বৈজ্ঞানিক নির্ভুলতা, সৃজনশীলতা, উপস্থাপনা দক্ষতা, সময় ব্যবস্থাপনা ও সামগ্রিক আয়োজনের ভিত্তিতে বিচারকার্য সম্পন্ন করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দিনব্যাপী এ আয়োজনের&nbsp;সমাপনী পর্বে ফলাফল ঘোষণা, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ, বেস্ট পোস্টার প্রেজেন্টেশন টিম ও বেস্ট প্রেজেন্টার পুরস্কার প্রদান করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের ভাস্কুলার সার্জন ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এস.এম.জি সাকলায়েন রাসেল। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের তাঁর বাস্তব জীবনের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে&nbsp;শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা ও সৃজনশীল উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া অলিম্পিয়াডে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যান্সাররোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নাজিরুম মুবিন ও&nbsp;রক্ত পরিসঞ্চালন বিশেষজ্ঞ ডা. হাবিবুর রহমান প্রমুখ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;জেনেসিস মেডি অলিম্পিয়াড&rsquo; ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের জন্য শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি শেখা, চিন্তা ও নিজেদের মেধা ও দক্ষতা প্রকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে&nbsp;বলে আশা ব্যক্ত করেন বক্তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>টিকার ঘাটতিতেই বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব, এএমআর রুখতেও টিকাদান জরুরি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34762/টিকার-ঘাটতিতেই-বাড়ছে-হামের-প্রাদুর্ভাব-এএমআর-রুখতেও-টিকাদান-জরুরি</link>
			<pubDate>Sat, 23 May 2026 11:26:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34762/টিকার-ঘাটতিতেই-বাড়ছে-হামের-প্রাদুর্ভাব-এএমআর-রুখতেও-টিকাদান-জরুরি</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশে সংক্রমণ কমানো, অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার হ্রাস এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবেলায় টিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে জনিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;বাংলাদেশে সংক্রমণ কমানো, অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার হ্রাস এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবেলায় টিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে জনিয়েছে&nbsp;আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ&nbsp;(আইসিডিডিআর,বি)।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ওয়ান হেলথ ট্রাস্ট ও আইসিডিডিআর,বির নেতৃত্বে পরিচালিত গ্লোবাল অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স পার্টনারশিপের&nbsp;(গার্প) একটি পলিসি ব্রিফে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সম্প্রতি &lsquo;বাংলাদেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবেলায় টিকার গুরুত্ব&rsquo; শীর্ষক এই পলিসি ব্রিফে বলা হয়েছে, টিকাকে শুধু সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের উপায় হিসেবে নয়, বরং অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো, ওষুধ-প্রতিরোধী সংক্রমণের বিস্তার ঠেকানো এবং দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে প্রকাশিত হয়েছে, যখন দেশে সাম্প্রতিক বছরের অন্যতম বড় হামের প্রাদুর্ভাব চলছে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত দেশে ৫৪ হাজার ৯১১ জনের বেশি সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮৯ জনের বেশি নিশ্চিত বা সন্দেহজনক হামজনিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে বিঘ্ন এবং কিছু জনগোষ্ঠীর টিকার প্রতি আস্থা কমে যাওয়ার কারণে রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতায় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বর্তমান হামের প্রাদুর্ভাবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আইসিডিডিআর&rsquo;বির ইনফেকশাস ডিজিজেস ডিভিশনের এন্টারিক অ্যান্ড রেসপিরেটরি ইনফেকশন্স ইউনিটের বৈজ্ঞানিক ও গার্প-বাংলাদেশের সভাপতি ডা. ওয়াসিফ আলী খান বলেন, সংক্রমণ কমানো, অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার হ্রাস এবং জীবাণুর ওষুধ-প্রতিরোধী ক্ষমতা মোকাবেলায় টিকা সবচেয়ে কার্যকর ও সাশ্রয়ী উপায়গুলোর একটি। টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা প্রতিটি সংক্রমণ অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার এবং ওষুধ-প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার কমাতে সহায়তা করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২০২৫ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে এএমআরের কারণে ৩ কোটি ৯০ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে। শুধু বাংলাদেশেই ২০২১ সালে এএমআরের সঙ্গে সম্পর্কিত মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৯৬ হাজার ৮৭৮। এর মধ্যে ২৩ হাজার ৪৫৪ জনের মৃত্যু সরাসরি এএমআরের কারণে হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পলিসি ব্রিফে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) মাধ্যমে বাংলাদেশ গত কয়েক দশকে নবজাতকের ধনুষ্টংকার নির্মূল, পোলিও দূরীকরণ এবং জন্মগত রুবেলা নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তবে এসব অর্জন স্থায়ী ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই বলেও সতর্ক করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জাতীয় ও আন্তর্জাতিক তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিকার কভারেজ বাড়ানো গেলে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের বোঝা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ওয়ান হেলথ ট্রাস্টের ফেলো ও পার্টনারশিপ পরিচালক ডা. আর্টা কালানক্সি বলেন, এএমআর মোকাবেলায় বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় নজরদারির পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পলিসি ব্রিফে সার্বজনীন শিশু টিকাদানের কভারেজ বজায় রাখা, এএমআর প্রতিরোধে কার্যকর টিকার প্রাপ্যতা সম্প্রসারণ এবং জাতীয় এএমআর প্রতিরোধ কৌশলে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া নিউমোকক্কাল কনজুগেট টিকার কার্যকারিতা নিয়মিত মূল্যায়ন, টাইফয়েড কনজুগেট টিকাকে দীর্ঘমেয়াদে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা এবং রোটাভাইরাস টিকা দ্রুত চালুর সুপারিশও করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34761/হাম-ও-উপসর্গে-২৪-ঘণ্টায়-১১-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Fri, 22 May 2026 18:07:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34761/হাম-ও-উপসর্গে-২৪-ঘণ্টায়-১১-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong><span style="font-size:16px"> সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশু&nbsp;ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শুক্রবার (২২ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে&nbsp;জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৫৪ জনের। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আট হাজার ৩২৯ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৫ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১৪ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৯৯ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৬১ জন এবং উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১০৪ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ৭৫ জন। এখন পর্যন্ত অদ্যবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর ভর্তির সংখ্যা সাতচল্লিশ হাজার ৫১১ জন। এবং অদ্যবধি মোট ছাড় পাওয়া রোগীর সংখ্যা তেতাল্লিশ হাজার ৪১১ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামে শিশুমৃত্যুতে মহিলা পরিষদের উদ্বেগ, ৫ দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে স্মারকলিপি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34760/হামে-শিশুমৃত্যুতে-মহিলা-পরিষদের-উদ্বেগ-৫-দাবিতে-স্বাস্থ্য-মন্ত্রনালয়ে-স্মারকলিপি</link>
			<pubDate>Fri, 22 May 2026 17:11:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34760/হামে-শিশুমৃত্যুতে-মহিলা-পরিষদের-উদ্বেগ-৫-দাবিতে-স্বাস্থ্য-মন্ত্রনালয়ে-স্মারকলিপি</guid>
			<description><![CDATA[দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশুমৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। হামের প্রাদুর্ভাব রোধ, টিকাদান কর্মসূচি জোরদারকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশুমৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। হামের প্রাদুর্ভাব রোধ, টিকাদান কর্মসূচি জোরদারকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম এবং সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপিতে দেশের বর্তমান স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা ও টিকাদানের ঘাটতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্মারকলিপিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে জানানো হয়, চলতি বছরের গত ১৫ মার্চ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৪৫৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে আক্রান্ত হয়েছে ৫৭ হাজার ৮৪৬ জন। তবে প্রকৃত আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। কারণ অনেক রোগী হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুবরণ করেছে, যার সঠিক হিসাব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে নেই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মহিলা পরিষদ উল্লেখ করে, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক এবং সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগ হওয়া সত্ত্বেও এত বিপুল সংখ্যক শিশুর আক্রান্ত হওয়া ও প্রাণহানির ঘটনা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। টিকাদান কার্যক্রমের ঘাটতি, জনসচেতনতার অভাব এবং দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতার কারণেই শিশুদের জীবন আজ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে আরও বেশি গতিশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দেশের একটি শিশুও যেন রাষ্ট্রীয় টিকাদান সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে স্মারকলিপিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে ৫ দফা সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পেশ করা হয়েছে। সুপারিশগুলো হলো&mdash;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হামপ্রবণ এলাকা ও দুর্গম অঞ্চলসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ মোবাইল টিকাদান ক্যাম্পেইন চালু করতে হবে, মাঠপর্যায়ে মা ও শিশুদের কাছে পৌঁছানোর জন্য &lsquo;টিকাদান সম্প্রসারণ কর্মসূচি&rsquo;র (ইপিআই) আলোকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রশাসন এবং বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগীদের যুক্ত করে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় টেলিভিশন, রেডিও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ দেশের সব গণমাধ্যমে এবং মাঠপর্যায়ে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে হামের টিকার গুরুত্ব সম্পর্কে নিবিড় সচেতনতা তৈরি করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত ও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তাদের পুষ্টিহীনতা দূর করতে প্রয়োজনীয় সম্পূরক (যেমন: ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাপসুল) প্রদান নিশ্চিত করতে হবে এবং মা ও শিশুর সার্বিক পুষ্টি নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরিস্থিতি মোকাবিলায় এরই মধ্যে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কেন্দ্রীয়ভাবে এবং তাদের বিভিন্ন জেলা শাখার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা শুরু করেছে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ঢামেক চিকিৎসকদের সাফল্য: চোয়াল ভেদ করে ঘাড় স্পর্শ করা টেঁটা অপসারণ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34759/ঢামেক-চিকিৎসকদের-সাফল্য-চোয়াল-ভেদ-করে-ঘাড়-স্পর্শ-করা-টেঁটা-অপসারণ</link>
			<pubDate>Fri, 22 May 2026 16:58:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34759/ঢামেক-চিকিৎসকদের-সাফল্য-চোয়াল-ভেদ-করে-ঘাড়-স্পর্শ-করা-টেঁটা-অপসারণ</guid>
			<description><![CDATA[টেঁটা হামলার শিকার এক যুবকের চোয়াল থেকে সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টেঁটা অপসারণ করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের চিকিৎসকরা । আহত যুবকের নাম জীবন মিয়া (২১)। তিনি সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢামেকে আনার পর জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দিবাগত রাত তিনটার দিকে ইএনটি ও নিউরোসার্জারি বিভাগের যৌথ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার শরীরে বিদ্ধ থাকা টেডা অপসারণ করা হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span>&nbsp;&nbsp;</strong></span><span style="font-size:16px">প্রতিপক্ষের হামলার শিকার&nbsp;এক যুবকের চোয়াল ভেদ&nbsp;করে ঘাড় স্পর্শ করা টেঁটা&nbsp;সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের চিকিৎসকরা। আহত যুবকের নাম জীবন মিয়া (২১)। তিনি সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (২১&nbsp;মে) ঢামেকে আনার পর জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দিবাগত রাত তিনটার&nbsp;দিকে&nbsp;অটোরাইনোল্যারিংগোলজি&nbsp;(ইএনটি) ও নিউরোসার্জারি বিভাগের যৌথ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার শরীরে বিদ্ধ টেঁটা অপসারণ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><em><strong>অস্ত্রোপচার টিমে থাকা ইএনটি বিভাগের ডা. রাশীদ আনজুম অনিক আজ শুক্রবার (২২ মে)&nbsp;মেডিভয়েসকে</strong></em> বলেন, রোগীকে হাসপাতালে আনার পর এক্স-রে ও সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে টেঁটাটির অবস্থান নির্ণয় করা হয়। টেঁটাটি বেস অব স্কাল পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ায় জটিলতার আশঙ্কা ছিল। পাশাপাশি মুখের ভেতরে কাটা স্থানে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত নিউরোসার্জারি ও এনেস্থেসিয়া বিভাগের মতামত নিয়ে যৌথভাবে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নিউরোসার্জারি বিভাগের ডা. জুবায়ের জানান, টেঁটাটি&nbsp;বেস অব স্কাল ও ফোরামেন ম্যাগনাম পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। এতে স্পাইনাল কর্ড ও গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি ছিল। তবে চিকিৎসকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় রাত তিনটার দিকে বড় ধরনের কোনো জটিলতা ছাড়াই সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অস্ত্রোপচার টিমে আরও ছিলেন&nbsp;নিউরোসার্জারি বিভাগের ডা. আতাহার, ডা. আসাদ ও ডা. অবন্তী। এনেস্থেসিয়ার দায়িত্বে ছিলেন কনসালটেন্ট ডা. ইফতেখার আহমেদ ও ডা. মেহেদী। পুরো চিকিৎসা কার্যক্রমে তত্ত্বাবধানে ছিলেন নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ভায়োলেট ইউনিটের প্রধান&nbsp;ডা. কানিজ ফাতিমা ইসরাত জাহান রিফাত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরিবার সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে জীবন মিয়া ও তার পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এতে জীবন মিয়া, তার ভাইসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে জীবন মিয়াকে হবিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার&nbsp;করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগীর চাচা আলম মিয়া জানান, তিন দিন আগে একটি মামলাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে জীবন মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়। এতে পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হন এবং জীবন মিয়ার চোয়ালে টেঁটা বিদ্ধ হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/টিআই/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানির নতুন এমডি আশরাফুজ্জামান</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34758/এসেনসিয়াল-ড্রাগস-কোম্পানির-নতুন-এমডি-আশরাফুজ্জামান</link>
			<pubDate>Fri, 22 May 2026 16:48:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34758/এসেনসিয়াল-ড্রাগস-কোম্পানির-নতুন-এমডি-আশরাফুজ্জামান</guid>
			<description><![CDATA[সরকারি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আ.কা. মো. আশরাফুজ্জামান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> সরকারি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আ.কা. মো. আশরাফুজ্জামান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (২১ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, &lsquo;দ্য কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯৪-এর আওতায় মেমোরেন্ডাম অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন অব এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড-এর ৫৪ (৩) ধারা অনুযায়ী আ.কা. মো. আশরাফুজ্জামান-কে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনের শর্তানুযায়ী, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ হতে আগামী এক বছর মেয়াদে তিনি এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলি চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে এবং জনস্বার্থে এই আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএচই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>মাত্র ১০০ টাকায় ঢাকা শহরে হাম রোগীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স সেবা </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34757/মাত্র-১০০-টাকায়-ঢাকা-শহরে-হাম-রোগীদের-জন্য-অ্যাম্বুলেন্স-সেবা</link>
			<pubDate>Fri, 22 May 2026 15:47:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34757/মাত্র-১০০-টাকায়-ঢাকা-শহরে-হাম-রোগীদের-জন্য-অ্যাম্বুলেন্স-সেবা</guid>
			<description><![CDATA[]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে হামে আক্রান্ত যেকোনো রোগীকে মাত্র ১০০ টাকায় বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে গণস্বাস্থ্য নগর হাস​পাতাল। এ ছাড়াও গণস্বাস্থ্য নগর হাস​পাতালে&nbsp;হামরোগীর চিকিৎসায় আইসোলেশন ইউনিট চালু রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (২১ মে) গণস্বাস্থ্য নগর হাস​পাতাল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, &lsquo;সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে (ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন) নগরবাসিদের হামের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ধানমন্ডিতে &lsquo;গণস্বাস্থ্য নগর হাস​পাতাল আইসোলেশন ইউনিট&rsquo; চালু আছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;এ ছাড়াও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের অভ্যন্তরে যেকোনো হামে আক্রান্ত রোগীকে আনা-নেওয়ার জন্য বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স ফি মাত্র ১০০ টাকা।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;এই সেবার নেওয়ার জন্য হাসপাতাল: ০১৯৫৮২৭৭৮০০, আল-আমিন (অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার): ০১৩১৭৮৩৪৭৫ নাম্বারে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে হাসপাতালটির পক্ষ থেকে।&rsquo;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/ &nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সাথে অপটোমেট্রিস্টদের সাক্ষাৎ  </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34756/সমাজকল্যাণ-মন্ত্রীর-সাথে-অপটোমেট্রিস্টদের-সাক্ষাৎ</link>
			<pubDate>Fri, 22 May 2026 14:50:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34756/সমাজকল্যাণ-মন্ত্রীর-সাথে-অপটোমেট্রিস্টদের-সাক্ষাৎ</guid>
			<description><![CDATA[সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে অপ্টোমেট্রি পেশাজীবীদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান এবং রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের আওতাভুক্ত করায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অপটোমেট্রিস্টরা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ব্যাচেলর অব অপটোমেট্রি ডিগ্রিধারী পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে অপটোমেট্রি পেশাজীবীদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান এবং রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের আওতাভুক্ত করায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অপটোমেট্রিস্টরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (২১ মে) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ব্যাচেলর অব অপটোমেট্রি ডিগ্রিধারী পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের আধুনিক চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় অপটোমেট্রিস্টদের কার্যকর ভূমিকা, দক্ষ জনবল তৈরি, প্রযুক্তিনির্ভর আই কেয়ার সার্ভিস সম্প্রসারণ এবং সরকারি স্বাস্থ্যখাতে অপটোমেট্রিস্টদের অন্তর্ভুক্তির বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন প্রতিনিধি দল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় অপটোমেট্রি প্রফেশনকে স্বীকৃতি প্রদান এবং রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের আওতাভুক্ত করায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রীকে&nbsp;ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অপটোমেট্রিস্টরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিনিধি দল জানান, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অপটোমেট্রি এডুকেশন, ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও প্রফেশনাল রিকগনিশন নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষজ্ঞদের মতে, এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশে আই কেয়ার সার্ভিস আরও আধুনিক, সমন্বিত ও জনমুখী হয়ে উঠবে। একইসাথে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত চক্ষু সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিনিধি দলে ছিলেন ড. গাজী রিয়াজ রহমান, অপটোমেট্রিস্ট শাহাদাত হোসেন দেলোয়ার, অপটোমেট্রিস্ট এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, অপটোমেট্রিস্ট আরমান বিন আজিজ এবং অপটোমেট্রিস্ট এস এম মঈনুল ইসলাম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, বুধবার (১৩ মে) এ সংক্রান্ত সরকারি গেজেট প্রকাশিত হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে অপ্টোমেট্রি প্রফেশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান এবং রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের অধীনে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ৭৭ হাজার পদ খালি: ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34755/স্বাস্থ্যখাতে-প্রায়-৭৭-হাজার-পদ-খালি-ডা-মোসলেহ-উদ্দীন-ফরিদ</link>
			<pubDate>Fri, 22 May 2026 14:32:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34755/স্বাস্থ্যখাতে-প্রায়-৭৭-হাজার-পদ-খালি-ডা-মোসলেহ-উদ্দীন-ফরিদ</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্যখাতে বাজেট সংকট, জনবল ঘাটতি ও জনগণের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আহ্বান জানিয়েছেন যশোর ২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোসলেউদ্দীন ফরিদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের চারটি প্রধান সংকট হলো অপর্যাপ্ত বাজেট, জনবল সংকট, জনগণের ‘আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার’ এবং বরাদ্দকৃত অর্থের বড় অংশ প্রতিবছর ব্যয় না হয়ে ফেরত চলে যাওয়া।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> </span><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ৭৭ হাজার সরকারি পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি পড়ে আছে বলে জানিয়েছেন যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ। স্বাস্থ্যের মূল সংকট চিহ্নিত করে পরিকল্পিতভাবে সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ডাক্তার ও নার্স তৈরির জন্য মেডিকেল ও নার্সিং প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ থাকলেও চাহিদার তুলনায় তা অনেক কম। সরকারি হিসাবের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, দেশে বিপুলসংখ্যক ডাক্তার কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে অনেকেই কর্মস্থলে নেই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে&nbsp;(ডিআরইউ) এনডিএফ আয়োজিত &lsquo;জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেট ২০২৬&rsquo; শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা.&nbsp;মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ বলেন, সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশে বিপুলসংখ্যক ডাক্তার কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে অনেকেই কর্মস্থলে নেই। আবার স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ৭৭ হাজার সরকারি পদ দীর্ঘদিন খালি পড়ে আছে। এর অর্থ এই নয় যে সরকার অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে না; বরং বড় সমস্যা হলো প্রয়োজনীয় সংখ্যক দক্ষ জনবল তৈরি করতে না পারা। তাই স্বাস্থ্যখাতের মূল সংকট চিহ্নিত করে পরিকল্পিতভাবে সমাধানের দিকে এগোতে হবে। বর্তমানে দেশে ডাক্তার ও নার্স তৈরির জন্য মেডিকেল ও নার্সিং প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ থাকলেও সেই সংখ্যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। ফলে নতুন পদ সৃষ্টি হলেও তা পূরণের মতো পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল পাওয়া যাচ্ছে না। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে আরও বেশি ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী তৈরি করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. ফরিদ বলেন, বিদেশে দক্ষ জনবল রপ্তানিও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে। বাংলাদেশে অদক্ষ শ্রমিক বিদেশে গিয়ে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেন, একজন প্রশিক্ষিত নার্স তার চেয়ে ১০-২০ গুণ বেশি আয় করতে সক্ষম। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কিছু নীতিগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তারপরও শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান এ ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। তারা সরকারিভাবে নার্সদের উন্নত দেশে ৩ বছরের চুক্তিতে পাঠায়। সেখানে নার্সরা কাজের পাশাপাশি প্রশিক্ষণও পান। চুক্তি শেষে অনেকে দেশে ফিরে এসে স্থানীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় কাজ করেন। বাংলাদেশও শ্রম মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মাধ্যমে এমন উদ্যোগ নিতে পারে। এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়বে, অন্যদিকে দেশে দক্ষ নার্সের ঘাটতিও কমবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে প্রথমেই আসে বাজেটের স্বল্পতা। দ্বিতীয়ত, জনবল সংকট। তৃতীয় বড় সমস্যা হলো জনগণের &lsquo;আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার&rsquo;&mdash;অর্থাৎ নিজের পকেট থেকে চিকিৎসা ব্যয় বহন করা। আর চতুর্থ সমস্যা হলো, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দকৃত বিপুল অর্থ প্রতিবছর ব্যয় না হয়ে ফেরত চলে যাওয়া। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, প্রায় সাত হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ প্রতি বছর অব্যবহৃত থেকে যায়। এই চারটি সমস্যার সমাধান নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, প্রথমত স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বরাদ্দের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বাজেট জিডিপির প্রায় ০.২৭ শতাংশের মতো, যা আশপাশের দেশগুলোর তুলনায়ও অনেক কম। উন্নত দেশের উদাহরণ বাদ দিলেও ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ কিংবা মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ৩-৪ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় করে থাকে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) তৃতীয় লক্ষ্য হলো, সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অঙ্গীকার রয়েছে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির অন্তত ৫ শতাংশ ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো সেই লক্ষ্যের কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারেনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বের মধ্যে যুক্তরাজ্যের উদাহরণ দিয়ে ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বাজেট যেখানে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন ডলার, সেখানে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বাজেট প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন ডলার। অথচ বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি, আর যুক্তরাজ্যের মাত্র ছয় কোটি। অর্থাৎ জনসংখ্যার তুলনায় তাদের স্বাস্থ্য বাজেট বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় ৩০০ গুণ বেশি। তবে এই উদাহরণ দেওয়ার উদ্দেশ্য এই নয় যে বাংলাদেশকেও একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হবে। বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছায়নি। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো&mdash;যুক্তরাজ্যও একসময় আজকের বাংলাদেশের মতো নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে গেছে। গত ৩০-৩৫ বছরে তারা ধাপে ধাপে গবেষণা, পরিকল্পনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমস্যাগুলোর সমাধান করেছে। তাদের বড় সুবিধা ছিল পর্যাপ্ত বাজেট, যার মাধ্যমে তারা স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক গবেষণা করতে পেরেছে। সেই গবেষণার ফলাফল এখন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হতে পারে। বাংলাদেশ চাইলে নতুন করে সব গবেষণা না করে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সফল অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, উন্নয়নশীল দেশগুলো কীভাবে সীমিত সম্পদের মধ্যেও স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা সমাধান করেছে, সেই অভিজ্ঞতাগুলো বিশ্লেষণ করে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো জনবল সংকট জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) একটি ন্যূনতম মানদণ্ড রয়েছে&mdash;প্রতি ১০ হাজার মানুষের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো সেই লক্ষ্যমাত্রার অনেক নিচে অবস্থান করছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বাংলাদেশে প্রতি ১০ হাজার মানুষের বিপরীতে মাত্র প্রায় ৫ জন নার্স রয়েছে, যেখানে মালয়েশিয়ায় এই সংখ্যা প্রায় ১০০ এবং যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে ১২০-এরও বেশি।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, উদাহরণ হিসেবে উগান্ডার কথা বলা যায়। তারা স্থানীয় জনগণকে নিজ নিজ এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এতে কর্মীরা নিজ এলাকায় স্থায়ীভাবে কাজ করতে আগ্রহী হয়েছে। বাংলাদেশেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে। কারণ কক্সবাজার বা চট্টগ্রামের একজন মানুষকে সুন্দরবন এলাকায় চাকরি দিলে তিনি দীর্ঘমেয়াদে সেখানে থাকতে চান না। তাই স্থানীয়ভাবে জনবল নিয়োগ দিলে স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামের সেক্রেটারি, অর্থনীতিবিদ ও গবেষক ডা. মিজানুর রহমান। তাঁর গবেষণাভিত্তিক উপস্থাপনায় বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে সরকারি ব্যয় জিডিপির মাত্র ২-২.৪ শতাংশ, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সুপারিশ ন্যূনতম ৫ শতাংশ। একই সঙ্গে দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ জনগণকে নিজস্ব অর্থ থেকে বহন করতে হচ্ছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর জন্য মারাত্মক আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সুপারিশ</span></span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার ও সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর মধ্যে রয়েছে, স্বাস্থ্যখাতে সরকারি ব্যয় বাড়িয়ে জিডিপির অন্তত ৪-৫ শতাংশে উন্নীত করা; জেলা পর্যায়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (এনআইসিইউ), ডায়ালাইসিস, ক্যান্সার ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র সম্প্রসারণ; চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ প্রণোদনা প্রদান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক স্বাস্থ্যতথ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও দূরচিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ, সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য ব্যয় কমাতে ওষুধ ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়নে জাতীয় স্বাস্থ্যবিমা চালুরও আহ্বান জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সুপারিশে আরও বলা হয়, মানসিক স্বাস্থ্য ও প্রতিবন্ধী স্বাস্থ্যসেবাকে জাতীয় বাজেটে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে ডিজিটাল তদারকি, স্বচ্ছতা এবং স্বাধীন নিরীক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শুধু হাসপাতাল বা ভবন নির্মাণ করলেই হবে না উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীও নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে উপজেলা পর্যায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত অনেক চিকিৎসককে বিভিন্ন সংযুক্তির মাধ্যমে জেলা বা শহরে নিয়ে আসা হয়। ফলে গ্রামীণ হাসপাতালগুলোতে জনবল সংকট তৈরি হয়। এ কারণে জনগণ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই চিকিৎসকদের ধরে রাখা এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা বলেন, চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ফ্যাকাল্টি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করা প্রয়োজন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতের পরিকল্পনা, গবেষণা ও নীতিনির্ধারণে দক্ষ জনবল তৈরির জন্য হেলথ একাডেমি ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যখাতের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ বাড়াতে পারলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে মনে করেন বক্তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা আরও বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সেবার গুরুত্ব বাড়ছে। তবে এআই চিকিৎসকের বিকল্প নয়; বরং এটি স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও সহজলভ্য করার একটি সহায়ক মাধ্যম। তাই ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা বাস্তবায়নের পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপরও জোর দিতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যখাতে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ বৈশ্বিক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিত সম্পর্ক বাড়ানো প্রয়োজন। কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানান তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বক্তাদের মতে, স্বাস্থ্যখাতে ব্যয়কে শুধুমাত্র খরচ হিসেবে না দেখে জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। কারণ একটি সুস্থ জনগোষ্ঠী দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতার ভিত্তি তৈরি করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বাস্থ্য মডেল তৈরি করতে হবে এবং ধারাবাহিকভাবে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000">স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধু চিকিৎসকের ওপর নির্ভরশীল নয়</span></span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ ও গাইনোকোলজিস্ট ডা. কাজী তাসকিয়া বলেন, একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধু চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করে না; এর সঙ্গে অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি, ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি ও সামাজিক ব্যবস্থাও জড়িত। সাধারণ মানুষ মনে করেন ডাক্তারই সব সমস্যার সমাধান করবেন, কিন্তু বাস্তবে হাসপাতালের পরিবেশ, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা ছাড়া মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব নয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ব্যাপারে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক সময় অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, বিদ্যুৎ বা জীবাণুমুক্ত সরঞ্জামের ঘাটতি থাকে। এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যে একজন চিকিৎসকের পক্ষে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই গোড়া থেকে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কার জরুরি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনেক রোগী সরাসরি বড় হাসপাতালগুলোতে চলে আসেন। যদিও তাদের চিকিৎসা জেলা বা উপজেলা পর্যায়েই সম্ভব। এতে বড় হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত রোগীর চাপ তৈরি হয়। এজন্য শক্তিশালী রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রতিরোধমূলক চিকিৎসাকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একা স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত করতে পারবে না বলে মনে করেন ডা. তাসকিয়া। বলেন, এই খাত এগিয়ে নিতে খাদ্য, শিক্ষা, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যখাতে দক্ষ বাজেট পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ এবং সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের আরেকটি বড় সংকট হলো &lsquo;আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার&rsquo; বা জনগণের নিজস্ব খরচে চিকিৎসা ব্যয়। বর্তমানে সরকার স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলেও জনগণকে নিজেদের পকেট থেকে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার বেশি খরচ করতে হয়। এছাড়া বিদেশে চিকিৎসার জন্য আরও প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। অর্থাৎ স্বাস্থ্যব্যয়ের সবচেয়ে বড় চাপ জনগণের ওপরই পড়ে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি। বর্তমানে স্বাস্থ্যখাতে ব্যক্তিগত খরচের হার প্রায় ৭২ শতাংশ, যা অনেকের মতে ৮০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ফলে প্রতি বছর প্রায় ৫০ লাখ মানুষ চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়ে। কেউ জমি বিক্রি করেন, কেউ গবাদিপশু বিক্রি করেন&mdash;শুধু চিকিৎসার খরচ মেটানোর জন্য।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই সমস্যার সমাধানে বিভিন্ন দেশের উদাহরণ অনুসরণ করা যেতে পারে। তানজানিয়ায় ৫ বছরের নিচের শিশু, ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষ এবং গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। অন্যরা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করে। সেই অর্থের একটি অংশ সরকার পায়, একটি অংশ স্থানীয় উন্নয়নে যায় এবং আরেকটি অংশ স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রণোদনা হিসেবে দেওয়া হয়। ফলে স্বাস্থ্যকর্মীরা ভালো সেবা দিতে উৎসাহিত হন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ইন্দোনেশিয়ায় জনগণকে আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে এ, বি, সি ও ডি&mdash;এই চার শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। সবচেয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা পায়। অন্য শ্রেণিগুলো আংশিক ব্যয় বহন করে। বাংলাদেশেও ফ্যামিলি কার্ড বা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সঙ্গে স্বাস্থ্য কার্ড সংযুক্ত করে এমন ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যুক্তরাজ্যেও স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা একীভূতভাবে পরিচালিত হয়। ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবার ভর্তুকি শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করে না; সামাজিক সুরক্ষা খাত থেকেও অর্থায়ন হয়। বাংলাদেশেও এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনডিএফ সভাপতি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, &lsquo;গবেষণার দিক দিয়ে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। বিশেষ করে চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় আমরা অনেক দুর্বল। সেক্ষেত্রে গবেষণার জন্য ভাতা দেওয়া যায় কিনা এটার বিষয়ে আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাবো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, বর্তমানে চিকিৎসকদের মধ্যে ৬৫ শতাংশ মহিলা। তাই জেলা উপজেলা পর্যায়ে নিয়োগ করা হলে এসব চিকিৎসকদের নিরাপদ আবাসনের অভাব লক্ষ্য করা যায়। অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল তৈরি করা প্রয়োজন। কারণ মাঝে মধ্যেই জেলা উপজেলাতে তারা হামলার শিকার হয়। পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি দূর করার জন্য আমাদের উন্নত নৈতিকতা সম্পন্ন স্বাস্থ্যকর্মী তৈরি করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক নজরুল বলেন, আজকের বৈঠকে যেসব বিষয়ে আলোচনা হলো আমরা সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে জানাবো। স্বাস্থ্য খাতকে কোন সামাজিক সেবায় নয় বরং মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দীর্ঘ মেয়াদি অর্থনৈতিক উৎপাদন&zwnj;শীলতার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে এই খাতকে আরও উন্নত করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এনডিএফের সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মারজিয়া বেগম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) শাখার সভাপতি, অধ্যাপক ডা. আতিয়ার রহমান, বিএমইউ এনডিএফের সেক্রেটারি ডা. শাহাদাত হোসেন, এনডিএফ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ডা. এম জি ফারুক হোসেন, এনডিএফ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ডা. মারুফ শাহরিয়ার, এনডিএফ ঢাকা মহানগর উত্তরে সেক্রেটারি ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, এনডিএফ ঢাকা মহানগর উত্তরের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হাসানুল বান্না, ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব এবং ডা. নাজমুল আরেফিনসহ এনডিএফের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ ও স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গোলটেবিল বৈঠকে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক বিশিষ্ট চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধু চিকিৎসকের ওপর নির্ভরশীল নয়: ডা. কাজী তাসকিয়া</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34754/স্বাস্থ্যব্যবস্থা-শুধু-চিকিৎসকের-ওপর-নির্ভরশীল-নয়-ডা-কাজী-তাসকিয়া</link>
			<pubDate>Fri, 22 May 2026 14:51:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34754/স্বাস্থ্যব্যবস্থা-শুধু-চিকিৎসকের-ওপর-নির্ভরশীল-নয়-ডা-কাজী-তাসকিয়া</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ ও গাইনোকোলজিস্ট ডা. কাজী তাসকিয়া বলেছেন, একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধু চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করে না, এর সঙ্গে অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি, ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি ও সামাজিক ব্যবস্থাও জড়িত। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ ও গাইনোকোলজিস্ট ডা. কাজী তাসকিয়া বলেছেন, একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধু চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করে না, এর সঙ্গে অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি, ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি ও সামাজিক ব্যবস্থাও জড়িত।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) আয়োজিত &lsquo;জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেট-২০২৬&rsquo; শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ&nbsp;কথা বলেন ডা. কাজী তাসকিয়া।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ মনে করেন ডাক্তারই সব সমস্যার সমাধান করবেন, কিন্তু বাস্তবে হাসপাতালের পরিবেশ, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা ছাড়া মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব নয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. কাজী তাসকিয়া তার নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অনেক সময় অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, বিদ্যুৎ বা জীবাণুমুক্ত সরঞ্জামের ঘাটতি থাকে। এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যে একজন চিকিৎসকের পক্ষে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই গোড়া থেকে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কার জরুরি বলে মনে করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনেক রোগী সরাসরি বড় হাসপাতালগুলোতে চলে আসেন। যদিও তাদের চিকিৎসা জেলা বা উপজেলা পর্যায়েই সম্ভব। এতে বড় হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত রোগীর চাপ তৈরি হয়। এজন্য শক্তিশালী রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রতিরোধমূলক চিকিৎসাকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একা স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত করতে পারবে না বলে ডা. তাসকিয়া বলেন, এই খাতকে এগিয়ে নিতে খাদ্য, শিক্ষা, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যখাতে দক্ষ বাজেট পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ এবং সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গোলটেবিল বৈঠকে এনডিএফের সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনডিএফ সভাপতি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোসলেউদ্দীন ফরিদ, সংসদ সদস্য মারজিয়া বেগম। অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামের সেক্রেটারি, অর্থনীতিবিদ ও গবেষক ডা. মিজানুর রহমান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) শাখার সভাপতি, অধ্যাপক ডা. আতিয়ার রহমান, বিএমইউ এনডিএফের সেক্রেটারি ডা. শাহাদাত হোসেন, এনডিএফ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ডা. এম জি ফারুক হোসেন, এনডিএফ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ডা. মারুফ শাহরিয়ার, এনডিএফ ঢাকা মহানগর উত্তরে সেক্রেটারি ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, এনডিএফ ঢাকা মহানগর উত্তরের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হাসানুল বান্না, ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব এবং ডা. নাজমুল আরেফিনসহ এনডিএফের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ ও স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গোলটেবিল বৈঠকে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক বিশিষ্ট চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা&nbsp;উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>কানাডার সহকারী উপমন্ত্রীর আইসিডিডিআর,বি পরিদর্শন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34753/কানাডার-সহকারী-উপমন্ত্রীর-আইসিডিডিআরবি-পরিদর্শন</link>
			<pubDate>Fri, 22 May 2026 11:31:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34753/কানাডার-সহকারী-উপমন্ত্রীর-আইসিডিডিআরবি-পরিদর্শন</guid>
			<description><![CDATA[কানাডা সরকারের আন্তর্জাতিক সহায়তা অংশীদারিত্ব ও কর্মসূচি বিভাগের সহকারী উপমন্ত্রী মিস লেসলি নর্টন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) মহাখালী ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার এইচ.ই. মি. অজিত সিং ও গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা (জিএসি), ঢাকার ফার্স্ট সেক্রেটারি ডেভেলপমেন্ট (হেলথ) মি. এডওয়ার্ড ক্যাবরেরা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) আইসিডিডিআর,বির বিভিন্ন কার্যক্রম ও ঢাকা হাসপাতাল ঘুরে দেখেন তিনি। পরে পুষ্টি ও অংশীদারিত্ব বিষয়ক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) মহাখালী ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন কানাডা সরকারের আন্তর্জাতিক সহায়তা অংশীদারিত্ব ও কর্মসূচি বিভাগের সহকারী উপমন্ত্রী মিস লেসলি নর্টন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার এইচ.ই. মি. অজিত সিং ও গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা (জিএসি), ঢাকার ফার্স্ট সেক্রেটারি ডেভেলপমেন্ট (হেলথ) মি. এডওয়ার্ড ক্যাবরেরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (২১ মে) আইসিডিডিআর,বির বিভিন্ন কার্যক্রম ও ঢাকা হাসপাতাল ঘুরে দেখেন তিনি। পরে পুষ্টি ও অংশীদারিত্ব বিষয়ক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমীদ আহমেদ। তিনি ডায়রিয়া ও কলেরা রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা,আইসিডিডিআর,বি উদ্ভাবিত পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে অপুষ্ট শিশুদের পুনর্বাসন, স্তন্যদান পরামর্শের গুরুত্ব এবং ২০১৩ সাল থেকে নিউমোনিয়া চিকিৎসায় ব্যবহৃত বাবল সিপ্যাপ প্রযুক্তি বর্তমানে দেশের সাম্প্রতিক হাম প্রাদুর্ভাবে কীভাবে সহায়তা করছে তা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেন প্রতিনিধিদলকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিনিধিদল রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বাস্তবায়িত ফিকাল স্লাজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মডেল পরিদর্শন করেন। এছাড়া তারা মিউকোসাল ইমিউনোলজি ল্যাবরেটরি ঘুরে দেখেন, যেখানে বিজ্ঞানীরা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন ও টাইফয়েড ভ্যাকসিন বাস্তবায়ন এবং শিবিরে পরিবেশগত স্বাস্থ্য উদ্যোগ নিয়েআইসিডিডিআর,বির কাজ তুলে ধরেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরে আলোচনা সভায় বাংলাদেশের পুষ্টি-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এবং মাতৃ ও শিশু পুষ্টি উন্নয়নসহ সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় ড. তাহমীদ আহমেদ বাংলাদেশের পুষ্টি পরিস্থিতি এবং আইসিডিডিআর,বির বিভিন্ন কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি অপুষ্টির কারণে জনগণের স্বাস্থ্য ও বিকাশে যে প্রভাব পড়ছে, বিশেষ করে শিশুদের প্রাথমিক মস্তিষ্কের বিকাশে পুষ্টির ভূমিকা নিয়ে গবেষণার বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন। এছাড়া প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণে আইসিডিডিআর,বির অবদান এবং মাল্টিপল মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সাপ্লিমেন্ট ও ফোর্টিফায়েড চাল উদ্যোগসহ বিভিন্ন পুষ্টি উদ্ভাবনের কথাও তুলে ধরেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈশ্বিক উন্নয়ন অর্থায়নের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের সময়ে প্রমাণভিত্তিক জনস্বাস্থ্য অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে মিস লেসলি নর্টন বলেন, &lsquo;আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো যে তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ তৈরি করছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থবহ উন্নয়ন ফলাফল তুলে ধরতে এই প্রমাণ সংস্থা ও সরকারগুলোর জন্য অত্যন্ত জরুরি, বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন উন্নয়ন সহায়তার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা আরও কঠিন হয়ে উঠছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশি সংস্থাগুলোর দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্যের সমন্বিত যে দৃষ্টিভঙ্গি আলোচনায় উঠে এসেছে, তা অনুপ্রেরণাদায়ক। এত নিবেদিত ও উদ্যমী পেশাজীবীদের একসঙ্গে কাজ করতে দেখা সত্যিই অনুপ্রেরণামূলক। যখন পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা একত্রিত হয়, তখন সাফল্যের কোনো সীমা থাকে না।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশনের (জিএআইএন) কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. রুদাবা খন্দকার, আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই) বাংলাদেশের গবেষণা ফেলো ও ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. মুগ্ধ মাহজাব, নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এ কে এম মুশা এবংওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সিনিয়র ডিরেক্টর অব অপারেশনস চন্দন জেড গোমেজ প্রমুখ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অপটোমেট্রিস্টদের বৈঠক, নিয়োগ কাঠামোতে অন্তর্ভুক্তির দাবি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34752/স্বাস্থ্যমন্ত্রীর-সঙ্গে-অপটোমেট্রিস্টদের-বৈঠক-নিয়োগ-কাঠামোতে-অন্তর্ভুক্তির-দাবি</link>
			<pubDate>Thu, 21 May 2026 19:19:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34752/স্বাস্থ্যমন্ত্রীর-সঙ্গে-অপটোমেট্রিস্টদের-বৈঠক-নিয়োগ-কাঠামোতে-অন্তর্ভুক্তির-দাবি</guid>
			<description><![CDATA[দেশের চক্ষু সেবার মানোন্নয়ন এবং সরকারি স্বাস্থ্যখাতে অপটোমেট্রিস্টদের কার্যকর অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের সঙ্গে ব্যাচেলর অব অপটোমেট্রি ডিগ্রিধারী পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় সরকারি স্বাস্থ্যখাতে দক্ষ ও যোগ্য অপটোমেট্রিস্ট নিয়োগ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পেশাজীবীদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিসর নিশ্চিতের দাবি তুলে ধরেন বৈঠকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। পাশাপাশি অপটোমেট্রিস্টদের পেশাগত বাস্তবতা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার বিষয়গুলোও আলোচনা করা হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> দেশের চক্ষু সেবার মানোন্নয়ন এবং সরকারি স্বাস্থ্যখাতের নিয়োগ&nbsp;কাঠামোতে&nbsp;অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে&nbsp;স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন&nbsp;অপটোমেট্রিস্টরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করেন&nbsp;ব্যাচেলর অব অপটোমেট্রি ডিগ্রিধারী পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে দেশের আধুনিক চক্ষু সেবা সম্প্রসারণ, দক্ষ অপটোমেট্রিস্ট তৈরি এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত আই কেয়ার সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে&nbsp;আলোচনা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময়&nbsp;সরকারি স্বাস্থ্যখাতে দক্ষ ও যোগ্য অপটোমেট্রিস্ট নিয়োগ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পেশাজীবীদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিসর নিশ্চিতের&nbsp;দাবি তুলে ধরেন&nbsp;বৈঠকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। পাশাপাশি অপটোমেট্রিস্টদের পেশাগত বাস্তবতা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার বিষয়গুলোও আলোচনা করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে দক্ষ অপটোমেট্রিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের দোরগোড়ায় আধুনিক ও মানসম্মত চক্ষু সেবা পৌঁছে দিতে সরকার ইতিবাচকভাবে কাজ করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, অপটোমেট্রি পেশার উন্নয়ন, দক্ষ জনবল তৈরি এবং সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থায় এ পেশাজীবীদের কার্যকর অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী অপটোমেট্রিস্টদের পেশাগত নিষ্ঠা ও দেশের মানুষের উন্নত চক্ষু সেবা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে তিনি সবাইকে ঐক্য, আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সঠিক নেতৃত্ব ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশের চক্ষু সেবা ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে বলে&nbsp;আশা প্রকাশ করেন&nbsp;প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতে দেশের চক্ষু সেবার মানোন্নয়নে অপটোমেট্রিস্টদের সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানো হবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিনিধি দলে ছিলেন ড. গাজী রিয়াজ রহমান, অপটোমেট্রিস্ট শাহাদাত হোসেন দেলোয়ার, অপটোমেট্রিস্ট এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, অপটোমেট্রিস্ট আরমান বিন আজিজ এবং অপটোমেট্রিস্ট এস এম মঈনুল ইসলাম। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>চিকিৎসা ব্যয় কমানো, জনবল নিয়োগ ও স্বাস্থ্যে জিডিপির ৫ ভাগ বরাদ্দের দাবি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34751/চিকিৎসা-ব্যয়-কমানো-জনবল-নিয়োগ-ও-স্বাস্থ্যে-জিডিপির-৫-ভাগ-বরাদ্দের-দাবি</link>
			<pubDate>Thu, 21 May 2026 17:21:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34751/চিকিৎসা-ব্যয়-কমানো-জনবল-নিয়োগ-ও-স্বাস্থ্যে-জিডিপির-৫-ভাগ-বরাদ্দের-দাবি</guid>
			<description><![CDATA[]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটকে আরও কার্যকর ও&nbsp;জনবান্ধব করার লক্ষ্যে গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছে জামায়াত সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)। বৈঠকে দেশের স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান সংকট, চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তারা বলেন, জনসংখ্যার তুলনায় দেশে স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ-সুবিধা এখনও অপর্যাপ্ত। তাই স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধি, দক্ষ জনবল তৈরি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং রোগীদের&nbsp;চিকিৎসা ব্যয় কমাতে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। একইসঙ্গে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশও তুলে ধরা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে&nbsp;(ডিআরইউ) এনডিএফ আয়োজিত &lsquo;জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেট ২০২৬&rsquo; শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামের সেক্রেটারি, অর্থনীতিবিদ ও গবেষক ডা. মিজানুর রহমান। তাঁর গবেষণাভিত্তিক উপস্থাপনায় বলা হয়,&nbsp;বর্তমানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে সরকারি ব্যয় জিডিপির মাত্র ২-২.৪ শতাংশ, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সুপারিশ ন্যূনতম ৫ শতাংশ। একই সঙ্গে দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ জনগণকে নিজস্ব অর্থ থেকে বহন করতে হচ্ছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর জন্য মারাত্মক আর্থিক ঝুঁকি তৈরি করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সুপারিশ</span></span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার ও সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর&nbsp;মধ্যে রয়েছে, স্বাস্থ্যখাতে সরকারি ব্যয় বাড়িয়ে জিডিপির অন্তত ৪-৫ শতাংশে উন্নীত করা; জেলা পর্যায়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (এনআইসিইউ), ডায়ালাইসিস, ক্যান্সার ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র সম্প্রসারণ; চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ প্রণোদনা প্রদান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক স্বাস্থ্যতথ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও দূরচিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ, সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য ব্যয় কমাতে ওষুধ ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়নে জাতীয় স্বাস্থ্যবিমা চালুরও আহ্বান জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সুপারিশে আরও বলা হয়, মানসিক স্বাস্থ্য ও প্রতিবন্ধী স্বাস্থ্যসেবাকে জাতীয় বাজেটে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে ডিজিটাল তদারকি, স্বচ্ছতা এবং স্বাধীন নিরীক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শুধু হাসপাতাল বা ভবন নির্মাণ করলেই হবে না উল্লেখ করে&nbsp;বক্তারা বলেন,&nbsp;সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীও নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে উপজেলা পর্যায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত অনেক চিকিৎসককে বিভিন্ন সংযুক্তির মাধ্যমে জেলা বা শহরে নিয়ে আসা হয়। ফলে গ্রামীণ হাসপাতালগুলোতে জনবল সংকট তৈরি হয়। এ কারণে জনগণ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই চিকিৎসকদের ধরে রাখা এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা বলেন, চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ফ্যাকাল্টি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করা প্রয়োজন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতের পরিকল্পনা, গবেষণা ও নীতিনির্ধারণে দক্ষ জনবল তৈরির জন্য হেলথ একাডেমি ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যখাতের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ বাড়াতে পারলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে বলে মনে করেন বক্তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা আরও বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সেবার গুরুত্ব বাড়ছে। তবে এআই চিকিৎসকের বিকল্প নয়; বরং এটি স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও সহজলভ্য করার একটি সহায়ক মাধ্যম। তাই ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা বাস্তবায়নের পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপরও জোর দিতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যখাতে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ বৈশ্বিক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিত সম্পর্ক বাড়ানো প্রয়োজন। কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানান তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>স্বাস্থ্যখাতের ব্যয় শুধুমাত্র খরচ নয়, বিনিয়োগ</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বক্তাদের মতে, স্বাস্থ্যখাতে ব্যয়কে শুধুমাত্র খরচ হিসেবে না দেখে জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। কারণ একটি সুস্থ জনগোষ্ঠী দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতার ভিত্তি তৈরি করে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বাস্থ্য মডেল তৈরি করতে হবে এবং ধারাবাহিকভাবে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধু চিকিৎসকের ওপর নির্ভরশীল নয়</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে&nbsp;স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ ও গাইনোকোলজিস্ট ডা. কাজী তাসকিয়া বলেন, একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধু চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করে না; এর সঙ্গে অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি, ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি ও সামাজিক ব্যবস্থাও জড়িত। সাধারণ মানুষ মনে করেন ডাক্তারই সব সমস্যার সমাধান করবেন, কিন্তু বাস্তবে হাসপাতালের পরিবেশ, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা ছাড়া মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব নয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ব্যাপারে&nbsp;নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক সময় অপারেশন থিয়েটারে (ওটি)&nbsp;প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, বিদ্যুৎ বা জীবাণুমুক্ত সরঞ্জামের ঘাটতি থাকে। এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যে একজন চিকিৎসকের পক্ষে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই গোড়া থেকে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কার জরুরি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনেক রোগী সরাসরি বড় হাসপাতালগুলোতে চলে আসেন। যদিও তাদের চিকিৎসা জেলা বা উপজেলা পর্যায়েই সম্ভব। এতে বড় হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত রোগীর চাপ তৈরি হয়। এজন্য শক্তিশালী রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রতিরোধমূলক চিকিৎসাকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একা স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত করতে পারবে না বলে মনে করেন&nbsp;ডা. তাসকিয়া। বলেন, এই খাত&nbsp;এগিয়ে নিতে&nbsp;খাদ্য, শিক্ষা, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যখাতে দক্ষ বাজেট পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ এবং সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই&nbsp;স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে&nbsp;যশোর-২ আসনের&nbsp;সংসদ সদস্য ডা. মোসলেউদ্দীন ফরিদ বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে প্রথমেই আসে বাজেটের স্বল্পতা। দ্বিতীয়ত, জনবল সংকট। তৃতীয় বড় সমস্যা হলো জনগণের &lsquo;আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার&rsquo;&mdash;অর্থাৎ নিজের পকেট থেকে চিকিৎসা ব্যয় বহন করা। আর চতুর্থ সমস্যা হলো, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দকৃত বিপুল অর্থ প্রতিবছর ব্যয় না হয়ে ফেরত চলে যাওয়া। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, প্রায় সাত হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ প্রতি বছর অব্যবহৃত থেকে যায়। এই চারটি সমস্যার সমাধান নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও&nbsp;বলেন, প্রথমত, স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বরাদ্দের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বাজেট জিডিপির প্রায় ০.২৭ শতাংশের মতো, যা আশপাশের দেশগুলোর তুলনায়ও অনেক কম। উন্নত দেশের উদাহরণ বাদ দিলেও ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ কিংবা মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ৩-৪ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় করে থাকে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) তৃতীয় লক্ষ্য হলো, সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অঙ্গীকার রয়েছে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির অন্তত ৫ শতাংশ ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো সেই লক্ষ্যের কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারেনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বের মধ্যে যুক্তরাজ্যের উদাহরণ দিয়ে ডা. মোসলেউদ্দীন বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বাজেট যেখানে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন ডলার, সেখানে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বাজেট প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন ডলার। অথচ বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি, আর যুক্তরাজ্যের মাত্র ছয় কোটি। অর্থাৎ জনসংখ্যার তুলনায় তাদের স্বাস্থ্য বাজেট বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় ৩০০ গুণ বেশি। তবে এই উদাহরণ দেওয়ার উদ্দেশ্য এই নয় যে বাংলাদেশকেও একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হবে। বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছায়নি। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো&mdash;যুক্তরাজ্যও একসময় আজকের বাংলাদেশের মতো নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে গেছে। গত ৩০&ndash;৩৫ বছরে তারা ধাপে ধাপে গবেষণা, পরিকল্পনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমস্যাগুলোর সমাধান করেছে। তাদের বড় সুবিধা ছিল পর্যাপ্ত বাজেট, যার মাধ্যমে তারা স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক গবেষণা করতে পেরেছে। সেই গবেষণার ফলাফল এখন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হতে পারে। বাংলাদেশ চাইলে নতুন করে সব গবেষণা না করে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সফল অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, তাই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, উন্নয়নশীল দেশগুলো কীভাবে সীমিত সম্পদের মধ্যেও স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা সমাধান করেছে, সেই অভিজ্ঞতাগুলো বিশ্লেষণ করে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো জনবল সংকট জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) একটি ন্যূনতম মানদণ্ড রয়েছে&mdash;প্রতি ১০ হাজার মানুষের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো সেই লক্ষ্যমাত্রার অনেক নিচে অবস্থান করছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বাংলাদেশে প্রতি ১০ হাজার মানুষের বিপরীতে মাত্র প্রায় ৫ জন নার্স রয়েছে, যেখানে মালয়েশিয়ায় এই সংখ্যা প্রায় ১০০ এবং যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে ১২০-এরও বেশি। সরকারি হিসাব অনুযায়ী দেশে বিপুলসংখ্যক ডাক্তার কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে অনেকেই কর্মস্থলে নেই। আবার স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ৭৭ হাজার সরকারি পদ দীর্ঘদিন খালি পড়ে আছে। এর অর্থ এই নয় যে সরকার অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে না; বরং বড় সমস্যা হলো প্রয়োজনীয় সংখ্যক দক্ষ জনবল তৈরি করতে না পারা। তাই স্বাস্থ্যখাতের মূল সংকট চিহ্নিত করে পরিকল্পিতভাবে সমাধানের দিকে এগোতে হবে। বর্তমানে দেশে ডাক্তার ও নার্স তৈরির জন্য মেডিকেল ও নার্সিং প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ থাকলেও সেই সংখ্যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। ফলে নতুন পদ সৃষ্টি হলেও তা পূরণের মতো পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল পাওয়া যাচ্ছে না। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে আরও বেশি ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী তৈরি করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. ফরিদ বলেন, এক্ষেত্রে বিদেশে দক্ষ জনবল রপ্তানিও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে। বাংলাদেশে অদক্ষ শ্রমিক বিদেশে গিয়ে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেন, একজন প্রশিক্ষিত নার্স তার চেয়ে ১০&ndash;২০ গুণ বেশি আয় করতে সক্ষম। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কিছু নীতিগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তারপরও শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান এ ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। তারা সরকারিভাবে নার্সদের উন্নত দেশে ৩ বছরের চুক্তিতে পাঠায়। সেখানে নার্সরা কাজের পাশাপাশি প্রশিক্ষণও পান। চুক্তি শেষে অনেকে দেশে ফিরে এসে স্থানীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় কাজ করেন। বাংলাদেশও শ্রম মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মাধ্যমে এমন উদ্যোগ নিতে পারে। এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়বে, অন্যদিকে দেশে দক্ষ নার্সের ঘাটতিও কমবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, উদাহরণ হিসেবে উগান্ডার কথা বলা যায়। তারা স্থানীয় জনগণকে নিজ নিজ এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এতে কর্মীরা নিজ এলাকায় স্থায়ীভাবে কাজ করতে আগ্রহী হয়েছে। বাংলাদেশেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে। কারণ কক্সবাজার বা চট্টগ্রামের একজন মানুষকে সুন্দরবন এলাকায় চাকরি দিলে তিনি দীর্ঘমেয়াদে সেখানে থাকতে চান না। তাই স্থানীয়ভাবে জনবল নিয়োগ দিলে স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের আরেকটি বড় সংকট হলো &lsquo;আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার&rsquo; বা জনগণের নিজস্ব খরচে চিকিৎসা ব্যয়। বর্তমানে সরকার স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলেও জনগণকে নিজেদের পকেট থেকে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার বেশি খরচ করতে হয়। এছাড়া বিদেশে চিকিৎসার জন্য আরও প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। অর্থাৎ স্বাস্থ্যব্যয়ের সবচেয়ে বড় চাপ জনগণের ওপরই পড়ে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি। বর্তমানে স্বাস্থ্যখাতে ব্যক্তিগত খরচের হার প্রায় ৭২ শতাংশ, যা অনেকের মতে ৮০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ফলে প্রতি বছর প্রায় ৫০ লাখ মানুষ চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়ে। কেউ জমি বিক্রি করেন, কেউ গবাদিপশু বিক্রি করেন&mdash;শুধু চিকিৎসার খরচ মেটানোর জন্য।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই সমস্যার সমাধানে বিভিন্ন দেশের উদাহরণ অনুসরণ করা যেতে পারে। তানজানিয়ায় ৫ বছরের নিচের শিশু, ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষ এবং গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। অন্যরা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করে। সেই অর্থের একটি অংশ সরকার পায়, একটি অংশ স্থানীয় উন্নয়নে যায় এবং আরেকটি অংশ স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রণোদনা হিসেবে দেওয়া হয়। ফলে স্বাস্থ্যকর্মীরা ভালো সেবা দিতে উৎসাহিত হন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ইন্দোনেশিয়ায় জনগণকে আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে এ, বি, সি ও ডি&mdash;এই চার শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। সবচেয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা পায়। অন্য শ্রেণিগুলো আংশিক ব্যয় বহন করে। বাংলাদেশেও ফ্যামিলি কার্ড বা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সঙ্গে স্বাস্থ্য কার্ড সংযুক্ত করে এমন ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যুক্তরাজ্যেও স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা একীভূতভাবে পরিচালিত হয়। ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবার ভর্তুকি শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করে না; সামাজিক সুরক্ষা খাত থেকেও অর্থায়ন হয়। বাংলাদেশেও এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনডিএফ&nbsp;সভাপতি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম&nbsp;বলেন, &lsquo;গবেষণার দিক দিয়ে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। বিশেষ করে চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় আমরা অনেক দুর্বল। সেক্ষেত্রে গবেষণার জন্য ভাতা দেওয়া যায় কিনা এটার বিষয়ে আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাবো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও&nbsp;বলেন, বর্তমানে চিকিৎসকদের মধ্যে ৬৫ শতাংশ মহিলা। তাই জেলা উপজেলা পর্যায়ে নিয়োগ করা হলে এসব চিকিৎসকদের নিরাপদ আবাসনের অভাব লক্ষ্য করা যায়। অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল তৈরি করা প্রয়োজন। কারণ মাঝে মধ্যেই জেলা উপজেলাতে তারা হামলার শিকার হয়। পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি দূর করার জন্য আমাদের উন্নত নৈতিকতা সম্পন্ন স্বাস্থ্যকর্মী তৈরি করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক নজরুল বলেন, আজকের বৈঠকে যেসব বিষয়ে আলোচনা হলো আমরা সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে জানাবো। স্বাস্থ্য খাতকে কোন সামাজিক সেবায় নয় বরং মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দীর্ঘ মেয়াদি অর্থনৈতিক উৎপাদন&zwnj;শীলতার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে এই খাতকে আরও উন্নত করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠান&nbsp;সঞ্চালনা করেন এনডিএফের সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মারজিয়া বেগম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) শাখার সভাপতি, অধ্যাপক ডা. আতিয়ার রহমান, বিএমইউ এনডিএফের সেক্রেটারি ডা. শাহাদাত হোসেন, এনডিএফ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ডা. এম জি ফারুক হোসেন, এনডিএফ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ডা. মারুফ শাহরিয়ার, এনডিএফ ঢাকা মহানগর উত্তরে সেক্রেটারি ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, এনডিএফ ঢাকা মহানগর উত্তরের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হাসানুল বান্না, ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব এবং ডা. নাজমুল আরেফিনসহ এনডিএফের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ ও স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গোলটেবিল বৈঠকে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক বিশিষ্ট চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>অধ্যাপক হলেন আরও ছয় চিকিৎসক </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34750/অধ্যাপক-হলেন-আরও-ছয়-চিকিৎসক</link>
			<pubDate>Thu, 21 May 2026 16:44:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34750/অধ্যাপক-হলেন-আরও-ছয়-চিকিৎসক</guid>
			<description><![CDATA[বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের ছয় চিকিৎসককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের আরও ছয় চিকিৎসককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, &lsquo;সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) সুপারিশ ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ফিডার পদে অভিজ্ঞতার শর্ত প্রমার্জনে পরিপ্রেক্ষিতে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর গ্রেড-৩ এ অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রদান করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়, &lsquo;পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের পদোন্নতির অব্যবহিত পূর্বের পদ ও কর্মস্থলে (ইনসিটু) কর্মরত থাকবেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ২৪ মের মধ্যে যোগদানপত্র স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-৩ শাখায় সরাসরি অথবা ই-মেইল per1@hsd.gov.bd এ প্রেরণের জন্য বলা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পদোন্নতিপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের মধ্যে সর্বোচ্চ পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি বিভাগের তিনজন,গাইনি অনকোলজি দুইজন ও ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে একজন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/17pO594FlGcrCLyXNSuks_9N_PpqtE9tI/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>►প্রজ্ঞাপন দেখুন </strong></span></span></a></p>

<p style="text-align:justify"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/17pO594FlGcrCLyXNSuks_9N_PpqtE9tI/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>জুলাইয়ে হামলায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতারা প্রশাসনের ছত্রছায়ায় ক্যাম্পাসে</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34748/জুলাইয়ে-হামলায়-জড়িত-ছাত্রলীগ-নেতারা-প্রশাসনের-ছত্রছায়ায়-ক্যাম্পাসে</link>
			<pubDate>Thu, 21 May 2026 16:25:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34748/জুলাইয়ে-হামলায়-জড়িত-ছাত্রলীগ-নেতারা-প্রশাসনের-ছত্রছায়ায়-ক্যাম্পাসে</guid>
			<description><![CDATA[রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ প্রশাসনের সহযোগিতায় জুলাই যোদ্ধা এবং স্বৈরাচার সরকারের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্ন সময় হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতাদের ক্যাম্পাসে ফেরানোর অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলেছেন, অভ্যুত্থান পূর্ববর্তী সময়েও বহু শিক্ষার্থীকে নানাভাবে নির্যাতনে জড়িত ছিলেন এসব ছাত্রলীগ নেতা। তারা হলেন এসএস ১১তম ব্যাচের আল আসিফ খান দিহান, ১৪তম ব্যাচের সৌভিক ভৌমিক জয় ও আহসানুল দীপ্ত। জানা গেছে, শিক্ষক ও পুলিশি প্রহরায় চলমান ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন তারা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ প্রশাসনের সহযোগিতায় জুলাইযোদ্ধা এবং স্বৈরাচার সরকারের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্ন সময় হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতাদের ক্যাম্পাসে ফেরানোর অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলেছেন, অভ্যুত্থান পূর্ববর্তী সময়েও বহু শিক্ষার্থীকে নানাভাবে নির্যাতনে জড়িত ছিলেন এসব ছাত্রলীগ নেতা। তারা হলেন এসএস ১১তম ব্যাচের আল আসিফ খান দিহান, ১৪তম ব্যাচের সৌভিক ভৌমিক জয় ও আহসানুল দীপ্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানা গেছে, শিক্ষক ও পুলিশি প্রহরায় চলমান ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগ নেতাদের হামলার শিকার&nbsp;শিক্ষার্থীদের&nbsp;আশঙ্কা, এতো অল্প সময়ে&nbsp;ক্যাম্পাসে ফেরার সুযোগ পাওয়ায় অদূর ভবিষ্যতে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ আবারও রক্তাক্ত করবে নিষিদ্ধ সংগঠনের এসব নেতারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক দিহান এবং আলাদা সম্পাদকীয় পদধারী সৌভিক ও দীপ্ত জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত ছিলেন। এ ছাড়াও গেস্ট রুম ও র&zwnj;্যাগিংয়ের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেছেন তারা। ঠুনকো কারণে একাধিক শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সময় করেছেন শারীরিক নির্যাতন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনে যাওয়া&nbsp;১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় তারা জড়িত। ফলে হামলাকারীরা ক্যাম্পাসে ফেরার খবরে নির্যাতনের শিকার এসব শিক্ষার্থী সীমাহীন ক্ষুব্ধ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় পরীক্ষার সুযোগ?</span></span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সোরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের একজন শিক্ষক আজ বৃহস্পতিবার (২১মে) দুপুরে মেডিভয়েসকে বলেন, পাঁচ আগস্ট পরবর্তী সময়ে একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিংয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়। এখন যারা পরীক্ষা দিচ্ছে, তখন তাদের সবার বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি হয়েছে। অভ্যুত্থানের পক্ষের সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতেই এ শাস্তি দেওয়া হয়। গত কিছু দিনের মধ্যে অনেকের শাস্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। এর পর অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদেরকে পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়। যেখানে একাডেমিক কাউন্সিলের সকল বিভাগীয় প্রধানরা থাকেন। এখানে কারও একক সিদ্ধান্তের কোনো প্রাধান্য নেই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;একাডেমিক কাউন্সিলে যেহেতু পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেজন্য তারা পরীক্ষা দিচ্ছে। তবে পরীক্ষার পর তাদেরকে ক্যাম্পাসে অ্যালাউ করা হবে না। তারা পাস বা ফেল, যাই করুক। চলমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হলে তাদের এখানে সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। এখানে নতুন করে কোনো গোলমাল কাম্য না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">শাস্তির আওতামুক্ত দিহান</span></span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হামলায় জড়িত সকল ছাত্রলীগ নেতা শাস্তির আওতায় আসেনি বলে জানিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ফাহাদ (১৫তম ব্যাচ)। তিনি বলেন, &lsquo;যাদের শাস্তি হয়েছে, তাদের মধ্যে দিহান অন্তর্ভুক্ত নন। তার কোনো বিচার হয়নি। অথচ দিহান এমন কোনো খারাপ কাজ নেই, যা সে ক্যাম্পাসে করেনি। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, শিক্ষার্থীদের দিয়ে কুলির কাজ করানো, তাদের দিয়ে তার বাইক চালানো, পিয়নের মতো পরিবারের সদস্যদের কাজ করিয়ে নেওয়া, যে কোনো মিছিল-মিটিংসহ যাবতীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করানো&mdash;এসব ছিল তার নিয়মিত কাজ।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ফাহাদ আরও বলেন, &lsquo;ক্যাম্পাসে যাকে তার পছন্দ হতো না, তার গায়ে কথায় কথায় হাত দিত। শিক্ষার্থীকে পেছন থেকে লাথি দেওয়া, স্ট্যাম্প-রড দিয়ে পেটানো, গাছের ডাল ভেঙে পেটানো, কানে ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা, জামা-কাপড় খুলে রেখে দেওয়া&mdash;এগুলো ছিল তার তাছে নৈমিত্তিক ব্যাপার।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের রুমে তালাবদ্ধ করে রাতের পর রাত অভুক্ত রাখা,&nbsp;নারী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করা,&nbsp;উন্নয়নসহ হাসপাতালের যে কোনো কাজে ভাগ বসানো, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও মেডিকেলের সামনের দোকান থেকে টাকা আদায় করাও ছিল তার কাজ&rsquo;&mdash;যোগ করেন এই ইন্টার্ন চিকিৎসক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ফাহাদ বলেন, &lsquo;আল আসিফ খান দিহানের মূল অপরাধ হলো, জুলাই আন্দোলন চলার সময় সে নেপথ্যে থেকে সকল নিপীড়নে কলকাঠি নাড়া। তখন সে ছিল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>দেখে নেওয়ার হুমকি</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সৌভিক ও দীপ্তর শাস্তি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;কিন্তু ইতিপূর্বে তারা যেহেতু এ রকম নিপীড়নমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং তারা আন্দোলনের সময় বারবার শিক্ষার্থীদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছিল। সুতরাং তাদেরকে ক্যাম্পাসে ফেরানো হলে শিক্ষার্থীদের জীবন অনিরাপদ হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ফাহাদ বলেন, দিহানের পরীক্ষা দিতে আসা নিয়ে যখন শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা হচ্ছিল, তখন সে তার বন্ধুদেরকে দিয়ে জুনিয়রদের হুমকি দেওয়াচ্ছে যে, সময় এলে দেখে নেবে। এই হুমকি দিচ্ছে দিহানের ব্যাচ মেট সামিউল ইসলাম, যে ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ। এ রকম হুমকির মধ্যে তাদের ক্যাম্পাসে ফেরানো হলে কেউ নিরাপদ বোধ করবে?</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>ছাত্রলীগ নেতাদের নিরাপদ পরীক্ষা নিশ্চিতে কমিটি</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ নেতাদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখাশোনার করার জন্য শিক্ষকদের নিয়ে দশ সদস্যের একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যেখানে কলেজের সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তবে এ রকম সিদ্ধান্ত ভুল হয়েছে বলে মনে করেন কলেজ প্রশাসনের কেউ কেউ। তারা বলেন, এই ক্যাম্পাসে না করে ভার্সিটির কাছে হস্তান্তর করে অন্য কোনো জায়গায় ছাত্রলীগ নেতাদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করলেও&nbsp;হতো। বিশ্ববিদ্যালয় এটা করতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ছাত্রলীগ নেতাদের ক্যাম্পাসে যাওয়া-আসা নিয়ে গঠিত সমন্বয় কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে মেডিভয়েসকে বলেন, তারা চান না ক্যাম্পাসে কোনো অনাকাঙিক্ষত কোনো ঘটনা ঘটুক। কারও কোনো অভিযোগ থাকলে সে ব্যক্তিগতভাবে আইনের আশ্রয় নিতে পারে। দেশের প্রচলিত আইন আছে, থানা আছে, পুলিশ আছে। শিক্ষকদের চাওয়া&mdash;এই ক্যাম্পাসের পরিবেশ আর নষ্ট না হোক। প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা এসেছে, তাদের অভিভাবকরা আসছেন। ক্যাম্পাস পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে চলবে&mdash;এটাই সবার প্রত্যাশা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;প্রশাসন দায়িত্ব দিয়েছে তাই দায়িত্ব পালন করা। তবে আমরা বলেছি, শিক্ষার্থীরা সবাই পরিণত। তাদের সামনে দিয়ে পূর্ণ নিরাপত্তা দিয়ে তিন শিক্ষার্থীকে নিয়ে আসা, নিয়ে যাওয়া&mdash;এভাবে এতোগুলো পরীক্ষা, ভাইভা, অসপির সুযোগ দেওয়া, এতো দায় নেওয়া সম্ভব না। তারা অতীতে ক্যাম্পাসে অনেক অন্যায় করেছে। তবে এখন আমরা চাই, এখানে গন্ডগোল না হোক। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া ঠিক না&rsquo;&mdash;যোগ করেন তিনি।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;আমরা মনে করছি, তারা একটু নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, সেজন্য তাদেরকে চোখে চোখে রাখার চেষ্টা করছি। যেন কোনো নিগ্রহ না হয়। এক্ষেত্রে কারও দ্বিমত থাকলে দেশের প্রচলিত আইনের আশ্রয় নেওয়া ভালো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>যা বলছেন শিক্ষার্থীরা&nbsp;</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, কমিটির এসব সদস্যের তত্ত্বাবধানে এক সময় ক্যাম্পাসে সহিংসতা ছড়িয়ে দেওয়া এসব নেতা নিরাপদে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গত ১৭ মে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় দিহানের আশপাশে অবস্থান করে অঘোষিত একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেন একাধিক শিক্ষক। এ ছাড়াও পরীক্ষার হলের বাইরে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। তবে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা দিহান নিজে করেছেন, নাকি কলেজ প্রশাসন নিশ্চিত করেছে&mdash;এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত নন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ছাত্রলীগের হামলার শিকার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এতো অল্প সময়ের ব্যবধানে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতারা ফিরতে পারলে অচিরেই ক্যাম্পাস আবারও রক্তাক্ত করবে তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ক্যাম্পাসে আর সাংঘর্ষিক পরিবেশ ফিরে না আসুক&mdash;এমন দাবি করে শিক্ষার্থীরা বলেন, ছাত্রলীগ নেতাদের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীর সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘ্নিত হবে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাদের অভিযোগ, জুলাই ঘাতকদেরকে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় ক্যাম্পাসে ফেরার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যারা দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্যাম্পাসে ভীতির রাজত্ব কায়েম করে রেখেছিল। তারা গেস্ট রুম, গণরুম, র&zwnj;্যাগিংয়ের সংস্কৃতির মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গন জাহান্নাম বানিয়ে রেখেছিল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেলেনি সোহরাওয়ার্দীর&nbsp;অধ্যক্ষের বক্তব্য</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সামগ্রিক বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে ক্যাম্পাসে গেলে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা.&nbsp;মো. আঈনুল ইসলাম খানকে পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তিনি কোনো একটি মিটিংয়ে যোগ দিতে&nbsp;ডিজি কিংবা মন্ত্রণালয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাঁকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এদিকে কলেজ ক্যাম্পাসের তিনতলায় ফাইনাল প্রফ পরীক্ষার চিত্র দেখতে গিয়ে পুলিশ সদস্যকে কেন্দ্রের সামনে অবস্থান করতে দেখা গেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলের নতুন উপপরিচালক ডা. হুমায়ুন কবির</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34747/সিলেট-এমএজি-ওসমানী-মেডিকেলের-নতুন-উপপরিচালক-ডা-হুমায়ুন-কবির</link>
			<pubDate>Thu, 21 May 2026 16:03:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34747/সিলেট-এমএজি-ওসমানী-মেডিকেলের-নতুন-উপপরিচালক-ডা-হুমায়ুন-কবির</guid>
			<description><![CDATA[সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন উপপরিচালক পদে ডা. কে.এম. হুমায়ুন কবিরকে নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন উপপরিচালক পদে ডা. কে.এম. হুমায়ুন কবিরকে নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার সহকারী সচিব এম.কে. হাসান জাহিদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাকে তার নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পদায়নকৃত কর্মকর্তাকে আগামী ২৩ মের মধ্যে বদলিকত কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয় প্রজ্ঞাপনে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><a href="https://drive.google.com/file/d/1qhf6yGixBa-e-mjRICpX0q_VwiUOKklk/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><strong>►প্রজ্ঞাপন দেখুন</strong></span></a></span></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1qhf6yGixBa-e-mjRICpX0q_VwiUOKklk/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34746/স্বাস্থ্য-খাত-সংস্কার-কমিশনের-সুপারিশ-পর্যায়ক্রমে-বাস্তবায়ন-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Thu, 21 May 2026 15:40:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34746/স্বাস্থ্য-খাত-সংস্কার-কমিশনের-সুপারিশ-পর্যায়ক্রমে-বাস্তবায়ন-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশসমূহ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খানের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সদস্যরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সাথে সাক্ষাৎ এবং কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সদস্যরা। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) &nbsp;স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খানের নেতৃত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সাক্ষাৎ হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কমিশনের সদস্যরা জানান, দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়ন, জবাবদিহিতা, নিরাপত্তা ও জনমুখী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তারা ভবিষ্যতেও সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনকে যে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও সুপারিশ প্রদান করা হয়েছিল, তার অনেক বিষয়ই এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পাশাপাশি চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, গবেষক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং অন্যান্য পেশাজীবীদের মতামত ও পরামর্শও প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কমিশনের সদস্যরা বিশেষভাবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালীকরণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধি করার অনুরোধ জানান। তারা বলেন, একটি শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে রোগের চাপ, চিকিৎসা ব্যয় এবং তৃতীয় পর্যায়ের হাসপাতালের ওপর অতিরিক্ত চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কমিশনের বিভিন্ন সুপারিশের সাথে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক ইশতেহারেরও উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে জানিয়ে তারা বলেন, এর মধ্যে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার, ই হেলথ কার্ড, তামাক নিয়ন্ত্রনে সিন ট্যাক্স, আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ, স্বাস্থ্য খাতে দূর্নীতি দমন, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য কমিশন গঠন, পাবলিক প্রাভেট পার্টনারশিপ এর মাধ্যমে ক্যান্সারসহ দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসা,ঔষধের মূল্য ও প্রবেশাধিকার, দেশে এপিআই ও ভ্যাক্সিন তৈরী, ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা, জবাবদিহিতা, আন্ডার &nbsp;গ্র্যাজুয়েট &nbsp;ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট মেডিক্যাল শিক্ষার মানোন্নয়ন, এ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্ক , জরুরী স্বাস্থ্য সেবা নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্য বীমা, নারী স্বাস্থ্য, মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুদের সেবা নিশ্চিত করা, চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্য সেবাপ্রদানকারীদের নিরাপত্তার জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন এবং সেবার মানোন্নয়নের বিষয়গুলো খুবই কাছাকাছি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের কমিশন সদস্যদের আশ্বস্ত করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বলেন, সরকার পর্যায়ক্রমে এসব গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সদস্য ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন, কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের ড. মোহাম্মদ জাকির হোসেন, অধ্যাপক ড. লিয়াকত আলী, এম এম রেজা, ডা. আজহারুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, অর্ন্তবর্তী সরকারের সময় স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন গঠন করা হয় এবং তারা সরকারের নিকট সুপারিশ জমা দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify">&nbsp;</p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/এমআর</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>দিনাজপুর মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বোনস সেট বিতরণ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34745/দিনাজপুর-মেডিকেল-শিক্ষার্থীদের-মাঝে-বিনামূল্যে-বোনস-সেট-বিতরণ</link>
			<pubDate>Thu, 21 May 2026 14:58:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34745/দিনাজপুর-মেডিকেল-শিক্ষার্থীদের-মাঝে-বিনামূল্যে-বোনস-সেট-বিতরণ</guid>
			<description><![CDATA[দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে রিদম বোনস ব্যাংকের মাধ্যমে বিনামূল্যে বোনস সেট বিতরণ করেছে রিদম ব্লাড ডোনার ক্লাব (আরবিডিসি)।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে রিদম বোনস ব্যাংকের মাধ্যমে বিনামূল্যে বোনস সেট বিতরণ করেছে রিদম ব্লাড ডোনার ক্লাব (আরবিডিসি)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বুধবার (২০ মে) কলেজের গ্যালারিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মোট ৩৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে বোনস সেট প্রদান করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কলেজ শিক্ষার্থী সাদাকাত রাফি সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সামিউল হোসাইন, অ্যানাটমি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. পল্লব কুমার দাস, সহকারী অধ্যাপক ডা. লায়লা ফেরদৌস ইতি, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. শামীমা ইয়াসমিন, সহকারী অধ্যাপক ডা. নিবেদিতা পাল, প্রভাষক ডা. বিপুল চন্দ্র রয় এবং ফিজিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. লিপিকা রাণী অধিকারী প্রমুখ।<br />
এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে আরবিডিসির উপদেষ্টা সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় উপস্থিত শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সহায়তায় নেওয়া এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং এর ভূয়সী প্রশংসা করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আরবিডিসির উপদেষ্টা মুসা মিয়া বলেন, মেডিকেল শিক্ষার শুরুতেই অ্যানাটমি বিভাগের জন্য বোনস সেট একটি অত্যন্ত জরুরি ও ব্যয়বহুল উপকরণ। অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই এটি সংগ্রহ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এ ছাড়াও বোনস কেনাবেচার ব্যাপারে ইসলামের বিধিনিষেধ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই একাডেমিক সংকট দূর করতেই আমাদের বোনস ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রিদম বোনস ব্যাংকের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, &lsquo;গত বছরের তুলনায় এবার আবেদনকারীর সংখ্যা অনেক বেশি ছিল। আমরা আমাদের সীমিত সক্ষমতার মধ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মশালায় অংশ নিতে থাইল্যান্ড যাচ্ছেন তিন চিকিৎসক</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34744/মানসিক-স্বাস্থ্য-বিষয়ক-কর্মশালায়-অংশ-নিতে-থাইল্যান্ড-যাচ্ছেন-তিন-চিকিৎসক</link>
			<pubDate>Thu, 21 May 2026 13:52:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34744/মানসিক-স্বাস্থ্য-বিষয়ক-কর্মশালায়-অংশ-নিতে-থাইল্যান্ড-যাচ্ছেন-তিন-চিকিৎসক</guid>
			<description><![CDATA[থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘থাইল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল মেন্টাল হেলথ ওয়ার্কফোর্স ট্রেনিং প্রোগ্রামে’ অংশগ্রহণের জন্য তিনজন চিকিৎসককে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বুধবার ( ২০ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব তানিয়া মুন স্বাক্ষরিত এক সরকারি আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span>&nbsp;</strong></span><span style="font-size:16px">থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া &lsquo;থাইল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল মেন্টাল হেলথ ওয়ার্কফোর্স ট্রেনিং প্রোগ্রামে&rsquo; অংশগ্রহণের জন্য তিনজন চিকিৎসককে অনুমোদন দিয়েছে সরকার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বুধবার ( ২০ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব তানিয়া মুন স্বাক্ষরিত এক সরকারি আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, &lsquo;নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণকে &lsquo;থাইল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল মেন্টাল হেলথ ওয়ার্কফোর্স ট্রেনিং প্রোগ্রামে&rsquo; অংশগ্রহণের জন্য সরকারি অনুমোদন প্রদান করা হলো। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ২২ জুন হতে ১০ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ভার্চুয়ালি এবং ১৩ জুলাই হতে ১৭ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সরাসরি (ইন-পার্সন) অনুষ্ঠিত হবে। যাতায়াত ও ট্রানজিট সময় এর অন্তর্ভুক্ত নয়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সরকারি আদেশ অনুযায়ী মনোনীতরা হলেন, নোয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. জান্নাতুন নাঈম কেয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আবদুল ওয়াজিদ ও যশোর মোহনপুর ইউনিয়ন সাব-সেন্টারের সহকারী সার্জন ডা. মো. ফারিদুল ইসলাম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সরকারি আদেশে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য কয়েকটি শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে&mdash;প্রশিক্ষণকালসহ যাতায়াত ও ট্রানজিট সময়কে ডিউটি হিসেবে গণ্য করা হবে, তারা বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বেতন ও ভাতা বাংলাদেশি মুদ্রায় গ্রহণ করবেন, পুরো প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ব্যয় বহন করবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) ও&nbsp;থাইল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং&nbsp;দেশে ফিরে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সরকারি আদেশে আরও বলা হয়, সরকারি আদেশটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জারি করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>রোগীর চিকিৎসা ব্যয় কমাতে স্বাস্থ্যে বরাদ্দ বাড়াবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34743/রোগীর-চিকিৎসা-ব্যয়-কমাতে-স্বাস্থ্যে-বরাদ্দ-বাড়াবে-সরকার-প্রতিমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Thu, 21 May 2026 12:18:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34743/রোগীর-চিকিৎসা-ব্যয়-কমাতে-স্বাস্থ্যে-বরাদ্দ-বাড়াবে-সরকার-প্রতিমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[দেশের মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭০ শতাংশের বেশি মানুষকে নিজের পকেট থেকে দিতে হয়, যা অনেক পরিবারকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি বদলাতে সরকার ধাপে ধাপে স্বাস্থ্য বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সবার জন্য সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, কার্যকর রেফারাল সিস্টেম ও যুগোপযোগী ডিজিটালাইজেশনের ওপর কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।  বুধবার (২০ মে) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুরু হওয়া ৭৯তম ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে এসব কথা বলেন তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> দেশের মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭০ শতাংশের বেশি নিজের পকেট থেকে দিতে হয় জনগনকে, যা অনেক পরিবারকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি বদলাতে&nbsp;সরকার ধাপে ধাপে স্বাস্থ্য বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সবার জন্য সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, কার্যকর রেফারাল সিস্টেম ও যুগোপযোগী ডিজিটালাইজেশনের ওপর কাজ করছে&nbsp;বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বুধবার (২০ মে) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুরু হওয়া ৭৯তম ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে এসব কথা বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন সরকার জাতীয় উন্নয়নের একদম কেন্দ্রবিন্দুতে স্বাস্থ্যকে স্থান দিয়েছে। সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, সরকারি ও বেসরকারি খাতের স্বাস্থ্য তথ্যের সমন্বয়, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং মানসিক স্বাস্থ্য, প্রতিবন্ধীবান্ধব সেবা ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় কার্যক্রম জোরদারকরণে কাজ করছে সরকার। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপর বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে রোগের ধরণ দ্রুত পাল্টাচ্ছে। দেশের বিদ্যমান চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর মারাত্মক অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। এর পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়া ১.৩ মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা নাগরিকের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি বাংলাদেশের সীমিত স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোর ওপর বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ওপর বৈশ্বিক স্বাস্থ্য অর্থায়নের সংকোচন, সংঘাত ও মানবিক সংকটের মারাত্মক প্রভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়ে সম্পদের দক্ষ ব্যবহারের তাগিদ দেন প্রতিমন্ত্রী। বিশেষ করে অসংক্রামক রোগ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা হারানোর মতো নীরব ঘাতক মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>রামেকে অ্যাপেক্স ডেন্টাল ক্লাবের যাত্রা শুরু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34742/রামেকে-অ্যাপেক্স-ডেন্টাল-ক্লাবের-যাত্রা-শুরু</link>
			<pubDate>Thu, 21 May 2026 10:20:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34742/রামেকে-অ্যাপেক্স-ডেন্টাল-ক্লাবের-যাত্রা-শুরু</guid>
			<description><![CDATA[রাজশাহী মেডিকেল কলেজে (রামেক) ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে অ্যাপেক্স ডেন্টাল ক্লাব।  ২০ মে (বুধবার) ক্লাবের প্রতিনিধি দল রামেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খন্দকার মো. ফয়সাল আলমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতির জন্য আবেদনপত্র প্রদান করেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">রাজশাহী মেডিকেল কলেজে (রামেক) ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে অ্যাপেক্স ডেন্টাল ক্লাব।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">২০ মে (বুধবার) ক্লাবের প্রতিনিধি দল রামেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খন্দকার মো. ফয়সাল আলমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতির জন্য আবেদনপত্র প্রদান করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাক্ষাৎকালে অধ্যক্ষ ক্লাবের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও অনুমোদনের জন্য আবেদন পত্র গ্রহণ করেন। পাশাপাশি তিনি জানান, &lsquo;নিয়মিত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে প্রশাসনিকভাবে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।&rsquo;এ সময় প্রতিনিধি দল (২০২৬&ndash;২৭) সেশনের নবগঠিত কমিটি অধ্যক্ষের নিকট হস্তান্তর করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">৬৭ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন ৩৪তম বিডিএস ব্যাচের ইশমাম উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন একই ব্যাচের ফয়েজ উর রহমান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ক্লাবের উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন ডা. নাসরুল্লাহ শেখ, ডা. জুবাইদুল ইসলাম নাঈম, ডা. আব্দুর রহমান, মো. রুহুল কুদস সাফা, নুসরাত জারিন নাওমী ও মো. বকুল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ক্লাব সম্পর্কে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, একাডেমিক কার্যক্রম, হেলথ ক্যাম্প, গবেষণা, সামাজিক উদ্যোগ এবং ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে ক্লাবটি কাজ করবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শতামেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বোনস সেট বিতরণ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34741/শতামেকে-শিক্ষার্থীদের-মাঝে-বিনামূল্যে-বোনস-সেট-বিতরণ</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 21:07:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34741/শতামেকে-শিক্ষার্থীদের-মাঝে-বিনামূল্যে-বোনস-সেট-বিতরণ</guid>
			<description><![CDATA[শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে বিনামূল্যে বোনস সেট বিতরণ করেছে দাওয়াহ সার্কেল অব শতামেক। মঙ্গলবার (১৯ মে) কলেজ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয়বারের মতো এই বোনস সেট বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজের (শতামেক)&nbsp;শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে বিনামূল্যে বোনস সেট বিতরণ করেছে দাওয়াহ সার্কেল অব শতামেক। মঙ্গলবার (১৯ মে) কলেজ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয়বারের মতো এই বোনস সেট বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা পড়া আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ২১ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৬টি সম্পূর্ণ বোনস সেট বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ১২ জন ছাত্র ও ৯ জন ছাত্রী রয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দাওয়াহ সার্কেলের প্রতিনিধিরা জানান, গত বছর থেকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এবারও নতুন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার আবেদনকারীর সংখ্যা অনেক বেশি থাকায় এবং সীমিত সক্ষমতার কারণে সকল আবেদনকারীকে বোনস দেওয়া সম্ভব হয়নি। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভবিষ্যতে এই কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা&nbsp;জানান আয়োজকরা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা জানান, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের অনুদানে গড়ে ওঠা &lsquo;দাওয়াহ সার্কেল বোনস ব্যাংক&rsquo; থেকে এসব বোনস সংগ্রহ করা হয়েছে। সিনিয়র শিক্ষার্থীরা জুনিয়রদের সহযোগিতার জন্য প্রতি বছরই এই ব্যাংকে বোনস দান করে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে বোনস ডোনেট করে উদ্যোগটিতে ভূমিকা রাখা শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দাওয়াহ সার্কেলের প্রতিনিধি ডা. নাজমুস সাকিব জুবায়ের মেডিভয়েসকে&nbsp;বলেন, &lsquo;মেডিকেল শিক্ষার শুরুতেই অ্যানাটমি বিভাগের জন্য বোনস সেট একটি অত্যন্ত জরুরি ও ব্যয়বহুল উপকরণ। অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই এটি সংগ্রহ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের এই একাডেমিক সংকট দূর করতেই আমাদের বোনস ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বোনস বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেডিসিন বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মিশকাতুল মাসাবিহ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>নবজাতকের মৃত্যুহার কমাতে ‘ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার’ আশার আলো: বিএমইউ ভিসি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34740/নবজাতকের-মৃত্যুহার-কমাতে-ক্যাঙ্গারু-মাদার-কেয়ার-আশার-আলো-বিএমইউ-ভিসি</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 20:17:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34740/নবজাতকের-মৃত্যুহার-কমাতে-ক্যাঙ্গারু-মাদার-কেয়ার-আশার-আলো-বিএমইউ-ভিসি</guid>
			<description><![CDATA[অপরিণত এবং কম ওজনের নবজাতকসহ সকল নবজাতকের মৃত্যুহার হ্রাস, রোগ প্রতিরোধ ও জীবন রক্ষায় ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার (কেএমসি) মডেল আশার আলো ছড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন  বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, নবজাতকের জীবন রক্ষায় কেএমসির অবদান ও গুরুত্ব বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। এ পদ্ধতি সম্পর্কে নীতি নির্ধারণী ফোরামে আলোচনা করে জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা জরুরি। আন্তর্জাতিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার (২০ মে)  বিএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকী।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> অপরিণত এবং কম ওজনের নবজাতকসহ সকল নবজাতকের মৃত্যুহার হ্রাস, রোগ প্রতিরোধ ও জীবন রক্ষায় ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার (কেএমসি) মডেল আশার আলো ছড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, নবজাতকের জীবন রক্ষায় কেএমসির অবদান ও গুরুত্ব বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। এ পদ্ধতি সম্পর্কে নীতি নির্ধারণী ফোরামে আলোচনা করে জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা জরুরি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আন্তর্জাতিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার (২০ মে) &nbsp;বিএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএমইউ&nbsp;ভিসি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে&nbsp;সভাপতির বক্তব্যে&nbsp;বিএমইউর নবজাতক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মান্নান বলেন,&nbsp;অপরিণত এবং কম ওজনের নবজাতকদের জীবন বাঁচাতে কেএমসি হলো অনুসরণীয় ও আদর্শ পদ্ধতি। কেএমসি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে একযোগে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে নিওন্যাটোলজি বিভাগের ডা. রুম্পা মনি চৌধুরী জানান, ১৫ মে পালিত হয় আন্তর্জাতিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার সচেতনতা দিবস। এটি একটি বৈশ্বিক দিবস, যা ২০১১ সাল থেকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ, কমিউনিটি ও পরিবার একসঙ্গে উদযাপন করে আসছে। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য ছিল &lsquo;স্থিরতাই শক্তি&rsquo;।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. রুম্পা বলেন, কেএমসি নবজাতকের মৃত্যুহার এবং ছয় মাস বয়স পর্যন্ত মৃত্যুঝুঁকি কমায়। এটি হাইপোথার্মিয়া, হাইপোগ্লাইসেমিয়া ও মারাত্মক সংক্রমণ বা সেপসিস প্রতিরোধে সহায়তা করে। এ ছাড়া এটি দ্রুত বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করতে, একচেটিয়া বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়কাল বাড়াতে এবং শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, কেএমসি হলো অপরিণত এবং কম ওজনের নবজাতকের জন্য একটি &lsquo;প্রোটোকলভিত্তিক সেবা পদ্ধতি&rsquo;, যা নবজাতক ও মায়ের অথবা সেবাদানকারীর মধ্যে ত্বক-থেকে-ত্বকের স্কিন টু স্কিন সংস্পর্শের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। মাতৃসেবা সমন্বয়ে নবজাতক নার্সদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রগুলোতে এই পদ্ধতি চালুর উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে নবজাতকের মৃত্যুহার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)&nbsp;জোরালোভাবে সুপারিশ করে যে, জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব কেএমসি শুরু করা উচিত এবং শিশুর স্থিতিশীল হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আরো জানানো হয়, মাদার নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট হলো আর একটি এমন সেবা মডেল, যা জন্ম থেকে হাসপাতাল ত্যাগ পর্যন্ত মা ও শিশুর মধ্যে কোনো বিচ্ছিন্নতা হতে দেয় না। এর মাধ্যমে নবজাতকের নিবিড় বা বিশেষ সেবার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার (কেএমসি) নিশ্চিত করা যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify">&nbsp;</p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার ও শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান প্রমুখ। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও নিওন্যাটোলজি বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞগণ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘন্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34739/হাম-ও-উপসর্গে-২৪-ঘন্টায়-আরও-ছয়-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 19:11:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34739/হাম-ও-উপসর্গে-২৪-ঘন্টায়-আরও-ছয়-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে তিন শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (২০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে তিন শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (২০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩৮ জনের। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আট হাজার ৬৭ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০১ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৮১ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছে এক হাজার ৭০ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১৪৫ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ৩০ জন।<br />
এমআর/</span><br />
&nbsp;</p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>মানিকগঞ্জের নতুন সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌস</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34738/মানিকগঞ্জের-নতুন-সিভিল-সার্জন-ডা-আইভী-ফেরদৌস</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 17:54:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34738/মানিকগঞ্জের-নতুন-সিভিল-সার্জন-ডা-আইভী-ফেরদৌস</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের কর্মকর্তা ডা. আইভী ফেরদৌসকে মানিকগঞ্জে বদলিপূর্বক নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করেছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও)&nbsp;ডা. আইভী ফেরদৌসকে&nbsp;মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন করা হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়েছে, &lsquo;নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আইভী ফেরদৌসকে মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বদলিকৃত কর্মকর্তাকে আগামী ২১ মের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে&nbsp;</span><span style="font-size:16px">জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1EEC_u9k3E5IX1tBsytb5cV4fPya9Yjmv/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="font-size:18px"><strong><span style="color:#990000">►প্রজ্ঞাপন দেখতে ক্লিক করুন</span></strong></span></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1EEC_u9k3E5IX1tBsytb5cV4fPya9Yjmv/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জনকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34737/কিশোরগঞ্জ-ও-মানিকগঞ্জের-সিভিল-সার্জনকে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরে-ওএসডি</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 16:59:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34737/কিশোরগঞ্জ-ও-মানিকগঞ্জের-সিভিল-সার্জনকে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরে-ওএসডি</guid>
			<description><![CDATA[বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ.কে.এম মোফাখখারুল ইসলাম ও কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. অভিজিত শর্ম্মাকে  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. অভিজিত শর্ম্মা ও মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ.কে.এম মোফাখখারুল ইসলামকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা&nbsp;(ওএসডি) করা হয়েছে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত আলাদা&nbsp;প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে&nbsp;বলা হয়, &lsquo;বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাদেরকে তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলিপূর্বক পদায়ন করা&nbsp;হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া প্রজ্ঞাপনে পদায়নকৃত&nbsp;কর্মকর্তাদের&nbsp;আগামী ২১ মের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:18px"><a href="https://drive.google.com/file/d/17I84nTy0x1L_3HetthldnVpPS7s3uUPw/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000">►প্রজ্ঞাপন দেখুন</span></a></span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/17I84nTy0x1L_3HetthldnVpPS7s3uUPw/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সরকারকে ২০২৪ সালেই টিকা সংকটের পূর্বাভাস দেওয়া হয়: ইউনিসেফ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34736/সরকারকে-২০২৪-সালেই-টিকা-সংকটের-পূর্বাভাস-দেওয়া-হয়-ইউনিসেফ</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 16:36:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34736/সরকারকে-২০২৪-সালেই-টিকা-সংকটের-পূর্বাভাস-দেওয়া-হয়-ইউনিসেফ</guid>
			<description><![CDATA[দেশে দীর্ঘ সময় ধরে হামের রুটিন টিকার সংকট ছিল বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। সংস্থাটি বলছে, আমরা ২০২৪ সালেই অন্তর্বর্তী সরকারকে টিকার সংকটের পূর্বাভাস দিয়েছিলাম। পরবর্তী দুই বছরে দেশে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আমরা আগেভাগেই সতর্ক করছিলাম এবং ক্রমাগত মনে করিয়ে দিচ্ছিলাম যে তারা সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে। আজ বুধবার (২০ মে) দুপুরে রাজধানীর ইউনিসেফ বাংলাদেশ কার্যালয়ের জেপিজি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত ‘হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি ও চলমান প্রতিরোধ কার্যক্রম বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">দেশে দীর্ঘ সময় ধরে হামের রুটিন টিকার সংকট ছিল বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। সংস্থাটি বলছে, তারা ২০২৪ সালেই অন্তর্বর্তী সরকারকে টিকার সংকটের পূর্বাভাস দিয়েছিল। পরবর্তী দুই বছরে দেশে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই তারা আগেভাগেই সতর্ক করেছিলেন এবং সংকটে পড়ার কথা&nbsp;মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি ও চলমান প্রতিরোধ কার্যক্রম&rsquo; বিষয়ে আজ বুধবার (২০ মে) দুপুরে রাজধানীর ইউনিসেফ বাংলাদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির&nbsp;বাংলাদেশ&nbsp;প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত দেশে এক&nbsp;কোটি ৭৮ লাখ (১৭.৮ মিলিয়ন) হামের টিকা আসে, যা ছিল মোট চাহিদার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। দেশে বছরে প্রায় ৭ কোটি (৭০ মিলিয়ন) হামের টিকার প্রয়োজন হলেও দীর্ঘ সময় পর্যাপ্ত রুটিন টিকা পাওয়া যায়নি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রানা ফ্লাওয়ার বলেন, &lsquo;এ মুহূর্তে আমার হাতের কাছে একেবারে সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখ নেই। তবে তদন্তে বিষয়টি নিশ্চিত হবে। আমি এটুকু জানি যে, আমরা ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ-ছয়টি চিঠি পাঠিয়েছি, যার মধ্যে শেষ চিঠিটি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ঠিক আগে পৌঁছেছিল। আমরা আশা করেছিলাম যে, যিনি নতুন করে এই দায়িত্ব পাবেন তার ডেস্কে চিঠিটি থাকবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন,&lsquo; এটা স্পষ্ট ছিল যে দেশে টিকা আনতে না পারলে সমস্যা তৈরি হবে। আমরা তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসার জন্য বারবার চাপ দিয়েছি। একইসঙ্গে আমি বলতে পারি, আমি অন্তর্বর্তীকালীন উপদেষ্টা এবং কর্মীদের সঙ্গে অন্তত ১০ বার বসেছি। আমি এবং আমার কর্মীরা বলেছি, আমরা চিন্তিত। আমার মুখ দেখে বুঝুন, আমি চিন্তিত যে, আপনারা টিকার সংকটে পড়তে যাচ্ছেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, &lsquo;আমরা ২০২৪ সালেই টিকার সংকটের পূর্বাভাস দিয়েছিলাম। পরবর্তী দুই বছরে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আমরা আগেভাগেই সতর্ক করছিলাম এবং ক্রমাগত মনে করিয়ে দিচ্ছিলাম যে তারা সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে। বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব থেকে শিক্ষণীয় অনেক বিষয় আছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;এই ঘটনার পর &lsquo;আফটার অ্যাকশন রিভিউ&rsquo; বা পরবর্তী আলোচনা এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা খতিয়ে দেখব প্রতি বছর প্রায় ৫ লাখ শিশু টিকাদান কর্মসূচি থেকে কেন বাদ পড়ে যাচ্ছে। এখন কাউকে দোষারোপ করার কিছু নেই। এখন এমনভাবে টিকাদান প্রক্রিয়া করাতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এই দেশের কোনো শিশু প্রতিরোধযোগ্য রোগে আর মারা না যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দীর্ঘদিন রুটিন টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় অনেক শিশু টিকার বাইরে থেকে গেছে। এর ফলে দেশে হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে চলতি বছরের মে মাসে দেশে আবার হামের রুটিন টিকা এসেছে। এখন দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের আওতায় আনা এবং আক্রান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>অধ্যাপক হলেন ১৫ চিকিৎসক</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34735/অধ্যাপক-হলেন-১৫-চিকিৎসক</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 16:27:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34735/অধ্যাপক-হলেন-১৫-চিকিৎসক</guid>
			<description><![CDATA[বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের ১৫ চিকিৎসককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের ১৫&nbsp;চিকিৎসককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, &lsquo;সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) সুপারিশ ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ফিডার পদে অভিজ্ঞতার শর্ত প্রমার্জনে পরিপ্রেক্ষিতে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর গ্রেড-৩ এ অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রদান করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়, &lsquo;পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের পদোন্নতির অব্যবহিত পূর্বের পদ ও কর্মস্থলে (ইনসিটু) কর্মরত থাকবেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ২৪ মের মধ্যে যোগদানপত্র স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-৩ শাখায় সরাসরি অথবা ই-মেইল per1@hsd.gov.bd এ প্রেরণের জন্য বলা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পদোন্নতিপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের মধ্যে সর্বোচ্চ রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগের, মোট পাঁচ জন। এ ছাড়া ভাস্কুলার সার্জারি, কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগে একজন করে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><a href="https://drive.google.com/file/d/184GCGnL5nzRws2dYGP9rI6jUS3YfGTcJ/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="font-size:16px">►প্রজ্ঞাপন দেখুন</span></a></strong></p>
<iframe src="https://drive.google.com/file/d/184GCGnL5nzRws2dYGP9rI6jUS3YfGTcJ/preview" width="340" height="180"></iframe>
<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সহযোগী অধ্যাপক হলেন ১৫ চিকিৎসক</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34734/সহযোগী-অধ্যাপক-হলেন-১৫-চিকিৎসক</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 16:09:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34734/সহযোগী-অধ্যাপক-হলেন-১৫-চিকিৎসক</guid>
			<description><![CDATA[বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের ছয় চিকিৎসককে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size:16px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span> বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের ছয় চিকিৎসককে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, &lsquo;স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে কর্মরত নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর ৪র্থ গ্রেডে সহযোগী অধ্যাপক (সুপারনিউমারারি) পদে পদোন্নতি প্রদান করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়, &lsquo;পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের পদোন্নতির অব্যবহিত পূর্বের পদ ও কর্মস্থলে (ইনসিটু) কর্মরত থাকবেন।&rsquo;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ২৪ মের মধ্যে যোগদানপত্র স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১&nbsp;শাখায় সরাসরি অথবা ই-মেইল per1@hsd.gov.bd এ প্রেরণের জন্য বলা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পদোন্নতিপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের মধ্যে সর্বোচ্চ রয়েছেন অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের, মোট ছয় জন। পেডিয়াট্রিক বিভাগ ,পেডিয়াট্রিক সার্জারি, এপেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি, মাইক্রোবায়োলজি, হেপাটোলজি বিভাগগুলোতে একজন করে এবং মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগে দুইজন করে। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1ezMYnP2fhXv_Mx2eBpagGMDEflfCFBcE/view?usp=sharing" target="_blank"><strong>►প্রজ্ঞাপন দেখুন&nbsp;</strong></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1ezMYnP2fhXv_Mx2eBpagGMDEflfCFBcE/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>নবীন বিজ্ঞানীদের উৎসাহ জোগাতে আইসিডিডিআর,বির অ্যাওয়ার্ড চালু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34732/নবীন-বিজ্ঞানীদের-উৎসাহ-জোগাতে-আইসিডিডিআরবির-অ্যাওয়ার্ড-চালু</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 15:33:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34732/নবীন-বিজ্ঞানীদের-উৎসাহ-জোগাতে-আইসিডিডিআরবির-অ্যাওয়ার্ড-চালু</guid>
			<description><![CDATA[নবীন বিজ্ঞানীদের স্বীকৃতি ও উৎসাহ দিতে ‘ক্লেমেন্স-স্ট্যানটন’ নামে নতুন অ্যাওয়ার্ড চালু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)।  সোমবার (১৮ মে) আইসিডিডিআর,বির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">নবীন বিজ্ঞানীদের কাজের&nbsp;স্বীকৃতি ও উৎসাহ জোগাতে&nbsp;&lsquo;ক্লেমেন্স-স্ট্যানটন&rsquo; নামে নতুন অ্যাওয়ার্ড চালু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১৮ মে) আইসিডিডিআর,বির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, যারা কখনও আইসিডিডিআর,বিতে কাজ করেছেন, তাদের অনেকের চিন্তায়, কথাবার্তায়&nbsp;এবং বিভিন্নভাবে&nbsp;আইসিডিডিআর,বির প্রভাব থেকে যায়। বছরের পর বছর ধরে সাবেক সহকর্মীরা সময়, অভিজ্ঞতা ও সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন, কোনো বাধ্যবাধকতা থেকে নয়, বরং এমন একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি গভীর আত্মিক সংযোগ থেকে, যা তাদের গড়ে তুলেছে। নতুন শুরু হওয়া ক্লেমেন্স-স্ট্যান্টন অ্যাওয়ার্ড সেই চেতনাকেই সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি প্রয়াস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আন্তর্জাতিক পিয়ার-রিভিউড জার্নালে প্রকাশিত&nbsp;মৌলিক গবেষণার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রতি বছর একজন নারী ও একজন পুরুষ তরুণ বিজ্ঞানীকে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে। পুরস্কারের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন ৩৫ বছরের কম বয়সী অথবা তার নিচের গবেষকরা, যাঁরা সংশ্লিষ্ট গবেষণার প্রথম&nbsp;উদ্ভাবক</span><span style="font-size:16px">। স্মারক ফলকের পাশাপাশি প্রত্যেক বিজয়ী পাবেন অর্থ পুরস্কারও।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ড. জন ডি ক্লেমেন্স এবং ড. বনিতা স্ট্যানটনের (১৯৫১-২০২২) সম্মানে&nbsp;এই পুরস্কারের&nbsp;</span><span style="font-size:16px">নামকরণ করা হয়, যাদের&nbsp;পেশাগত যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ শুরু হয়েছিল আইসিডিডিআর,বি থেকে। অধ্যাপক ক্লেমেন্স প্রথম ১৯৮০ এর দশকে আইসিডিডিআর,বিতে কাজ শুরু করেন এবং পরে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রায় আট বছর প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ড. স্ট্যানটনও ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্তআইসিডিডিআর,বিতে কাজ করেছেন। তিনি মাঠপর্যায়ে গবেষণা পরিচালনা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। এখানে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গি, বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবা, সমতা ও মানবিক যত্নের প্রতি আজীবন অঙ্গীকারকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে, যা তার&nbsp;পরবর্তী কাজ প্রমাণ করে। যেখানে বিজ্ঞান মানুষের বাস্তব প্রয়োজনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, এমন একটি পরিবেশে প্রাথমিক অভিজ্ঞতা পেশাগত জীবনে অনেক বড় প্রভাব ফেলতে পারে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আইসিডিডিআর,বির মতে, এই পুরস্কার এমন একটি সংস্কৃতিকে সম্মান জানায়, যেখানে রয়েছে গভীর অনুসন্ধান, বৈজ্ঞানিক সততা এবং স্বাস্থ্যসেবায় সমতার প্রতি অঙ্গীকার&mdash;যা দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিষ্ঠানের পরিচয় বহন করে আসছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে অ্যাওয়ার্ড সম্পর্কে ড. জন ডি ক্লেমেন্স বলেন, &lsquo;আইসিডিডিআর,বি আমার কাছে সবসময়ই একটি কর্মস্থলের চেয়েও বেশি কিছু। কর্মজীবনের শুরুতেই আমি এখানে দেখেছি, কীভাবে কঠোর ও মানসম্পন্ন বিজ্ঞান বৃহৎ পরিসরে মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। ক্লেমেন্স-স্ট্যানটন অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে আমরা আজকের তরুণ বিজ্ঞানীদের সেই সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিতে চাই এবং তাদের এমন গবেষণায় উৎসাহিত করতে চাই, যা বৈজ্ঞানিকভাবে শক্তিশালী এবং মানবিক প্রভাবেও গভীর। এমন এক সময়ে, যখন বৈশ্বিক স্বাস্থ্য গবেষণা নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি, তখন মানুষের মধ্যে বিনিয়োগ করাই সবচেয়ে অর্থবহ অবদানগুলোর একটি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমীদ আহমেদ বলেন, এই উদ্যোগ আইসিডিডিআর,বি পরিবারের স্থায়ী শক্তির প্রতিফলন। আমাদের সাবেক সহকর্মীরা এখনও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত রয়েছেন এবং চিন্তাশীল ও কার্যকর উপায়ে অবদান রেখে চলেছেন। ক্লেমেন্স-স্ট্যানটন অ্যাওয়ার্ড আমাদের তরুণ বিজ্ঞানীদের উৎকর্ষকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি মনে করিয়ে দিবে যে, এই প্রতিষ্ঠান প্রজন্মের পর প্রজন্মের সম্মিলিত অঙ্গীকারের ওপর নির্ভরশীল।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই পুরস্কারের উদ্দেশ্য তরুণ বিজ্ঞানীদের উৎসাহ দেওয়া, ভালো ও মানবকল্যাণমূলক গবেষণাকে স্বীকৃতি দেওয়া, সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের সংযোগ বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতের বৈজ্ঞানিক নেতৃত্ব গড়ে তোলা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>মেডিকেল কোডারে ২২টি নতুন পদ সৃজনের উদ্যোগ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34731/মেডিকেল-কোডারে-২২টি-নতুন-পদ-সৃজনের-উদ্যোগ-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরের</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 13:45:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34731/মেডিকেল-কোডারে-২২টি-নতুন-পদ-সৃজনের-উদ্যোগ-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরের</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী রাজস্ব খাতভুক্ত মেডিকেল কোডারে দশম গ্রেডে ২২টি পদ সৃজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার (২০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ বুখারী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span>&nbsp;<span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে&nbsp;অস্থায়ী রাজস্ব খাতভুক্ত মেডিকেল কোডারে&nbsp;দশম গ্রেডে&nbsp;২২টি পদ সৃজনের&nbsp;উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (২০ মে)&nbsp;স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ বুখারী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য&nbsp;জানানো হয়।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, &lsquo;স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্মারক নং-৪৫.০০.০০০০.১৫০.১৫.০২৫.১৭-১১ তারিখ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রি. মূলে অস্থায়ী রাজস্ব খাতভুক্ত মেডিকেল কোডার (১০ম গ্রেড) ২২ (বাইশ) টি পদ সৃজন করা হয়েছে। এরমধ্যে&nbsp;স্বাস্থ্য অধিদিপ্তরে ১টি পদ এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন নির্দিষ্ট চৌদ্দটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪টি পদ ও নির্দিষ্ট সাতটি সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ৭টি পদ সৃজিত হয়েছে। উক্ত পদ সৃষ্টির আদেশে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কমপক্ষে আট&nbsp;বছরের চাকুরীর অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পরিসংখ্যানবিদ (গ্রেড-১৪) হতে পদোন্নতির মাধ্যমে উক্ত পদসমুহ পূরণের বিধান রাখা হয়েছে। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতির মাধ্যমে নবসৃষ্ট মেডিকেল কোডার পদসমুহ পূরণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর উদ্যোগ গ্রহন করেছে।&rsquo;</span></p>

<p><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়েছে, &lsquo;জ্যেষ্ঠতার তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে যে সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নূন্যতম ৮&nbsp;বছরের চাকরি&nbsp;অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পরিসংখ্যানবিদ (গ্রেড-১৪) কর্মে&nbsp;আছেন তাদের যাবতীয় তথ্য (যেমন: স্বহস্তে লিখিত আবেদনপত্র, এইচআরএম, চাকুরীর সন্তোষজনক প্রত্যয়নপত্র, বিভাগীয় মামলা নাই মর্মে প্রত্যয়নপত্র, চাকুরীর খতিয়ান বহি) বিজ্ঞপ্তি জারীর ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নিম্নস্বাক্ষরকারীর দপ্তরে প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p><a href="https://drive.google.com/file/d/1tXxZ5d2HPFSLdNo1O6axF0TBgZMrGrC0/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন</span></span></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1tXxZ5d2HPFSLdNo1O6axF0TBgZMrGrC0/preview" width="340"></iframe></p>

<p><span style="font-size:16px">এনএইচ/</span>&nbsp;<span style="font-size:16px">এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>পাকস্থলিতে দেড় কেজি ওজনের চুলের কুন্ডলী: বিএমইউর চিকিৎসকদের অস্ত্রোপচারে অপসারণ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34730/পাকস্থলিতে-দেড়-কেজি-ওজনের-চুলের-কুন্ডলী-বিএমইউর-চিকিৎসকদের-অস্ত্রোপচারে-অপসারণ</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 12:54:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34730/পাকস্থলিতে-দেড়-কেজি-ওজনের-চুলের-কুন্ডলী-বিএমইউর-চিকিৎসকদের-অস্ত্রোপচারে-অপসারণ</guid>
			<description><![CDATA[অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ২২ বছর বয়সী এক কিশোরীর পাকস্থলিতে দীর্ঘদিন জমে থাকা চুলের বিশাল আকৃতির কুন্ডলী অপসারণ করেছে চিকিৎসকরা। দেখতে কিছুটা লম্বাটে এ কুন্ডলীর ওজন ছিল প্রায় দেড় কেজি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ২২ বছর বয়সী এক কিশোরীর পাকস্থলিতে দীর্ঘদিন জমে থাকা চুলের বিশাল আকৃতির কুন্ডলী অপসারণ করেছেন&nbsp;বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) চিকিৎসকরা। দেখতে কিছুটা লম্বাটে এ কুন্ডলীর ওজন ছিল প্রায় দেড় কেজি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মঙ্গলবার (১৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের&nbsp;জেনারেল সার্জারি বিভাগে অধ্যাপক ডা. আব্দুল কালাম চৌধুরীর নেতৃত্বে জটিল এই অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন,&nbsp;খাদ্যদ্রব্য ছাড়াও নানা ধরনের জিনিস খাওয়ার অভ্যাস থাকে কারও কারও। মনস্তাত্ত্বিক কিছু কারণে এমন সমস্যা হয়ে থাকে, এই স্বাস্থ্য&nbsp;সংকট&nbsp;চিকিৎসা বিজ্ঞানে </span><span style="font-size:16px">ট্রাইকোবেজোয়ার নামে পরিচিত। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তবে দীর্ঘদিন চুল খেতে খেতে পাকস্থলীতে&nbsp;জমাট বাঁধা চুল পাওয়ার ঘটনা বাংলাদেশে বিরল বলেও জানান তারা। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সার্জারি দলের সদস্যরা&nbsp;জানিয়েছেন,&nbsp;ট্রাইকোবেজোয়া আক্রান্ত রোগীদের&nbsp;চুল খাওয়ার বিষয়টি নিজের অজান্তে&nbsp;অভ্যাসে পরিণত হয়। বছরের পর বছর এই অবস্থা চলার কারণে&nbsp;রোগীর&nbsp;পাকস্থলিতে&nbsp;চুলের বিশাল কুন্ডলী তৈরি হয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><em><strong>সফল অস্ত্রোপচারের অনুভূতি জানিয়ে ডা. আবুল&nbsp;</strong></em></span><span style="font-size:16px"><em><strong>কালাম মেডিভয়েসকে </strong></em>বলেন, অনুভূতিটা আনন্দের। প্রায় দুই বছর যাবৎ সাঞ্জিদা চুল খেয়েছে।&nbsp;চুলের পাকানো কুন্ডলীটা বড় হয়ে পুরো পাকস্থলিটা ভরে ফুলে গিয়েছিল। যখন সে আর খেতে পারে না তখন হাসপাতালে এসে ভর্তি হয়। অপারেশনে বের করা কুন্ডলীর ওজন ছিলো&nbsp;প্রায় দেড়&nbsp;কেজি। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চার-পাঁচ দিন আগে রোগী&nbsp;ভর্তি হয়েছে জানিয়ে বলেন, &lsquo;রোগী দেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, দুই দিনের মধ্যে আমরা এন্ডোস্কপি করি। পরবর্তী দুই দিনের মধ্যে আমরা অপারেশন করেছি। এক সপ্তাহের মধ্যে চার দিনেই সে সার্জারিতে চলে গেছে।&rsquo; </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগের উপসর্গ সম্পর্কে তিনি বলেন, এই রোগটি মানুষের নিজের অজান্তে চুল খাওয়ার কারণে হয়। চুল পাকস্থলিতে জমে &lsquo;পাখির বাসার&rsquo; মতো কুন্ডলী তৈরি করে। ফলে খাদ্য হজম বাধাগ্রস্ত হয় এবং রোগী স্বাভাবিকভাবে খেতে পারে না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে সমস্যাটি এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে সমাধান করা যায়। তবে চুলের কুন্ডলী অনেক বড় হলে একমাত্র সমাধান পেট কেটে অপসারণ। আজকের রোগীর&nbsp;প্রথমে আংশিকভাবে এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে কুন্ডলী বের করা হয়েছে। পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কুন্ডলী অপসারণ করতে পেট কেটে অপারেশন করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ১৭ মে&nbsp;বিএমইউর ল্যাবে&nbsp;এন্ডোস্কোপিতে রোগের চিত্র দেখে&nbsp;সংশিষ্ট বিভাগের&nbsp;সবাই বিস্মিত হয়ে যান। সফল অপারেশনের মাধ্যমে চুলের কুন্ডলী বের করে আনায়&nbsp;নতুন জীবনের আশা ফিরে পেয়েছেন সানজিদা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে অস্ত্রোপচারে&nbsp;অংশ নেয় চার চিকিৎসক। এর মধ্যে ওই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো.&nbsp;ওমর ফারুকসহ আরও&nbsp;চার রেসিডেন্ট চিকিৎসক। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই সাফল্য সম্পর্কে অস্ত্রোপচার দলের সদস্যরা জানান,&nbsp;এ ধরনের অপারেশন শুধু দক্ষ হাতের কাজ নয়, বরং এটি মানসিক শক্তি, অভিজ্ঞতা, সময়োপযোগী&nbsp;সিদ্ধান্ত এবং রোগীর জীবনের প্রতি গভীর মমত্ববোধের প্রতিচ্ছবি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে,&nbsp;রংপুরের মেয়ে সানজিদা&nbsp;এসএসসি পরীক্ষায় বারবার অকৃতকার্য</span><span style="font-size:16px">&nbsp;হন। তার মা পেশায় একজন&nbsp;স্কুল শিক্ষিকা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে শুধু বাজেট বৃদ্ধি নয়, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার অপরিহার্য</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34729/স্বাস্থ্যব্যবস্থা-শক্তিশালী-করতে-শুধু-বাজেট-বৃদ্ধি-নয়-প্রাতিষ্ঠানিক-সংস্কার-অপরিহার্য</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 12:33:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34729/স্বাস্থ্যব্যবস্থা-শক্তিশালী-করতে-শুধু-বাজেট-বৃদ্ধি-নয়-প্রাতিষ্ঠানিক-সংস্কার-অপরিহার্য</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শুধুমাত্র স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধি করলেই বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী হবে না, এর পাশাপাশি সম্পদের কার্যকর ব্যবহার, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং নাগরিকদের জন্য শক্তিশালী আর্থিক সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও অপরিহার্য।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস&nbsp;রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শুধুমাত্র স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধি করলেই বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী হবে না, এর পাশাপাশি সম্পদের কার্যকর ব্যবহার, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং নাগরিকদের জন্য শক্তিশালী আর্থিক সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও অপরিহার্য।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মঙ্গলবার (১৯ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে গোলটেবিল আলোচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ উপস্থাপিত &lsquo;২০২৬-২৭ অর্থবছরের স্বাস্থ্য খাতের বাজেট: একটি আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গঠনে নাগরিক প্রত্যাশা&rsquo;- শীর্ষক এক নীতিগত উপস্থাপনায় এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশের মানুষ এমন একটি স্বাস্থ্য বাজেট প্রত্যাশা করে, যা সবার জন্য, বিশেষত দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে। একইসাথে স্বাস্থ্যখাতে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি, সম্পদের ন্যায্যবণ্টন, প্রতিরোধমূলক ও স্বাস্থ্য উন্নয়নমূলক সেবার সম্প্রসারণ, জনগণের পকেট থেকে ব্যয় কমানো এবং জনস্বাস্থ্য অবকাঠামোর উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, উল্লেখযোগ্যভাবে বাজেট বৃদ্ধির দাবি করার আগে স্বাস্থ্যখাতকে বিদ্যমান সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, বরাদ্দকৃত অর্থের পূর্ণ ব্যবহার, স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতি জোরদার, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং উন্নত সেবাদান সক্ষমতা প্রদর্শন করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">উপস্থাপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ছিল বিদ্যমান &lsquo;পরিবার কার্ড&rsquo;-কে একটি পূর্ণাঙ্গ &lsquo;স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্ড&rsquo;-এ রূপান্তর করা, যা হাসপাতালে ভর্তি চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, দুর্ঘটনা ও জরুরি চিকিৎসা এবং জটিল রোগের চিকিৎসায় আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। প্রস্তাবিত কাঠামোর আওতায় প্রতিটি পরিবারকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার জন্য বার্ষিক নির্ধারিত আর্থিক কভারেজ প্রদান করা হবে, যা বিপর্যয়কর স্বাস্থ্য ব্যয় থেকে পরিবারগুলোকে সুরক্ষা দেবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গোলটেবিল বৈঠকে পাবলিক ইন্টেগ্রিটি নেটওয়ার্কের (পাইনেট) কো-অর্ডিনেটর নাজমুল হাসানের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা জেসমিন। তিনি বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাত উন্নয়নে ৫ ও ১০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে স্বাস্থ্য কার্ড যুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, গবেষক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><br />
<span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০০ শয্যায় উন্নীত</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34727/চকরিয়া-উপজেলা-স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্স-১০০-শয্যায়-উন্নীত</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 11:38:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34727/চকরিয়া-উপজেলা-স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্স-১০০-শয্যায়-উন্নীত</guid>
			<description><![CDATA[]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েসে রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা হতে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোববার (১৭ মে) মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, &lsquo;উপযুক্ত বিষয় ও সূত্রোক্ত স্মারকে র্অথ বিভাগের সম্মতির পারপ্রেক্ষিতে, এ সংক্রান্ত যাবতীয় বিধি-বিধান, আনুষ্ঠানিকতা ও নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্তে কক্সবাজার, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা হতে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন নির্দেশক্রমে প্রদান করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনটি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালকসহ (স্বাস্থ্য) সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1F6E82c7_6znildMgSI_vDxbXmHCTdr2K/view?usp=sharing" target="_blank"><strong><span style="font-size:16px">►প্রজ্ঞাপন দেখুন</span></strong></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1F6E82c7_6znildMgSI_vDxbXmHCTdr2K/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যায় উন্নীত</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34726/পেকুয়া-উপজেলা-স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্স-৫০-শয্যায়-উন্নীত</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 10:58:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34726/পেকুয়া-উপজেলা-স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্স-৫০-শয্যায়-উন্নীত</guid>
			<description><![CDATA[কক্ষবাজারের পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা হতে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েসে রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">কক্ষবাজারের পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা হতে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোববার (১৭ মে) মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, &lsquo;উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রোক্ত স্মারকে অর্থ বিভাগের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে, এ সংক্রান্ত যাবতীয় বিধি-বিধান, আনুষ্ঠানিকতা ও নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্তে &nbsp;কক্সবাজার, পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা হতে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন নির্দেশক্রমে প্রদান করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনটি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালকসহ (স্বাস্থ্য) সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><a href="https://drive.google.com/file/d/1v0eDTVteqISz62XpH98qO4kdoW7KL6Rj/view?usp=sharing" target="_blank"><strong>►প্রজ্ঞাপন দেখুন</strong></a></span></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1v0eDTVteqISz62XpH98qO4kdoW7KL6Rj/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>চিকিৎসকের নিরাপত্তাহীনতা রোগীদের ভোগান্তির কারণ হতে পারে: ডা. শফিকুর রহমান</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34725/চিকিৎসকের-নিরাপত্তাহীনতা-রোগীদের-ভোগান্তির-কারণ-হতে-পারে-ডা-শফিকুর-রহমান</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 10:47:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34725/চিকিৎসকের-নিরাপত্তাহীনতা-রোগীদের-ভোগান্তির-কারণ-হতে-পারে-ডা-শফিকুর-রহমান</guid>
			<description><![CDATA[কর্মস্থলে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে কোনো চিকিৎসক কাজ করতে পারবেন না বলে মনে করেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি। তিনি বলেন, চিকিৎসক কাজ করতে না পারলে ভোগান্তি হবে জনগণের। এ সময় শরীয়তপুরে চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনার তদন্ত এবং এর বিচার দাবি করেন জামায়াত আমীর। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন শরীয়তপুরে রোগীর স্বজনদের হামলায় গুরুতর আহত চিকিৎসক নাসির ইসলামকে দেখার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> কর্মস্থলে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে কোনো চিকিৎসক কাজ করতে পারবেন না বলে মনে করেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি। তিনি বলেন, চিকিৎসক কাজ করতে না পারলে ভোগান্তি হবে জনগণের। এ সময় শরীয়তপুরে চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনার&nbsp;তদন্ত এবং এর বিচার দাবি করেন জামায়াত আমীর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক)&nbsp;হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন শরীয়তপুরে&nbsp;রোগীর স্বজনদের হামলায় গুরুতর আহত চিকিৎসক নাসির ইসলামকে দেখার পর সাংবাদিকদের এসব&nbsp;কথা বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. শফিকুর রহমান বলেন, &lsquo;যেই চিকিৎসক সমস্ত যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা দিয়ে আন্তরিকভাবে চিকিৎসা দিলেন, তার ওপরই রোগীর স্বজনরা আক্রমণ করে বসলেন। এটা&nbsp;এমন পর্যায়ের যে, মেরে ফেলার উপক্রম হলো। আমরা এই ঘটনার নিন্দা জানাই। এটা উচিত নয়। এভাবে যদি চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, তাহলে কোনো চিকিৎসক তো কাজ করতে পারবেন না। আর&nbsp;চিকিৎসক কাজ করতে না পারলে ভোগান্তি হবে জনগণের। আমরা অবশ্যই এই ঘটনার তদন্ত চাই এবং এর বিচারও চাই। এই ধরনের অবস্থা যাতে আর না ঘটে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. শফিকুর রহমান বলেন, &lsquo;যে ভাই আহত হয়েছেন, আমরা তাঁকে দেখেছি। তার জন্য সুস্থতার জন্য আমরা দোয়া করছি, তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছি। তার মা ও স্ত্রী এখানে উপস্থিত ছিলেন। আপনজনের এই কষ্ট দেখে যে কারোরই কষ্ট লাগবে। মা যেই সন্তান বক্ষ থেকে এই সমাজকে উপহার দিয়েছিলেন যে, আমার সন্তান সমাজের পাশে থাকবে, চিকিৎসা দেবে&mdash;আজকে সেই সন্তানেরই&nbsp;চিকিৎসা নিতে হচ্ছে&nbsp;কিছু অসহিষ্ণু মানুষের অপরিণামদর্শী, উচ্ছৃঙ্খলা আচরণের শিকার হয়ে। এটা খুবই দুঃখজনক। আমরা আবারও এর নিন্দা জানাই, এটা হওয়া উচিত নয়। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার যেটুকু আছে, এই নিগ্রহ&nbsp;চলতে থাকলে কোথাও সেটুকু থাকবে না। এটাও শেষ হয়ে যাবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় হার্ট অ্যাটাক নিয়ে হাসপাতালে আসা&nbsp;রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন জামায়াত আমীর। বলেন, &lsquo;যেই লোকটা দুনিয়া থেকে চলে গেছেন, তার জন্য আবারও দুঃখ প্রকাশ করি, আবারও তার মাগফিরাত চাই। তার আত্মীয়-স্বজনের ধৈর্য ধরা উচিত ছিল। উনারা কীভাবে বুঝলেন যে, চিকিৎসা ভুল বা শুদ্ধ হয়েছে? যদি ভুল হয়, তাহলে এই ব্যাপারে যাদের অভিজ্ঞতা আছে, তাদের নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি হবে, তারা তদন্ত করে বলবেন যে, এটা ভুল বা শুদ্ধ হয়েছে। এভাবে সবাই যদি আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে বিচার শুরু করে দেন, তাহলে একটা দেশ সভ্য দেশ হিসেবে গণ্য হতে পারে না। আমরা জনগণকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানাবো। এটা (চিকিৎসক নিগ্রহ) আমাদের দেশের এটা বাজে সংস্কৃতি। পশ্চিমা দেশগুলোতে ডাক্তারদেরকে বলা হয়, নেক্সট টু দ্য গড। আল্লাহ তা&rsquo;লা জীবন দেন&nbsp;আর চিকিৎসকরা চেষ্টা করেন, তাদের সুস্থ রাখার। এজন্য তাদেরকে পরম সম্মানে নেওয়া হয়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের দেশের বিপুল&nbsp;জনসংখ্যা, সেই অনুপাতে চিকিৎসক নেই, নার্স নেই, অন্যান্য সহায়ক স্বাস্থ্যকর্মী নেই&mdash;এ নিয়েই আমাদের চলছে। এই ঢাকা মেডিকেল কলেজে মাঝে মাঝেই বিবেকের তাড়নায় মানুষকে দেখতে আসি। তাকানো যায় না, যেদিকে যাচ্ছেন ... , ফ্লোরে রোগী, রোগীর আত্মীয়-স্বজন শুয়ে আছেন। এটা কোনো সুষ্ঠু সেবার&nbsp;কোনো পরিবেশ না। কিন্তু এটাই আমাদের দেশের বাস্তবতা। আমরা এটাকে অস্বীকার করতে পারছি না। এর কারণ হলো, যুগ যুগ ধরে দেশের শাসনভার যাদের হাতে ছিল, তারা তাদের দায়িত্বটা পালন করেননি। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য রাষ্ট্রের কাছে, সরকারে কাছে মানুষের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাওনা। এটা অবহেলিত থেকেছে, লুটপাট হয়েছে, দুর্নীতি হয়েছে, দলীয়করণ হয়েছে। দলীয় আনুকূল্যে সব কিছু চলেছে। এজন্য কোনো শৃঙ্খলা ছিল না। আমরা সরকারের কাছে দাবি করবো, এই দুটি খাত বিশেষ করে স্বাস্থ্যে ... । মানুষের জীবনের শেষ ঠিকানা হলো&nbsp;হাসপাতাল, এই জায়গাটা&nbsp;যেন মানুষ এসে স্বস্তিদায়ক অবস্থায় পায়। বিদায় নিলেও যেন স্বস্তির সঙ্গে উপযুক্ত চিকিৎসা পেয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিদ্যমান পরিস্থিতিতে কোনো চিকিৎসকের পক্ষে সেবা দেওয়া অসম্ভব উল্লেখ করে জামায়াত আমীর বলেন, &lsquo;তারপরও যারা দিয়ে যাচ্ছেন তাদের ধৈর্যের জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই। আমরা তাদেরকে অনুরোধ করবো, আপনারাও এই দেশের মানুষ। (হাসপাতালে) যারা আসেন, তারা আপনাদের আপনজন। এই আপনজনকে আপনারা আন্তরিকতা দিয়ে সর্বোচ্চ যতটুকু পারেন, চেষ্টা করবেন। আল্লাহ আপনাদের এই চেষ্টার প্রতিদান দেবেন ইনশাল্লাহ।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;তবে আমরা একটা ফেয়ার সোসাইটি চাই। এইভাবে দেশ চলতে পারে না ভাই। এই যায়গায় হাত দিতেই হবে&rsquo;&mdash;যোগ করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের&nbsp;অঙ্গীকার ছিল, আল্লাহ যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব আমাদেরকে দেন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে আমরা অগ্রাধিকার দেবো। সেদিন কখন আসবে, যেদিন আল্লাহর ফায়সালা হবে। কিন্তু তাই বলে কি আমরা কিছু করবো না? আমরা এই সমাজের জন্য সবাই মিলে-মিশেই করবো। সরকারকেও আমরা সহযোগিতা করতে রাজি, ন্যায়সঙ্গত কাজে সরকার যতটুকু আমাদের সহযোগিতা চাইবে, আমরা পূর্ণ সহযোগিতা দেবো। কিন্তু কোনো অন্যায়ের সঙ্গী আমরা হবো না। অন্যায় যেখানেই দেখবো, অপকর্ম যেখানেই দেখবো&mdash;সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। এটাই আমাদের দায়িত্ব। এভাবেই জনগণ, দেশপ্রেমিক বিভিন্ন শক্তির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি মর্যাদাপূর্ণ জাতি গঠন করতে পারবো আমরা। সেই দিনই কেবল আশা করবো যে, আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সুন্দর হবে। তার আগে এককভাবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সুন্দর করার সুযোগ খুবই কম&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাসখান এলাকার লাল মিয়া কাজী (৪৫) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত ১৫ মে রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন, যার রক্তচাপ ছিল ৬০/৪০ মাত্রার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগীর গুরুতর অবস্থা আত্মীয়-স্বজনকে বিস্তারিত অবহিত করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করেন চিকিৎসক। কিন্তু স্বজনরা ঢাকায় নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং রিস্ক বন্ডে স্বাক্ষর করে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি রাখেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাত সাড়ে ১২টার দিকে হার্ট অ্যাটাকজনিক শকে থাকা এ রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে। এক পর্যায়ে তিনি মারা যান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এরপর চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে&mdash;এমন অভিযোগ তুলে রাত ১টার দিকে স্বজনেরা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি রুমে ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ জড়ো করে। তারা দয়িত্বরত ডা. নাসিরকে বেধড়ক মারতে থাকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্র জানায়, এক পর্যায়ে দরজার কাচ ও দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে তারা। পরিস্থিতি খারাপ দেখে ডা. নাসির ওয়াশরুমে আশ্রয় নেন, সেটা ভেঙে তাকে মারতে মারতে বের করে আনে। ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পুলিশ আসতে আসতে ডা. নাসিরকে মেরে আধমরা অবস্থায় ডায়রিয়া ওয়ার্ড থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হামলায় গুরুতর আহত জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাসির ইসলামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হেলিকপ্টারে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>খুলনা মেডিকেলে আগুন, এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34724/খুলনা-মেডিকেলে-আগুন-এক-ঘণ্টার-প্রচেষ্টায়-নিয়ন্ত্রণে</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 10:15:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34724/খুলনা-মেডিকেলে-আগুন-এক-ঘণ্টার-প্রচেষ্টায়-নিয়ন্ত্রণে</guid>
			<description><![CDATA[খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের একটি ঘটনা ঘটেছে। বুধবার ভোরের দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি স্টোররুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের একটি ঘটনা ঘটেছে। আজ&nbsp;বুধবার (২০ মে) ভোরের দিকে হাসপাতালের তৃতীয়তলার একটি স্টোররুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, শুরুতে ১০টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও ২টি ইউনিট যুক্ত করা হয়। সব মিলিয়ে ১২টি ইউনিট আগুন নির্বাপণে কাজ করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে&nbsp;জানান, হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি তালাবদ্ধ স্টোররুম থেকেই আগুনের উৎপত্তি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে আগুন লাগে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের বিষয়টি সামনে এসেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অগ্নিকাণ্ডের সময় হাসপাতালের তৃতীয় তলায় থাকা রোগীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>কুর্মিটোলাকে 'কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতাল' নামকরণ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34723/কুর্মিটোলাকে-কুর্মিটোলা-মাল্টিকেয়ার-স্পেশালাইজড-হাসপাতাল-নামকরণ</link>
			<pubDate>Wed, 20 May 2026 10:24:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34723/কুর্মিটোলাকে-কুর্মিটোলা-মাল্টিকেয়ার-স্পেশালাইজড-হাসপাতাল-নামকরণ</guid>
			<description><![CDATA[কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালকে 'কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতাল' নামে নামকরণ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েসে রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালকে &#39;কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতাল&#39; নামে নামকরণ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মঙ্গলবার (১৯ মে) মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনটি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক,স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একান্ত সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1g6WWkm9g7iBZTouJvKvS5ssr_AzNw076/view?usp=sharing" target="_blank"><strong><span style="font-size:16px">►প্রজ্ঞাপন দেখুন</span></strong></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1g6WWkm9g7iBZTouJvKvS5ssr_AzNw076/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>দেশে থাইরয়েডজনিত রোগে ভুগছে ২০ ভাগ মানুষ, প্রতি ৭ জনে নারী ৫</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34722/দেশে-থাইরয়েডজনিত-রোগে-ভুগছে-২০-ভাগ-মানুষ-প্রতি-৭-জনে-নারী-৫</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 22:39:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34722/দেশে-থাইরয়েডজনিত-রোগে-ভুগছে-২০-ভাগ-মানুষ-প্রতি-৭-জনে-নারী-৫</guid>
			<description><![CDATA[শরীরের বিপাকক্রিয়া, হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, ওজন ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা থাইরয়েড গ্রন্থির সামান্য জটিলতা মানবদেহে নানা গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্বজুড়ে নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত থাইরয়েডজনিত রোগ দিন দিন জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। দেশে প্রায় ২০ ভাগ মানুষ থাইরয়েড গ্রন্থির নানা রোগে ভুগছে, যার প্রতি ৭ জনে ৫ জনই নারী। আক্রান্তদের ৬০ শতাংশই রয়েছে চিকিৎসা সেবার বাইরে। আর প্রতি দুই হাজার ৩০০ শিশুর মধ্যে একজন জন্মগত থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"><strong> </strong>শরীরের বিপাকক্রিয়া, রক্তচাপ, ওজন ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা থাইরয়েড গ্রন্থির সামান্য জটিলতা মানবদেহে&nbsp;গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্বজুড়ে নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত থাইরয়েডজনিত রোগ দিন দিন জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। দেশে প্রায় ২০ ভাগ মানুষ থাইরয়েড গ্রন্থির নানা রোগে ভুগছে, যার প্রতি ৭ জনে ৫ জনই নারী। আক্রান্তদের ৬০ শতাংশই রয়েছে চিকিৎসা সেবার বাইরে। আর প্রতি দুই হাজার ৩০০ শিশুর মধ্যে একজন জন্মগত থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্ব থাইরয়েড দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) নিনমাস কনফারেন্স রুমে আয়োজিত গোল টেবিল বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">থাইরয়েড গ্রন্থির নানা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, রোগ নির্ণয় ও আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে জনমনে ইতিবাচক ধারণা তৈরির লক্ষ্যে এর আয়োজন করে বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি এবং বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ)। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আগামী ২৫ মে বিশ্ব থাইরয়েড দিবস সামনে রেখে &lsquo;আন্তর্জাতিক থাইরয়েড সচেতনতা সপ্তাহ&rsquo; উপলক্ষে এ&nbsp;আয়োজনে&nbsp;দেশের খ্যাতিমান থাইরয়েড বিশেষজ্ঞরা রোগটির বর্তমান পরিস্থিতি, ঝুঁকি, প্রতিরোধ এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈঠকে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি ও নিনমাসের পরিচালক অধ্যাপক ডা এ কে এম ফজলুল বারী। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের হরমোন (টি৩, টি৪) নিঃসরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা শরীরের বিপাক হার, হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, ওজন এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কিন্তু এই ছোট্ট গ্রন্থিতে জটিলতা দেখা দিলে শরীরের নানা গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সমস্যা দেখা দিতে পারে।&nbsp;এই গ্রন্থিকে কেন্দ্র করে হাইপোথাইরয়ডিজম, হাইপারথাইরয়ডিজম, গয়টার, থাইরয়েড ক্যানসারসহ&nbsp;নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্ব থাইরয়েড দিবস পালনের উদ্দেশ্যসমূহ হলো&mdash;আপনার থাইরয়েড, আপনার সুরক্ষা, প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয়ের জন্য জনসচেতনতা তৈরি করা এবং রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সচেতনতা সৃষ্টি, থাইরয়েড রোগের আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও পরিসংখ্যানগত ধারণা প্রদান, মা-বাবার থাইরয়েডজনিত সমস্যা থাকলে সন্তানের ৭০% হওার আশঙ্কা থাকে। তবে থাইরয়েড ছোঁয়াচে রোগ নয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>আক্রান্ত ৬০ শতাংশই চিকিৎসার বাইরে</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ ভাগ মানুষ থাইরয়েড গ্রন্থির নানা রোগে ভুগছে। প্রতি ৭ জন রোগীর ৫ জনই নারী। আক্রান্ত ব্যক্তির ৬০ শতাংশই চিকিৎসা সেবার আওতায় নেই। প্রতি দুই হাজার ৩০০ শিশুর মধ্যে একজন জন্মগত থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে সভায় জানানো হয়, থাইরয়েড রোগ বিস্তারে বংশগতির প্রভাব রয়েছে, বিশেষ করে দাদী, নানী বা মায়ের&nbsp;থাইরয়েডে সমস্যা থাকলে ৭০ ভাগ ক্ষেত্রে শিশুদের ও আত্মীয়-স্বজনদের থাইরয়েড সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">থাইরয়েড&nbsp;রোগী আছে, এমন পরিবারের সকল সদস্যকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার&nbsp;মাধ্যমে থাইরয়েড নির্ণয়ের জন্য আহ্বান জানান বক্তারা। বৈঠকে জানানো হয়,&nbsp;ছয় ভাগ রোগী সাব-ক্লিনিক্যাল হাইপোথাইরয়ডিজমে ভুগছে, যার অধিকাংশই থাইরয়েডে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে অবগত নন। তাই তাদেরকে সচেতন করা জরুরি। কারণ নীরব ঘাতক থাইরয়েড তাদের শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোগের শুরুতে থাইরয়েড রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে এ রোগের সফল চিকিৎসা সম্ভব। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">থাইরয়েড রোগী তথা দেশবাসীকে স্বল্পমূল্যে থাইরয়েড সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সোসাইটির সভাপতি। তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে থাইরয়েড সমস্যা নির্ণয় করা গেলে তা খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু সচেতনতার অভাব, উপসর্গ উপেক্ষা করা এবং সময়মতো পরীক্ষা না করানোর জন্য অনেক সময় বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। থাইরয়েড সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এখন সময়ের দাবি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। এখন দরকার সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>চার সময়ে থাইরয়েড পরীক্ষা জরুরি</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নিনমাসের পরিচালক জানান, জীবনে চারটি সময়ে অবশ্যই থাইরয়েড স্ক্রিনিং করা প্রয়োজন। যথা&mdash;জন্মের পর-পরই, বয়ঃসন্ধিকালে, মায়েদের গর্ভধারণের পূর্বে ও বয়স ৫০ হওয়ার পর-পরই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. বারী বলেন, থাইরয়েড চিকিৎসায় নতুন পদ্ধতি &lsquo;রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি&rsquo; ও &lsquo;মাইক্রোওয়েভের&rsquo; মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা যায়। এক্ষেত্রে কোনো কাঁটা ছেড়া ছাড়া শুধু সুইয়ের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা যায়; তাতে রোগীকে অজ্ঞান করার প্রয়োজন পড়ে না, কিংবা রোগীর হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন পড়ে না এবং এই পদ্ধতির কোনো বড় ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, খরচও কম হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিউমার অ্যাবলেশনের পদ্ধতি রোগীদের থাইরয়েড সমস্যা ও লিভার ক্যান্সারের চিকিৎসায় অবদান রাখবে বলেও মনে করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈঠকে থাইরয়েড রোগ সংক্রান্ত চারটি গবেষণার প্রাপ্ত ফলাফলের সারমর্ম সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>হাইপোথাইরয়েডে&nbsp;কমে বুদ্ধিমত্তা</strong> </span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোসাইটির সহ সভাপতি ডা. শাহজাদা সেলিম বলেন, &lsquo;পৃথিবীতে ৫৮৯ মিলিয়ন ডায়াবেটিসরে রোগী আছে। থাইরয়েডের রোগীও প্রায় কাছাকাছি। কিন্তু ডায়াবেটিসের রোগীর সংখ্যা যতটা সহজে বলা যাচ্ছে, থাইরয়েডের ক্ষেত্রে যাচ্ছে না। কারণ আমাদের নিজস্ব কোনো গবেষণা নেই। আমরা বলছি, বাংলাদেশে ২০ শতাংশের মত, সে অনুযায়ী ৩ থেকে ৪ কোটি মানুষ এতে ভুগছেন। কিন্তু এটি কেন জানি এড়িয়ে যাচ্ছি আমরা। বিএমইউ হাসপাতালে যেসব মায়েরা চিকিৎসা করাতে আসেন, তাদের অন্তত ৮ শতাংশ হাইপোথাইরয়েডের রোগী। এটির কারণে মস্তিষ্কের বুদ্ধিমত্তা কমে যায়। এখন দরকার শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা। এজন্য ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">সচেতনতায় গণমাধ্যমকর্মীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান</span></span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিএইচআরএফ সেক্রেটারি মুজাহিদ শুভ বলেন, স্বাস্থ্য সাংবাদিকতা নিয়ে যারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেন, তারা হয়ত থাইরয়েডের বিষয়ে কিছুটা জানেন কিংবা সচেতন। কিন্তু প্রান্তিক অঞ্চলের তথা ঢাকার বাইরে জেলা শহরে কাজ করা গণমাধ্যকর্মীরা এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ না পাওয়ায় সেভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন না। কাজেই কর্মসূচিগুলোও শুধু ঢাকায় না, স্থানীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমকর্মীদেরও সম্পৃক্ত করা উচিত। সমন্বিত উদ্যোগে যেহেতু থাইরয়েড সমস্যার সমাধান করা যায়, তাই কতজন মানুষ এ সম্পর্কে জানে সেটা গুরুত্বপূর্ণ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গোলটেবিল বৈঠকে আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি মহাসচিব অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা ও সাবেক মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) নাক-কান গলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুস সাত্তার, বিএমইউর এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি ও এন্ডোক্রাইন সোসাইটির প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) সহ-সভাপতি ডা. শাহজাদা সেলিম, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. জেসমীন ফেরদৌস, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির পাবলিকেশন সেক্রেটারি ডা. পাপড়ি মুৎসুদ্দী, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সাইন্টিফিক সেক্রেটারি ডা. তপতী মন্ডল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরে&nbsp;বিএমইউতে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের (নিনমাস) অধ্যাপক ডা. কামালউদ্দিন আহমেদ অডিটোরিয়ামে একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবর রহমান হাওলাদার, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির প্রাক্তন সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফওজিয়া মোসলেম এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা এম এ করিম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>স্কুলের পাঠ্যসূচিতে থাইরয়েড সমস্যা&nbsp;অন্তর্ভুক্তকরণ</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোসাইটির সভাপতি ও নিনমাসের পরিচালক অধ্যাপক&nbsp;ফজলুল বারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে&nbsp;বিএমইউ ভিসি বলেন, &lsquo;আমার রোগীদের জন্য নিয়মিতভাবে বিএমইউর নিউক্লিয়ার মেডিসিনের সেবা নিয়ে গেছি। আমার মনে হয়, নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগ থাইরয়েড রোগ শনাক্ত, চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনায় বড় অবদান রাখে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">থাইরয়েড দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, &lsquo;আমি আশা করি, বিশ্ব থাইরয়েড দিবস শুধু সচেতনামূলক অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এই দিবস আমাদেরকে মানব দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির যত্নে নানা পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। একই সঙ্গে যথাসময়ে এর সমস্যা চিহ্নিতকরণে মনোযোগী এবং এর আলোকে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে তৎপর করবে। এই সেমিনার থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায় সবশেষ জ্ঞান অর্জনে ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদী আমি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, থাইরয়েড সমস্যা ও রোগ সম্পর্কে গণমানুষকে জানাতে হবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি নিতে হবে এবং এই বিষয়টি প্রাথমিক হেলথ কেয়ারেও অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। সাথে সাথে থাইরয়েডজনিত রোগ ও সমস্যার চিকিৎসার পাশাপাশি গবেষণা কর্মকাণ্ডও চালিয়ে যেতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফওজিয়া মোসলেম, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ করিম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্যানেল এক্সপার্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএমইউর ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সাবেক মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম, বিএমইউর নাক কান গলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান তরফদার, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনমাস পরিচালক অধ্যাপক ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে &lsquo;জানুন, পরীক্ষা করুন, জয় করুন&rsquo; এবং &lsquo;আপনার থাইরয়েড, আপনার রক্ষক&rsquo;&mdash;শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রাইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এম সাইফুদ্দিন। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া&nbsp;&lsquo;স্ট্যান্ডার্ডাইজড রিপোর্টিং ফরম্যাট অব থাইরয়েড আল্ট্রাসাউন্ড: আ স্ট্রাকচার্ড অ্যাপ্রোচ ফর থাইরয়েড নডিউল ইভ্যালুয়েশন&rsquo; শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সহ সভাপতি ও ইনমাস সোহরাওয়ার্দীর পরিচালক অধ্যাপক ডা. জীনাত জাবীন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের টিকার দ্বিতীয় ধাপের ক্যাম্পেইন ঈদের পর: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34721/হামের-টিকার-দ্বিতীয়-ধাপের-ক্যাম্পেইন-ঈদের-পর-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 21:40:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34721/হামের-টিকার-দ্বিতীয়-ধাপের-ক্যাম্পেইন-ঈদের-পর-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[ঈদুল আযহার পর দেশব্যাপী হামের টিকার দ্বিতীয় ধাপের ক্যাম্পেইন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েসে রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">ঈদুল আযহার পর দেশব্যাপী হামের টিকার দ্বিতীয় ধাপের ক্যাম্পেইন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্যক্রমের এক যুগপূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার পর সরকার দ্রুতগতিতে টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করে। এরই মধ্যে প্রথম ডোজ সম্পন্ন হয়েছে অনেক শিশুর। অনেকে আবার দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় রয়েছে। কোরবানির ঈদের পর হামের টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় রোগীদের পর্যাপ্ত সময় দিয়ে সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ পড়া শিশুদের শনাক্তে মাইকিংসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিশুদের জন্য আইসোলেশন ওয়ার্ডে কোনো সংকট নেই, প্রয়োজনে আরো বাড়ানো হবে। বাসায় বাসায় গিয়ে টিকা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, টিকার কোনো ঘাটতি নেই। বর্তমানে কিছু সিরিঞ্জের ঘাটতি রয়েছে। তবে মাসিক চাহিদা অনুযায়ী নতুন সিরিঞ্জ আসছে এবং সারা দেশে সরবরাহ বাড়ানো হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষা নির্ধারিত যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে: বিসিপিএস</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34720/এফসিপিএস-পার্ট-১-পরীক্ষা-নির্ধারিত-যথাসময়েই-অনুষ্ঠিত-হবে-বিসিপিএস</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 20:43:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34720/এফসিপিএস-পার্ট-১-পরীক্ষা-নির্ধারিত-যথাসময়েই-অনুষ্ঠিত-হবে-বিসিপিএস</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬ পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে। অংশীজনদের সুচিন্তিত মতামতের ভিত্তিতে ঈদ-উল-আযহার পর ২, ৩ ও ৪ জুন পরীক্ষার দিন ঠিক করা হয়েছে। ফলে হুট করে এই তারিখ পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong>বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬ পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে। সকল অংশীজনের&nbsp;মতামতের ভিত্তিতে ঈদ-উল-আযহার পর ২, ৩ ও ৪ জুন পরীক্ষার দিন ঠিক করা হয়েছে। ফলে হুট করে এই তারিখ পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><em><strong><span style="font-size:16px">বিসিপিএস সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় মেডিভয়েসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</span></strong></em></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;অনেক চিন্তা-ভাবনা করে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকের মতামতের আলোকে এটা করা হয়েছে। সমস্যার মধ্যে ঈদের কয়েক দিন পর পরীক্ষা হচ্ছে, এটা একটা&nbsp;ধরতে পারেন। তবে এতে শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ কল্যাণ হবে। এতে&nbsp;ফলাফলের পর প্রত্যেক বছর ওদের জয়েন করতে বিলম্ব হয়, পাঁচ বছরের কোর্স শেষ করতে দেরি হয় এবং ট্রেনিংয়ের কারণে কখনো কখনো ছয় মাস পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই এটা করা হয়েছে, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিল রেখে। আর ঈদের পর পরীক্ষা এভাবে&nbsp;বহুবার হয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিসিপিএস সভাপতি আরও&nbsp;বলেন, ফলাফলের পর&nbsp;যেন পাস করা শিক্ষার্থীদের অ্যালটমেন্টের জন্য পর্যাপ্ত সময় থাকে। পাঁচ বছরের কোর্স বিলম্বিত হয়, সেই সময় ক্ষেপণ&nbsp;যেন থামানো যায়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিসিপিএস সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অনেক আগে থেকেই পরীক্ষার সূচি সাজানো থাকে। ফলে পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। পেছানোর কোনো অবকাশ নেই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬ পরীক্ষায় বসছেন ১২ হাজার ৪৮০ জন চিকিৎসক।&nbsp;গত ২৯ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টায় <a href="https://medivoicebd.com/article/34490/%E0%A6%8F%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A7%A7-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A7%A7%E0%A7%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A7%AA%E0%A7%AE%E0%A7%A6-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%95" target="_blank"><span style="color:#990000">এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত</span></a> হয়। এতে মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইডে চার হাজার ৩১২ জন, সার্জারি অ্যান্ড অ্যালাইডে দুই হাজার ৩৪২ জন ও গাইনি অ্যান্ড অ্যালাইডে দুই হাজার ১৩৫ জন তালিকাভুক্ত হয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও অন্যান্য বিষয় মিলিয়ে মোট ১২ হাজার ৪৮০ জন চিকিৎসক পরীক্ষায় বসছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ৩০ এপ্রিল এসব তথ্য নিশ্চিত করে বিসিপিএস সচিব অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. জামাল মেডিভয়েসকে বলেন, পরীক্ষা ও পড়াশোনার মানের ব্যাপারে বিসিপিএস আপোষহীন। এর ফলে দিন দিন এফসিপিএস পরীক্ষার্থীর সংখ্যা&nbsp;বাড়ছে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এসব কারণে&nbsp;গতবারের তুলনায় এবার দেড় হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী বেড়েছে বলেও জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে গত ৭ জানুয়ারি এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ১০ হাজার ৮৫০ জন চিকিৎসক। এর মধ্যে মোট দুই হাজার ৩০৮ জন পাস করেছেন। সে অনুযায়ী, পাসের হার ২১.২৭ শতাংশ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34719/হাম-ও-হামের-উপসর্গে-আরও-১১-জনের-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 19:39:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34719/হাম-ও-হামের-উপসর্গে-আরও-১১-জনের-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[সারা দেশে হাম ও সন্দেহজনক হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে দুই জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong><span style="font-size:16px"> সারা দেশে হাম ও&nbsp;হামের উপসর্গে&nbsp;২৪ ঘণ্টায়&nbsp;আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে দুই জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে&nbsp;এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৭৩ জনের। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৯২৯ জন।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯৮ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৭৫ জন।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছে এক হাজার ২৬৪ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১১৫ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ১১০ জন।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">এখন পর্যন্ত অদ্যবধি মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর ভর্তির সংখ্যা তেতাল্লিশ হাজার ৯৮৩ জন। এবং অদ্যবধি মোট ছাড় পাওয়া রোগীর সংখ্যা চল্লিশ হাজার ৯০ জন।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">এনএইচ/&nbsp; &nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সোসাইটি ফর হেড অ্যান্ড নেক সার্জন্সের নতুন সভাপতি অধ্যাপক সাত্তার, সম্পাদক ডা. মিঠু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34718/সোসাইটি-ফর-হেড-অ্যান্ড-নেক-সার্জন্সের-নতুন-সভাপতি-অধ্যাপক-সাত্তার-সম্পাদক-ডা-মিঠু</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 19:25:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34718/সোসাইটি-ফর-হেড-অ্যান্ড-নেক-সার্জন্সের-নতুন-সভাপতি-অধ্যাপক-সাত্তার-সম্পাদক-ডা-মিঠু</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হেড অ্যান্ড নেক সার্জনস কার্যকরী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবদুস সাত্তার এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ডা. মো. আবদুল করিম মিঠু। এ ছাড়াও কমিটির অন্যান্য পদে যোগ্য ও অভিজ্ঞ সদস্যদের মনোনীত করা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েসে রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হেড অ্যান্ড নেক সার্জনস কার্যকরী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবদুস সাত্তার এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ডা. মো. আবদুল করিম মিঠু।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ১২ মে&nbsp;জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে কার্যনির্বাহী সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নবগঠিত অনুমোদিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. খবির উদ্দিন পাটোয়ারী, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দিন, ট্রেজারার ডা. মো. কাজী শাহ আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. সৈয়দ ফারহান আলী রাজিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মোস্তফাজির রহমান রোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মো. আজিজুল হক (মানিক), প্রকাশনা সম্পাদক ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, দপ্তর সম্পাদক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম সাইফ (সোহরাওয়ার্দী), সমাজকল্যাণ সম্পাদক ডা. মো. এনামুল হক এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (ডিএমসি)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও এক্স-অফিসিও সদস্য হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক ডা. এস এম খুরশিদ আলম মজুমদার এবং অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান ভুইয়া। কমিটিতে অধ্যাপক ডা. মো.&nbsp;মাজহারুল শাহীন অধ্যাপক ডা. মো. হাসান জাফর উপদেষ্টা পরিষদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও সদস্য হয়েছেন অধ্যাপক ডা.&nbsp;মালেকা আফরোজ, অধ্যাপক ডা.&nbsp;তাপস চক্রবর্তী, ডা.&nbsp;মো.&nbsp;শফিউল্লাহ, অধ্যাপক ডা.&nbsp;মো.&nbsp;আমজাদ হোসেন, বিগ্রে.&nbsp;ডা.&nbsp;আলী আজাদ, অধ্যাপক ডা.&nbsp;মো.&nbsp;জাহিদুল ইসলাম,&nbsp;ডা.&nbsp;মো.&nbsp;পারভেজ হুমায়ুন, ডা.&nbsp;মাসরুর রহমান, ডা.&nbsp;রাশেদুল ইসলাম, ডা.&nbsp;মো.&nbsp;খালিদ মাহমুদ, ডা.&nbsp;মোহাম্মদ হানিফ, ডা.&nbsp;মুনতাসির মাহবুব, ডা.&nbsp;মো.&nbsp;মাহবুবুল হক, ডা.&nbsp;ইফতেখারউল ইসলাম (মিশু), ডা.&nbsp;কে এম রেজাউল হক এবং ডা.&nbsp;মো.&nbsp;আশফাক হোসেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নবগঠিত কমিটি হেড অ্যান্ড নেক সার্জারি বিষয়ে একাডেমিক কার্যক্রম, গবেষণা, প্রশিক্ষণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কার্যনির্বাহী সভায়&nbsp;অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আশেকুর রহমান ভূঞার সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ডা. মো.&nbsp;আবদুস সাত্তার। সভায় উপস্থিত সদস্যরা&nbsp;দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক স্থবিরতা নিরসন, সোসাইটিকে আরও গতিশীল করা এবং বিশ্বের অন্যান্য হেড-নেক সংগঠনের সাথে একাডেমিক ও সাংগঠনিক যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সোসাইটি অব অটো ল্যারিংরোলজিস্ট অ্যান্ড হেড নেক সার্জনস অফ বাংলাদেশ আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো.&nbsp;মাজহারুল শাহীন এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মো.&nbsp;হাসান জাফর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সিলেট ওসমানী মেডিকেলের উপাধ্যক্ষ হলেন অধ্যাপক আহমদ রিয়াদ চৌধুরী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34717/সিলেট-ওসমানী-মেডিকেলের-উপাধ্যক্ষ-হলেন-অধ্যাপক-আহমদ-রিয়াদ-চৌধুরী</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 19:05:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34717/সিলেট-ওসমানী-মেডিকেলের-উপাধ্যক্ষ-হলেন-অধ্যাপক-আহমদ-রিয়াদ-চৌধুরী</guid>
			<description><![CDATA[সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের (সিওমেক) উপাধ্যক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির সাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. আহমদ রিয়াদ চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েসে রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের (সিওমেক) উপাধ্যক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির সাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা. আহমদ রিয়াদ চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের পারসোনেল-১ শাখার উপসচিব মুহাম্মদ মকবল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, &lsquo;বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের বর্ণিত কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত বর্ণিত পদে ও কর্মস্থলে পদায়ন করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়েছে, &lsquo;অধ্যাপক আহমদ রিয়াদ চৌধুরী আগামী ২৪ মের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>‘হেপাটাইটিস এ’ ভাইরাসের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34716/হেপাটাইটিস-এ-ভাইরাসের-কারণ-লক্ষণ-ও-প্রতিরোধ</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 18:20:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34716/হেপাটাইটিস-এ-ভাইরাসের-কারণ-লক্ষণ-ও-প্রতিরোধ</guid>
			<description><![CDATA[‘হেপাটাইটিস এ’ একটি ভাইরাসজনিত লিভার সংক্রমণ, যা সাধারণত দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েসে রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> &lsquo;হেপাটাইটিস এ&rsquo; একটি ভাইরাসজনিত লিভার সংক্রমণ, যা সাধারণত দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">&lsquo;হেপাটাইটিস এ&rsquo; ভাইরাস সাধারণত&nbsp;ছড়ায় যেসব&nbsp;কারণে </span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দূষিত খাবার ও পানি: ভাইরাসযুক্ত পানি বা খাবার খেলে সংক্রমণ হতে পারে। বিশেষ করে অপরিষ্কার পানি, রাস্তার অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং ভালোভাবে না ধোয়া ফল ও সবজি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অপরিষ্কার পরিবেশ: টয়লেট ব্যবহারের পর হাত ভালোভাবে না ধুলে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ: আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিস বা ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ থেকেও সংক্রমণ হতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অস্বাস্থ্যকর খাবার প্রস্তুত: খাবার প্রস্তুতকারকের হাতে জীবাণু থাকলে তা খাবারের মাধ্যমে অন্যদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">&lsquo;হেপাটাইটিস এ&rsquo;&nbsp;এর লক্ষণ</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;হেপাটাইটিস এ&rsquo;&nbsp;রোগটির সাধারণ লক্ষণগুলো হলো-&nbsp;জ্বর, দুর্বলতা, বমি বমি ভাব, ক্ষুধামন্দা, পেটব্যথা, চোখ ও প্রস্রাব হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিস) ইত্যাদি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">&lsquo;হেপাটাইটিস এ&rsquo; প্রতিরোধে করণীয়</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশুদ্ধ পানি পান করা, খাবারের আগে ও টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলা, ফল ও সবজি ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী হেপাটাইটিস &lsquo;এ&rsquo; টিকা গ্রহণ করা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসকদের মতে,&nbsp;বেশিরভাগ ক্ষেত্রে &lsquo;হেপাটাইটিস এ&rsquo; কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়। তবে শিশু, বয়স্ক ও লিভারের রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ঈদে স্বাস্থ্যসেবা সচল রাখতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৮ নির্দেশনা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34715/ঈদে-স্বাস্থ্যসেবা-সচল-রাখতে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরের-১৮-নির্দেশনা</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 17:42:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34715/ঈদে-স্বাস্থ্যসেবা-সচল-রাখতে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরের-১৮-নির্দেশনা</guid>
			<description><![CDATA[আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিকালীন সময়ে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, ঈদের ছুটির সময় ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত হাসপাতালসমূহে জরুরি বিভাগ, লেবার রুম, ইমারজেন্সি ওটি, ল্যাব, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিকালীন সময়ে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, ঈদের ছুটির সময় ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত হাসপাতালসমূহে জরুরি বিভাগ, লেবার রুম, ইমারজেন্সি ওটি, ল্যাব, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নির্দেশনায় আরও বলা হয়, জরুরি বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত চিকিৎসক পদায়নের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত জনবল বজায় রাখতে ঈদের আগে ও পরে সমন্বয়ের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি ল্যাব ও এক্স-রে সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অনকল সেবাও নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া শিশু ওয়ার্ড এবং হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ছুটির দিনসহ প্রতিদিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সকাল ও বিকেলে দুই দফা রাউন্ড দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ঈদের ছুটির আগেই হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত ওষুধ, আইভি ফ্লুইড, কেমিক্যাল রিএজেন্ট ও সার্জিক্যাল সামগ্রী মজুদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সচল রাখা এবং হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আগাম অবহিত করতে বলা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নির্দেশনায় বলা হয়, ছুটিকালীন সময়ে সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সেবাদানকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোকেও নিবন্ধিত চিকিৎসকের অধীনে সার্বক্ষণিক জরুরি, প্রসূতি ও হাম ওয়ার্ড চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোগী রেফারের আগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত এবং অপ্রয়োজনে রোগী রেফার না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, পশুর হাটসংলগ্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ প্রস্তুতি নিতে হবে। এছাড়া যেকোনো দুর্যোগ বা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার তথ্য দ্রুত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমে জানাতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মহাপরিচালকের অনুমোদনক্রমে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হেপাটাইটিস-এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ডিজে সনিকা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34714/হেপাটাইটিস-এ-ভাইরাসে-আক্রান্ত-হয়ে-হাসপাতালে-ডিজে-সনিকা</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 17:25:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34714/হেপাটাইটিস-এ-ভাইরাসে-আক্রান্ত-হয়ে-হাসপাতালে-ডিজে-সনিকা</guid>
			<description><![CDATA[সদ্য প্রয়াত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের পর এবার হেপাটাইটিস এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের জনপ্রিয় ডিজে তারকা ও গায়িকা সনিকা। বর্তমানে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">সদ্য প্রয়াত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের পর এবার হেপাটাইটিস এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের জনপ্রিয় ডিজে তারকা ও গায়িকা সনিকা। বর্তমানে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১৮ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অসুস্থতার খবরটি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন সনিকা। জানা গেছে, হেপাটাইটিস এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনি বর্তমানে বনানীর ইয়র্ক হাসপাতালে ভর্তি আছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থায় নিজের একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে সনিকা লেখেন, &lsquo;আগামী কয়েকদিনের জন্য এটাই আমার ঘর।&rsquo; পোস্টের সঙ্গে একটি সাদা হৃদয়ের ইমোজিও যুক্ত করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গণমাধ্যম কর্মীদের&nbsp;ফোনে সাড়া দিতে না পেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষমা চেয়েছেন সনিকা। পরবর্তী এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, কথা বলতে অক্ষম হওয়ায়&nbsp;সাড়া দিতে পারছেন না তিনি। সুস্থ হয়ে সবার সাথে শিগগিরই কথা বলবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">২০০৭ সালে পেশাদার ডিজে হিসেবে যাত্রা শুরু করেন সনিকা। অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের সংগীতাঙ্গনে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। ২০১১ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এই শিল্পী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডিজে সংগীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে ঢালিউড চলচ্চিত্র ও সংগীত পুরস্কারে &lsquo;শ্রেষ্ঠ বাংলাদেশি মহিলা ডিজে&rsquo; সম্মাননা পান সনিকা। পরবর্তীতে ডিজে মিক্সিংয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে গায়ক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেন। ২০১৪ সালে প্রকাশ পায় তার প্রথম মিউজিক ভিডিও &lsquo;ভাল্লাগে&rsquo;।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শুধু সংগীত নয়, ছোটপর্দাতেও দেখা গেছে সনিকাকে। ২০১৫ সালে অভিনয়ে নাম লেখান তিনি। &lsquo;লাস্ট সিকোয়েন্স&rsquo; ও &lsquo;থ্রিপল এফ&rsquo; নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের প্রশংসা কুড়ান এই শিল্পী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় চালু হচ্ছে ‘জরুরি অ্যালার্ম’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34713/চিকিৎসকদের-নিরাপত্তায়-চালু-হচ্ছে-জরুরি-অ্যালার্ম-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 17:11:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34713/চিকিৎসকদের-নিরাপত্তায়-চালু-হচ্ছে-জরুরি-অ্যালার্ম-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় রাজধানীর সরকারি হাসপাতালগুলোতে ‘সেন্ট্রাল ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম’ চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবার ও স্বাস্থ্য কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েসে রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় রাজধানীর সরকারি হাসপাতালগুলোতে &lsquo;সেন্ট্রাল ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম&rsquo; চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবার ও স্বাস্থ্য কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) তেজগাঁওয়ে কেন্দ্রীয় ওষুধাগারে অনুদান হিসেবে পাওয়া ভেন্টিলেটর ও অন্যান্য চিকিৎসা যন্ত্রপাতি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত নিরাপত্তা সহায়তা নিশ্চিত করতে &lsquo;কোড ব্লু&rsquo; বা &lsquo;ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম&rsquo; চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে মহাখালী এলাকায় স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা বাড়াতে আলাদা পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রথম ধাপে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে তথ্য দেন মন্ত্রী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসা যন্ত্রপাতি হস্তান্তরের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে ১০টি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) জন্য একটি করে শিশু ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়েছে। আগামী ঈদুল আজহার পর এক সপ্তাহের মধ্যেই এসব ইউনিট উদ্বোধন করা হবে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><br />
<span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার রদবদল</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34711/পরিবার-পরিকল্পনা-অধিদপ্তরের-সাত-ঊর্ধ্বতন-কর্মকর্তার-রদবদল</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 16:47:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34711/পরিবার-পরিকল্পনা-অধিদপ্তরের-সাত-ঊর্ধ্বতন-কর্মকর্তার-রদবদল</guid>
			<description><![CDATA[পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন করে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে করেছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ নতুন পদে দায়িত্ব পালন করবেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন করে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে করেছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ নতুন পদে দায়িত্ব পালন করবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. মতিউর রহমানকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে বদলি করে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, ঢাকায় পরিচালক (পরিকল্পনা) পদে পদায়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি পরিচালক (অর্থ) পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক (নিরীক্ষা) মাহফুজা খানমকে পরিচালক (প্রশাসন) পদে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি পরিচালক (নিরীক্ষা) পদেও অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাবিনা পারভীন, যিনি বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (পরিকল্পনা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁকে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (এমআইএস) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আগামী ১ জুন ২০২৬ থেকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া মো. আব্দুর রাজ্জাককে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর থেকে বরিশাল বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের পরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা) পদে বদলি করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টাঙ্গাইল জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক আবদুল লতিফ মোল্লাকে সিলেট বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা) পদে পদায়ন করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মাযহারুল হক চৌধুরীকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অন্যদিকে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (প্রশাসন) মীর সাজেদুর রহমানকে টাঙ্গাইল জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা) পদে বদলি করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এসব বদলি ও পদায়ন প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা ও জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>দুই চিকিৎসককে পদায়ন ও একজনকে ওএসডি </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34710/দুই-চিকিৎসককে-পদায়ন-ও-একজনকে-ওএসডি</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 16:28:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34710/দুই-চিকিৎসককে-পদায়ন-ও-একজনকে-ওএসডি</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ ডেন্টাল কলেজের ১৫তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. রিয়াসাত সাকিব হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। গত ৫ মে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েসে রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ ডেন্টাল কলেজের ১৫তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. রিয়াসাত সাকিব হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন।&nbsp;গত ৫ মে রাজধানীর&nbsp;স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মৃত্যুকালে ডা. সাকিবের বয়স ছিল ৩৫ বছর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাঁর মৃত্যুতে মেডিভয়েস পরিবার গভীরভাবে শোকাহত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>‘হাম পরিস্থিতি শিখিয়েছে, আজকের দায়িত্বহীনতা আগামীর সংকট’</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34709/হাম-পরিস্থিতি-শিখিয়েছে-আজকের-দায়িত্বহীনতা-আগামীর-সংকট</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 15:54:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34709/হাম-পরিস্থিতি-শিখিয়েছে-আজকের-দায়িত্বহীনতা-আগামীর-সংকট</guid>
			<description><![CDATA[দেশে হাম পরিস্থিতি আমাদের শিখিয়েছে, আজকের দায়িত্বহীনতা ভবিষ্যতে সংকট তৈরি করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি জানান, হাম নিয়ন্ত্রণে দ্রুত টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">দেশে হাম পরিস্থিতি আমাদের শিখিয়েছে, আজকের দায়িত্বহীনতা ভবিষ্যতে সংকট তৈরি করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি জানান, হাম নিয়ন্ত্রণে দ্রুত টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তথ্যমন্ত্রী জানান, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটিতে ৯১ জন আবেদন করেছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি জানান, গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনায় অরাজকতা দূর করতে একটি নীতিমালা প্রয়োজন তবে তা নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়। এজন্য আগামী জুলাইয়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গণমাধ্যম কমিশন গঠনের খসড়া প্রস্তাব পেশ করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা মূলত বন্যা ও ভাঙন নিয়ন্ত্রণের জন্য করা হচ্ছে। পদ্মা ব্যারেজের মতো এখানে পানি সংরক্ষণ করে ব্যবহারের সুযোগ না&nbsp;থাকায় এটি সংশোধনের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসীন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34708/সিলেটে-হাম-উপসর্গে-আরও-৩-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 15:57:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34708/সিলেটে-হাম-উপসর্গে-আরও-৩-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[সিলেটে হাম উপসর্গে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেটে হামে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে। এর মধ্যে হাম উপসর্গে ৩৬ ও হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৪ জন শিশু। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েসে রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> সিলেটে হাম উপসর্গে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেটে হামে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে। এর মধ্যে হাম উপসর্গে ৩৬ ও হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৪ জন শিশু।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ২৪ ঘন্টায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এই দুই শিশু মারা যায়। আজ মঙ্গলবার (১৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘন্টায় সিলেটে ৯২ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে। এ ছাড়া ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ২৫ জন রোগী।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আজ চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৮১ জন রোগী। বিশেষায়িত হাসপাতাল শহীদ শামসুদ্দিনে ভর্তি রয়েছেন ৭০ ও ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৭৭ জন রোগী। এবং ল্যাব টেস্টে সিলেটে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৪৯ জন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>কুমেকে সন্ধানীর হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচিতে সেবা পেলেন শতাধিক শিক্ষার্থী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34707/কুমেকে-সন্ধানীর-হেপাটাইটিস-বি-ভ্যাকসিনেশন-কর্মসূচিতে-সেবা-পেলেন-শতাধিক-শিক্ষার্থী</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 13:23:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34707/কুমেকে-সন্ধানীর-হেপাটাইটিস-বি-ভ্যাকসিনেশন-কর্মসূচিতে-সেবা-পেলেন-শতাধিক-শিক্ষার্থী</guid>
			<description><![CDATA[]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> সন্ধানী কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ইউনিটের উদ্যোগে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের (কুমেক) শিক্ষার্থীদের জন্য হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) কলেজ ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেপাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. দলিল উদ্দীন। এ সময় বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকও উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠান পরিদর্শনে এসে সন্ধানীর এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন গাইনোকলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফারহানা। কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রেইনি চিকিৎসকরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আয়োজকরা জানান, দিনব্যাপী কর্মসূচিতে ১০৩ জন শিক্ষার্থী হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। এর মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডোজের শিক্ষার্থীরাও ছিলেন। পাশাপাশি ২৬৫ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্ক্রিনিং সেবা দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সন্ধানী কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ইউনিটের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জন্য আরও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংগঠনটির সদস্যরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের চিকিৎসায় আলাদা ওয়ার্ড করার নির্দেশ, দিনে দুইবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের রাউন্ড</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34706/হামের-চিকিৎসায়-আলাদা-ওয়ার্ড-করার-নির্দেশ-দিনে-দুইবার-বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসকের-রাউন্ড</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 12:52:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34706/হামের-চিকিৎসায়-আলাদা-ওয়ার্ড-করার-নির্দেশ-দিনে-দুইবার-বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসকের-রাউন্ড</guid>
			<description><![CDATA[দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের চিকিৎসার জন্য পৃথক ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব রোগীকে ভর্তি ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। নির্দেশনায় স্বাক্ষর করেন হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের চিকিৎসার জন্য আলাদা&nbsp;ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব রোগীকে ভর্তি ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে&nbsp;স্বাক্ষর করেন অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা)&nbsp;ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নির্দেশনায় বলা হয়, হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিশ্চিত করতে হবে।&nbsp;এ ছাড়া ছুটির দিনসহ প্রতিদিন সকাল ও বিকালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের রাউন্ড দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়, ভর্তিকৃত প্রতিটি রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন অভিভাবক বা দর্শনার্থী অবস্থান করতে পারবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের সব তথ্য নিয়মিত এমআইএস সার্ভারে আপলোড করতে হবে। এ সংক্রান্ত তথ্য পাঠানোর জন্য <a href="https://surveillance.dghs.gov.bd/" target="_blank">http://surveillance.dghs.gov.bd</a> ঠিকানা ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ০১৭৫৯১১৪৪৮৮ নম্বরে যোগাযোগের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ নির্দেশনা দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর ও জেনারেল হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য প্রযোজ্য হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হাম রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও সমন্বিত করতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শরীয়তপুরে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় টাঙ্গাইল মেডিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34705/শরীয়তপুরে-চিকিৎসককে-মারধরের-ঘটনায়-টাঙ্গাইল-মেডিকেলে-প্রতিবাদ-সমাবেশ</link>
			<pubDate>Tue, 19 May 2026 12:19:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34705/শরীয়তপুরে-চিকিৎসককে-মারধরের-ঘটনায়-টাঙ্গাইল-মেডিকেলে-প্রতিবাদ-সমাবেশ</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাসিরি উদ্দিনের ওপর রোগীর স্বজনদের হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন। এ সময় তাঁরা চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং হাসপাতালে জনবল সংকট নিরসনের দাবি জানান। সোমবার (১৮ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে হাসপাতালের পরিচালক ও জেলা সিভিল সার্জনের কাছে পাঁচ দফা দাবি–সংবলিত স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাসিরি উদ্দিনের&nbsp;ওপর রোগীর স্বজনদের হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন। এ সময় তাঁরা চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং হাসপাতালে জনবল সংকট নিরসনের দাবি জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১৮ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে হাসপাতালের পরিচালক ও জেলা সিভিল সার্জনের কাছে পাঁচ দফা দাবি&ndash;সংবলিত স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা. রোকনুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. বাদল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে&mdash;দেশের সব হাসপাতালে চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নিরাপত্তা জোরদারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধি, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় দ্রুত স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও অতিরিক্ত রোগীর চাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সমাবেশে ডা. রোকনুজ্জামান বলেন, &lsquo;চিকিৎসকেরা সেবার মানসিকতা নিয়ে এই পেশায় আসেন। কিন্তু একটি ৫০০ শয্যার হাসপাতালে আমাদের প্রায় ২ হাজার রোগী সামাল দিতে হয়। প্রয়োজনীয় জনবল ও লজিস্টিক সহায়তা ছাড়া মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়া কঠিন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে রোগী সুস্থ হয়ে ফিরতে পারেন, আবার অবস্থার অবনতি কিংবা মৃত্যুও হতে পারে। এসব পরিস্থিতিতে আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা প্রয়োজন। চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদ উস সামাদ মাহিদ বলেন, &lsquo;সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। চিকিৎসকদের ওপর হামলা চলতে থাকলে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ব্যাহত হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পক্ষে বক্তব্য দেন ডা. বিশ্বজিৎ সরকার। তিনি বলেন, &lsquo;ডা. নাসির রোগীকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। অভিযোগ থাকলে আইনি পথে সমাধান হওয়া উচিত। হামলা কোনো সমাধান হতে পারে না।&rsquo;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>অধ্যাপক হলেন ঢামেকের ডা. নাদিম আহম্মদ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34703/অধ্যাপক-হলেন-ঢামেকের-ডা-নাদিম-আহম্মদ</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 21:16:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34703/অধ্যাপক-হলেন-ঢামেকের-ডা-নাদিম-আহম্মদ</guid>
			<description><![CDATA[বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের ঢাকা মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাদিম আহম্মদকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার হিসেবে&nbsp;ঢাকা মেডিকেল কলেজে&nbsp;(ঢামেক) কর্মরত&nbsp;সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাদিম আহম্মদকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোববার (১৭ মে)&nbsp;মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য&nbsp;জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে&nbsp;জানানো হয়েছে, &lsquo;ডা. নাদিম আহম্মদ (৪৩৮-৩৭), সহযোগী অধ্যাপক, সার্জারি, ঢামেক&nbsp;[অধ্যাপক, সার্জারি (ইনসিটু) ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখের&nbsp;শূন্য পদে অধ্যাপক, সার্জারি] হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হয়েছেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয় প্রজ্ঞাপনে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে আদেশের&nbsp;অনুলিপি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ড. নাদিম আহম্মদ ঢামেকের&nbsp;সার্জারি বিভাগের কর্মরত আছেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ল্যাপারোস্কোপিক ও কলোরেক্টাল সার্জারিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও&nbsp;ফেলোশিপ ইন মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারি (এফএমএএস) ডিগ্রিধারী এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মূলত পিত্তথলির পাথর, অ্যাপেনডিক্স, হার্নিয়া, পাইলস ও ফিস্টুলার মতো জটিল রোগের আধুনিক অপারেশন ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিস্তুত কর্মজীবনে&nbsp;তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মেডিসিন অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ডা. ঢাকা মেডিকেল থেকে এমবিবিএস, জেনারেল সার্জারিতে এমএস&nbsp;এবং এফএমএএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1L68jigoQgj9uUE1_HwioUHAd698p-bau/view?usp=sharing" target="_blank">►<span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপন&nbsp;দেখুন</span></a></p>

<p style="text-align:justify"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1L68jigoQgj9uUE1_HwioUHAd698p-bau/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমআই/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ফর্টিফাইড আটার সম্ভাবনা ও প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে কর্মশালা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34702/ফর্টিফাইড-আটার-সম্ভাবনা-ও-প্রযুক্তিগত-দিক-নিয়ে-কর্মশালা</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 19:14:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34702/ফর্টিফাইড-আটার-সম্ভাবনা-ও-প্রযুক্তিগত-দিক-নিয়ে-কর্মশালা</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশে ভিটামিন ও খনিজ লবণের ঘাটতি মোকাবেলায় ফর্টিফাইড আটার সম্ভাবনা ও প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা আয়োজন করেছে মিলার্স ফর নিউট্রিশন, যা টেকনোসার্ভের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশে ভিটামিন ও খনিজ লবণের ঘাটতি মোকাবেলায় ফর্টিফাইড আটার সম্ভাবনা ও প্রযুক্তিগত দিক নিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা আয়োজন করেছে মিলার্স ফর নিউট্রিশন, যা টেকনোসার্ভের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোববার (১৭ মে) ঢাকার গুলশানের লেকশোর হাইটস হোটেলে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক জহিরুল ইসলাম খান।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টেকনোসার্ভের কান্ট্রি প্রোগ্রাম ম্যানেজার গুলজার আহম্মেদ উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ঘাটতির কারণে দেশে লাখো মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। খাবারে পুষ্টিমান সমৃদ্ধিকরণ প্রযুক্তি ও সমন্বিত প্রচেষ্টা থাকলে, এই সমস্যা সহজেই সমাধানযোগ্য। তিনি সরকারি, বেসরকারি এবং উন্নয়ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর জোর দেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রধান অতিথি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এর সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, ফর্টিফাইড আটা শুধু পুষ্টির নিশ্চয়তা দেয় না, এটি একটি টেকসই জনস্বাস্থ্য কৌশল। তিনি আরও বলেন, এখন সময় এসেছে এটিকে বাণিজ্যিকভাবে প্রসারিত করার, কারণ জনগণ দিনে দিনে আরও বেশি স্বাস্থ্য সচেতন হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক-এসডিএম আফিফ আল মাহমুদ ভূঁইয়া, বিএসটিআই-এর উপপরিচালক এসএম আবু সাঈদ, এবং বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিলার্স ওনার অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। &nbsp; &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টেকনোসার্ভের সিনিয়র ফুড ফর্টিফিকেশন স্পেশালিস্ট নাঈম জোবায়ের তার মূল প্রবন্ধে বলেন, আটায় পুষ্টি উপাদান সংযোজন একটি সহজ, সাশ্রয়ী এবং টেকসই সমাধান। এটি কেবল স্বাস্থ্য উন্নয়ন নয়, অর্থনীতিতেও দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।&nbsp;তিনি প্রযুক্তিগত দিক, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং উদ্ভাবনের জায়গাগুলো স্পষ্টভাবে কর্মশালায় তুলে ধরেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কর্মশালার মুক্ত আলোচনায় মিল মালিক, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকারীরা, সরকার ও উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিলার্স ওনার অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি মঈন উদ্দিন মাসুদ এবং সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মীর শাকরুল আলম সীমান্ত আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ সরকার শিগগিরই দেশের ওএমএস কর্মসূচিতে আটা ফর্টিফিকেশন কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করবে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন&nbsp;মিলার্স ফর নিউট্রিশন কর্মসূচিটির স্ট্র্যাটেজিক ফর্টিফিকেশন পার্টনার হেক্সাগন নিউট্রিশন, বুলার এবং উন্নয়ন সহযোগি সংস্থা ডব্লিউএফপি, নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল এবং গেইনের প্রতিনিধিরা। সবাই গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করেন এবং বাংলাদেশে খাদ্য ফর্টিফিকেশন উদ্যোগসমূহকে সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সমাপনী বক্তব্যে খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক জহিরুল ইসলাম খান বলেন, ফর্টিফাইড আটার মান নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মনীতি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এই কর্মশালা একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে যেখানে প্রযুক্তি, নীতি ও প্রতিশ্রুতি একসাথে ভবিষ্যৎ অনুপুষ্টির অভাবমুক্ত বাংলাদেশ নিশ্চিত করবে। কর্মশালাটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ, যা বাংলাদেশে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক খাদ্য ফর্টিফিকেশন কর্মসূচির প্রসারে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>গ্রেড সুবিধা পেলেন  ৮২ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34701/গ্রেড-সুবিধা-পেলেন-৮২-স্বাস্থ্য-কর্মকর্তা</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 17:24:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34701/গ্রেড-সুবিধা-পেলেন-৮২-স্বাস্থ্য-কর্মকর্তা</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) স্বাস্থ্য ক্যাডারের ৮২ জন চিকিৎসক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষভাবে জাতীয় বেতন স্কেলের সংশ্লিষ্ট গ্রেড সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন ১২৫৬৯/২০১৩ এর ১৮.০৬.২০১৫ তারিখের রায় এবং অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২০.০৮.২০২৫ তারিখের মতামতের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">&nbsp;</span></span><span style="font-size:16px">বিসিএস&nbsp;স্বাস্থ্য ক্যাডারের ৮২ জন&nbsp;চিকিৎসক-কর্মকর্তাকে বেতন স্কেলের সংশ্লিষ্ট গ্রেডের&nbsp;সুবিধা প্রদান করেছে&nbsp;স্বাস্থ্য ও পরিবার&nbsp;মন্ত্রণালয়।&nbsp;এটি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশনের রায় অনুসারে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে এ সুবিধা প্রদান করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১৮ মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পার-২ শাখা যুগ্মসচিব সানজিদা শারমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, &lsquo;বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত চিকিৎসক-কর্মকর্তাদের সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দায়েরকৃত রিট পিটিশন ১২৫৬৯/২০১৩ এর ১৮ জুন ২০১৫ তারিখের রায় অনুসরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২০ আগস্ট ২০২৫ তারিখের&nbsp;পত্রের আলোকে ভূতাপেক্ষভাবে বিভিন্ন সময়ে জারীকৃত জাতীয় বেতন স্কেলের সংশ্লিষ্ট গ্রেড সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শর্তাবলী অনুযায়ী,&nbsp;রিট আবেদনকারীগণের শেষ বেতনের প্রত্যয়নপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ৭ম ও ৫ম গ্রেডে সিলেকশন গ্রেড এবং ৬ষ্ঠ গ্রেডে সিনিয়র স্কেলের বকেয়া প্রদান করতে হবে। একই সঙ্গে&nbsp;অর্থ বিভাগ কর্তৃক সময় সময় জারিকৃত আর্থিক বিধিবিধান, পরিপত্র, সরকারি আদেশ এবং জাতীয় বেতন স্কেল সংক্রান্ত পরিপত্র অনুসরণ করে কর্মকর্তাদের বকেয়া পাওনাদি পরিশোধ করতে হবে।</span><span style="font-size:16px"> </span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1LsqJ6NZh9rPk8xy4xt8yDsgsXRfvgPuY/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="font-size:16px"><span style="color:#990000"><strong>প্রজ্ঞপন দেখতে ক্লিক করুন</strong></span></span></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1LsqJ6NZh9rPk8xy4xt8yDsgsXRfvgPuY/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ডা. নাসিরের ওপর হামলার প্রতিবাদে নওগাঁয় মানববন্ধন </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34700/ডা-নাসিরের-ওপর-হামলার-প্রতিবাদে-নওগাঁয়-মানববন্ধন</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 18:04:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34700/ডা-নাসিরের-ওপর-হামলার-প্রতিবাদে-নওগাঁয়-মানববন্ধন</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর হামলার প্রতিবাদে নওগাঁয় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন চিকিৎসকরা। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> শরীয়তপুর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন নওগাঁয়&nbsp; কর্মরত চিকিৎসকরা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১৮ মে) সকালে নওগাঁ ২৫০ শষ্যা জেনারেল হাসপাতাল চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করে নওগাঁ মেডিকেল কলেজ, নওগাঁ সিভিল সার্জন অফিস এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ডক্টরসের (ড্যাব) বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জেলা ড্যাবের সভাপতি ডা. মো. ইসকেন্দার হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মুক্তার হোসেন, নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ.ম. আখতারুজ্জামান এবং নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলাম সহ সদর হাসপাতালের বিভিন্ন চিকিৎসকবৃন্দ। এ সময় বক্তারা হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নওগাঁ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মুক্তার হোসেন বলেন, &lsquo;কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আমরা চিকিৎসকরা সেবা দিতে বিরত থাকবো।&rsquo; তিনি প্রশাসনকে হাসপাতালের নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি জানান৷&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. মো. ইসকেন্দার হোসেন বলেন, চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি শরীয়তপুর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে হামলায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মো. লুৎফর রহমান,অধ্যাপক ডা. মো: মির্জা ওয়াসিফ পারভেজ, অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম ও ইন্টার্ন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সচেতন নাগরিকবৃন্দ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>রোগীদের বিদেশমুখী করতে স্বাস্থ্যব্যবস্থা অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা চলছে</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34699/রোগীদের-বিদেশমুখী-করতে-স্বাস্থ্যব্যবস্থা-অস্থিতিশীল-করার-পাঁয়তারা-চলছে</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 17:41:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34699/রোগীদের-বিদেশমুখী-করতে-স্বাস্থ্যব্যবস্থা-অস্থিতিশীল-করার-পাঁয়তারা-চলছে</guid>
			<description><![CDATA[চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা দিন দিন উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন সরকার দলীয় চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, প্রতিবেশী দেশের স্বার্থ রক্ষা ও রোগীদের বিদেশমুখী হতে বাধ্য করতে পরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা চলছে। সুরক্ষা আইন না থাকায় চিকিৎসকরা কর্মক্ষেত্রে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন জানিয়ে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দ্রুত যুগোপযোগী চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানান তারা। শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ডা. নাসির উদ্দিনের ওপর হামলার প্রতিবাদে আজ সোমবার (১৮ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে ড্যাব নেতারা এসব কথা বলেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের ওপর হামলা ও&nbsp;নির্যাতনের ঘটনা দিন দিন উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন সরকার দলীয় চিকিৎসকদের সংগঠন&nbsp;ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের&nbsp;(ড্যাব) নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, প্রতিবেশী দেশের স্বার্থ রক্ষা ও&nbsp;রোগীদের&nbsp;বিদেশমুখী হতে বাধ্য করতে&nbsp;পরিকল্পিতভাবে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা চলছে। সুরক্ষা আইন না থাকায় চিকিৎসকরা কর্মক্ষেত্রে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন জানিয়ে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের&nbsp;নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে&nbsp;দ্রুত যুগোপযোগী চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানান তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে&nbsp;ডা. নাসির উদ্দিনের ওপর হামলার প্রতিবাদে&nbsp;আজ সোমবার (১৮ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে&nbsp;আয়োজিত মানববন্ধনে&nbsp;ড্যাব নেতারা এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় উপস্থিত ছিলেন&nbsp;বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম,&nbsp;ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার,&nbsp;সংগঠনটির মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল,&nbsp;কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী হাসান, সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কেনান, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেনসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক নেতা-কর্মীরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসক নেতারা বলেন, দেশে চিকিৎসক ও চিকিৎসা ব্যবস্থা দুটোই অবহেলিত। শুধু চিকিৎসকরাই নন, স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে জড়িত নার্স, টেকনোলজিস্ট, কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও বিভিন্নভাবে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এটি স্বাস্থ্যখাতে একটি বড় ধরনের বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা বলেন, দীর্ঘ অধ্যয়ন ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী চিকিৎসক হন। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে এসে যখন তিনি অবহেলা, অসম্মান ও নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হন, তখন তা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। একই গ্রেডে কর্মরত অন্যান্য প্রশাসনিক বা প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা যে সম্মান, নিরাপত্তা ও প্রটোকল পান, চিকিৎসকরা তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসক নেতাদের অভিযোগ, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর হামলা ও ভিকটিমাইজেশনের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। তারা দাবি করেন, মাঝখানে প্রতিবেশী দেশে চিকিৎসার জন্য ভিসা বন্ধ থাকায় এসব ঘটনার মাত্রা কিছুটা কমে এসেছিল। তবে গত কয়েক মাস ধরে আবারও দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা শুরু হয়েছে, যাতে রোগীরা বিদেশমুখী হতে বাধ্য হন। এর পেছনে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বক্তারা বলেন, চিকিৎসকদের আজ হাসপাতালে রোগীদের পাশে থাকার কথা ছিল। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে তাদের রাস্তায় নেমে মানববন্ধন করতে হচ্ছে। সামান্য কোনো ঘটনার জন্য চিকিৎসকদের ভিকটিমাইজ করার প্রবণতা উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাদের মতে, দেশে এখনো কার্যকর চিকিৎসক সুরক্ষা আইন না থাকায় চিকিৎসকরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত যুগোপযোগী চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন সময়ের দাবি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এসময় সাধারণ মানুষের প্রতি চিকিৎসকদের সীমাবদ্ধতাগুলো বোঝার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, অপ্রতুল জনবল ও সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই চিকিৎসকরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ১০০, ২০০ বা ৪০০ শয্যার হাসপাতালগুলোতে ধারণক্ষমতার চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকে। পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট ও চিকিৎসক সহকারীর সংকট এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির ঘাটতি নিয়েও কাজ করতে হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা আরও বলেন, বিভিন্ন হাসপাতালে সশস্ত্র আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হলেও এখনও অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত। ঢাকার মাতৃত্বকালীন হাসপাতালগুলোসহ দেশের ৬৪টি মাতৃ ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে (এমসিডব্লিউসি) আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। অথচ এসব প্রতিষ্ঠানে ২৪ ঘণ্টা ডেলিভারি, সিজারিয়ান অপারেশনসহ জরুরি সেবা চালু রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাংবাদিকদের উদ্দেশে তারা বলেন, চিকিৎসকরা জনগণের শত্রু নন, বরং জনগণের সেবক। তাই স্বাস্থ্যখাতের বাস্তব চিত্র ও চিকিৎসকদের সীমাবদ্ধতাগুলো সঠিকভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. আকরাম হোসেন বলেন, &lsquo;আজ আমরা হামের যে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখছি, এর জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দায়ী। একইভাবে চিকিৎসকদের মৃত্যুর ঘটনাগুলোর দায়ও তাদের নিতে হবে। কারণ ডা. জাহিরুল ইসলাম শাকিলসহ সংশ্লিষ্টরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়ে গেলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তা কার্যকর করেনি, যদিও তারা চাইলে এটি করতে পারত।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পুরোপুরি অকার্যকর ছিল। এমনকি সংস্কার কমিশনের দেওয়া প্রতিবেদনও তারা গ্রহণ বা বাস্তবায়ন করেনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক আকরাম হোসেন বলেন, &lsquo;আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি একটি অনুরোধ জানাতে চাই। আপনি যুক্তরাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এনএইচএস সিস্টেম নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানে বলা হয়েছে&mdash;কোনো হাসপাতালে রোগীর স্বজন বা কেউ সহিংসতা করলে তাকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে না। আমরা চাই, বাংলাদেশেও সেই নীতিমালা অনুসরণ করা হোক।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও প্রস্তাব করেন, শিল্প পুলিশের মতো হাসপাতাল বা মেডিকেল পুলিশ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা প্রয়োজন, যাতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ড্যাবের কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী হাসান বলেন, &lsquo;জনগণের প্রতি আমাদের অনুরোধ আপনারা যাচাই-বাছাই না করে, গায়ের জোরে কিছু লোক জড়ো করে মব তৈরি করবেন না। কোনো ডাক্তারকে টার্গেট করবেন না। পুলিশ বা হাসপাতালের ভেতরে কোনো অনিয়ম হলে তা আইনগত প্রক্রিয়ায় সমাধান করা উচিত, সেখানে সরাসরি আক্রমণ বা জোরপূর্বক বিচার করা ঠিক নয়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;আমরা অনেক সময় দেখি, হাসপাতালে বা চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে সরাসরি গিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে চিকিৎসক সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন কি না&mdash;সেটি যাচাই না করেই বিচার করা হয়, যা অন্যায়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, &lsquo;কিছুদিন আগে আমি সোনারগাঁয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে একটি ২৫০ শয্যার হাসপাতালে রোগী ভর্তি ছিল প্রায় ৭৫০ জন। সেখানে গিয়ে জানতে চেয়েছিলাম&mdash;শিশু চিকিৎসক কয়জন আছেন। তারা জানায়, চার থেকে পাঁচজন চিকিৎসক রোস্টার অনুযায়ী ডিউটি করেন। চিকিৎসক প্রতি রোগীর সংখ্যা শতাধিক। একজন চিকিৎসকের পক্ষে এত রোগী দেখা কি সম্ভব? তারপরও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি, নিজেদের সীমাবদ্ধতা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে তাদের জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করি। আমাদের এই আত্মউপলব্ধি ও প্রচেষ্টাগুলো সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. মেহেদী হাসান বলেন, &lsquo;আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ বর্তমান সরকার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রতি একটি দাবি জানাচ্ছি-ভবিষ্যতে যদি কোনো হাসপাতালে বা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকসহ চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্তদের ওপর কোনো হামলা হয়, তাহলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ন্যূনতম ১০ বছরের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এসব মামলাকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। আর যদি চিকিৎসকের মৃত্যু ঘটে বা মারাত্মক ক্ষতি হয়, তাহলে হামলাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল বলেন, &lsquo;আজ শুধু আমাদের এখানে নয়, সারা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় একই দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে&mdash;ডা. নাসির উদ্দিনসহ স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ওপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে এবং চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মস্থলের দাবিতে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, চিকিৎসক নাসিরকে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করে তার জীবন রক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাই। তবে আমাদের একটাই প্রশ্ন&mdash;আর কতদিন এভাবে চলবে?</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, চিকিৎসকদের পাশাপাশি নার্স, টেকনোলজিস্টসহ স্বাস্থ্যসেবার সকল কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন জরুরি। এমন একটি আইন করতে হবে, যার মাধ্যমে দেশের যেকোনো স্থানে একজন রোগী চিকিৎসা নিতে পারবে এবং চিকিৎসকরা নিরাপদ পরিবেশে সেবা দিতে পারবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে চিকিৎসকরা সবসময় জনগণের সেবায় নিয়োজিত। অতীতে দেশীয় চিকিৎসার ওপর জনগণের আস্থা ছিল, এমনকি করোনাকালীন সময়েও চিকিৎসকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাজারো রোগীর সেবা দিয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. শাকিল বলেন, &lsquo;আমরা চাই স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় রেফারেল সিস্টেম শক্তিশালী করা হোক এবং শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা হোক।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসকদের ওপর হামলা বা আক্রমণ চলতে থাকলে চিকিৎসক সমাজ নীরব থাকবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী গণআন্দোলনের মতোই চিকিৎসকরাও জনগণের পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন, তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, প্রাণে বাঁচতে ডা. নাসির এক জায়গায় আত্মগোপন করেন। সেখানকার দরজা ভেঙে কি বর্বরোচিত কায়দায় তাঁকে মারা হলো! তার মাথা ফেটে গেছে, হাতে মারাত্মক জখম হয়েছে। তিনি এখনো সংকটাপন্ন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;গত এক মাসে ছোট-বড় মিলেয়ে ২৮ চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে ঠেকছে? অবস্থা দেখে মনে হয়, চিকিৎসক নিগ্রহ যেন সংক্রমণে পরিণত হয়েছে। কিছু হলেই ডাক্তারকে মারো। হামের টিকা নেই, শিশু মারা যাচ্ছে, তার জন্য ডাক্তার দায়ী। সুতরাং ডাক্তাররে মার। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সুরক্ষা আইনের দাবি জানিয়ে বলেন, &lsquo;চিকিৎসক সুরক্ষা আইন যেমন চাচ্ছি, তেমনি রোগী সুরক্ষা আইনও চাচ্ছি। কারণ এই অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কী হবে? কোনো হাসপাতালে একজন গুরুতর রোগী গেলে ডাক্তার নিজের নিরাপত্তার স্বার্থেই হয় তো বলে দেবে, ভাই এখানে হবে না, আপনি অমুক হাসপাতালে যান।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিদ্যমান জনবল কাঠামোতে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের চাপের কথা তুলে ধরে ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, &lsquo;ঢাকা মেডিকেলে শয্যার সংখ্যা ১৭০০। এতে রোগী থাকে ৩-৪ হাজার পর্যন্ত। কখনো এটা পাঁচ হাজারেও দাঁড়ায়। একেকটি শয্যায় দুইজন রোগী থাকে, কোনো সময় তিনজনও। সেখানে চিকিৎসকসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী ১৭০০ এর শয্যার। অথচ রোগী থাকে ৪-৫ হাজার। কীভাবে সামলানো সম্ভব? এটা শুধু ঢাকা মেডিকেলে না, বরং উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে একই চিত্র। এর মধ্যেও যে চিকিৎসকরা কাজ করে, এটা তো মিরাকল। সেই ডাক্তারের ওপর হামলা কীভাবে সম্ভব?</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, &lsquo;কিছুদিন পরেই আপনারা দেখতে পাচ্ছেন একের পর এক ঘটনাগুলো ঘটছে। কেন ঘটছে&mdash;এর মানে হলো, দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য একটি প্রক্রিয়া চলছে এবং পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। মব সৃষ্টি করে এসব ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;এই ঘটনার পেছনে কারা আছে, তা আপনাদের খুঁজে বের করতে হবে। আমি প্রশাসনের সঙ্গে, শরীয়তপুরের এসপির সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছেন, সেটি সন্তোষজনক। কিন্তু এই মবের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা কারা&mdash;কে বা কারা সেখানে ছিল, শরীয়তপুরের কোন পক্ষ বেশি সম্পৃক্ত&mdash;সেটিও আপনাদের জানা আছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;এই মব সৃষ্টিকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলেই ডা. নাসিরের মতো যারা হয়রানির শিকার হন, তারা রক্ষা পাবেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, &lsquo;স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন শুধু ডাক্তারদের জন্য নয়, এটি চিকিৎসক, রোগী এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান&mdash;এই তিনটি পক্ষকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য। কিন্তু শুধু আইন করলেই হবে না, মানুষের সচেতনতা ও বিবেকবোধও জরুরি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করতে হবে, করোনাকালে কারা মানুষের পাশে ছিল? তখন অনেকেই হাসপাতালের বারান্দায় ফেলে রেখে চলে গিয়েছিলেন, আর চিকিৎসকরাই জীবন ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়েছেন। তখন চিকিৎসকদের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এখন কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করা হচ্ছে। এর পেছনে উদ্দেশ্য থাকতে পারে, যা খতিয়ে দেখা দরকার।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি অভিযোগ করেন, &lsquo;চিকিৎসা ব্যবস্থাকে দুর্বল হিসেবে দেখিয়ে জনগণকে বিদেশমুখী করার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, &lsquo;আপনাদের কলমের মাধ্যমে সত্য তুলে ধরতে হবে। আপনারা আমাদের সঙ্গে আন্দোলনে ছিলেন, আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করেছি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সবশেষে তিনি বলেন, &lsquo;সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিলে এবং সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করলে চিকিৎসক, রোগী ও প্রতিষ্ঠান সবাই সুরক্ষিত থাকবে। একইসঙ্গে জনগণের জন্য একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শরীয়তপুরে ডা. নাসিরের ওপর হামলার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34698/শরীয়তপুরে-ডা-নাসিরের-ওপর-হামলার-প্রতিবাদে-নোয়াখালীতে-মানববন্ধন</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 17:15:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34698/শরীয়তপুরে-ডা-নাসিরের-ওপর-হামলার-প্রতিবাদে-নোয়াখালীতে-মানববন্ধন</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুরে ডা. নাসিরের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও পাশবিক নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং সাম্প্রতিক সময়ে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: &nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">শরীয়তপুরে ডা. নাসিরের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও পাশবিক নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং সাম্প্রতিক সময়ে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ সোমবার (১৮ মে) বেলা ১১টায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে সরকারি হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাইভেট হাসপাতাল মালিক সমিতির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন নোয়াখালী এবং জেলায় কর্মরত চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য দেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) নোয়াখালীর সাধারণ সম্পাদক ডা. মনোয়ার হোসেন তালুকদার, ও বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) নোয়াখালীর সভাপতি ডা. মাসুম আখতার, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) নোয়াখালীর সভাপতি ডা. সোহরাব ফারুকী, সাধারণ সম্পাদক ডা. ফরিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন নোয়াখালীর আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম সাঈদ, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন স্বপন ও ফিরোজ মাহমুদ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর আর কোনো দেশে হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের ওপর এভাবে ঘন ঘন হামলার ঘটনা ঘটে না। কোনো অনুসন্ধান ছাড়াই ঢালাওভাবে ডাক্তারের অবহেলায় মৃত্যু বলে সংবাদ প্রকাশ করাও কাম্য নয়। অভিযোগ থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো যেত, কিন্তু এভাবে অমানুষিক নির্যাতন করা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও অমানবিক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বক্তারা আরও বলেন, শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের ডা. নাসির ইসলামের ওপর নেক্কারজনক ও বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে অনতিবিলম্বে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের জোর দাবি জানান তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এসময় বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে কোনো চিকিৎসক লাঞ্ছিত হলে বা হাসপাতালে হামলার ঘটনা ঘটলে চিকিৎসক সমাজ ও হাসপাতাল মালিকরা আর ঘরে বসে থাকবে না। প্রয়োজনে হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়ে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলে জানান তারা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>গ্রেডের সুবিধা পেলেন ১১৯২ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34697/গ্রেডের-সুবিধা-পেলেন-১১৯২-স্বাস্থ্য-কর্মকর্তা</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 16:35:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34697/গ্রেডের-সুবিধা-পেলেন-১১৯২-স্বাস্থ্য-কর্মকর্তা</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) স্বাস্থ্য ক্যাডারের ১১৯২ জন চিকিৎসক কর্মকর্তাকে অতীতের তারিখ থেকে (ভূতাপেক্ষভাবে) জাতীয় বেতন স্কেলের সংশ্লিষ্ট গ্রেড সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। এটি সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশনের রায় অনুসারে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে নির্দেশক্রমে কার্যকর করা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের এক&nbsp;হাজার ১৯২ জন চিকিৎসক-কর্মকর্তাকে বেতন স্কেলের সংশ্লিষ্ট গ্রেডের&nbsp;সুবিধা প্রদান করেছে&nbsp;স্বাস্থ্য ও পরিবার&nbsp;মন্ত্রণালয়।&nbsp;এটি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশনের রায় অনুসারে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে এ সুবিধা প্রদান করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ সোমবার (১৮ মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সানজিদা শারমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, &lsquo;বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত চিকিৎসক কর্মকর্তাগণের সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দায়েরকৃত রিট পিটিশন ৮৩৯৯/২০১৪, ৭৩১৬/২০১৩, ৩৬২৮/২০১৪ এবং ৫৬৯/২০১৫ এর ১৮.০৬.২০১৫খ্রি. তারিখের রায় অনুসরণে এবং অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২০ আগস্ট ২০২৫ তারিখের&nbsp;পত্রে প্রেরিত মতামতের আলোকে নির্দেশক্রমে নিম্নোক্তভাবে ও শর্তে ভূতাপেক্ষভাবে বিভিন্ন সময়ে জারীকৃত জাতীয় বেতন স্কেলের সংশ্লিষ্ট গ্রেডের সুবিধাদি প্রদান করা হলো&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কর্মকর্তারা তাদের চাকরিতে যোগদানের দিন থেকে প্রযোজ্য পদোন্নতি ও বেতন স্কেলের সুবিধা পাবেন। এতে&nbsp;তাদের ৭ম, ৬ষ্ঠ এবং ৫ম গ্রেড প্রাপ্যতার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শর্তাবলী অনুযায়ী,&nbsp;রিট আবেদনকারীগণের শেষ বেতনের প্রত্যয়নপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ৭ম ও ৫ম গ্রেডে সিলেকশন গ্রেড এবং ৬ষ্ঠ গ্রেডে সিনিয়র স্কেলের বকেয়া প্রদান করতে হবে। একই সঙ্গে&nbsp;অর্থ বিভাগ কর্তৃক সময় সময় জারিকৃত আর্থিক বিধিবিধান, পরিপত্র, সরকারি আদেশ এবং জাতীয় বেতন স্কেল সংক্রান্ত পরিপত্র অনুসরণ করে কর্মকর্তাদের বকেয়া পাওনাদি পরিশোধ করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1DtC8FyJwIZabLgA4eyNB9C52p0k09SJb/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপন দেখতে ক্লিক করুন</span></strong></span></a></p>

<p style="text-align:justify"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1DtC8FyJwIZabLgA4eyNB9C52p0k09SJb/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত শরীরচর্চায় জোর বিশেষজ্ঞদের</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34696/উচ্চ-রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রণে-নিয়মিত-শরীরচর্চায়-জোর-বিশেষজ্ঞদের</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 16:37:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34696/উচ্চ-রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রণে-নিয়মিত-শরীরচর্চায়-জোর-বিশেষজ্ঞদের</guid>
			<description><![CDATA[একসাথে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করি, নীরব ঘাতককে জয় করি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (সিআইএমসিএইচ) পালিত হয়েছে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস। এ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত শরীরচর্চা করতে এবং ধূমপান, মদ্যপান ও স্থূলতার মতো বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">&lsquo;একসাথে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করি, নীরব ঘাতককে জয় করি&rsquo; এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (সিআইএমসিএইচ) পালিত হয়েছে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস। এ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত শরীরচর্চা করতে এবং ধূমপান, মদ্যপান ও স্থূলতার মতো বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১৮ মে) সকাল ৮টায় কলেজ অডিটোরিয়ামে ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সিআইএমসিএইচের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জন ডা. এ টি এম রেজাউল করিম। সেমিনার শেষে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য র&zwj;্যালি অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলেজ উপাধ্যক্ষ ও গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মুসলিনা আখতার, মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম এবং কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. এনামুল হক। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. আখতারুল ইসলাম চৌধুরী এবং মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আরফানা ইয়াছমিন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে ডা. আরফানা ইয়াছমিন বলেন, উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক। এটি কোনো উপসর্গ ছাড়াই হৃদযন্ত্র, কিডনি, মস্তিষ্কসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আঘাত হানে। তিনি &lsquo;মাস্কড হাইপারটেনশন&rsquo; এর ধারণা তুলে ধরেন, যেখানে হাসপাতালে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলেও বাড়ি বা কর্মক্ষেত্রে তা উচ্চ থাকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রধান অতিথি ডা. এ.টি.এম রেজাউল করিম বলেন, মানুষ ডায়াবেটিসকে যেভাবে ভয় পায়, হাইপারটেনশনকে সেভাবে পায় না। অথচ বর্তমানে হাইপারটেনশন ডায়াবেটিসের চেয়ে বেশি হচ্ছে। তিনি মাস্কড হাইপারটেনশনের চিকিৎসা বাধ্যতামূলক এবং হোয়াইট কোট হাইপারটেনশনকে ফলোআপে রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। লবণ খাওয়া কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মুসলিম উদ্দিন বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করা জরুরি। নিয়মিত শরীরচর্চা এবং ধূমপান, মদ্যপান ও স্থুলতার&nbsp;মতো বদ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। সরকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য বিশেষ চিকিৎসা ও বিনামূল্যে ওষুধের ব্যবস্থা করেছে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আকরাম পারভেজ চৌধুরী, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মিসেস ইলা দাশ এবং ডেভেলপমেন্ট ফর এডুকেশন সোসাইটি অ্যান্ড হেলথের সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এদিকে &lsquo;ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন সচেতনতা সপ্তাহ&rsquo; উপলক্ষে সিআইএমসিএইচে শুরু হয়েছে বিশেষ সেবা সপ্তাহ। উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগীদের জন্য ডাক্তারের কনসালটেশন ফি ও ল্যাব টেস্টে ৫০ শতাংশ ছাড় এবং বিনামূল্যে রক্তচাপ পরিমাপের সুযোগ রাখা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>মেডিকেল শিক্ষার্থীকে গুলির ঘটনায় প্রভাষকের ২১ বছরের কারাদণ্ড</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34695/মেডিকেল-শিক্ষার্থীকে-গুলির-ঘটনায়-প্রভাষকের-২১-বছরের-কারাদণ্ড</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 16:01:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34695/মেডিকেল-শিক্ষার্থীকে-গুলির-ঘটনায়-প্রভাষকের-২১-বছরের-কারাদণ্ড</guid>
			<description><![CDATA[সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করায় এবং অবৈধভাবে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন নিজ হেফাজতে রাখার অপরাধে একই কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. রায়হান শরীফকে অস্ত্র আইনের দুটি ধারায় মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করায় এবং অবৈধভাবে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন নিজ হেফাজতে রাখার অপরাধে একই কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. রায়হান শরীফকে অস্ত্র আইনের দুটি ধারায় মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ সোমবার (১৮ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এবং জেলা ও দায়রা জজ মো. ইকবাল হোসেন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট রফিক সরকার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, &lsquo;দণ্ডপ্রাপ্ত রায়হান শরীফ একজন উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি এবং মেডিকেল কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু তিনি পেশাগত পবিত্র দায়িত্বের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে দুটি বিদেশি পিস্তল, বিপুল পরিমাণ গুলি, ম্যাগাজিন, বিদেশি ছোরা ও চাকু নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি নিয়মিত এগুলো কর্মস্থলে বহন করতেন এবং এর ধারাবাহিকতায় নিরীহ ছাত্র আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আদালত আরও বলেন, &lsquo;রায়হান শরীফ ছাত্রজীবন থেকেই সশস্ত্র ক্যাডার রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন এবং সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরও সেই ধারা অব্যাহত রাখেন। ফলে তিনি সমাজ, বাবা-মা কিংবা সহকর্মীদের ওপর চড়াও হতে বা হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করতেন না।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আইনি আদেশে আদালত রায়হান শরীফকে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(এ) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছর এবং ১৯(এফ) ধারায় আরও ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৪ মার্চ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের একাডেমি ভবনের চতুর্থতলায় ক্লাস চলাকালীন ডা. রায়হান শরীফ তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করে গুরুতর আহত করেন। এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডা. রায়হান শরীফকে আটক করে এবং তার কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ৮১ রাউন্ড গুলি, ৪টি ম্যাগাজিন ও দুটি অত্যাধুনিক ছোরা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় সিরাজগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ওয়াদুদ আলী বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ আদালত এই রায় প্রদান করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ওষুধ শিল্পে স্বনির্ভরতা অর্জনে ঢাবিতে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সেমিনার</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34694/ওষুধ-শিল্পে-স্বনির্ভরতা-অর্জনে-ঢাবিতে-ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া-সেমিনার</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 15:52:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34694/ওষুধ-শিল্পে-স্বনির্ভরতা-অর্জনে-ঢাবিতে-ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া-সেমিনার</guid>
			<description><![CDATA[ওষুধ শিল্পে স্বনির্ভরতা অর্জনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফার্মেসী অনুষদে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া-অথরিটি নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী লেকচার থিয়েটারে ‘একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি-রেগুলেটরি অথরিটি টুয়ার্ডস এক্সেলেন্স’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়ে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">ওষুধ শিল্পে স্বনির্ভরতা অর্জনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফার্মেসী অনুষদে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া-অথরিটি নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী লেকচার থিয়েটারে &lsquo;একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি-রেগুলেটরি অথরিটি টুয়ার্ডস এক্সেলেন্স&rsquo; শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়ে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন স্বাগত বক্তব্য দেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রধান উপদেষ্টা সায়েরি মুতো এবং মানব সম্পদ বিশেষজ্ঞ ড. ইতো মিকা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সেমিনারের অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন ক্লিনিক্যাল ফার্মেসী ও ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রভাষক মোকাদ্দাস ফ্লোরা অনন্ত এবং ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের প্রভাষক ফারিয়া নাসরিন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে বক্তব্য দেন এমিরিটাস অধ্যাপক এ.কে. আজাদ চৌধুরী, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল মুক্তাদির, রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী, হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী এবং ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব মুহাম্মদ হালিমুজ্জামান, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের নির্বাহী সহ-সভাপতি মাহবুবুল হাসান পল্লব, ইউনিমেড ইউনিহেলথ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের মার্কেটিং বিভাগের নির্বাহী পরিচালক শামীম আলম খান, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের মার্কেটিং ও সেলস বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক বিনয় দাস, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের মার্কেটিংয়ের হেড অব প্রাইমারি কেয়ার মোহাম্মদ ইমরান হাসান ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের নির্বাহী পরিচালক সুবোধ চন্দ্র দাস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব মো: মাহবুবুল হক এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট ফোরামের সভাপতি মো. আজিবুর রহমান সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের চেয়ারম্যানগন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম দেশের ওষুধ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির শক্তিশালী অংশীদারিত্ব নিশ্চিতকরণ এবং যৌথ গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আধুনিক টিকা গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আছে। দেশের টাকা বাঁচাতে ওষুধের কাঁচামাল আমাদের দেশেই তৈরি করতে হবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা যাবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় ঢাবি ফার্মেসী বিভাগের অ্যালামনাই মোহা. আলমগীর হোসেনকে অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে বদলি ও পদায়ন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34693/পাঁচ-বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসককে-বদলি-ও-পদায়ন</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 15:28:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34693/পাঁচ-বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসককে-বদলি-ও-পদায়ন</guid>
			<description><![CDATA[ বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের ছয় চিকিৎসক কর্মকর্তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হয়েছে। রোববার (১৭ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের একাধিক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার হিসেবে কর্মরত বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের&nbsp;পাঁচ বিশেষজ্ঞ&nbsp;চিকিৎসককে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।&nbsp;রোববার (১৭ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের আলাদা প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১&nbsp;শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও উপসচিব মুহাম্মদ আবদুর রউফ মিয়া স্বাক্ষরিত আলাদা&nbsp;প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,&nbsp;ঢাকা মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের&nbsp;অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সলিমুল্লাহ মেডিকেলে বদলি করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া&nbsp;বগুড়া দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যানেসথেসিওলজি) ডা. মো. মমিনুল হককে বগুড়ার শেরপুর, শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যানেসথেসিওলজি) ডা. এস.এম. আনোয়ার উল্ল্যাহকে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়া&nbsp;রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. শুভ্রসোম চাকমাকে&nbsp;ফেনী&nbsp;পরশুরাম&nbsp;উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের&nbsp;জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মধুসূদন পালকে&nbsp;যশোর&nbsp;২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে&nbsp;বদলি করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে এর অনুলিপি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1pKnPOdotzhFG6eI65vPb1_I06WxTp1ZZ/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="font-size:18px"><strong>►প্রজ্ঞাপন দেখতে ক্লিক করুন</strong></span></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1pKnPOdotzhFG6eI65vPb1_I06WxTp1ZZ/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বাংলাদেশ থেকে ওষুধ ও পোশাক আমদানি বাড়াতে নিউজিল্যান্ডের প্রতি আহ্বান খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34691/বাংলাদেশ-থেকে-ওষুধ-ও-পোশাক-আমদানি-বাড়াতে-নিউজিল্যান্ডের-প্রতি-আহ্বান-খাদ্য-প্রতিমন্ত্রীর</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 15:18:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34691/বাংলাদেশ-থেকে-ওষুধ-ও-পোশাক-আমদানি-বাড়াতে-নিউজিল্যান্ডের-প্রতি-আহ্বান-খাদ্য-প্রতিমন্ত্রীর</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য আমদানি বাড়ানোর জন্য  নিউজিল্যান্ডকে আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। 

রোববার (১৭ মে) রাজধানীতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশনার ডেভিড পাইন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য আমদানি বাড়ানোর জন্য নিউজিল্যান্ডকে আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোববার (১৭ মে) রাজধানীতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশনার ডেভিড পাইন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাক্ষাৎকালে নিউজিল্যান্ডের কাউন্সিলর (এগ্রিকালচার) মিলানি ফিলিপস, অনারারি কনসাল শামসুল আলম মল্লিক, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ, খাদ্য নিরাপত্তা, খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পণ্যের গুণগত মান ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব খাতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। তিনি প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, দেশের সব মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক প্রযুক্তি ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নিউজিল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া, নিউজিল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সুবিধা সম্প্রসারণেরও আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশনার বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সরকারের সফলতার প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে। তিনি নিউজিল্যান্ডে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা ও ইতিবাচক অবদানেরও প্রশংসা করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>প্যাথলজি রিপোর্টে চিকিৎসকের একক স্বাক্ষরের নির্দেশনা বাতিল </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34688/প্যাথলজি-রিপোর্টে-চিকিৎসকের-একক-স্বাক্ষরের-নির্দেশনা-বাতিল</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 13:24:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34688/প্যাথলজি-রিপোর্টে-চিকিৎসকের-একক-স্বাক্ষরের-নির্দেশনা-বাতিল</guid>
			<description><![CDATA[প্যাথলজি রিপোর্টে চিকিৎসকের একক স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করে পূর্বের নির্দেশনা বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রোববার (১৭ মে) অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</span></strong></span><span style="font-size:16px">প্যাথলজি রিপোর্টে চিকিৎসকের একক স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করে পূর্বের নির্দেশনা বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রোববার (১৭ মে) অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, &lsquo;সূত্রঃ নং-৪৫,০০,০০০০,১৬২.১৯.০০৩.২৬-১৫৫ তারিখঃ ৩০/০৪/২০২৬ইং। উপরোক্ত বিষয় ও সূত্রের প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্মারক নং-স্বাঃঅধিঃ/হাসঃ/নির্দেশনা/২০২৫/১৫ তাবিষঃ ০৫/০১/২০২৬ইং এর ক্রমিক নং-১ ও ৫ অনুযায়ী ল্যাব রিপোর্টে বিএমডিসি রেজিস্ট্রার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট/প্যাথলজি বিশেষজ্ঞ রেডিওলজি বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষর এর নির্দেশনা দেয়া আছে। নন-মেডিকেল বায়োকেমিস্টগণ স্বাক্ষর করতে পারবেন না&mdash;এইরূপ কোনো নির্দেশনা দেয়া নাই। তবে প্রতিটি রিপোর্টে স্বাক্ষরকারী/প্রতিস্বাক্ষরকারী হিসাবে অবশ্যই একজন মেডিকেল রেজিস্ট্রার্ড গ্র্যাজুয়েট এর স্বাক্ষর থাকতে হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে গত ৫ জানুয়ারি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্যাথলজি ও রেডিওলজি সেবা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নতুন নির্দেশনা প্রদান করে। এতে বলা হয়, <a href="https://medivoicebd.com/article/33945/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%93%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A6%BE" target="_blank"><span style="color:#990000">রিপোর্টে স্বাক্ষরকারীকে বিএমডিসি রেজিস্ট্রার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হওয়াসহ একাধিক শর্ত বাধ্যতামূলক</span></a> করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়, প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের জন্য আবেদনে উল্লিখিত প্যাথলজি বিশেষজ্ঞ রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ/মেডিকেল অফিসারে নিজ হস্তে প্রদত্ত স্বাক্ষর থাকতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়, প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর/অনলাইন রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য নয়, ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা ছাড়া অন্য স্থাপনা হতে নমুনা সংগ্রহ (স্যাম্পল কালেকশান) করা যাবে না, <span style="font-family:Times New Roman,Times,serif">Auto Generated </span>রিপোর্ট <span style="font-family:Times New Roman,Times,serif">Varify </span>করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের স্বাক্ষরসহ রিপোর্ট করতে হবে। একই সঙ্গে রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকগণকে বিএমডিসি রেজিস্ট্রার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এ ছাড়াও আরও চার ধরনের নির্দেশনা অধিদপ্তর।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><a href="https://medivoicebd.com/article/34009" target="_blank"><span style="color:#990000">রিপোর্টে চিকিৎসকের একক স্বাক্ষর নীতি বৈষম্যমূলক</span></a> আখ্যা দিয়ে বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকিউলার বায়োলজিস্টরা বলেন, দীর্ঘদিনের স্বীকৃত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ল্যাব ব্যবস্থাকে উপেক্ষা করে এ নীতি বাস্তবায়ন করা হলে <a href="https://medivoicebd.com/article/33982/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B2%E0%A6%95" target="_blank"><span style="color:#990000">রোগ নির্ণয় ও ডায়াগনোস্টিক সেবার গুণগত মান</span></a> মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">একই সঙ্গে এই নীতি স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্টস (বিএসিবি)। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্যাথলজি রিপোর্টে চিকিৎসকের একক স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করে <a href="https://medivoicebd.com/article/34134" target="_blank"><span style="color:#990000">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নোটিসের কার্যকারিতা স্থগিত করে হাইকোর্ট।</span></a></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ তথ্য জানিয়ে গত ২ মার্চ বিএসিবির আহ্বায়ক মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, &lsquo;আদালতের এই সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া অনিশ্চয়তা আপাতত দূর হয়েছে। আমরা আশা করছি, মাননীয় আদালতের চূড়ান্ত রায়ের মাধ্যমে বিষয়টি ন্যায্য ও বাস্তবসম্মত সমাধানের দিকে এগিয়ে যাবে, যা দেশের ল্যাবরেটরি সেবার মানোন্নয়ন এবং পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় সহায়ক হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify">এমইউ</p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>আনসার নিয়োগে তথ্য চেয়ে ৪৯৫ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিঠি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34687/আনসার-নিয়োগে-তথ্য-চেয়ে-৪৯৫-স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরের-চিঠি</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 12:25:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34687/আনসার-নিয়োগে-তথ্য-চেয়ে-৪৯৫-স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরের-চিঠি</guid>
			<description><![CDATA[৪৯৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তার জন্য আনসার নিয়োগ দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে সেবা কর্মীদের তথ্য চেয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।  রোববার (১৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></strong></span> <span style="font-size:16px">৪৯৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তার জন্য আনসার নিয়োগ দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য&nbsp;ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার (ইউএইচএফপিও)&nbsp;কাছে তথ্য চেয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোববার (১৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা.&nbsp;জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, &lsquo;স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের গত ১৭.৫.২০২৬ তারিখের ৪৫.০১.০০০০.১৪০.১১.০১৮.২৪-১৮৭২ নং স্মারকের আলোকে এবং অর্থ বিভাগের গত ১৪.৫.২০২৬ তারিখের ০৭.০০.০০০০..০০০.১৫৬.৯৯.০০০৬.২৬-১৮০ নং স্মারকে প্রেরিত নিম্নে প্রদত্ত ছক পুরণ&nbsp;করে চাহিদা মোতাবেক তথ্যাদি পত্র জারির ৩ (তিন) দিনের মধ্যে সরাসরি নিম্নস্বাক্ষরকারীর বরাবরে প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করা হইল।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1ALI5qEMP5x5mQdWSrunDIbinAf2ys4ve/view?usp=drive_link">►বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন</a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1ALI5qEMP5x5mQdWSrunDIbinAf2ys4ve/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>কঙ্গোতে ইবোলা আতঙ্ক, বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34686/কঙ্গোতে-ইবোলা-আতঙ্ক-বৈশ্বিক-জরুরি-অবস্থা-ঘোষণা-বিশ্ব-স্বাস্থ্য-সংস্থার</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 11:21:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34686/কঙ্গোতে-ইবোলা-আতঙ্ক-বৈশ্বিক-জরুরি-অবস্থা-ঘোষণা-বিশ্ব-স্বাস্থ্য-সংস্থার</guid>
			<description><![CDATA[ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্বের জন্য জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। রোববার (১৭ মে) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে এক বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্বের জন্য জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোববার (১৭ মে) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে এক বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংস্থাটি জানিয়েছে, ডিআর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে এ পর্যন্ত প্রায় ২৪৬টি সন্দেহভাজন সংক্রমণ এবং ৮০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে এই পরিস্থিতি এখনো মহামারি ঘোষণার মতো অবস্থা তৈরি হয় নি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, বর্তমানে যে সংখ্যক সংক্রমণ শনাক্ত ও রিপোর্ট করা হচ্ছে, বাস্তবে পরিস্থিতি এর চেয়ে আরো খারাপ হতে পারে। একই সঙ্গে স্থানীয় ও আঞ্চলিকভাবে রোগটি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও তৈরী হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বর্তমান ইবোলার যে ভাইরাসের কারণে সৃষ্টি হয়েছে, তার জন্য এখন পর্যন্ত অনুমোদিত কোনো ওষুধ বা টিকা নেই। রোগটির প্রাথমিক উপসর্গের মধ্যে রয়েছে জ্বর, পেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও গলা ব্যথা। পরে বমি, ডায়রিয়া, শরীরে ফুসকুড়ি এবং রক্তক্ষরণ দেখা দিতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানিয়েছে, ভাইরাসটি ডিআর কঙ্গোর সীমানা ছাড়িয়ে প্রতিবেশী উগান্ডাতেও ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দুইটি নিশ্চিত সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। উগান্ডার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মারা যাওয়া ৫৯ বছর বয়সী এক ব্যাক্তির শরীরে ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>২৭তম বিসিএস: নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী সার্জনদের সোমবারের মধ্যে যোগদানপত্র দাখিলের নির্দেশ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34685/২৭তম-বিসিএস-নবনিয়োগপ্রাপ্ত-সহকারী-সার্জনদের-সোমবারের-মধ্যে-যোগদানপত্র-দাখিলের-নির্দেশ</link>
			<pubDate>Mon, 18 May 2026 10:31:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34685/২৭তম-বিসিএস-নবনিয়োগপ্রাপ্ত-সহকারী-সার্জনদের-সোমবারের-মধ্যে-যোগদানপত্র-দাখিলের-নির্দেশ</guid>
			<description><![CDATA[২৭তম (স্বাস্থ্য) বিসিএসে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী সার্জনদের সোমবারের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। রোববার (১৭) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট</strong>:</span></span> <span style="font-size:16px">২৭তম&nbsp;বিসিএসে (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী সার্জনদের সোমবারের (১৮ মে)&nbsp;মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।&nbsp;রোববার (১৭) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, &lsquo;জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১৩.০৫.২০২৬ তারিখের ০৫.০০.০০০০.১৪৭.১১.০০৮.২৫(অংশ)-১৮১ সংখ্যক প্রজ্ঞাপনমূলে ২৭তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে নবনিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকগণকে ১৮ মে পূর্বাহ্নে স্বশরীরে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে (কক্ষ নং-৩৩৮, ভবন নং-৩, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা) উপস্থিত হয়ে যোগদানপত্র&nbsp;স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের&nbsp;সচিব&nbsp;বরাবর দাখিল করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আদেশের অনুলিপি অবগতির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1TKWHl_z0Ao-Te-QJCIP00zD1z53DQPvr/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>►বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন</strong></span></span></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1TKWHl_z0Ao-Te-QJCIP00zD1z53DQPvr/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিএনপি দায়িত্ব নেওয়ার সময় হামের টিকার মজুদ ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34684/বিএনপি-দায়িত্ব-নেওয়ার-সময়-হামের-টিকার-মজুদ-ছিল-না-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 21:13:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34684/বিএনপি-দায়িত্ব-নেওয়ার-সময়-হামের-টিকার-মজুদ-ছিল-না-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[দেশে হামে ও হামের উপসর্গে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় কোনো দায় আছে কি না নির্দিষ্ট করে বললে সংশোধন করে নেবেন বলে জানিয়েছেন  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, আমি জানি না আমার কোনো অবহেলা আছে কি না। ’ আজ রোববার (১৭ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত ‘হাম ও ডেঙ্গু রোগ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা ও প্রতিরোধই সর্বোত্তম পন্থা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> দেশে হামে ও উপসর্গে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় কোনো দায় আছে কি-না, নির্দিষ্ট করে বললে সংশোধন করে নেবেন বলে জানিয়েছেন &nbsp;স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, আমি জানি না আমার কোনো অবহেলা আছে কি না।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ রোববার (১৭ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত &lsquo;হাম ও ডেঙ্গু রোগ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা ও প্রতিরোধই সর্বোত্তম পন্থা&rsquo; শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, &lsquo;বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় হামের টিকার কোনো মজুত ছিল না। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর দেশে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি না হওয়া এবং টিকার তীব্র ঘাটতি বর্তমান হামের প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;২০২০ সালের ডিসেম্বরে সর্বশেষ হয়েছে, তারপরে ২৬ পর্যন্ত আমরা শুরু করার আগ পর্যন্ত মিজেলসের (হামের) কোনো টিকা দেওয়া হয় নাই। এমনকি মিজেলসের (হামের) একটা টিকাও আমাদের হাতে ছিল না।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হামের প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার ১৮ ঘণ্টার মধ্যেই আইসিইউ চালু করা হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার কুর্মিটোলা, শিশু হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ আরও ১০টি হাসপাতালে আইসিইউ চালু হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) বরাত দিয়ে এক সাংবাদিক মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ইপিআই বলছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে টিকার কোনো ঘাটতি ছিল না, অব্যবস্থাপনার কারণে টিকাদানে ধীরগতি ছিল। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমি সত্য বলেছি, নাকি ইপিআই? দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি কোনো টিকা পাইনি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, &lsquo;হাম থেকে নিউমোনিয়ায় যাওয়ার অন্যতম কারণ পুষ্টির অভাব। মায়ের শরীরে কোনো পুষ্টি নেই। আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখেছি, হামে আক্রান্ত শিশুদের মায়েদের শরীরে পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে। এসব মায়েরা শিশুদের পর্যাপ্ত ব্রেস্টফিডিং করান না। বাচ্চারা ৯ মাস পর্যন্ত মায়ের কাছ থেকেই ইমিউনিটি নিয়ে থাকে। বাচ্চাদের যদি মায়েরা নিয়মিত বুকের দুধ না খাওয়ান, তাহলে বাচ্চা তো অপুষ্টিতে থাকবেই। এই পুষ্টির অভাবে অধিকাংশ শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এর ফলেই শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের শরীরে র&zwnj;্যাশ দেখা দেওয়ার চার দিন আগে থেকেই অন্যের শরীরে হাম ভাইরাস ছড়াতে থাকে। একজন হামের রোগী সর্বোচ্চ ১৮ জনকে হাম ছড়াতে পারে। তাই বর্তমান সময়ে শিশুদের অন্য বাচ্চাদের থেকে একটু নিরাপদে রাখতে হবে। হাসপাতালগুলোতেও নির্দেশনা দিয়েছি, তারা যেন হামে আক্রান্ত শিশুদের আইসোলেশনের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সচেতন থাকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে ড্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কেনানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ডা. মো. আব্দুস সালাম, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ প্রমুখ।</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ডা. নাসিরের খোঁজ নিতে ঢামেকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34683/ডা-নাসিরের-খোঁজ-নিতে-ঢামেকে-প্রধানমন্ত্রীর-সহকারী-ব্যক্তিগত-চিকিৎসক</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 19:45:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34683/ডা-নাসিরের-খোঁজ-নিতে-ঢামেকে-প্রধানমন্ত্রীর-সহকারী-ব্যক্তিগত-চিকিৎসক</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে দায়িত্বরত অবস্থায় হামলার শিকার চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলামের খোঁজ নিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিশিষ্ট ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু। আজ রোববার (১৭ মে) তিনি ঢামেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ডা. নাসিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে দায়িত্বরত অবস্থায় হামলার শিকার চিকিৎসক ডা. নাসির উদ্দিনের খোঁজ নিতে&nbsp;ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিশিষ্ট ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ রোববার (১৭ মে) ঢামেক হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ডা. নাসিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় ডা. বিটু বলেন, &lsquo;দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসকদের ওপর এ ধরনের বর্বর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা দেশের স্বাস্থ্যসেবার স্বাভাবিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং চিকিৎসকদের মাঝে চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একজন চিকিৎসকের ওপর শারীরিক হামলা শুধু তাৎক্ষণিক ক্ষতিই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি মানসিক যন্ত্রণারও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি ডা. নাসিরের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও যত্ন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় ডা. নাসিরের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দ্রুত &lsquo;স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা রক্ষা আইন&rsquo; প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়ে ঢামেক&nbsp;হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. আসাদুজ্জামান এবং উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসাররাত সুলতানার সঙ্গে&nbsp; আলোচনা করেন ডা. বিটু।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় উপস্থিত ছিলেন&nbsp;ঢামেকের সহকারী পরিচালক ডা. আশরাফুল আলম, অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, ড্যাবের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ডা. মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান নোমান, এসওএসবির সদস্য সচিব ডা. আহমেদ সামি আল হাসান, ডা. মাসুদ রানা, অধ্যাপক ডা. শাদরুল আলম, ডা. রাশেদুল হাসান রিপন, ডা. মাহমুদ আলী বাবু, ডা. মিনার হোসেন, ডা. সামিউর রহমান সামী, ডা. মেহরাব হোসেন, ডা. জামশেদ তুষার, ডা. জাহিদ হাসান, ডা. রুম্মান খান, ডা. মামুন, ডা. হাফিজুর রহমান, ডা. রাজিব হাসান, ডা. হারুন অর রশীদ, ডা. আশীক ও&nbsp;ডা. রাহাত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, গত ১৫ মে রাতে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>চিকিৎসা সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবিতে পাবনায় স্বাস্থ্যকর্মীদের মানববন্ধন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34682/চিকিৎসা-সুরক্ষা-আইন-বাস্তবায়নের-দাবিতে-পাবনায়-স্বাস্থ্যকর্মীদের-মানববন্ধন</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 19:21:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34682/চিকিৎসা-সুরক্ষা-আইন-বাস্তবায়নের-দাবিতে-পাবনায়-স্বাস্থ্যকর্মীদের-মানববন্ধন</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং চিকিৎসা সুরক্ষা আইন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন করেছে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) পাবনা জেলা শাখা, ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) এবং পাবনা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল। আজ রোববার (১৭ মে) দুপুরে পাবনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></strong></span><span style="font-size:16px"> শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং চিকিৎসা সুরক্ষা আইন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন করেছে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) পাবনা জেলা শাখা, ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) এবং পাবনা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ&nbsp;রোববার (১৭ মে) দুপুরে পাবনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে&nbsp;এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চিকিৎসকরা দিনরাত রোগীদের সেবায় নিয়োজিত থাকলেও বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে তারা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন। শরীয়তপুরে ডা. নাসিরের ওপর হামলার ঘটনাকে ন্যক্কারজনক উল্লেখ করে তারা দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একইসঙ্গে চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে চিকিৎসা সুরক্ষা আইন দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান জানান। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বক্তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ড্যাব পাবনা জেলা শাখার সদস্য সচিব ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. শামীম খাতুন পলি, আইডিএ পাবনা জেলা শাখার সভাপতি ডা. তামিম ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ডা. তানিয়া তাজনিম, পাবনা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ডা. সাগর মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল শুভ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এসময় উপস্থিত ছিলেন ডা. সিরাজুল আলম রাকিব, ডা. শামসুল আলম মালিথা, ডা. হাসানুজ্জামান টুটুল, ডা. ফাহমিদুল হাসান নুরসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/টিআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ঢাবি ফার্মেসি অনুষদে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া-রেগুলেশন বিষয়ক সেমিনার</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34681/ঢাবি-ফার্মেসি-অনুষদে-ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া-রেগুলেশন-বিষয়ক-সেমিনার</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 19:09:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34681/ঢাবি-ফার্মেসি-অনুষদে-ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া-রেগুলেশন-বিষয়ক-সেমিনার</guid>
			<description><![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মেসী অনুষদের উদ্যোগে ‘একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি-রেগুলেটরি অথরিটি: টুওয়ার্ডস এক্সেলেন্স’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী লেকচার থিয়েটারে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মেসি&nbsp;অনুষদের উদ্যোগে &lsquo;একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি-রেগুলেটরি অথরিটি: টুওয়ার্ডস এক্সেলেন্স&rsquo; শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি লেকচার থিয়েটারে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। এ সময় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় ফার্মেসি&nbsp;বিভাগের অ্যালামনাই মোহা. আলমগীর হোসেনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন। সেমিনারে জাইকার প্রধান উপদেষ্টা সায়েরি মুতো এবং মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞ ড. ইতো মিকা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এমিরিটাস অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল মুক্তাদির, রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী, হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ও ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব মুহাম্মদ হালিমুজ্জামান, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের নির্বাহী সহ-সভাপতি মাহবুবুল হাসান পল্লবসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়াও বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব মো. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট ফোরামের সভাপতি মো. আজিবুর রহমান এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি&nbsp;বিভাগের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম দেশের ওষুধ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির কার্যকর অংশীদারিত্ব এবং যৌথ গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, &lsquo;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আধুনিক টিকা গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের টাকা বাঁচাতে ওষুধের কাঁচামাল দেশেই উৎপাদন করতে হবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে ফার্মেসি&nbsp;বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জাকির আহমেদ চৌধুরী ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি&nbsp;ও ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রভাষক মোকাদ্দাস ফ্লোরা অনন্ত এবং ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের প্রভাষক ফারিয়া নাসরিন।</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম ও উপসর্গে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34680/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-ছয়-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 18:21:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34680/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-ছয়-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার (১৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ রোববার&nbsp;(১৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২৪৩ জনের। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৭৬৭ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮৪ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৫৯ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছে এক হাজার ২৭৪ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ৬৪ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ৯৯ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ডা. নাসিরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন এনডিএফ নেতারা, আর্থিক সহায়তা প্রদান</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34679/ডা-নাসিরের-চিকিৎসার-খোঁজ-নিলেন-এনডিএফ-নেতারা-আর্থিক-সহায়তা-প্রদান</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 18:16:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34679/ডা-নাসিরের-চিকিৎসার-খোঁজ-নিলেন-এনডিএফ-নেতারা-আর্থিক-সহায়তা-প্রদান</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের সংঘবদ্ধ হামলায় গুরুতর আহত ডা. মো. নাসির উদ্দিনের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নিয়েছে ন্যাশনাল ডক্টর ফোরাম (এনডিএফ)। আজ রোববার (১৭ মে) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তাকে দেখতে যান তারা। এ সময় তার চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে সংগঠনটি। এনডিএফের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউলের নেতৃত্বে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন জয়েন্ট সেক্রেটারি ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব, বিশিষ্ট শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, শিশু সার্জন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মঈনুল হক। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের সংঘবদ্ধ হামলায় গুরুতর আহত ডা. মো. নাসির উদ্দিনের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নিয়েছে জামায়াত সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ন্যাশনাল ডক্টর ফোরাম (এনডিএফ)। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ রোববার (১৭ মে) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তাকে দেখতে যান তারা। এ সময় ডা. নাসিরের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে&nbsp;আর্থিক সহায়তা প্রদান করে সংগঠনটি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনডিএফের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউলের নেতৃত্বে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন জয়েন্ট সেক্রেটারি ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, শিশু সার্জন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মঈনুল হক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনডিএফ সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল। ডা. নাসিরের চিকিৎসা&nbsp;সুন্দরভাবে চলার ক্ষেত্রে এনডিএফ কি ভূমিকা নিয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, &lsquo;সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলেছি। আর আমাদের পক্ষ থেকে আর্থিক কিছু সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমরা চিকিৎসকের পাশে দাঁড়াতে চাই।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বলেন, &lsquo;ডা. নাসির উদ্দিনের ওপর হামলা নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা কথা বলেছি। বিরোধী দলকে ইনভলব করেছি। সরকার ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের দাবি হলো, কেউ যেন ছাড় না পায়। যারা অন্যায় করেছে, দলীয় পরিচয়ের কারণে যেন, অতীতের মতো ঘটনাগুলোর&nbsp;পুনরাবৃত্তি না ঘটে। দুর্বৃত্তরা যেন ছাড় না পায়। আমরা মনে করি, এই চিকিৎসকেরও কোনো রাজনৈতিক পরিচয় সামনে আসা উচিত না। একইভাবে দুর্বৃত্তের কোনো রাজনৈতিক আশ্রয় থাকা উচিত না। হামলায় জড়িতদের প্রত্যেকের আইনের আওতায় আসা উচিত।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও&nbsp;বলেন, &lsquo;স্বাস্থ্যসেবায় নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, এমনকি ওয়ার্ডবয়-ক্লিনারের যথেষ্ট ভূমিকা আছে। সুতরাং সকলকে নিরাপত্তা দিতে হবে। আর যদি কোথাও চিকিৎসার গাফলতি হয়, সেটার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া কিংবা&nbsp;যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঠানো যায়। এগুলো হলো কাজ। মানুষ কাজ করতে গিয়ে ভুল করতে পারেন, তাই বলে বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে আমরা লালন করতে পারি না। এটা কোনো সভ্য দেশের নমুনা হতে পারে না। শরীয়তপুরে যেটা ঘটেছে, আমরা ভিডিওতে দেখেছি, মানুষ এত উম্মত্ত হয়ে কী করে একজন চিকিৎসকের &zwj;উপর হামলে পড়তে পারে?&nbsp;এটা অবিশ্বাস্য, অত্যন্ত নিন্দনী এবং জঘন্য অপরাধ! আমরা সরকারকে বলবো, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। খুঁজে বের করে সকল দোষী ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। কোনো রকম ছাড় দেওয়ার চেষ্টা যেন এখানে না থাকে। অল্প সময়ের মধ্যে এটা আমরা চাই। তা না হলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হবে, চিকিৎসকরা কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সুরক্ষা আইনের ব্যাপারে তিনি বলেন, &lsquo;বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেই আনসার নিয়োগের কথা বলেছে। আমরা এই তৎপরতাকে সাধুবাদ জানাই। কেউ কোনো ভাল কাজ করলে, ইতিবাচক কাজ করলে আমরা অবশ্যই সাধুবাদ জানাবো। কিন্তু কাজগুলো আরও দ্রুততার সঙ্গে করা উচিত। না হলে ঘটনা ঘটতেই থাকবে। আমরা মনে করি, সরকার ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জনগণকে সতর্ক করা উচিত। প্রশাসনের দায়িত্ব স্বাস্থ্যসেবায় সম্পৃক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেজন্য জনসচেতনা&nbsp;তৈরির কাজটি আমরাও করছি, তাদেরও বলা উচিত।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা আছে। গণমাধ্যম জাতির তৃতীয় চক্ষু।&nbsp;আপনাদের দায়িত্ব হলো যথোপযুক্ত সংবাদ পরিবেশন করা। অন্যায়কে অন্যায়, সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলা। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ&rsquo;&mdash;যোগ করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত,&nbsp;শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাসখান এলাকার লাল মিয়া কাজী (৪৫) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার (১৫ মে) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন, যার রক্তচাপ ছিল ৬০/৪০ মাত্রার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগীর&nbsp;গুরুতর&nbsp;অবস্থা </span><span style="font-size:16px">আত্মীয়-স্বজনকে&nbsp;বিস্তারিত অবহিত করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করেন চিকিৎসক। কিন্তু স্বজনরা ঢাকায় নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং রিস্ক বন্ডে স্বাক্ষর করে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি রাখেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাত সাড়ে ১২টার দিকে হার্ট অ্যাটাকজনিক শকে থাকা এ রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে। এক পর্যায়ে তিনি মারা যান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এরপর চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে&mdash;এমন অভিযোগ তুলে রাত ১টার দিকে স্বজনেরা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি রুমে ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ জড়ো করে। তারা দয়িত্বরত ডা. নাসিরকে বেধড়ক মারতে থাকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্র জানায়, এক পর্যায়ে দরজার কাচ ও দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে তারা। পরিস্থিতি খারাপ দেখে ডা. নাসির ওয়াশরুমে আশ্রয় নেন, সেটা ভেঙে তাকে মারতে মারতে বের করে আনে। ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পুলিশ আসতে আসতে ডা. নাসিরকে মেরে আধমরা অবস্থায় ডায়রিয়া ওয়ার্ড থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হামলায় গুরুতর আহত জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাসির ইসলামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হেলিকপ্টারে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শরীয়তপুরে ডা. নাসিরের ওপরে হামলার প্রতিবাদে এনডিএফ’র মানববন্ধন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34678/শরীয়তপুরে-ডা-নাসিরের-ওপরে-হামলার-প্রতিবাদে-এনডিএফর-মানববন্ধন</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 17:05:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34678/শরীয়তপুরে-ডা-নাসিরের-ওপরে-হামলার-প্রতিবাদে-এনডিএফর-মানববন্ধন</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের ডা. নাসির উদ্দিনের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)। আজ রোববার (১৭ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইনের দাবি জানান তারা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> </span></span><span style="font-size:16px">শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের ডা. নাসির উদ্দিনের&nbsp;উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)। আজ রোববার (১৭ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে চিকিৎসক&nbsp;ও স্বাস্থ্যকর্মী&nbsp;সুরক্ষা আইনের দাবি জানান তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন। এনডিএফের সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. এ কে এম ওয়ালিউল্লাহ, সহ-সভাপতি ডা. মো. আতিয়ার রহমান, জয়েন সেক্রেটারি ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব, অফিস সম্পাদক ডাক্তার এ কে এম জিয়াউল হক, বিসিএস হেলথ ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক মাহমুদ হোসেন বলেন, এই ধরনের হামলা কোনো সুস্থ মানুষ মেনে নিতে পারে না। চিকিৎসকদের&nbsp;ওপর হামলা বরদাস্ত করা হবে&nbsp;না। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময়&nbsp;স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি দ্রুত&nbsp;বাস্তবায়ন চান এনডিএফ সেক্রেটারি। বলেন, &lsquo;কোনো চিকিৎসক নিপীড়িত বা অপদস্ত হলে আমরা শুধু প্রতিবাদ জানাব না, কঠোর কর্মসূচিও ঘোষণা করব। চিকিৎসকদের আর&nbsp;অসহায় অবস্থায় ছাড়ব না। আমরা শুধু ডা. নাসিরের পাশে নয়, সকল চিকিৎসাকর্মীর পাশে আছি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনডিএফ দেশের স্বাস্থ্য কাঠামোকে উন্নত, যুগোপযোগী ও পরিবর্তন করতে চায় জানিয়ে ডা. মাহমুদ হোসেন বলেন, &lsquo;আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রস্তাবনা ও তথ্য আছে, যা আগামী ২১ তারিখের বাজেটপূর্ব আলোচনায় উপস্থাপন করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সব পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণ করুন, দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করুন এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সকলের কাছে&nbsp;আহ্বান জানাচ্ছি। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পাশাপাশি চিকিৎসকদের সুরক্ষা নিশ্চিতেরও দাবি জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) এনডিএফ সহ-সভাপতি ডা. মুক্তার আলি লস্কর ডা. নাসিরুদ্দিনের ওপরে নির্মমভাবে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এই ঘটনায় জড়িতদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিসিএস হেলথ ফোরামের সভাপতি মোস্তফিজুর রহমান বলেন, হামে দেশ যেখানে সংকটকালীন মুহূর্ত পার করছে, সেখানে আমার রাজপথে থাকার কথা ছিল না। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসকদের ওপর&nbsp;হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন,&nbsp;&lsquo;এই&nbsp;আক্রমণ&nbsp;কোনো ব্যক্তির ওপরে&nbsp;নয়, এটি স্বাস্থ্যখাতের ওপর&nbsp;আক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাই, এই হামলা আপনার নিজের ওপরে মনে করে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনুন এবং চিকিৎসকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করুন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা নেই উল্লেখ করে ডা. আতিউর রহমান বলেন, &lsquo;আমরা চিকিৎসা দিবো, কিন্তু আমাদের ওপরে আক্রমন হলে আমরা কীভাবে চিকিৎসা দিবো?&nbsp;এই সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানববন্ধনে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সহ-সভাপতি আব্দুর ওহাব মিনার বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন পরবর্তী এই ঘটনা দুঃখজনক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. নাসিরকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করে&nbsp;তিনি বলেন, &lsquo;চিকিৎসক সুরক্ষা আইন পাস&nbsp;না হওয়া পর্যন্ত আপনারা গলায় স্টেথোস্কোপের পাশাপাশি একটা বাশের লাঠিও রাখবেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন চক্ষু বিশেষঙ্গ ডা. এ কে এম ওয়ালিউল্লাহ, ডা. হাসান আল বান্না, ডা. সারোয়ার জাহান তুহিনসহ&nbsp;বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক, ইন্টার্ন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাসখান এলাকার লাল মিয়া কাজী (৪৫) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার (১৫ মে) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন, যার রক্তচাপ ছিল ৬০/৪০ মাত্রার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগীর&nbsp;গুরুতর&nbsp;অবস্থা </span><span style="font-size:16px">আত্মীয়-স্বজনকে&nbsp;বিস্তারিত অবহিত করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করেন চিকিৎসক। কিন্তু স্বজনরা ঢাকায় নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং রিস্ক বন্ডে স্বাক্ষর করে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি রাখেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাত সাড়ে ১২টার দিকে হার্ট অ্যাটাকজনিক শকে থাকা এ রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে। এক পর্যায়ে তিনি মারা যান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এরপর চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে&mdash;এমন অভিযোগ তুলে রাত ১টার দিকে স্বজনেরা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি রুমে ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ জড়ো করে। তারা দয়িত্বরত ডা. নাসিরকে বেধড়ক মারতে থাকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্র জানায়, এক পর্যায়ে দরজার কাচ ও দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে তারা। পরিস্থিতি খারাপ দেখে ডা. নাসির ওয়াশরুমে আশ্রয় নেন, সেটা ভেঙে তাকে মারতে মারতে বের করে আনে। ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পুলিশ আসতে আসতে ডা. নাসিরকে মেরে আধমরা অবস্থায় ডায়রিয়া ওয়ার্ড থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হামলায় গুরুতর আহত জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাসির ইসলামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হেলিকপ্টারে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষে বিএমইউতে র‌্যালি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34677/বিশ্ব-উচ্চ-রক্তচাপ-দিবস-উপলক্ষে-বিএমইউতে-র্যালি</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 17:04:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34677/বিশ্ব-উচ্চ-রক্তচাপ-দিবস-উপলক্ষে-বিএমইউতে-র্যালি</guid>
			<description><![CDATA[বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।  আজ রোববার (১৭ মে)  কার্ডিওলজি বিভাগের উদ্যোগে বিএমইউ ক্যাম্পাসে এই র‌্যালি বের হয়। র‌্যালি শেষে বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষে&nbsp;বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) র&zwnj;্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ রোববার (১৭ মে) &nbsp;কার্ডিওলজি বিভাগের উদ্যোগে বিএমইউ ক্যাম্পাসে এই র&zwnj;্যালি বের হয়। র&zwnj;্যালি শেষে বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ মুকিত, অধ্যাপক ডা. মনজুর মাহমুদ, অধ্যাপক ডা. মোখলেছুর রহমান, অধ্যাপক ডা. এস এম আহসান হাবীব, অধ্যাপক ডা. দিপল কৃঞ্চ অধিকারী, অধ্যাপক ডা. এটিএম ইকবাল হাসান প্রমুখ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও কার্ডিওলজি বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্ট শিক্ষার্থী ও দেশের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞগণ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ক্যান্সার প্রতিরোধে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রতিমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34676/ক্যান্সার-প্রতিরোধে-প্রাথমিক-স্বাস্থ্যসেবায়-সরকারের-সর্বোচ্চ-গুরুত্ব-প্রতিমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 15:56:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34676/ক্যান্সার-প্রতিরোধে-প্রাথমিক-স্বাস্থ্যসেবায়-সরকারের-সর্বোচ্চ-গুরুত্ব-প্রতিমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[ক্যান্সার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে মূল ভিত্তি ধরে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ক্যান্সার চিকিৎসা সহজলভ্য করতে সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। শনিবার (১৬ মে) সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ হেলথ কোঅর্ডিনেশন ফোরামের ‘কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে ক্যান্সার চিকিৎসা’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">ক্যান্সার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে মূল ভিত্তি ধরে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ক্যান্সার চিকিৎসা সহজলভ্য করতে সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শনিবার (১৬ মে) সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ হেলথ কোঅর্ডিনেশন ফোরামের &lsquo;কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে ক্যান্সার চিকিৎসা&rsquo; শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশের পক্ষে দেওয়া বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ক্যান্সার চিকিৎসাকে সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধব করতে এটিকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কাঠামোর সঙ্গে একীভূত করা জরুরি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি জানান, ২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং এক&nbsp;লাখ ১৬ হাজারের বেশি মানুষ ক্যান্সারজনিত কারণে মারা যাচ্ছেন। সময়মতো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার অভাব, পাশাপাশি উচ্চ চিকিৎসা ব্যয় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার জাতীয় ক্যান্সার ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন এবং সমন্বিত এনসিডি (অসংক্রামক ব্যাধি) কৌশল প্রণয়ন করা করেছে। পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার জন্য হাসপাতালভিত্তিক ক্যান্সার রেজিস্ট্রি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে সরকারের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশব্যাপী কয়েক লাখ কিশোরীকে এইচপিভি টিকার আওতায় আনা হয়েছে। একই সঙ্গে জরায়ুমুখ, স্তন ও মুখগহ্বরের ক্যান্সার স্ক্রিনিং এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তে কমিউনিটি-ভিত্তিক কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, তবে স্বাস্থ্য খাতের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিশেষায়িত অবকাঠামোর ঘাটতি, দক্ষ জনবলের অভাব, সেবার অসম বণ্টন এবং উচ্চ চিকিৎসা ব্যয় এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় রাজধানীর বাইরে ক্যান্সার চিকিৎসা বিকেন্দ্রীকরণ এবং প্যাথলজি ও অনকোলজি খাতের উন্নয়নে কাজ চলছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ড. এম এ মুহিত বলেন, ক্যান্সার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে হবে। দক্ষ জনবল তৈরি, ক্যান্সার গবেষণা, ডিজিটাল হেলথ এবং স্ক্রিনিং কার্যক্রম জোরদারে সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। এসময় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ও সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে কমনওয়েলথ সদস্য রাষ্ট্র, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের সঙ্গে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ডা. নাসিরের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিএমইউতে চিকিৎসকদের মানববন্ধন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34675/ডা-নাসিরের-ওপর-হামলার-প্রতিবাদে-বিএমইউতে-চিকিৎসকদের-মানববন্ধন</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 13:48:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34675/ডা-নাসিরের-ওপর-হামলার-প্রতিবাদে-বিএমইউতে-চিকিৎসকদের-মানববন্ধন</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ৪৮তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের চিকিৎসক ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) নিউরোসার্জারি বিভাগের রেসিডেন্ট ডা. নাসির ইসলামের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি করেছে বিএমইউর গ্রাজুয়েট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। আজ রোববার ( ১৭ মে) সকালে বিএমইউর সি ব্লকে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</span></span></strong><span style="font-size:16px">শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ডা. নাসির ইসলামের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন&nbsp;ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন&nbsp;করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ)&nbsp;গ্রাজুয়েট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ রোববার ( ১৭ মে) সকালে বিএমইউর সি ব্লকে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানববন্ধনে চিকিৎকরা বলেন, আমরা রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে বাড়ি পাঠাতে চাই, আর আপনারা আমাদের পিটিয়ে হাসপাতালেই রাখতে চান। আমাদের সহকর্মীদের ওপর যদি এভাবে হামলা চলতে থাকে, তাহলে চিকিৎসা সেবা অব্যাহত থাকবে কীভাবে? অতীতেও আমরা এ ধরনের ঘটনায় বহু সহকর্মীকে হারিয়েছি। আমরা আর কোনো ভাই-বোনকে হারাতে চাই না, কোনো চিকিৎসকের ওপর আর কোনো ধরনের আঘাত দেখতে চাই না।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">তারা আরও বলেন, চিকিৎসকরা কখনোই রাস্তায় নামতে চায় না। আমরা হাসপাতালের ভেতরে&nbsp;থেকেই&nbsp;রোগীদের সেবা দিতে চাই। এজন্য আমাদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। একজন চিকিৎসকের অসহায়ত্ব তখনই প্রকাশ পায়, যখন হাসপাতালে সঠিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সরঞ্জামের ব্যবস্থা থাকে না। এসব ঘাটতির দায় চিকিৎসকদের ওপর চাপানো একেবারেই অযৌক্তিক ও হাস্যকর।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">তারা বলেন, দেশের প্রতিটি মহামারীতে চিকিৎসকরা জীবন বাজি রেখে সেবা দিয়েছেন। অথচ সেই চিকিৎসকদের ওপর যদি হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত আসে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এসব আর মেনে নেব না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে&nbsp;অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় ড্যাবের সহ-দপ্তর সম্পাদক ডা. সফিক বলেন, ডা. নাসির ইসলামের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং চিকিৎসক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংগঠনের সদস্য সচিব ডা. সাইদুজ্জামান উপল বলেন, দোষীদের ন্যূনতম ৭-১০ বছরের কারাদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতালগুলোতে সশস্ত্র আনসার মোতায়েন এবং আলাদা&nbsp;হেলথ পুলিশ ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আল আমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তন্ময় ও&nbsp;ডা. মিসবাহসহ নিউরোসার্জারি বিভাগ এবং অন্যান্য বিভাগের রেসিডেন্ট ও নন-রেসিডেন্ট চিকিৎসকরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করেন&nbsp;নিউরোসার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ধীমান চৌধুরী, ইএনটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবদুল আলম চৌধুরীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা। এ সময়&nbsp;তারা ডা. নাসির ইসলামের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ডা. নাসিরকে পিটিয়ে গুরুতর আহতের মামলায় গ্রেপ্তার ৬</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34674/ডা-নাসিরকে-পিটিয়ে-গুরুতর-আহতের-মামলায়-গ্রেপ্তার-৬</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 10:42:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34674/ডা-নাসিরকে-পিটিয়ে-গুরুতর-আহতের-মামলায়-গ্রেপ্তার-৬</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ডা. মো. নাসির উদ্দিনের ওপর স্বজনদের সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন সলেমান কাজী (৩০), জসিম কাজী (৪০), আব্দুল জলিল কাজী (৩২), রবিউল কাজী (৩২), জায়েদা বেগম (৬০) ও আয়েশা মনি (১৯)। তাঁরা শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাশখান এলাকার বাসিন্দা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ডা. মো. নাসির উদ্দিনের ওপর স্বজনদের সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা হলেন সলেমান কাজী (৩০), জসিম কাজী (৪০), আব্দুল জলিল কাজী (৩২), রবিউল কাজী (৩২), জায়েদা বেগম (৬০) ও আয়েশা মনি (১৯)। তাঁরা শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাশখান এলাকার বাসিন্দা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পালং মডেল থানার সূত্রে জানা গেছে, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় শনিবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের চিকিৎসক মোহাম্মদ আকরাম এলাহী বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪০ থেকে ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ধারণ ক্ষমতার চেয়ে তিন থেকে চার গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকায় ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। এ সময় ইমার্জেন্সি রুমে রোগীদের সেবা দিচ্ছিলেন ডা. নাসির।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাসখান এলাকার লাল মিয়া কাজী (৪৫) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন, যার রক্তচাপ ছিল ৬০/৪০ মাত্রার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগীর আত্মীয়-স্বজনকে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে অবহিত করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করা হয়। কিন্তু স্বজনরা ঢাকায় নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং রিস্ক বন্ডে স্বাক্ষর করে রোগীকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি রাখেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাত সাড়ে ১২টার দিকে হার্ট অ্যাটাকজনিক শকে থাকা এ রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে। এক পর্যায়ে তিনি মারা যান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এরপর চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে&mdash;এমন অভিযোগ তুলে রাত ১টার দিকে স্বজনেরা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি রুমে ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ জড়ো করে। তারা দয়িত্বরত ডা. নাসিরকে বেধড়ক মারতে থাকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বাধা দিলে তিনজন আনসার সদস্যও তাদের হামলায় গুরুতর আহত হয়। পুলিশ আসতে আসতে আসতে ডা. নাসিরকে মেরে আধমরা অবস্থায় ডায়রিয়া ওয়ার্ড থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হামলায় গুরুতর আহত জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাসির ইসলামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হেলিকপ্টারে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্র জানায়, এক পর্যায়ে দরজার কাচ ও দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে তারা। পরিস্থিতি খারাপ দেখে ডা. নাসির ওয়াশরুমে আশ্রয় নেন, সেটা ভেঙে তাকে মারতে মারতে বের করে আনে। ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগীর অবস্থা খারাপ গুরুতর দেখে ঢাকায় রেফার করেছিলেন জানিয়ে আহত চিকিৎসক নাসির ইসলাম বলেন, &lsquo;স্বজনরা রাতে যেতে রাজি হয়নি। মৃত্যুর পর আচমকা তারা কক্ষে ঢুকে আমার মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে।&rsquo;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সরকারি ভাতা পাবে সকল প্রতিবন্ধী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34673/সরকারি-ভাতা-পাবে-সকল-প্রতিবন্ধী-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Sun, 17 May 2026 09:44:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34673/সরকারি-ভাতা-পাবে-সকল-প্রতিবন্ধী-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[আগামী আট বছরের মধ্যে দেশের সকল প্রতিবন্ধীকে সরকারি ভাতার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেন, ‘যাদের পরিবারে প্রতিবন্ধী আছে আপনারা নাম জমা দিয়ে দেবেন। নির্বাচনের আগে বলেছিলাম বেহেশতের টিকিট দেব না। কিন্তু এমন একটি জিনিস দেব, যার মাধ্যমে আল্লাহ এই দুনিয়াতে আপনাদের কল্যাণ দান করবেন।’ শনিবার (১৬ মে) বিকেলে নরসিংদীর বেলাবো উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">আগামী আট বছরের মধ্যে দেশের সকল প্রতিবন্ধীকে সরকারি ভাতার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেন, &lsquo;যাদের পরিবারে প্রতিবন্ধী আছে আপনারা নাম জমা দিয়ে দেবেন। নির্বাচনের আগে বলেছিলাম বেহেশতের টিকিট দেব না। কিন্তু&nbsp;এমন একটি জিনিস দেব, যার মাধ্যমে আল্লাহ এই&nbsp;দুনিয়াতে&nbsp;আপনাদের কল্যাণ দান করবেন।&rsquo;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শনিবার (১৬ মে) বিকেলে নরসিংদীর বেলাবো উপজেলা পরিষদ&nbsp;হলরুমে&nbsp;আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তিনটা জিনিস আমরা দিচ্ছি, যাতে ভালোভাবে জীবনযাপন করে আল্লাহর ইবাদত করে সুখী মনে সন্তানদের লালনপালন করে মাতৃত্বের পরিচয় দিতে পারেন। সেই কারণে আড়াই হাজার টাকা করে মাসে আপনারা পাবেন এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">উপস্থিত ভাতা সুবিধাভোগী নারীদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ১২ মাসে ৩০ হাজার টাকা জমা নেবেন। জামাইয়ের কাছে আপনাদের ঘুরতে হবে না বলেছিলাম। জামাইরা ঘুরে হাত পাতবে, টাকা দাও, টাকা দাও। এটা বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, দেশে নতুন ওষুধ এসেছে, &lsquo;লেবার পেইনকে বিলম্বিত করে নরমাল ডেলিভারি করার জন্য। সেই কারণে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করতে যাচ্ছি। আপনারা ধৈর্যের সঙ্গে আমাদের চিকিৎসা সেবা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। সকল নাগরিকদের জন্য আমরা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করব ইনশাআল্লাহ।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরে চাঁদপুর থেকে অনলাইনে দেশে দ্বিতীয় দফায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় নরসিংদী থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড থেকে ৩৬৬ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসন আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাফসা নাদিয়া, জেলা বিএনপির সহসভাপতি তোফাজ্জল হোসেন লিয়াকত, বেলাবো উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আহসান হাবিব বিপ্লব প্রমুখ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের নতুন পরিচালক অধ্যাপক নুরুজ্জামান খান</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34672/নিউরোসায়েন্সেস-হাসপাতালের-নতুন-পরিচালক-অধ্যাপক-নুরুজ্জামান-খান</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 23:49:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34672/নিউরোসায়েন্সেস-হাসপাতালের-নতুন-পরিচালক-অধ্যাপক-নুরুজ্জামান-খান</guid>
			<description><![CDATA[ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. নুরুজ্জামান খান। আজ শনিবার (১৬ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস (নিন্স)&nbsp;অ্যান্ড হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. নুরুজ্জামান খান। আজ শনিবার (১৬ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়েছে।&nbsp;তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান এবং ইন্টার্ন কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, &lsquo;পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত অধ্যাপক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ডা. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান খান (কোড: ৪৩৩৮২), যিনি বর্তমানে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকায় নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন, তাকে পরিচালক কাম অধ্যাপক হিসেবে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল, ঢাকায় পদায়ন করা হয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া যোগদানের পূর্বে বর্তমান কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ, এইচআরএম ডাটাবেজ থেকে &lsquo;মুভ আউট&rsquo; এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর &lsquo;মুভ ইন&rsquo; সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ও জনস্বার্থে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খান (খসরু) কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন। এর পর ভর্তি হন ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৯৭ সালে কৃতিত্বের সাথে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে একই প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি নিউরো সার্জারিতে সর্বোচ্চ ডিগ্রি মাস্টার্স ইন সার্জারি (এমএস) অর্জন করেন। তিনি সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারতের একাধিক হাসপাতালে ফেলোশিপ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. নুরুজ্জামান খান বাংলাদেশে এন্ডোসকপিক স্পাইন সার্জারির প্রবর্তক। এই বিষয়ে তিনি একজন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষক হিসেবে দেশে এবং বিদেশে &nbsp;চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন। দেশে ও বিদেশে তিনি অসংখ্য সেমিনার, ওয়ার্কশপ এবং লাইফ সার্জারিতে অংশগ্রহণ করেছেন এবং তার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক &#39;বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ&#39; দেশে এবং আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ঢাকা মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি ১৯৯৪-৯৫ সেশনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">২০০১ সালে&nbsp;বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন ডা. মো. নুরুজ্জামান। বিগত ১৭ বছরের স্বৈরশাসনে&nbsp;সমস্ত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সঠিক সময়ে পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. নুরুজ্জামান&nbsp;চিকিৎসকদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) কোষাধ্যক্ষ, বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরো সার্জন্সের সদস্য সচিব এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/121J29N0DhjeLnF3-zJZhoHC4IILADcOO/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><span style="font-size:16px">►প্রজ্ঞাপন দেখতে ক্লিক করুন</span></span></a></strong></p>

<p style="text-align:justify"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/121J29N0DhjeLnF3-zJZhoHC4IILADcOO/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>নিন্স পরিচালককে ঢামেকে বদলিপূর্বক পদায়ন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34671/নিন্স-পরিচালককে-ঢামেকে-বদলিপূর্বক-পদায়ন</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 21:29:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34671/নিন্স-পরিচালককে-ঢামেকে-বদলিপূর্বক-পদায়ন</guid>
			<description><![CDATA[ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস এন্ড হসপিটালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী গিয়াস উদ্দিন আহমেদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক হিসেবে পদায়ন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। শনিবার (১৬ মে) মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পারসোনেল-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হেসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong>&nbsp;ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস (নিন্স) অ্যান্ড হসপিটালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী গিয়াস উদ্দিন আহমেদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে&nbsp;(ঢামেকে) পদায়ন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। শনিবার (১৬ মে) মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রজ্ঞাপনেতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মন্ত্রণালয়ের পারসোনেল-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হেসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে&nbsp;বলা হয়েছে, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাকে তার নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আরো বলা হয়, উপর্যুক্ত কর্মকর্তা আগামী ০৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে তাঁর পদায়নকৃত কর্মস্থলে যোগদান করবেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তাঁকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে নিউরোসায়েন্সেসের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)&nbsp;হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">শিক্ষাগত যোগ্যতা</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৯৩ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ২০০০ সালে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্স (বিসিপিএস) থেকে মেডিসিন বিষয়ে এফসিপিএস সম্পন্ন করেন। এরপর ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে নিউরোলজি বিষয়ে এমডি ডিগ্রি অর্জন করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরে মেডিসিনে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আমেরিকান কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স (এসিপি) থেকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ এফএসিপি গ্রহণ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">বিস্তৃত কর্মজীবন</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">২০০৮ সালের ২ জুলাই ঢাকার দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিসিন বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ডা. কাজী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ।&nbsp;</span><span style="font-size:16px">২০২৩ সালের ২৬ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৫ সালের ৬ আগস্ট নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1KmQZZM9eD6mgW9jolvewVIJD63VK8Dgh/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">►প্রজ্ঞাপনটি দেখতে ক্লিক করুন</span></strong></span></a></p>

<p style="text-align:justify"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1KmQZZM9eD6mgW9jolvewVIJD63VK8Dgh/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify">এইউ/এমইউ</p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এখন টিভির চার সাংবাদিককে চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে অবরোধ-মানববন্ধন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34670/এখন-টিভির-চার-সাংবাদিককে-চাকরিচ্যুতির-প্রতিবাদে-অবরোধ-মানববন্ধন</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 20:58:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34670/এখন-টিভির-চার-সাংবাদিককে-চাকরিচ্যুতির-প্রতিবাদে-অবরোধ-মানববন্ধন</guid>
			<description><![CDATA[এখন টিভির চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটি এবং পরবর্তীতে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় টেলিভিশনটির সামনে দ্বিতীয় দিনের মতো মানববন্ধন ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)। আজ শনিবার (১৬ মে) দুপুর ১২ টায় এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> এখন টিভির চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটি এবং পরবর্তীতে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় টেলিভিশনটির সামনে দ্বিতীয় দিনের মতো মানববন্ধন ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)। আজ শনিবার (১৬ মে) দুপুর ১২টায় এই অবরোধ&nbsp;কর্মসূচি শুরু হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডিইউজের পাশাপাশি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ),&nbsp;</span><span style="font-size:16px">জুলাই রেভ্যুলেশনারি অ্যালায়েন্স, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, সরকারি তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতি এবং নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানববন্ধনে সংহতি জানাতে অংশ নেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব এসএমএস সাইফ মোস্তাফিজ, গাজী সালাহউদ্দিন তানভীর এবং মিডিয়া সেল সদস্য ইয়াসির আরাফাত। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই অবস্থান কর্মসূচি পরিচালনা করেন সাংবাদিক নেতা খন্দকার আলমগীর হোসেন ও গাজী আনোয়ার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় বক্তারা বলেন, যে পরিবর্তনের জন্য রাজপথে রক্ত ঝরেছে, সেখানে মুক্ত গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের অধিকার কেড়ে নেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। অভ্যুত্থানের পক্ষের কলম সৈনিকদের এভাবে শাস্তি দেওয়া হলে তা নতুন বাংলাদেশের লক্ষ্যকে ব্যাহত করবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম জানান, এখন টিভি কর্তৃপক্ষ ও সিটি গ্রুপের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক এবং স্মারকলিপি দেওয়ার পরও কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় তারা এ কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত চার সাংবাদিককে কাজে ফিরিয়ে না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, আজকে রাতে আমাদের সঙ্গে চার সাংবাদিকের বিষয়ে আলোচনায় বসতে চান মালিকপক্ষ সিটি গ্রুপ। এ সময় তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আলোচনা ফলপ্রসূ না হলে আবারও রাজপথে দেখা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এক মলাটে নবজাতকের প্রয়োজনীয় যত্ন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34669/এক-মলাটে-নবজাতকের-প্রয়োজনীয়-যত্ন</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 21:01:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34669/এক-মলাটে-নবজাতকের-প্রয়োজনীয়-যত্ন</guid>
			<description><![CDATA[নবজাতকের যত্ন নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কমাতে এবং সহজ ভাষায় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে প্রকাশিত হয়েছে তরুণ নবজাতক বিশেষজ্ঞ ডা. হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার শিশুস্বাস্থ্যবিষয়ক বই ‘নাজুক প্রাণের যত্নগাঁথা’। মাত্র ৪৮ পৃষ্ঠার এই বইয়ে নবজাতকের বিপদ চিহ্ন, বুকের দুধ, টিকা, ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার, দৈনন্দিন পরিচর্যা থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়ার প্রস্তুতির চেকলিস্টসহ প্রয়োজনীয় নানা বিষয় সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। লেখকের ভাষায়, এটি একবার পড়ে রেখে দেওয়ার মতো বই নয়, বরং প্রয়োজনমতো বারবার উল্টে দেখার মতো একটি প্রায়োগিক দিক নির্দেশনা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">নবজাতকের যত্ন নিয়ে অভিভাবকদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কমাতে এবং সহজ ভাষায় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে প্রকাশিত হয়েছে নবজাতক বিশেষজ্ঞ ডা. হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার শিশুস্বাস্থ্যবিষয়ক বই &lsquo;নাজুক প্রাণের যত্নগাঁথা&rsquo;। ৪৮ পৃষ্ঠার এই বইয়ে নবজাতকের বিপদ চিহ্ন, বুকের দুধ, টিকা, ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার, দৈনন্দিন পরিচর্যা থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়ার প্রস্তুতির চেকলিস্টসহ প্রয়োজনীয় নানা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। লেখকের ভাষায়, এটি একবার পড়ে রেখে দেওয়ার মতো বই নয়, বরং প্রয়োজনমতো বারবার উল্টে দেখার মতো একটি প্রায়োগিক দিক নির্দেশনা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">স্বপ্নের উন্মোচন&nbsp;</span></span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, অনেক দিন পর উন্মোচিত স্বপ্ন&mdash;&lsquo;নাজুক প্রাণের যত্নগাঁথা।&rsquo; নবজাতকের যত্নের ব্যাপারে আসলে মায়েরা খুবই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় থাকেন, কলিজার টুকরাকে সুস্থ রাখতে ও তাদের সুন্দর বিকাশে কি করণীয়&mdash;এ নিয়ে আরও বছর খানেক আগে একটি বই লেখার পরিকল্পনা নিই। ওই বছর দাঁড় করানো বইটি ছিল অনেক মোটা, প্রায় ১৭০-১৮০ পৃষ্ঠার। পরে চিন্তা করলাম, এতো বড় বই আসলে মায়েরা পড়বেন না, সময়ও পাবেন না। এজন্য খুব সংক্ষেপে মাত্র ৪৮ পৃষ্ঠায় এই বইটা নিয়ে আসা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রত্যেক নবজাতকের বাবা-মা&rsquo;র বইটা অবশ্যই পড়া ও সংগ্রহে রাখা উচিত বলে মনে করেন এই&nbsp;নবজাতক বিশেষজ্ঞ। এজন্যই লেখার পর বইটি খুব সহজ করে বিন্যাস করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রথম পৃষ্ঠা খুললে বুঝতে পারবেন শিশুর কোনো বিপদ চিহ্ন আছে কিনা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. হাবিব বলেন, &lsquo;প্রথমেই নবজাতকের বিপদ চিহ্নগুলো একটি ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে স্বাস্থ্য সংকটে পড়লে পৃষ্ঠা উল্টানোর সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায়। তার পর সচরাচর যা যা থাকে, ওপেনিং, এর পর সূচিপত্র, ভূমিকা রয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>বইয়ে যেসব বিষয় জায়গা পেয়েছে</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বইয়ে সূচিপত্রে ভূমিকার পর যেসব বিষয় জায়গা পেয়েছে, সেগুলো হলো&mdash;শিশুর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো, একটি সুস্থ নবজাতকের বৈশিষ্ট্য, নবজাতকের বিপদ চিহ্নগুলো কি কি?, বাড়িতে প্রথম দিন প্রথম মাস, ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার: ভালোবাসার প্রাকৃতিক ইনকিউবেটর, বুকের দুধ: পুষ্টি, প্রতিরোধ ও মমতার মিশেল, জন্ম থেকে ২৪ মাস পর্যন্ত শিশুর বৃদ্ধি সূচক, শিশুর দৈনন্দিন যত্ন, নবজাতকের কিছু সাধারণ সমস্যা; বাসায় কি করবেন?, টিকা: আপনার সন্তানের ভবিষ্যত সুরক্ষা ঢাল, নবজাতকের স্ক্রিনিং: ভবিষ্যত সুরক্ষার নীরব ভিত্তি, শিশুর বিকাশের প্রথম দুই বছরের মাইল স্টোন, প্রাথমিক উদ্দীপনা থেরাপি, নবজাতক পালনে কিছু ভুল ধারণা, কত দিন পর পর চিকিৎসক দেখাবেন, শিশুর তাপমাত্রা মাপার সঠিক পদ্ধতি, সম্মানিতা মা, আপনার নিজের যত্ন নিন ও নবজাতককে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার সময় প্রস্তুতির চেক লিস্ট।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">লেখক বলেন, এসব অধ্যায়ে হাসপাতালে প্রসব পরবর্তী সময়ে বাড়িতে নেওয়ার পর কীভাবে শিশুর পরিচর্যা করতে হবে, এ ক্ষেত্রে কিছু শিশু আছে অপরিণত, ওজন কম&mdash;ওদেরকে কীভাবে ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার দিতে হবে এসব বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;এ ছাড়া বুকের দুধ কেন দিতে হবে, দিলে শিশু স্বাস্থ্যের জন্য কী লাভ, কীভাবে দিতে হবে, দুধ না পেলে কী করতে হবে, শিশুর দৈনন্দিন পরিচর্যা&mdash;এসব বিষয় এই বইয়ে আছে। সেই সঙ্গে শিশুর কী কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হয়, টিকা কীভাবে দেবে&mdash;এ ব্যাপারে সুন্দর আলোচনা রয়েছে। পাশাপাশি নবজাতক লালন-পালনে কিছু ভুল ধারণা আছে, সেগুলো থেকে বেঁচে থাকার বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে অত্যন্ত সহজ করে&mdash;যোগ করেন তিনি।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বইয়ের শুরুর দিকে শিশুর বিষয়ে উল্লেখ করার মতো বিষয়, রোগবালাই&mdash;এসব বিষয় নোট রাখার জায়গা আছে। সেই সঙ্গে কাছাকাছি শিশু বিশেষজ্ঞ, হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্সের খোঁজ রাখা, ফলোআপ ঠিক মতো হচ্ছে কিনা, কোন তারিখে চিকিৎসক দেখাবেন&mdash;এসব বিষয় খুব সংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>প্রতি বিষয় ১-২ পৃষ্ঠায় সমাপ্ত</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সহজ ও সুখপাঠ্য করার স্বার্থে&nbsp;বইয়ে ১-২ পৃষ্ঠার মধ্যে একেকটি বিষয়ের আলোচনা সমাপ্তি টানা হয়েছে জানিয়ে ডা. হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, বইটি পড়তে অত বেশি সময় নিয়ে বসতে হবে না। তাছাড়া কোনো উপন্যাস যেভাবে শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে পড়তে হবে, তা অনুসরণ করতে হবে না; বরং যেটা আপনার জন্য দরকারি, সেই চ্যাপ্টার পড়লেই বুঝতে পারবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শেষ দিকে তুলে ধরা হয়েছে, এক শিশুকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় কি কি জিনিস সঙ্গে নিতে হয়, তার একটি চেক লিস্ট।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই চেক লিস্ট অনুসরণের উপকারিতা তুলে ধরে&nbsp;তিনি বলেন, &lsquo;একদিন আমার&nbsp;চেম্বারে একটি বাবুকে নিয়ে মা এলেন। শিশুটা ঘেমে গেছে। জিজ্ঞাসা করলাম, অতিরিক্ত পোশাক আছে কিনা! দেখা গেল ওরা নিয়ে আসেননি। মুশকিল! এজন্য চেক লিস্ট ধরে ধরে যদি গোছান, আর প্রতিদিন আপনার শিশুর যত্ন কীভাবে নিচ্ছেন, এই ধরনের আরেকটি চেক লিস্ট করা আছে। অর্থাৎ প্রতিদিন বইয়ের পেছনের পৃষ্ঠাটা চেক করলেই বুঝে যাবেন, তার রুটিন চেকআপ হচ্ছে কিনা!&rsquo;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;সুতরাং শিশুর পরিচর্যায় এই সতর্কতা খুব দরকারি। আমি অনুভব করি, আমাদের অভিভাবকরা যত সচেতন হবেন, শিশুরা তত ভালো থাকবে।&rsquo;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সামনে এ ধরনের জীবনঘনিষ্ট আরও বই নিয়ে আসার বার্তা দিয়ে ডা. হাবিব বলেন, &lsquo;এই বইটা শুরু, এমন বই আরও আসবে ইনশাল্লাহ। অনেকগুলো পান্ডুলিপি প্রস্তুত আছে। আল্লাহ তাওফিক দিন, সময় দিন, সামর্থ্য দিন&mdash;মানুষের জন্য ভালো করে কাজ করার।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বইটি একবার পড়ে রেখে দেওয়ার মতো না। বারবার আপনাকে উল্টাতে হবে। এটা ম্যানুয়াল ফর দা মাদারস, ফর গার্ডিয়ান্স।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বইয়ের সওয়াব মা-বাবার জন্য উৎসর্গ করেছেন&nbsp;এই লেখক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>প্রাপ্তিস্থান</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কুমিল্লায় কান্দিরপাড় এলাকায় রফিক গ্রন্থাগারে (<span style="font-family:Times New Roman,Times,serif">0171131 3674</span>), ঢাকায় বায়ান্ন মেডিকেল মার্টে (<span style="font-family:Times New Roman,Times,serif">014 0443 2537</span>) বইটি পাওয়া যাবে। এ ছাড়াও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও মডার্ণে লেখকের চেম্বার থেকে বইটি সংগ্রহ করা যাবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ওষুধ নীতি নির্ধারণ জরুরি: বিএমইউ ভিসি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34668/উচ্চ-রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রণে-ওষুধ-নীতি-নির্ধারণ-জরুরি-বিএমইউ-ভিসি</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 19:43:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34668/উচ্চ-রক্তচাপ-নিয়ন্ত্রণে-ওষুধ-নীতি-নির্ধারণ-জরুরি-বিএমইউ-ভিসি</guid>
			<description><![CDATA[উচ্চ রক্তচাপে হার্ট, কিডনি, মস্তিষ্ক, রক্তনালী ও চোখসহ বিভিন্ন অঙ্গের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। অর্থাৎ উচ্চ রক্তচাপ এসব অঙ্গের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ অবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ঔষধ নীতি নির্ধারণ করা জরুরি। আজ শনিবার (১৬ মে) বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষে  বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে আয়োজিত এক সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী এসব কথা বলেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">উচ্চ রক্তচাপে হার্ট, কিডনি, মস্তিষ্ক, রক্তনালী ও চোখসহ বিভিন্ন অঙ্গের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। অর্থাৎ উচ্চ রক্তচাপ এসব অঙ্গের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ অবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ঔষধ নীতি নির্ধারণ করা জরুরি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (১৬ মে) বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষে&nbsp; বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে আয়োজিত এক সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সেমিনারে নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসা, ওষুধ সরবরাহ, বাজেট বৃদ্ধি ও বহুমুখী সমন্বিত উদ্যোগের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে বিএমইউ ভিসি বলেন, &lsquo;বাংলাদেশে প্রায় ২১ থেকে ২৩ শতাংশ মানুষ হাইপারটেনশনে ভুগছেন, তবে এর মধ্যে মাত্র ১৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী কার্যকারিতাসম্পন্ন ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি দেশের ড্রাগ পলিসি আরও উন্নত করার করতে হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;উচ্চ রক্তচাপ হার্ট, কিডনী, ব্রেইন, রক্তনালী, চোখসহ পাঁচটি অর্গানের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকির বড় কারণ। আজকের সেমিনার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে হেলথ কেয়ার পলিসিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।&rsquo;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএমইউর প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হেলথ সার্ভিস ডিভিশনের অতিরিক্ত সচিব মোমেনা মনি, প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার প্রমূখ। সেমিনারের অংশ হিসেবে &lsquo;হাইপারটেনশন প্রিভেনশন ইন বাংলাদেশ: ইমাজিং চ্যালেঞ্জেস এন্ড ফিউচার ডাইরেকশন&rsquo; শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন ডিপার্টমেন্ট অফ পাবলিক হেল্থ এন্ড ইনফরমেটিক্সের চেয়ারম্যান ও প্রিভেন্টিভ এন্ড সোশ্যাল মেডিসিনের ডীন অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল হক। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, গবেষক এবং পাবলিক হেলথ বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, &lsquo;উচ্চ রক্তচাপ শুধু হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় না, এটি ধীরে ধীরে শরীরের রক্তনালীর স্বাভাবিক কার্যকারিতা নষ্ট করে বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি করে। তিনি জানান, গবেষণায় দেখা গেছে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ পুরুষদের মধ্যে ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের মতো সমস্যার কারণ হতে পারে, যা ভবিষ্যৎ হৃদরোগের আগাম সতর্কসংকেত।&rsquo;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ধূমপান বর্জন এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ওষুধের দাম কমানো যেমন জরুরি একই সাথে যে ধরণের ওষুধ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অধিক কার্যকর সেটা বিবেচনায় নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় বক্তারা বলেন, এই সেমিনারের উদ্দেশ্য হলো সচেতনতা বৃদ্ধি করা, রোগ নির্ণয়ের হার উন্নত করা এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং মৃত্যুর ঝুঁকি কমানোর জন্য জীবনযাত্রার পরিবর্তনে উৎসাহিত করা। প্রাথমিক পর্যায়ে রক্তচাপ শনাক্তকরণ এবং তা দীর্ঘস্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অতিরিক্ত সচিব মোমেনা মনি বলেন, উচ্চ রক্তচাপ মানুষের উপর একটি সংকট তৈরি করেছে। এটা শুধু রোগীর ব্যক্তিগত বিষয় নয়। বর্তমানে ৩০ থেকে ৭৯ বছর বয়সে ২৮ শতাংশ মানুষ বা আড়াই কোটি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। তরুণদের মধ্যেও রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে মারা যাচ্ছে। কিশোর কিশোরীরা প্রি হাইপার টেনশনে ভুগছে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, মানসিক চাপ ও তামাক ব্যবহার তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। উচ্চ রক্তচাপ সমস্যা এখন মানুষের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক নাহরীন আখতার বলেন, &lsquo;নগরায়ন ধুমপান, বায়ুদুষণ, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, মানসিক চাপ, শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া ইত্যাদি উচ্চ রক্তচাপের কারণ। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে বহুমুখী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হেল্থ সার্ভিস ডিভিশনের যুগ্ম সচিব মামুনুর রশিদ বলেন, &lsquo;বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল রিপোর্ট অন হাইপারটেনশন ২০২৫ অনুযায়ী, আক্রান্ত মানুষের একটি বড় অংশ এখনও তাদের রোগ সম্পর্কে সচেতন নয়। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণকে শিক্ষিত করা অত্যন্ত জরুরি।&rsquo; &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, &lsquo;দেশে ৩০ থেকে ৭৯ বছর বয়সীদের মধ্যে প্রায় ৩৩ শতাংশ মানুষ হাইপারটেনশনে আক্রান্ত এবং আক্রান্তদের মধ্যে ৪৪ শতাংশ এখনও শনাক্ত হয়নি। এছাড়া দেশের মোট স্বাস্থ্য বাজেটের একটি সীমিত অংশ এনসিডি খাতে বরাদ্দ থাকায় প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) ডিজিএম মোহাম্মদ রিয়াদ আরেফিন বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এনসিডি ওষুধ ক্রয়ের বাজেট না থাকায় কিছু সময় ওষুধ সরবরাহ বন্ধ ছিল, যা পরবর্তীতে পুনরায় চালু হয়েছে। কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় বলে আগাম চাহিদা জানা থাকায় সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, এনসিডি কর্নারের মাধ্যমে দেশের ৩১০টি উপজেলায় গ্রামীণ জনগণকে সেবা দেওয়া হচ্ছে। রোগীদের ওষুধ সরবরাহের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ন্যাশনাল টোব্যাকো কন্ট্রোল সেলের মহাপরিচালক মো. আখতারউজ-জামান বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়; এটি একটি বহুমুখী সমন্বিত উদ্যোগ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ এ সামাদ মৃধা বলেন, সরকারের ওষুধের মোট চাহিদার বড় একটি অংশ ইডিসিএল সরবরাহ করে থাকে। ডলারের দাম বৃদ্ধি সত্ত্বেও ইডিসিএল ৪৮টি ওষুধের দাম কমিয়েছে। এটা ছিল একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। ওষুধের দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল একটি বিশেষ সিন্ডিকেট যা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। রোগীসহ সাধারণ মানুষকে স্বল্প ও সুলভ মূল্যে ওষুধ সরবরাহ করতে ইডিসিএল অঙ্গীকারবদ্ধ।</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শরীয়তপুরে ডা. নাসিরের ওপর হামলার ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি বিএমইউর</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34667/শরীয়তপুরে-ডা-নাসিরের-ওপর-হামলার-ঘটনায়-দোষীদের-দৃষ্টান্তমূলক-শাস্তির-দাবি-বিএমইউর</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 19:35:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34667/শরীয়তপুরে-ডা-নাসিরের-ওপর-হামলার-ঘটনায়-দোষীদের-দৃষ্টান্তমূলক-শাস্তির-দাবি-বিএমইউর</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক মো. নাসির উদ্দিনের ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)। আজ শনিবার (১৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ধীমান চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে এ নিন্দা জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক মো. নাসির উদ্দিনের ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (১৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ধীমান চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে এ নিন্দা জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, গত ১৫ মে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে মুমূর্ষু এক রোগীর মৃত্যুর পর প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মকভাবে আহত হন। বর্তমানে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিবাদলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ডা. নাসির নিউরোসার্জারি বিভাগের ফেইজ-এ রেসিডেন্সি প্রোগ্রামের ফাইনাল পরীক্ষার্থী এবং ৪৮তম বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসক হিসেবে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্মরত আছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিবাদলিপিতে ডা. নাসির উদ্দিনের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয় এবং তার উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে অনুরোধ জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা শুধু একজন চিকিৎসকের ওপর নয়, বরং পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর আঘাত। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>লালমনিরহাটে ছোটভাইকে বাঁচাতে গিয়ে তিস্তায় ডুবে ২ ভাইয়ের মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34666/লালমনিরহাটে-ছোটভাইকে-বাঁচাতে-গিয়ে-তিস্তায়-ডুবে-২-ভাইয়ের-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 19:19:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34666/লালমনিরহাটে-ছোটভাইকে-বাঁচাতে-গিয়ে-তিস্তায়-ডুবে-২-ভাইয়ের-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[লালমনিরহাটের তিস্তা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিফাত আহমেদ (১৮) ও স্বচ্ছ আহমেদ (১৪) দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ছোট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে বড় ভাইও।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> লালমনিরহাটের তিস্তা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে শিফাত আহমেদ (১৮) ও স্বচ্ছ আহমেদ (১৪) দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ছোট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে বড় ভাইও।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (১৬ মে) দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের মারাইরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নিহত সিফাত আহমেদ ও স্বচ্ছ আহমেদ লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের খলাইঘাট নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলামের ছেলে। তারা দুজনেই লালমনিরহাট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী ছিল। এরমধ্যে সিফাত কলেজ ছাত্র এবং স্বচ্ছ নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানা গেছে, দুপুরে বাড়ির পাশের তিস্তা নদীতে গোসল করতে নামে দুই ভাই। একপর্যায়ে ছোট ভাই স্বচ্ছ নদীর প্রবল স্রোতে তলিয়ে যেতে থাকলে তাকে বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেয় বড় ভাই শিফাত। কিন্তু স্রোতের তীব্রতায় দু&rsquo;জন পানিতে নিখোঁজ হয়ে যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরে স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা পর দুই ভাইকে নদী থেকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ঘটনায়&nbsp;পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একইসঙ্গে দুই সন্তানের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন স্বজনরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শরীয়তপুরে হামলার শিকার ডা. নাসিরকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হলো</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34665/শরীয়তপুরে-হামলার-শিকার-ডা-নাসিরকে-এয়ার-অ্যাম্বুলেন্সে-ঢাকায়-আনা-হলো</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 17:39:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34665/শরীয়তপুরে-হামলার-শিকার-ডা-নাসিরকে-এয়ার-অ্যাম্বুলেন্সে-ঢাকায়-আনা-হলো</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে এক রোগীর মারা যাওয়ার ঘটনায় স্বজনদের সংঘবদ্ধ হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাসিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (১৬ মে) এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে আহত চিকিৎসককে ঢাকায় আনা হয়। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে এক রোগীর মারা যাওয়ার ঘটনায় স্বজনদের সংঘবদ্ধ হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাসিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (১৬ মে) এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে আহত চিকিৎসককে ঢাকায় আনা হয়। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ধারণ ক্ষমতার চেয়ে তিন থেকে চার গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকায় ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। এ সময় ইমার্জেন্সি রুমে দায়িত্বরত চিকিৎসক ছিলেন নাসির। তিনি রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাশখান এলাকার লাল মিয়া কাজী (৫০) হার্ট অ্যাটাকের ৬০/৪০ মাত্রার রক্তচাপসহ দুই দিনের পুরোনো বুক ব্যথা নিয়ে ভর্তি হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগীর স্বজনদের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে অবহিত করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করা হয়। কিন্তু স্বজনরা ঢাকায় নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং রিস্ক বন্ডে স্বাক্ষর করে রোগীকে সিসিইউতে ভর্তি রাখেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাত সাড়ে ১২টার দিকে লাল মিয়া হার্ট অ্যাটাকজনিত শকে থাকায় অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। এক পর্যায়ে মারা যান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগী মারা যাওয়ায় স্বজনেরা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি রুমে ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ জড়ো করে। তারা দয়িত্বরত ডা. নাসিরকে বেধড়ক মারতে থাকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্র জানায়, এক পর্যায়ে তারা দরজার কাচ ও দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে। পরিস্থিতি খারাপ দেখে ডা. নাসির ওয়াশরুমে আশ্রয় নেয়, রোগীর স্বজনেরা ওয়াশরু ভেঙে তাকে মারতে মারতে বের করে। ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বাধা দিলে তিনজন আনসারও গুরুতর আহত হয়। পুলিশ আসতে আসতে আসতে ডা. নাসিরকে মেরে আধমরা অবস্থায় ডায়ারিয়া ওয়ার্ড থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসকদের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ডা. নাসিরের মাথার সিটি স্ক্যান সম্পন্ন হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ পাওয়া যায়নি। তবে তার শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। তাকে দ্রুত শরিয়তপুর থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগে তার জন্য অপারেশন থিয়েটার (ওটি) প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি ৪৮তম বিসিএসে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন ডা. নাসির। কয়েক দিন আগে সংযুক্তিতে সদর হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা খুবই নাজুক: সাদিক কায়েম</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34664/স্বাস্থ্য-খাতের-অবস্থা-খুবই-নাজুক-সাদিক-কায়েম</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 16:32:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34664/স্বাস্থ্য-খাতের-অবস্থা-খুবই-নাজুক-সাদিক-কায়েম</guid>
			<description><![CDATA[দেশের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা খুবই নাজুক, এই খাতে সবচে বেশি দুর্নীতি হয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি (সহ-সভাপতি) মো. আবু সাদিক কায়েম।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">দেশের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা খুবই নাজুক,<strong> </strong>এই খাতে সবচেয়ে&nbsp;বেশি দুর্নীতি হয়<strong> </strong>বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি (সহ-সভাপতি) মো. আবু সাদিক কায়েম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার ( ১৬ মে) সকালে<strong> </strong>রাজধানীর ইস্কাটনে<strong> </strong>রমনা সমাজকল্যাণ সোসাইটির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনে এসব কথা বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাদিক কায়েম বলেন, &lsquo;সমাজে প্রো-একটিভ লোক দরকার, যারা স্ব-চালিত। নির্বাচনের আগে এমন কিছু লোক আসে যাদের পাঁচ বছরে কোনো কর্মকাণ্ড নেই। কিন্তু নির্বাচনের আগে আগে খুব কাজ শুরু করে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের উল্লেখ করে তিনি বলেন, &lsquo;ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের দায়িত্ব কোনো ব্যক্তির একার নয়। স্বাধীনতা পরবর্তী ৫৫ বছর পার করছি, কিন্তু স্বাস্থ্যখাতের অবস্থা খুবই নাজুক। এই খাতে সবচে বেশি দুর্নীতি হয়। নগরের যারা দায়িত্বে আসবে এবং কাউন্সিলর হবেন, তারা যেন জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এসময় সমাজের বিত্তবানদের অসহায় মানুষদের চিকিৎসা সহায়তার এগিয়ে আসার আহ্বান করেন ডাকসু ভিপি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানুষের জানমাল, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার অধিকারের জন্য কাজ করতে চান জানিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, &lsquo;ডাকসুতে দায়িত্ব নেয়ার পর বলা হয়েছিল আমরা নাকি কাজ করতে পারব না। অথচ মাত্র সাত মাসে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি আমরা রাখতে পেরেছি। যেগুলোর দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের ছিল।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;ফ্রি মেডিসিনের ব্যবস্থা করেছি। আমরা এসে শিক্ষার্থীদের জন্য মেডিকেল সেন্টারকে উন্নত করেছি। সামনে নগরের দায়িত্ব আমাদের কাছে এলে জনগণের প্রত্যাশা এবং অধিকার নিশ্চিতে কাজ করবো। একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মেডিকেল ক্যাম্পে সকাল থেকেই ভিড় করেন চিকিৎসা নিতে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি ফ্রি বিতরণ করা হয় বিভিন্ন রোগের ঔষধ। এসময় ভিপি সাদিক কায়েমসহ রমনা সমাজ কল্যাণ সোসাইটির নেতারা মেডিকেল ক্যাম্প ঘুরে দেখেন এবং খোঁজ নেন রোগীদের।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34663/হামের-উপসর্গে-আরও-দুই-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 16:50:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34663/হামের-উপসর্গে-আরও-দুই-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[দেশে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই হিসাব গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত। এই সময়ে নিশ্চিত হামে মৃত্যু সংখ্যা শূন্য।  আজ শনিবার (১৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">দেশে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই হিসাব গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত। এই সময়ে নিশ্চিত হামে মৃত্যু সংখ্যা শূন্য।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (১৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১০৮ জনের। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৫২৪ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭৯ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৫৩ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছে ৯৬১ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৫২ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৯০ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>দেশের ৩১ ভাগ মানুষ জানে না তারা উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34662/দেশের-৩১-ভাগ-মানুষ-জানে-না-তারা-উচ্চ-রক্তচাপ-ও-ডায়াবেটিসে-আক্রান্ত</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 16:39:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34662/দেশের-৩১-ভাগ-মানুষ-জানে-না-তারা-উচ্চ-রক্তচাপ-ও-ডায়াবেটিসে-আক্রান্ত</guid>
			<description><![CDATA[উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস মোকাবেলা করা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুরের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। গবেষণায় উঠে এসেছে, দেশের ৩১ ভাগ মানুষ জানেনই না যে তারা উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস মোকাবেলা করা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুরের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। গবেষণায় উঠে এসেছে, দেশের ৩১ ভাগ মানুষ জানেনই না যে তারা উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে নগরীর ধাপে হাইপারটেনশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার মিলনায়তনে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবসে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। &lsquo;একসাথে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করি&rsquo; এই স্লোগানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাকির হোসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ ডা. মুহম্মদ জহুরুল হক, মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মোখলেছুর রহমান, ডা. শাহ মো. সরওয়ার জাহান এবং ডা. এম রাহেকুল মণ্ডল আপেল প্রমুখ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, শুধু বয়স্করাই নয়, তরুণদের মধ্যেও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি ক্রমশ বাড়ছে। নির্দিষ্ট সময় পরপর রক্তচাপ পরীক্ষা করা এবং সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই মৃত্যুঝুঁকি কমানো সম্ভব বলে জানান তারা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনা সভায় চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, সামাজিক ও পেশাজীবী ব্যক্তিবর্গ এবং সাধারণ রোগীরা অংশগ্রহণ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>নার্সিং সেবা উন্নয়নে জাইকার প্রকল্পে প্রশিক্ষণ পেল ৫৫০ নার্স</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34661/নার্সিং-সেবা-উন্নয়নে-জাইকার-প্রকল্পে-প্রশিক্ষণ-পেল-৫৫০-নার্স</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 16:23:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34661/নার্সিং-সেবা-উন্নয়নে-জাইকার-প্রকল্পে-প্রশিক্ষণ-পেল-৫৫০-নার্স</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশে নার্সিং শিক্ষা ও ক্লিনিক্যাল নার্সিং সেবার সক্ষমতা উন্নয়নে ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অব নার্সিং সার্ভিসেস ফেইজ-২ (সিবিএনএস-২)’ প্রকল্পের ফলাফল ঘোষণা করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ উপলক্ষে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশে নার্সিং শিক্ষা ও ক্লিনিক্যাল নার্সিং সেবার সক্ষমতা উন্নয়নে &lsquo;ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অব নার্সিং সার্ভিসেস ফেইজ-২ (সিবিএনএস-২)&rsquo; প্রকল্পের ফলাফল ঘোষণা করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ উপলক্ষে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ সেমিনারে সিবিএনএস-২ প্রকল্পের কার্যক্রম, অর্জন এবং বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশে নার্সিং শিক্ষা ও ক্লিনিক্যাল নার্সিং চর্চার টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রণীত &lsquo;সিবিএনএস মডেল&rsquo; উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে নার্সিং খাতের সংশ্লিষ্টদের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়িত সিবিএনএস-২ প্রকল্পের আওতায় আটটি বিভাগীয় সরকারি নার্সিং কলেজ, সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল এবং নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর (ডিজিএনএম), বাংলাদেশ নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিল (বিএনএমসি) এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় নার্সিং শিক্ষা ও ক্লিনিক্যাল নার্সিং চর্চার বাস্তবায়ন কাঠামো শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। রোগীদের আরও কার্যকর ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. সৈয়দা নওশিন পর্ণিনী বলেন, জাইকা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের একটি নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। সিবিএনএস-২ প্রকল্পটি এমটি ও সিএনটি সমন্বিত ক্যাসকেড মডেলের মাধ্যমে নার্সিং পেশাজীবীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পেশাগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ প্রসঙ্গে জাইকা&rsquo;র সিনিয়র প্রতিনিধি মরিকাওয়া ইয়্যুকো বলেন, সিবিএনএস-২ প্রকল্পের অর্জন ও অভিজ্ঞতাগুলো উপস্থিত সবার কাছে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা-ই এই সেমিনারে অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। যাতে করে এ প্রকল্প থেকে যে কার্যকর মডেল ও দক্ষ জনবল তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে অন্যান্য এলাকাতেও উদ্যোগ পরিচালনা করা সম্ভব হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রকল্পের আওতায় শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন, ক্লিনিক্যাল নার্স শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নার্সিং প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে ৬৪ জন মাস্টার ট্রেইনার এবং ৪৮৬ জন ক্লিনিক্যাল নার্স শিক্ষক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে &lsquo;সিবিএনএস মডেল&rsquo; যা বাংলাদেশে নার্সিং শিক্ষা ও সেবার সক্ষমতা টেকসইভাবে উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই মডেলের চারটি প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে, ক্যাসকেড প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন, অংশগ্রহণকারীদের শেখার অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে কার্যকর প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, নার্সিং কলেজ ও হাসপাতালের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক পারস্পরিক শিক্ষার মাধ্যমে সেবার মানোন্নয়ন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে এসব বিষয় ও প্রকল্পের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সেসময় নার্সিং কলেজ, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পেশাজীবী সংগঠন, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বক্তারা নার্সিং মানবসম্পদ উন্নয়নে ধারাবাহিক সহযোগিতা, নেটওয়ার্কিং ও জ্ঞান বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাসপাতালে চিকিৎসক নিগ্রহ স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর আঘাত: বিএনপি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34660/হাসপাতালে-চিকিৎসক-নিগ্রহ-স্বাস্থ্যব্যবস্থার-ওপর-আঘাত-বিএনপি</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 16:05:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34660/হাসপাতালে-চিকিৎসক-নিগ্রহ-স্বাস্থ্যব্যবস্থার-ওপর-আঘাত-বিএনপি</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম এক বিবৃতিতে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আজ শুক্রবার (১৬ মে) গবিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘একজন হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত অবস্থায় একজন চিকিৎসকের ওপর এমন ন্যাক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। চিকিৎসাসেবা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও মানবিক পেশা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক নাসিরের ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম এক বিবৃতিতে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শুক্রবার (১৬ মে) বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, &lsquo;একজন হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত অবস্থায় একজন চিকিৎসকের ওপর এমন ন্যাক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। চিকিৎসাসেবা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও মানবিক পেশা। সীমিত জনবল, অবকাঠামোগত সংকট এবং অতিরিক্ত কর্মচাপের মধ্যেও চিকিৎসকরা মানুষের জীবন রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি চিকিৎসকদেরই শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও আক্রান্ত হতে হয়, তবে তা শুধু একজন চিকিৎসকের ওপর হামলা নয়, বরং পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর আঘাত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অতীতেও বহুবার চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় এক ধরনের দণ্ডমুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। &lsquo;হাসপাতাল কখনোই সহিংসতার স্থান হতে পারে না,&rsquo;&mdash;যোগ করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আহত চিকিৎসক ডা. নাসিরের সুচিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, মানুষের জীবন বাঁচাতে নিয়োজিত চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। চিকিৎসকদের ওপর হামলা বন্ধ না হলে এর বিরূপ প্রভাব পুরো স্বাস্থ্যখাতে পড়বে এবং শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>চলে গেলেন সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34659/চলে-গেলেন-সাবেক-স্বাস্থ্য-প্রতিমন্ত্রী-মিজানুর-রহমান-সিনহা</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 15:41:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34659/চলে-গেলেন-সাবেক-স্বাস্থ্য-প্রতিমন্ত্রী-মিজানুর-রহমান-সিনহা</guid>
			<description><![CDATA[সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও একমি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></strong></span><strong><span style="font-size:18px"> </span></strong><span style="font-size:16px">সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও একমি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই। শুক্রবার (১৫ মে) রাতে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন একমি গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রয়াত মিজানুর রহমান সিনহার মেয়ে &nbsp;তাসনিম সিনহা। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন, ব্যবসায়ী মহল ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের ডহুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মিজানুর রহমান সিনহা। শৈশবের একটি সময় কলকাতায় কাটানোর পর তিনি নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেন এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">১৯৬৪ সালে হাবিব ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পিতার মৃত্যুর পর ১৯৭৫ সালে পারিবারিক প্রতিষ্ঠান একমি গ্রুপে যোগ দেন। ১৯৮৩ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাজনীতিতেও ছিলেন সক্রিয়। বিএনপির মনোনয়নে ১৯৯৬ সালে সপ্তম এবং ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন সিনহা।&nbsp;তিনি সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেলেও অসুস্থতার কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। পরে ওই আসনে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজসেবা, জনকল্যাণমূলক কাজ ও দানশীলতার জন্য নিজ এলাকায় তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/টিআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শরীয়তপুরে রোগীর স্বজনদের সংঘবদ্ধ হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসক </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34658/শরীয়তপুরে-রোগীর-স্বজনদের-সংঘবদ্ধ-হামলায়-জীবন-মৃত্যুর-সন্ধিক্ষণে-চিকিৎসক</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 13:45:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34658/শরীয়তপুরে-রোগীর-স্বজনদের-সংঘবদ্ধ-হামলায়-জীবন-মৃত্যুর-সন্ধিক্ষণে-চিকিৎসক</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে এক রোগীর মারা যাওয়ার ঘটনায় স্বজনদের সংঘবদ্ধ হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নাসির। এতে তিন আনসার সদস্যও গুরুতর আহত হয়। শুক্রবার (১৫ মে) রাত ১টার দিকে হাসপাতালের ইমারর্জেন্সি রুমে এ ঘটনা ঘটে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকের রোগীর মৃত্যুর&nbsp;ঘটনায় স্বজনদের সংঘবদ্ধ হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত&nbsp;চিকিৎসক মো.&nbsp;নাসির উদ্দিন।&nbsp;শুক্রবার (১৫ মে) রাত ১টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে&nbsp;নৃশংস এই&nbsp;হামলা হয়। হামলায় হাসপাতালের অফিস সহায়ক, পাঁচ আনসার সদস্যসহ আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ধারণ ক্ষমতার চেয়ে তিন থেকে চার গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকায় ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। এ সময় ইমার্জেন্সি রুমে দায়িত্বে&nbsp;ছিলেন ডা. নাসির। সেখানে তিনি অন্যান্য রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় হার্ট অ্যাটাকের&nbsp;এক&nbsp;রোগী দুই দিন পুরোনো বুক ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে&nbsp;ভর্তি হন, যার রক্তচাপ ছিল ৬০/৪০ মাত্রার। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগীর আত্মীয়-স্বজনকে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে অবহিত করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করা হয়। কিন্তু স্বজনরা ঢাকায় নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং রিস্ক বন্ডে স্বাক্ষর করে রোগীকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি রাখেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাত সাড়ে ১২টার দিকে হার্ট অ্যাটাকজনিক শকে থাকা এ রোগীর&nbsp;অবস্থা খারাপ হতে থাকে।&nbsp;এক পর্যায়ে তিনি মারা যান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর পর&nbsp;স্বজনেরা&nbsp;হাসপাতালের ইমার্জেন্সি রুমে ১৫০ থেকে ২০০ মানুষ জড়ো করে। তারা দয়িত্বরত ডা. নাসিরকে&nbsp;বেধড়ক মারতে থাকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্র জানায়, এক পর্যায়ে দরজার কাচ ও দরজা ভেঙে&nbsp;ভিতরে ঢুকে&nbsp;তারা।&nbsp;পরিস্থিতি খারাপ দেখে ডা. নাসির ওয়াশরুমে আশ্রয় নেন, সেটা ভেঙে&nbsp;তাকে মারতে মারতে বের করে আনে। ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বাধা দিলে তিনজন আনসার সদস্যও তাদের হামলায়&nbsp;গুরুতর আহত হয়। পুলিশ আসতে আসতে আসতে&nbsp;ডা. নাসিরকে মেরে আধমরা অবস্থায়&nbsp;ডায়রিয়া ওয়ার্ড থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসকদের&nbsp;একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ডা. নাসিরের মাথার সিটি স্ক্যান সম্পন্ন হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের চিহ্ন&nbsp;পাওয়া যায়নি। তবে তার শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। তাকে দ্রুত শরীয়তপুর থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগে তার জন্য অপারেশন থিয়েটার (ওটি)&nbsp;প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসকরা জানিয়েছেন,&nbsp;বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ)&nbsp;রেসিডেন্সিতে&nbsp;নিউরোসার্জারি বিষয়ে&nbsp;অধ্যয়নরত ডা.&nbsp;মো. নাসির উদ্দিন&nbsp;ফেইজ এ-র&nbsp;ফাইনাল পরীক্ষার্থী ছিলেন।&nbsp;সম্প্রতি ৪৮তম বিসিএসে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন তিনি। কয়েক দিন আগে সংযুক্তিতে সদর হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের উপর হামলায় এনডিএফ’র প্রতিবাদ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34657/শরীয়তপুর-সদর-হাসপাতালে-চিকিৎসকের-উপর-হামলায়-এনডিএফর-প্রতিবাদ</link>
			<pubDate>Sat, 16 May 2026 13:17:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34657/শরীয়তপুর-সদর-হাসপাতালে-চিকিৎসকের-উপর-হামলায়-এনডিএফর-প্রতিবাদ</guid>
			<description><![CDATA[শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ইমার্জেন্সি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসিরের উপর সংঘটিত বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম ও জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ইমার্জেন্সি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসিরের উপর সংঘটিত বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম ও জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শনিবার (১৬ মে) এনডিএফ&rsquo;র অফিস সম্পাদক ডা. এ কে এম জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, শুক্রবার (১৫ মে) রাত ১টার দিকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ডা. নাসির একজন সংকটাপন্ন হৃদরোগীসহ একাধিক জরুরি রোগীর চিকিৎসাসেবা প্রদান করছিলেন। অতিরিক্ত রোগীর চাপ, সীমিত জনবল ও প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন। উক্ত রোগী কার্ডিয়োজেনিক শকে আক্রান্ত ছিলেন এবং অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। সর্বোচ্চ চিকিৎসা প্রচেষ্টা সত্ত্বেও রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একদল উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি হাসপাতালে হামলা চালায়&nbsp;এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসিরকে নির্মমভাবে মারধর করে। হাসপাতালের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে হামলাকারীরা চিকিৎসকের উপর বর্বর আক্রমণ চালায়। এমনকি আত্মরক্ষার্থে ওয়াশরুমে আশ্রয় নেওয়ার পরও তাকে সেখান থেকে টেনে বের করে মারাত্মকভাবে আহত করা হয়। এ ঘটনায় দায়িত্বরত আনসার সদস্যরাও গুরুতর আহত হয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনডিএফ&rsquo;র নেতৃদ্বয় বলেন, একজন চিকিৎসক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত রোগীদের সেবা দিয়ে থাকেন। অথচ বারবার চিকিৎসকদের উপর হামলা, ভয়ভীতি ও অপমানজনক আচরণের ঘটনা ঘটলেও দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না হওয়ায় এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনডিএফ নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে দেশের সকল হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা জোরদারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ‘রিং ভ্যাকসিনেশন’ চালুর পরামর্শ ডা. তাসনিম জারার</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34656/হামের-প্রাদুর্ভাব-ঠেকাতে-রিং-ভ্যাকসিনেশন-চালুর-পরামর্শ-ডা-তাসনিম-জারার</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 20:51:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34656/হামের-প্রাদুর্ভাব-ঠেকাতে-রিং-ভ্যাকসিনেশন-চালুর-পরামর্শ-ডা-তাসনিম-জারার</guid>
			<description><![CDATA[হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি জাতীয় হটলাইন, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড এবং দ্রুত ‘রিং ভ্যাকসিনেশন’ কৌশল চালুর আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসক ও রাজনীতিবিদ ডা. তাসনিম জারা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;দেশের চলমান হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি জাতীয় হটলাইন, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড এবং দ্রুত &lsquo;রিং ভ্যাকসিনেশন&rsquo; কৌশল চালুর আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসক ও রাজনীতিবিদ ডা. তাসনিম জারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শুক্রবার (১৫ মে) সকালে নিজের ভেরিফাইড&nbsp;ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ এবং একজন আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে ১২ থেকে ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, হামের ভাইরাস বাতাসে ছড়ায় এবং আক্রান্ত ব্যক্তি কোনো ঘর থেকে বের হওয়ার দুই ঘণ্টা পরও সেখানে প্রবেশকারী ব্যক্তি সংক্রমিত হতে পারেন। এ কারণেই হাম ঠেকাতে অন্তত ৯৫ শতাংশ মানুষের টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি, যাকে &lsquo;হার্ড ইমিউনিটি&rsquo; বলা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাসনিম জারা বলেন, জাতীয় পর্যায়ে টিকাদানের হার ৯০ বা ৯৫ শতাংশ হলেও দেশের কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় টিকার কভারেজ অনেক কম থাকতে পারে। চরাঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা, শহুরে বস্তি কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই ফাঁকা পকেট তৈরি হয়, যেখানে সহজেই হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি একটি জাতীয় হাম হটলাইন বা কল সেন্টার চালুর প্রস্তাব দেন। তার মতে, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে হামের লক্ষণ যেমন জ্বর, কাশি, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লাল র&zwj;্যাশ সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে হবে। এসব লক্ষণ দেখা দিলে অভিভাবকরা নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কল সেন্টারের প্রশিক্ষিত চিকিৎসকেরা সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে সম্ভাব্য রোগী শনাক্ত করবেন এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরাসরি নির্ধারিত চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠাবেন। এতে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ঘুরে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি কমবে বলে মনে করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, সব তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডে যুক্ত করতে হবে, যেন রিয়েল-টাইমে কোন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড বা মহল্লায় কেস বাড়ছে তা শনাক্ত করা যায়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত টিকাদান ও কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং কার্যক্রম চালানো সম্ভব হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাসনিম জারা তার পোস্টে &lsquo;রিং ভ্যাকসিনেশন&rsquo; কৌশল&nbsp;উল্লেখ করে বলেন, এ পদ্ধতিতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে তার সংস্পর্শে আসা পরিবার, প্রতিবেশী, সহপাঠী ও সংশ্লিষ্ট কমিউনিটিকে দ্রুত টিকার আওতায় আনার তাগিদ দিয়েছেন, যেন ভাইরাসের বিস্তার থামানো যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতালে আক্রান্ত শিশুদের ঘুরে বেড়ানোর বিষয়টিকে তিনি &lsquo;সংক্রমণ ব্যবস্থাপনার বিপর্যয়&rsquo; হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জরুরি বিভাগ, করিডর ও ওয়ার্ডে অন্য রোগীদের সংক্রমণের ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সমস্যা সমাধানে তিনি তিনটি পদক্ষেপের কথা বলেন&mdash;প্রতিটি এলাকায় নির্দিষ্ট হাম চিকিৎসাকেন্দ্র, জাতীয় বেড-অ্যাভেইলেবিলিটি ড্যাশবোর্ড এবং বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করে পেডিয়াট্রিক নিবিড়&nbsp;পরিচর্যাযা কেন্দ্র&nbsp;(আইসিইউ) সুবিধা নিশ্চিত করা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যয়ের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে&nbsp;ডা. জারা বলেন, অনেক পরিবার চিকিৎসার খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। ফলে রোগীকে দেরিতে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে, যা জটিলতা ও সংক্রমণ দুটোই বাড়াচ্ছে। হামে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় সরকারিভাবে বহনেরও আহ্বান জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সবশেষে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হামসহ সংক্রামক রোগ মোকাবিলার কার্যকর কৌশল এরই মধ্যে প্রমাণিত। বাংলাদেশেও রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের মাধ্যমে এ সংকট মোকাবিলা সম্ভব।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34655/যুক্তরাজ্যের-স্বাস্থ্যমন্ত্রী-স্ট্রিটিংয়ের-পদত্যাগ</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 19:42:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34655/যুক্তরাজ্যের-স্বাস্থ্যমন্ত্রী-স্ট্রিটিংয়ের-পদত্যাগ</guid>
			<description><![CDATA[যুক্তরাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">যুক্তরাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্ট্রিটিং লিখেছেন, স্টারমারের নেতৃত্বের ওপর তাঁর আর &lsquo;আস্থা&rsquo; নেই। তিনি আরও বলেন, ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসজুড়ে দলের পরাজয়ের পেছনে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তাহীনতাই &lsquo;প্রধান কারণ&rsquo;।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমনকি কিয়ের স্টারমার আগামী সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টির নেতৃত্ব দিতে পারবেন না বলেও দাবি করেছেন স্ট্রিটিং।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া তিনি দ্রুতই লেবার পার্টির নেতৃত্বের জন্য স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চলেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, নেতৃত্বের জন্য প্রতিযোগিতায় নামতে গেলে স্ট্রিটিংকে অন্তত ৮১ জন এমপির সমর্থন জোগাড় করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এখন পর্যন্ত চারজন কনিষ্ঠ মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং ৮০ জনেরও বেশি এমপি স্টারমারকে পদ ছাড়ার অথবা সরে দাঁড়ানোর সময়সীমা নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য চ্যালেঞ্জ জানাননি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বাচ্চাদের পুষ্টির অভাবে হামে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34654/বাচ্চাদের-পুষ্টির-অভাবে-হামে-আক্রান্তের-সংখ্যা-বাড়ছে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 19:32:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34654/বাচ্চাদের-পুষ্টির-অভাবে-হামে-আক্রান্তের-সংখ্যা-বাড়ছে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, মায়েদের শরীরে পুষ্টির অভাবে বাচ্চারা পুষ্টি পাচ্ছে না, ব্রেস্টফিডিং কম হচ্ছে। মানে সিজারিয়ান বাচ্চাদের মায়ের শাল দুধ খাওয়ানো হচ্ছে না। বিভিন্ন কারণে বাচ্চারা পুষ্টি নিয়ে গ্রোথ করতে পারছে না। যেটার জন্য হাম বেশি আক্রমণ করছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">মায়েদের শরীরে পুষ্টির অভাবে বাচ্চারা পুষ্টি পাচ্ছে না, ব্রেস্টফিডিং কম হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো.&nbsp;সাখাওয়াত হোসেন। ফলে সিজারিয়ান বাচ্চাদের মায়ের শাল দুধ খাওয়ানো হচ্ছে না। তাই&nbsp;বিভিন্ন কারণে বাচ্চারা পুষ্টি নিয়ে গ্রোথ করতে পারছে না। যার&nbsp;জন্য হাম বেশি আক্রমণ করছে বলে জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে মহাখালীর ডিএনসিসি কোভিড-১৯ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;গ্যাভি, ইউনিসেফ এবং ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) নিজেরাই বলেছে, ইতিহাসে এত স্বল্প সময়ে এত বিশাল একটা জনসংখ্যার জন্য এত তড়িৎ গতিতে এত প্রচুর ভ্যাকসিন আর কোনও দেশ জোগাড় করতে পারেনি, যেটা আমরা করেছি। আমাদের চিকিৎসকরা অনেক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি আরও&nbsp;বলেন, &lsquo;একটা ভেন্টিলেটরও বিগত সরকার রেখে যায় নাই, আমাদের হাতে একটা হামের ভ্যাকসিন রেখে যায় নাই। শূন্য হাতে যাত্রা করেছি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী&nbsp;বলেন, &lsquo;প্রধানমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ওনার নির্দেশ মতো আমরা প্রত্যেকটা জায়গায় ভেন্টিলেটর দিতে সক্ষম হয়েছি। আগামী মঙ্গলবার (১৯ মে) আমরা আরও ১০টি আইসিইউ ইউনিট খুলছি ১০টি জেলায় এবং এটা সহ প্রত্যেকটা জায়গায় আমরা ১২টি ভেন্টিলেটর এবং প্রত্যেক জায়গায় একটি করে, মানে অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর দিচ্ছি। যাতে করে আরও বেশি সেবা দেওয়া যায়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;বাচ্চাদেরকে আমাদের দেশে বা আন্তর্জাতিকভাবে অ্যাভেইলেবল এমন কোনও চিকিৎসা নেই, যেটা আমরা করছি না। কিন্তু পুষ্টির অভাব একটা বিরাট কারণ। এখন আমরা অতীতের সমালোচনা করতে চাই না, কিন্তু আপনার এই বাচ্চাদেরকে প্রত্যেক বছর দুইবার করে ভিটামিন এ দেওয়ার কথা, ২০২৪ সালে সর্বশেষ দেওয়া হয়েছে একবার। ২০২৫ সালে কোনও ভিটামিন এ প্রচারণা&nbsp;হয় নাই, আমরা এখন শুরু করেছি&rsquo;।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মন্ত্রী বলেন, &lsquo;আগামী জুনের ১০ তারিখের মধ্যে আমরা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ইউনিসেফের কাছ থেকে পাচ্ছি এবং দেশব্যাপী আমরা এটা করে যাবো। আমারও তো হাম হয়েছে। আগের দিন হামকে ঘামাচির বড় ভাই বলতো গ্রামের মানুষ। এখন কিন্তু হামটা অন্যরূপে এসেছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের চিকিৎসায় ঢাকার হাসপাতালে হেল্পলাইন চালু করলো এনসিপি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34653/হামের-চিকিৎসায়-ঢাকার-হাসপাতালে-হেল্পলাইন-চালু-করলো-এনসিপি</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 18:30:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34653/হামের-চিকিৎসায়-ঢাকার-হাসপাতালে-হেল্পলাইন-চালু-করলো-এনসিপি</guid>
			<description><![CDATA[হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও জরুরি সেবা সহজ করতে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে হেল্পলাইন চালু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্স (এনএইচএ)। আক্রান্ত রোগী ও তাদের পরিবারের দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও জরুরি সেবা সহজ করতে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে হেল্পলাইন চালু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্স (এনএইচএ)। আক্রান্ত রোগী ও তাদের পরিবারের দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বুধবার (১৪ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক ডা. মো. আব্দুস সালাম এ তথ্য জানান।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, এনএইচএ&rsquo;র আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. শাদরুল আলম এবং সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল আহাদের উদ্যোগে এ হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। হাম আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং পরিবারগুলোর দুশ্চিন্তা কমানোই এই হেল্পলাইনের মূল লক্ষ্য।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">►হেল্পলাইন নাম্বার</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ডা. মো. জুলফিকার (০১৭১০-৪৯৮৯০৯) ও ডা. মাশুক (০১৮৩৫-৫১২২৫৫০)<br />
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. সাইয়েদ (০১৭০৬-৫২০৯৮৭) ও ডা. সানি (০১৮৮৭-৯৫৯৬৫০)</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন (০১৬০৮-০৭৩৬৪২) ও ডা. মাজহারুল ইসলাম (০১৫৪০-০৭৫২৪৮৭)<br />
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা শিশু হাসপাতালসহ আশপাশের হাসপাতালের ডা. তন্নী শেখ (০১৯৯৯-৩৯৮৭৭৯),&nbsp;<br />
ডা. আল আমিন (০১৭১৮-৬৬২৪৬৩), ডা. হাবিব (০১৫৩৩-৭৯৪৭৪৪) ও ডা. তাওফিক ইমন (০১৩১০-৯৩৮৫৭৩)&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ঢাকা ডিএনসিসি হাসপাতালে ডা. মো. মনিরুজ্জামান (০১৭৭০-৫৯১৫২৯) ও ডা. উসামা (০১৮২৬-৭১১৯২৪) এবং&nbsp;<br />
মিরপুর-২-এর ডা. এমআর খান শিশু হাসপাতালে ডা. আশিকুর রহমান শুভ (০১৬৭৬-৫৬৫১১৮) দায়িত্ব পালন করবেন। জরুরি প্রয়োজনে এসব ডাক্তারদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম ও উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34652/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-১২-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 18:25:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34652/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-১২-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে চার শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><strong><span style="color:#990000">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></strong></span> <span style="font-size:16px">সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে চার শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শুক্রবার (১৫&nbsp;মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১১১ জনের। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৪১৬ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭৭ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৫১ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছে এক হাজার ১৯২ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১৬ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ৮৭ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>গাজী মেডিকেলে অসচ্ছল রোগীদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34651/গাজী-মেডিকেলে-অসচ্ছল-রোগীদের-বিনামূল্যে-অস্ত্রোপচার</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 17:57:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34651/গাজী-মেডিকেলে-অসচ্ছল-রোগীদের-বিনামূল্যে-অস্ত্রোপচার</guid>
			<description><![CDATA[গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনায়  অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের জন্য একটি ‘ফ্রি অপারেশন ক্যাম্প’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল সার্জিকাল রোগে ভোগা ১০ জন অসচ্ছল রোগীর সম্পূর্ণ বিনা খরচে সফল অপারেশন সম্পন্ন করা হয় ক্যাম্পে। বৃহস্পতিবার ( ১৪ মে) হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তত্ত্বাবধানে দিনব্যাপী এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এসময় রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ এবং অপারেশন পরবর্তী চিকিৎসাসেবাও বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">খুলনার গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে&nbsp;অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের জন্য একটি &lsquo;ফ্রি অপারেশন ক্যাম্প&rsquo; অনুষ্ঠিত হয়েছে। &nbsp;দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল অস্ত্রোপচারের&nbsp;রোগে ভোগা ১০ জন অসচ্ছল রোগীর সম্পূর্ণ বিনা খরচে সফল অস্ত্রোপচার&nbsp;সম্পন্ন করা হয় ক্যাম্পে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার ( ১৪ মে) হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তত্ত্বাবধানে দিনব্যাপী এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এসময় রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ এবং অস্ত্রোপচার&nbsp;পরবর্তী চিকিৎসাসেবাও বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দিনব্যাপী এই ফ্রি অপারেশন ক্যাম্প পরিচালনা করেন ডা. গাজী মিজানুর রহমান, ডা. প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস ও ডা. মুরাদ হাসান। ক্যান্সার, ব্রেস্ট টিউমার, কিডনিতে পাথর, পিত্তথলিতে পাথরসহ নানা জটিল রোগের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয় ক্যাম্পটিতে। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ বিষয়ে হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. গাজী মিজানুর রহমান মেডিভয়েসকে বলেন, &lsquo;মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতি বছর কয়েকটি ফ্রি অপারেশন ক্যাম্পের আয়োজন করে থাকে। বছরে প্রায় একশোর বেশি অপারেশন সম্পন্ন করা হয়। আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অসচ্ছল রোগীদের সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞরা&nbsp;বাছাই করে থাকে। সেই অনুসারে গতকাল একটি ফ্রি অপারেশন ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। এই ক্যাম্পে ১০ জন রুগীর সফল অপারেশন করা হয়।&rsquo;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;অপারেশনের সকল আনুষঙ্গিক খরচ হাসপাতাল থেকে বহন করা হয়। অপারেশন পরবর্তীতে ওষুধের ব্যবস্থাও হাসপাতাল থেকে করা হয়। বাড়িতে যাওয়ার সময় রোগীদেরকে দুই হাজার&nbsp;টাকা দেওয়া হয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার জন্য।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গাজী মিজানুর রহমান বলেন, &lsquo;প্রতি বুধবার হাসপাতালের পক্ষ থেকে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ২০১৪ থেকে এটি চলমান রয়েছে। প্রতি বুধবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট&nbsp;পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলে। এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প থেকেই মূলত অসচ্ছল রোগীদের অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এই মেডিকেল কলেজে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার&nbsp;করা হয়। কিন্তু যেসব জটিল রোগ রয়েছে সেগুলোর অস্ত্রোপচার&nbsp;&lsquo;ফ্রি অপারেশন ক্যাম্প&rsquo; করে করা হয়। বছরে দুইবার এই ক্যাম্পের আয়োজন হয়ে থাকে। হাসপাতালে অসচ্ছল রোগীদের জন্য &nbsp;১০% ফ্রি শয্যা রয়েছে। এর&nbsp;মাধ্যমে শতাধিক অসচ্ছল রোগী উন্নত চিকিৎসাসেবা ও অস্ত্রোপচারের সুযোগ পান। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&nbsp;এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>দেশে হামের তুলনায় নিউমোনিয়ায় মৃত্যু বেশি: বিশেষজ্ঞদের মত</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34650/দেশে-হামের-তুলনায়-নিউমোনিয়ায়-মৃত্যু-বেশি-বিশেষজ্ঞদের-মত</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 17:39:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34650/দেশে-হামের-তুলনায়-নিউমোনিয়ায়-মৃত্যু-বেশি-বিশেষজ্ঞদের-মত</guid>
			<description><![CDATA[দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও হামের তুলনায় নিউমোনিয়ায় অনেক বেশি শিশু মারা যাচ্ছে জানিয়েছেন শিশু বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ২৪ হাজার শিশু নিউমোনিয়ায় মারা যায়। প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০ জন শিশু এ রোগে প্রাণ হারাচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও হামের তুলনায় নিউমোনিয়ায় অনেক বেশি শিশু মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিশু বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে বছরে প্রায় ২৪ হাজার শিশু নিউমোনিয়ায় মারা যায়। প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০ জন শিশু এ রোগে প্রাণ হারাচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এসব তথ্য জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব চলছে। তবে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৯৫ শতাংশ সুস্থ হয়ে উঠছে। চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এরই মধ্যে ৯৫ শতাংশ শিশু এসেছে বলেও জানান তারা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হামে শিশুমৃত্যুর হার শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. জিয়াউল হক বলেন, হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ। সফল টিকাদান কর্মসূচির কারণে একসময় হামের প্রকোপ অনেক কমে এসেছিল। কিন্তু গত দুই বছরে টিকাদান কর্মসূচিতে ছেদ পড়ায় চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি জানান, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত দুই মাসে ৫৪ হাজার ৪১৯ জনের মধ্যে হাম ও হাম সদৃশ উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭০ জন হামে এবং ৩৬৯ জন হাম সদৃশ উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুমৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ এখনো নিউমোনিয়া। তারা বলেন, হামের চেয়ে নিউমোনিয়ায় সবচেয়ে বেশি শিশু মারা যাচ্ছে। নীরবে এই মৃত্যু হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। চিকিৎসায় দেরি হলে জটিলতা বেড়ে যায়। হাম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে শিশুরা নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াসহ অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ১ শতাংশের ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে সময়মতো চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. রুহুল আমিন গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে ব্রেস্ট ফিডিংয়ের হার এখন ৫৬ শতাংশ। বাকি শিশুরা মাতৃদুগ্ধের বাইরে থাকায় তাদের রোগপ্রবণতা বাড়ছে। পাশাপাশি প্যাকেটজাত খাবারের ওপর নির্ভরশীলতাও শিশুদের নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এসময় অধ্যাপক ডা. গোলাম সারওয়ার, অধ্যাপক ডা. আসিফ মোস্তফা এবং অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল কিবরিয়াসহ অন্য বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের টিকাদানে অনিয়মের অভিযোগে মৌলভীবাজারে ছাত্রফ্রন্টের বিক্ষোভ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34649/হামের-টিকাদানে-অনিয়মের-অভিযোগে-মৌলভীবাজারে-ছাত্রফ্রন্টের-বিক্ষোভ</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 17:43:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34649/হামের-টিকাদানে-অনিয়মের-অভিযোগে-মৌলভীবাজারে-ছাত্রফ্রন্টের-বিক্ষোভ</guid>
			<description><![CDATA[হামের টিকাদান প্রক্রিয়ার অনিয়মে শিশুমৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তি, শিশুমৃত্যু রোধে কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং আমেরিকার সঙ্গে সম্পাদিত বৈষম্যমূলক বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট মৌলভীবাজার শহর শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">হামের টিকাদান প্রক্রিয়ার অনিয়মে শিশুমৃত্যুর জন্য দায়ীদের শাস্তি, শিশুমৃত্যু রোধে কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত এবং আমেরিকার সঙ্গে সম্পাদিত বৈষম্যমূলক বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট মৌলভীবাজার শহর শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে শহর শাখার আহ্বায়ক বিজয় দাসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শ্যামল সরকারের সঞ্চালনায় শহরের টিসি মার্কেট এলাকায় দলের জেলা কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এসময় বক্তার বলেন, চিকিৎসা ব্যবস্থার অবহেলায় হামে আক্রান্ত হয়ে চারশ&rsquo;র অধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আগে থেকে শিশু মৃত্যু রোধে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হামের টিকা না কিনে বরং নিজেদের খেয়াল-খুশিমতো সরকার পরিচালনা করেছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস উনার ট্যাক্স মওকুফ করা, গ্রামীণ ব্যাংকসহ গ্রামীণ সেন্টার উন্নয়নে ব্যস্ত ছিলেন। ব্যর্থ এই প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে শিশুমৃত্যুর জন্য দায়ী হিসেবে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। নির্বাচনের তিন দিন আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করে যাওয়া দেশের কৃষি, শিল্প এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংসের লক্ষ্যে আমেরিকার সঙ্গে সম্পাদিত বৈষম্যমূলক গোলামী চুক্তি করেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বক্তরা আরও বলেন, হাম মোকাবিলার থেকে বর্তমান সরকার এই চুক্তি বাস্তবায়ন করতে ব্যস্ত। বিএনপি সরকার সেই চুক্তি মোতাবেক যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে বিমান কেনার জন্য ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। প্রতিদিন শিশুরা মারা যাচ্ছে এই মুহূর্তে বিমান কেনার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে হামে শিশুমৃত্যু রোধ করা এবং কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রাজীব সূত্রধর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>‘গেস্ট রুম’ তৈরির নামে ডিডিসিতে শিক্ষার্থীদের কক্ষে ভাঙচুরের অভিযোগ, প্রতিবাদের জেরে হাতাহাতি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34648/গেস্ট-রুম-তৈরির-নামে-ডিডিসিতে-শিক্ষার্থীদের-কক্ষে-ভাঙচুরের-অভিযোগ-প্রতিবাদের-জেরে-হাতাহাতি</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 16:28:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34648/গেস্ট-রুম-তৈরির-নামে-ডিডিসিতে-শিক্ষার্থীদের-কক্ষে-ভাঙচুরের-অভিযোগ-প্রতিবাদের-জেরে-হাতাহাতি</guid>
			<description><![CDATA[ঢাকা ডেন্টাল কলেজে (ডিডিসি) গেস্ট রুম তৈরির জন্য জায়গা করে দেওয়ার নামে কিছু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ছাত্রাবাসের ১১৬ নম্বর রুমের তালা ভেঙে তিন শিক্ষার্থীর জিনিসপত্র তছনছ ও রুম দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার (১৩ মে) দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রশাসনের নির্দেশে এটি করা হয়েছে দাবি করা হলেও কোনো ছাত্রদের এ রকম দায়িত্ব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন হল সুপার ও কলেজ অধ্যক্ষ। এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করায় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকা ডেন্টালের ওই রুমের তিন শিক্ষার্থীর সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ায় একাধিক জুনিয়র শিক্ষার্থী। ভাঙচুর ও হাতাহাতিতে জড়িতরা ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের সমর্থক বলে জানা গেছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> ঢাকা ডেন্টাল কলেজে (ডিডিসি) গেস্ট রুম তৈরির জন্য জায়গা করে দেওয়ার নামে কিছু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ছাত্রাবাসের ১১৬ নম্বর রুমের তালা ভেঙে তিন শিক্ষার্থীর জিনিসপত্র তছনছ ও রুম দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার (১৩ মে) দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রশাসনের নির্দেশে এটি করা হয়েছে দাবি করা হলেও কোনো ছাত্রদের এ রকম দায়িত্ব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন হল সুপার ও কলেজ অধ্যক্ষ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করায়&nbsp;বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকা ডেন্টালের ওই রুমের তিন শিক্ষার্থীর সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ায় একাধিক জুনিয়র শিক্ষার্থী। ভাঙচুর ও হাতাহাতিতে জড়িতরা ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের সমর্থক বলে জানা গেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন ডিডিসি ৬১ ব্যাচের রায়হানুল ইসলাম, মোন্তাকিম ও তানজিম ওভি। অন্যদিকে অভিযোগের মুখে থাকা শিক্ষার্থীরা হলেন ৫৮ ব্যাচের আবরার জাওয়াদ, মৃণাল কান্তা রায়, অর্ণব সাহা ও সামিউল্লাহ্ অনিক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শিক্ষার্থী ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হলে রুমের তালা ভেঙে অনুপ্রবেশ ও রুম তল্লাশির অভিযোগ করে অধ্যক্ষের কাছে সুরক্ষা ও আবাসন নিশ্চিতের আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রায়হানুল ইসলাম, মোন্তাকিম ও তানজিম ওভি।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তারা বলেন, &lsquo;বুধবার (১৩ মে) দুপুর ৩.১৫ মিনিটে আমার ব্যাচের&nbsp;মনিটর ফোনে জানতে চায়, কোথায় আছিস? ৫ মিনিটের মধ্যে রুমে আয় (রুম নং-১১৬)। বললাম যে আমি তো দূরে আছি, আসতে আসতে বিকাল বা সন্ধ্যা হবে। তখন সে আমাকে বললো, তোরা কেউ না আসলে তালা ভেঙে রুমে ঢোকা হবে। আমি কারণ জানতে চাইলে সে বললো, উপরের নির্দেশ আছে দ্রুত আসতে। আমি বললাম, আমার আসতে রাত হবে। আমার রুমমেটও বাইরে ছিল তারও দেরি হবে। এরপর পাশের রুমের ব্যাচমেটদের থেকে জানতে পারলাম যে, আমাদের রুমের&nbsp;তালা ভেঙে ভেতরে&nbsp;ঢোকা হয়েছে। কারা করেছে জানতে চাইলে বলে, ডি-৫৮ ব্যাচের জাওয়াদ ভাই, অর্ণব ভাই এদের কথা বলা হলো, তারপর সন্ধ্যায় আমি এসে দেখি, আমার রুমের জিনিসপত্র অগোছালো করে রাখা হইছে। কয়েকটি ব্যাগ ছিল ওগুলোও নিচে ফেলে দিছে, আবার রাতে ব্যাচ মনিটর সিফাত এসে হুমকি দিয়ে গেল যে, রাতের মধ্যে রুম না ছাড়লে সকালে ৫৮ ব্যাচের ভাইরা এসে সব বের করে দিবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;পরবর্তীতে সহকারী হল সুপারকে জানানো হলে তিনি এই ঘটনা সম্পর্কে অবহিত নন বলে জানান এবং সকালে দেখা করতে বলেন। সকালে দেখা করতে গেলে তিনি পুরো ঘটনা শুনে আমাদের রুমকে গেস্ট রুম করার বিষয়ে তার পরিকল্পনার কথা জানান এবং নোটিশ না পাওয়া পর্যন্ত রুম না ছাড়ার কথা বলেন। তালা ভেঙে ঢোকার জন্য আমাদেরকে হল সুপার মামুন স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। হল সুপার তখন কলেজে ছিলেন না তিনি রোববার আসবে বলে জানান। এবং সে আলোকে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান। এমতাবস্থায় আমরা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত এটা বলার পর তিনি আমাদের আশস্ত করেন যে এমন কিছু আর হবে না&rsquo;&mdash;বলা হয় আবেদনে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ঘটনা নিয়ে হল সুপারে কাছে করা অভিযোগপত্রে শিক্ষার্থী বলেন, &lsquo;গত ১৩ মে ২০২৬ বুধবার দুপুর ৩টা নাগাদ মিরপুর ছাত্রাবাসের ১১৬ নম্বর রুমের তালা ভেঙে ভিতরের জিনিসপত্র তছনছ ও তল্লাশি করে সোবহানবাগ ছাত্রাবাস থেকে আগত কিছু শিক্ষার্থী। তারা জানায়, গেস্টরুম তৈরি করার উদ্দেশ্যে এ কাজটি হল সুপারের নির্দেশে করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ৫৮ ব্যাচের চার শিক্ষার্থী।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>যা বললেন ঢাকা ডেন্টালের অধ্যক্ষ</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানতে চাইলে ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. আব্দুল আওয়াল বলেন, &lsquo;আমি এ বিষয়ে অবগত হয়েছি। হোস্টেল সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি। বিষয়টি সমাধানের জন্য রোববার পর্যন্ত সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা তাদের সাথে দেখা করতে এলে বসার জায়গা দিতে পারে না। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকজন শিক্ষার্থী ওই রুমকে গেস্টরুম করার আবেদন জানিয়েছে। সেখানে বর্তমানে যারা রয়েছে প্রয়োজনে তাদের অন্যরুমে স্থানান্তর করা হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নতুন বাংলাদেশে পুনরায় গেস্টরুম-গণরুম প্রথা চালু হবে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, &lsquo;এই রুমটা ছাত্রদের থাকার জন্য বরাদ্দ ছিল না। এটি হোস্টেলের জিমনেশিয়াম ছিল। প্রথম বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন ছাত্রের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এটিকে বসবাসযোগ্য করা হয়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানতে চাইলে সহকারী হোস্টেল সুপার ডা. আতিক মাহমুদ মেডিভয়েসকে বলেন, &lsquo;শিক্ষার্থীদের পরিবারের নারী সদস্যরা তাদের সাথে দেখা করতে এলে হোস্টেলের ভিতরে ঢুকে পড়তো। এটি যেহেতেু ছাত্র হোস্টেল, তাই বিষয়টি বিব্রতকর। এর পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকজন ছাত্র গেস্টরুম চালুর আবেদন করে। সবদিক বিবেচনা করে আমরা একটি গেস্টরুম চালুর সিদ্ধান্ত নিই। পূর্বে এই রুমটা গেস্টরুম এবং জিমনেশিয়াম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। প্রথম বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন ছাত্রের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এখানে তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়। তবে এটা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত না।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;আজকে ওই রুমের শিক্ষার্থীরা আমাকে বললো, স্যার কয়েকজন আমাদের রুমে এসে রুম থেকে বের হয়ে যেতে বলেছে। আমি তাদের বলেছি, আমরা এ রকম একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু সেটা তোমাদের নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে, এভাবে না।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরে বিষয়টি সমাধান করতে উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বসেছেন জানিয়ে ডা. আতিক মাহমুদ বলেন, &lsquo;এখানে দুই পক্ষেরই বক্তব্য হচ্ছে, আমাদের মধ্যে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটেছে। আমি জানতে চেয়েছি, এখানে কারা জড়িত? তারা বলছে, আমরা নিজেরাই বিষয়টি সমাধান করে ফেলব।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;অতিথিদের জন্য যে কক্ষ বরাদ্দ থাকবে, সেটি আমরা নির্দেশনা দেওয়ার পর কার্যকর হবে। এর আগে তা কার্যকর করার মতো কোনো সিদ্ধান্ত নেই। এ বিষয়ে আমরা বসব, শিক্ষকরা বসবেন। পরবর্তীতে নির্দেশনা জারি হলে তখন থেকেই অতিথিদের জন্য কক্ষ বরাদ্দ কার্যকর থাকবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কলেজ কর্তৃপক্ষ ওই রুমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা জায়গায় সিট বরাদ্দ দিয়েছে বলেও জানান হোস্টেল সুপার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>তালা ভাঙার ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থার আশ্বাস</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই ঘটনায় বিশেষ কোনো সংগঠনের হাত আছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, &lsquo;আমি এসব বিষয়ে কিছু জানি না। রুমের তালা যারা ভেঙেছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর ওই রুমে থাকা শিক্ষার্থীদের বলা হয়েছে, তারা যেন তাদের সুবিধাজনক সময়ে বরাদ্দকৃত রুমে চলে যায়। গেস্টরুম চালুর বিষয়ে যেহেতু সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, এখান থেকে সরে আসার সুযোগ নেই।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানতে চাইলে এই অভিযোগের মুখে থাকা অর্ণব সাহা মেডিভয়েসকে বলেন, &lsquo;আমি এখন কথা বলতে চাচ্ছি না। আপনি হল সুপারের সঙ্গে এসে কথা বলেন। এটা তাঁর বিষয়, তিনি ঘোষণা দিবেন। প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলেই হবে। এ নিয়ে আমি এখন কথা বলবো না, বললেও পরে বলবো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আপনারা তালা ভেঙে ফেলেছেন, এমন অভিযোগ সত্য কিনা&mdash;জানতে চাইলে তিনি বলেন, &lsquo;না এগুলো আমরা স্বীকার করছি না। আপনার সঙ্গে এ নিয়ে পরে কথা বলবো। আমি এখন ব্যস্ত আছি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া অভিযোগের মুখে থাকা আরেক শিক্ষার্থী আবরারকে একাধিকবার চেষ্টা ফোনেও পাওয়া যায়নি। অন্য শিক্ষার্থী মৃণালের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। আরেকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>৮ পদে জনবল নিয়োগ দেবে আইইডিসিআর</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34647/৮-পদে-জনবল-নিয়োগ-দেবে-আইইডিসিআর</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 16:26:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34647/৮-পদে-জনবল-নিয়োগ-দেবে-আইইডিসিআর</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীনে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) জন্য আটটি পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-৪ শাখার উপসচিব ডা. মো. শেখ ছাদেকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীনে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) জন্য আটটি পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-৪ শাখার উপসচিব ডা. মো. শেখ ছাদেকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>১. পদের নাম: সহকারি পরিচালক</strong><br />
বিভাগ: প্রশাসনিক<br />
পদসংখ্যা: ১টি<br />
বেতন ও গ্রেড: ৪৩০০০-৬৯৮৫০, (গ্রেড-৫)<br />
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১ এবং বিসিএস (পদোন্নতি পরীক্ষা) বিধিমালা, ১৯৮৬ এর অংশ-২০ বিসিএস (স্বাস্থ্য) এর তফসিলের ক্রমিক-৫ (i) অনুযায়ী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>২. পদের নাম: উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (এসএসও)</strong><br />
বিভাগ: নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ ইউনিট<br />
পদসংখ্যা: ১টি<br />
বেতন ও গ্রেড:৩৫৫০০-৬৭০১০, (গ্রেড-৬)&nbsp;<br />
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১ এবং বিসিএস (পদোন্নতি পরীক্ষা) বিধিমালা, ১৯৮৬ এর অংশ-২০ (বিসিএস স্বাস্থ্য) এর তফসিলের ক্রমিক-১১ (এইচ) অনুযায়ী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>৩. পদের নাম: উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (এসএসও)</strong><br />
বিভাগ: সার্ভিলেন্স অফ এনভায়রনমেন্ট রিলেটেড হেল্থ প্রবলেমস ইউনিট<br />
পদসংখ্যা: ১টি<br />
বেতন ও গ্রেড:৩৫৫০০-৬৭০১০, (গ্রেড-৬)&nbsp;<br />
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১ এবং বিসিএস (পদোন্নতি পরীক্ষা) বিধিমালা, ১৯৮৬ এর অংশ-২০ (বিসিএস স্বাস্থ্য) এর তফসিলের ক্রমিক-১১ (এইচ) অনুযায়ী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>৪. পদের নাম: উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (এসএসও)</strong><br />
বিভাগ: পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার<br />
পদসংখ্যা: ১টি<br />
বেতন ও গ্রেড:৩৫৫০০-৬৭০১০, (গ্রেড-৬)&nbsp;<br />
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১ এবং বিসিএস (পদোন্নতি পরীক্ষা) বিধিমালা, ১৯৮৬ এর অংশ-২০ (বিসিএস স্বাস্থ্য) এর তফসিলের ক্রমিক-১১ (এইচ) অনুযায়ী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>৫. পদের নাম: উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (এসএসও)</strong><br />
বিভাগ: মাইক্রোবায়োলজি&nbsp;<br />
পদসংখ্যা: ১টি<br />
বেতন ও গ্রেড:৩৫৫০০-৬৭০১০, (গ্রেড-৬)&nbsp;<br />
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১ এবং বিসিএস (পদোন্নতি পরীক্ষা) বিধিমালা, ১৯৮৬ এর অংশ-২০ (বিসিএস স্বাস্থ্য) এর তফসিলের ক্রমিক-১১ (এইচ) অনুযায়ী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>৬. পদের নাম: সহকারি অধ্যাপক</strong><br />
বিভাগ: এপিডেমিওলজি<br />
পদসংখ্যা: ১টি<br />
বেতন ও গ্রেড: ৩৫৫০০-৬৭০১০, (গ্রেড-৬)<br />
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১ এবং বিসিএস (পদোন্নতি পরীক্ষা) বিধিমালা, ১৯৮৬ এর অংশ-২০ (বিসিএস স্বাস্থ্য) এর তফসিলের ক্রমিক-১১ (আই) (iii) অনুযায়ী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>৭. পদের নাম: সহকারি অধ্যাপক</strong><br />
বিভাগ: বায়োস্ট্যাটিস্টিক্স<br />
পদসংখ্যা: ১টি<br />
বেতন ও গ্রেড: ৩৫৫০০-৬৭০১০, (গ্রেড-৬)<br />
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১ এবং বিসিএস (পদোন্নতি পরীক্ষা) বিধিমালা, ১৯৮৬ এর অংশ-২০ (বিসিএস স্বাস্থ্য) এর তফসিলের ক্রমিক-১১ (আই) (iii) অনুযায়ী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>৭. পদের নাম: সহকারি অধ্যাপক</strong><br />
বিভাগ: হেলথ প্রমোশন অ্যান্ড হেলথ এডুকেশন<br />
পদসংখ্যা: ১টি<br />
বেতন ও গ্রেড: ৩৫৫০০-৬৭০১০, (গ্রেড-৬)<br />
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১ এবং বিসিএস (পদোন্নতি পরীক্ষা) বিধিমালা, ১৯৮৬ এর অংশ-২০ (বিসিএস স্বাস্থ্য) এর তফসিলের ক্রমিক-১১ (আই) (iii) অনুযায়ী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ক্রমিক-০২ এর ৫ নং কলামে নির্ধারণকৃত বেতনস্কেল ও ৬নং কলামে প্রদর্শিত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সাপেক্ষে কার্যকর হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1-LAc4tfCr4fZCntmB3OSXfMdvYqu1VMk/view?usp=sharing"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">►বিজ্ঞপ্তি দেখুন</span></strong></span></a></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1-LAc4tfCr4fZCntmB3OSXfMdvYqu1VMk/view?usp=sharing"><strong><span style="font-size:16px">&nbsp;</span><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1-LAc4tfCr4fZCntmB3OSXfMdvYqu1VMk/preview" width="340"></iframe> </strong></a></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এলএসবি ও ডাকসুর উদ্যোগে উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতে দৌড় প্রতিযোগিতা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34646/এলএসবি-ও-ডাকসুর-উদ্যোগে-উচ্চ-রক্তচাপ-বিষয়ক-সচেতনতা-বৃদ্ধিতে-দৌড়-প্রতিযোগিতা</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 15:47:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34646/এলএসবি-ও-ডাকসুর-উদ্যোগে-উচ্চ-রক্তচাপ-বিষয়ক-সচেতনতা-বৃদ্ধিতে-দৌড়-প্রতিযোগিতা</guid>
			<description><![CDATA[লিপিড সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এলএসবি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'ওলমেডিপ হাইপারটেনশন অ্যাওয়ারনেস রান (এইচএআর)।’]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> লিপিড সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এলএসবি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে &#39;ওলমেডিপ হাইপারটেনশন অ্যাওয়ারনেস রান (এইচএআর)।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ ​শুক্রবার (১৫ মে) ভোর সাড়ে পাঁচটায় ঢাবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে শুরু হয় এই দৌড়&nbsp;প্রতিযোগিতা। এতে পাঁচ কিলোমিটার এবং দুই কিলোমিটার ক্যাটাগরিতে চিকিৎসক, মেডিকেল শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ৪০০ এর অধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, দেশবরেণ্য ভাস্কুলার সার্জন অধ্যাপক ড. সাকলায়েন রাসেল, লিপিড সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. মোখলেছুর রহমান এবং আয়োজক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">​আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশে দিন দিন উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের ঝুঁকি বাড়ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি সুস্থ জীবনধারায় উৎসাহিত করতেই এই আয়োজন। আগামীতেও সমাজের কল্যাণে এবং জনস্বাস্থ্য সচেতনতায় এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দৌড়&nbsp;শেষে বিজয়ীদের মাঝে মেডেল ও ই-সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। এ ছাড়া লটারির মাধ্যমে ২০ জন বিজয়ীকে বিশেষ স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপহার প্রদান করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">​অনুষ্ঠানে সহযোগি হিসেবে কাজ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাব, ডাকসু এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবকরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ অপরিণত শিশুকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠাল বিএমইউ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34645/একসঙ্গে-জন্ম-নেওয়া-পাঁচ-অপরিণত-শিশুকে-সুস্থ-করে-বাড়ি-পাঠাল-বিএমইউ</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 15:34:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34645/একসঙ্গে-জন্ম-নেওয়া-পাঁচ-অপরিণত-শিশুকে-সুস্থ-করে-বাড়ি-পাঠাল-বিএমইউ</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে এক বিরল সাফল্যের নজির গড়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয়টির নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (এনআইসিইউ)-এ নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ প্রিম্যাচিউর ও স্বল্প ওজনের শিশুকে সফলভাবে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</span></span></strong><span style="font-size:16px">বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে বিরল এক সাফল্যের নজির গড়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)।&nbsp; নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের&nbsp;(এনআইসিইউ) নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ অপরিণত ও স্বল্প ওজনের শিশুকে সফলভাবে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএমইউর ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী নবজাতকদের মা-বাবার&nbsp;হাতে শিশুদের তুলে দেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো.&nbsp;মুজিবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, নিওন্যাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মান্নান এবং ফিটোম্যাটারনাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. তাবাছসুম পারভীনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিএমইউ (ভিসি) অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকী এ ঘটনাকে বিএমইউর বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতার ভূয়সী&nbsp;প্রশংসা করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নিওন্যাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো.&nbsp;আব্দুল মান্নান জানান, গত ৫ এপ্রিল&nbsp;৩০ বছর বয়সী এক মায়ের গর্ভে ৩৩ সপ্তাহ বয়সে সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে জন্ম নেয় পাঁচ শিশু, যার মধ্যে দুইজন কন্যা ও তিনজন পুত্র। বিএমইউর কোষাধ্যক্ষ ও ফিটোম্যাটারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতারের তত্ত্বাবধানে সফলভাবে এই&nbsp;অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><br />
<span style="font-size:16px">জন্মের সময় শিশুদের ওজন ছিল যথাক্রমে ১৪২০ গ্রাম, ১২৫০ গ্রাম, ১৪১০ গ্রাম, ৯৮৫ গ্রাম এবং ১৬২৫ গ্রাম। অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় তাদের শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়। পরে দ্রুত তাদের এনআইসিইউতে ভর্তি করে সিপ্যাপ সাপোর্ট, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, বুকের দুধ নিশ্চিতকরণ এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হয়। চিকিৎসকরা জানান, জন্মের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করা হয়, যা তাদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি সংক্রমণ প্রতিরোধে পরিবারকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস নিশ্চিত করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া শিশুদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে &lsquo;ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার&rsquo; চালু করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, মায়ের বুকের সঙ্গে ত্বকের সংস্পর্শে রাখার এ পদ্ধতি শিশুদের ওজন বৃদ্ধি, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং মা-শিশুর বন্ধন দৃঢ় করতে সহায়তা করেছে। জন্মের পাঁচ দিন পর পরিকল্পিত আগাম ছাড়পত্রের&nbsp;</span><span style="font-size:16px">অংশ হিসেবে শিশুদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ফলোআপ চিকিৎসা শেষে ৩০ দিন বয়সে দেখা যায়, পাঁচ শিশুরই ওজন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সবাই সুস্থ রয়েছে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসকদের মতে, সীমিত সম্পদের মধ্যেও সময়মতো এনআইসিইউ কেয়ার, বুকের দুধ খাওয়ানো, সিপ্যাপ ব্যবস্থাপনা, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার নিশ্চিত করা গেলে ঝুঁকিপূর্ণ প্রিম্যাচিউর নবজাতকদেরও সফলভাবে সুস্থ করে তোলা সম্ভব। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একসঙ্গে পাঁচ প্রিম্যাচিউর শিশুর জন্ম এবং তাদের সুস্থ করে তোলা অত্যন্ত বিরল ও চ্যালেঞ্জিং ঘটনা।</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>১৩ চিকিৎসককে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলিপূর্বক পদায়ন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34644/১৩-চিকিৎসককে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরে-বদলিপূর্বক-পদায়ন</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 15:15:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34644/১৩-চিকিৎসককে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরে-বদলিপূর্বক-পদায়ন</guid>
			<description><![CDATA[বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের ১৩ চিকিৎসক কর্মকর্তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের একাধিক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের ১৩ চিকিৎসক কর্মকর্তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের একাধিক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-৩ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এসব প্রজ্ঞাপনে পদায়নকৃত কর্মকর্তাদেরকে পাঁচ কর্ম দিবস ও তিন কর্ম দিবসের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কর্মকর্তারা হলেন, রংপুর কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট অর্থোপেডিক (সার্জারি) &nbsp;ডা. মো. জহুরুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক (সার্জারি) ডা. খোন্দকার মুহাম্মদ আবু জালাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (মেডিসিন) ডাঃ. মো. মনজুরুল হক, মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক তাবাসসুম গনি, নেত্রকোনা সদর মদনপুর ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. উম্মে সালমা, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (ভিট্রিও রেটিনা) ডা. যাকিয়া সুলতানা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি এন্ড ডেভেলপমেন্ট) ডা. বীথি দেবনাথ, সহযোগী অধ্যাপক (মেডিসিন, ইনসিটু) ডা. শাহ্ মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক (মেডিসিন) ডা. মোহা. নুরে আলম সিদ্দিকি, সহকারী অধ্যাপক অফথালমোলজি (ইনসিটু) ডা. কামরুন নাহার, অধ্যাপক (মেডিসিন, ইনসিটু) ডা. মো. আক্রামুজ্জামান।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাদের সবাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে পরিকল্পনা ও গবেষণায় সংযুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করবেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে এর অনুলিপি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের চিকিৎসায় বাবল সিপ্যাপ ব্যবহারে ঢামেকে প্রশিক্ষণ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34643/হামের-চিকিৎসায়-বাবল-সিপ্যাপ-ব্যবহারে-ঢামেকে-প্রশিক্ষণ</link>
			<pubDate>Fri, 15 May 2026 12:21:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34643/হামের-চিকিৎসায়-বাবল-সিপ্যাপ-ব্যবহারে-ঢামেকে-প্রশিক্ষণ</guid>
			<description><![CDATA[শিশুদের হামজনিত নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভেন্টিলেটরের বিকল্প হিসেবে বাবল সিপ্যাপ ব্যবহারের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন ১২৮ জন চিকিৎসক ও ৭জন নার্স। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা এ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></strong></span> <span style="font-size:16px">শিশুদের হামজনিত নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভেন্টিলেটরের বিকল্প হিসেবে বাবল সিপ্যাপ ব্যবহারের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (১৪ মে) অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন ১২৮ জন চিকিৎসক ও ৭জন নার্স। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা এ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">বাবল সিপ্যাপের ওপর বিজ্ঞানভিত্তিক ও গবেষণালব্ধ তথ্য ও ব্যবহারের কার্যকারিতার বিষয়ে উপস্থাপনা করেন আইসিডিডিআর,বির মেটার্নাল অ্যান্ড চাইল্ড নিউট্রিশন বিভাগের জ্যৈষ্ঠ বিজ্ঞানী ডা. মোহাম্মদ যোবায়ের চিশতী।&nbsp;</span></p>

<p><span style="font-size:16px">ঢামেকের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. লুৎফন নেসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিডিডিআর,বির ঢাকা হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক্স ও অনারারি চিফ কনসালটেন্ট প্রফেসর ডা. চৌধুরী আলী কাওসার।&nbsp;</span></p>

<p><span style="font-size:16px">বিশেষ অতিথি ছিলেন আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালের শিশু বিভাগের একাডেমিক পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সুফিয়া খাতুন, আদ-দ্বীন মহিলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পেডিয়াট্রিকসের অধ্যাপক ডা. এ আর এম লুৎফুল কবির, আইসিডিডিআর,বির ক্লিনিক্যাল ও ডায়াগনিস্টিক সার্ভিসেসের প্রধান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ডা. ফজলুল কবীর, ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. আতিয়ার রহমান, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক্স পালমোনারী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা: এম. এস. খালেদ প্রমুখ।&nbsp;</span></p>

<p><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, আইসিডিডিআর,বির বাবল সিপ্যাপ একটি সহজলভ্য শ্বাস-প্রশ্বাস সহায়তা পদ্ধতি। এটি গুরুতর নিউমোনিয়া ও হাইপোক্সেমিয়ায় (রক্তে অক্সিজেনের স্বল্পতা) আক্রান্ত শিশুদের ফুসফুস সচল রাখতে এবং অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতে সহায়তা করে। বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এবং আইসিডিডিআর,বির কারিগরি সহায়তায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বাবল সিপ্যাপ ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ ও বিনামূল্যে ইউনিট সরবরাহ করা হচ্ছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামে আক্রান্ত যমজ শিশু হাসান-হোসেনের চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34642/হামে-আক্রান্ত-যমজ-শিশু-হাসান-হোসেনের-চিকিৎসায়-প্রধানমন্ত্রীর-সহায়তা</link>
			<pubDate>Thu, 14 May 2026 19:34:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34642/হামে-আক্রান্ত-যমজ-শিশু-হাসান-হোসেনের-চিকিৎসায়-প্রধানমন্ত্রীর-সহায়তা</guid>
			<description><![CDATA[হামে আক্রান্ত হয়ে নিউমোনিয়ায় গুরুতর অসুস্থ দুই বছর বয়সী যমজ শিশু হাসান ও হোসেনের চিকিৎসা ও সার্বিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় ঢাকার মুগদা জেনারেল হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদিরের (বিটু) নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অসুস্থ শিশুদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবারটির হাতে আর্থিক সহায়তা ও পুষ্টিকর ফলমূল তুলে দেওয়া হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> হামে আক্রান্ত হয়ে নিউমোনিয়ায় গুরুতর অসুস্থ দুই বছর বয়সী যমজ শিশু হাসান ও হোসেনের চিকিৎসা ও সার্বিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় ঢাকার মুগদা জেনারেল হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদিরের (বিটু) নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অসুস্থ শিশুদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবারটির হাতে আর্থিক সহায়তা ও পুষ্টিকর ফলমূল তুলে দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সম্প্রতি জাতীয় একটি দৈনিকে &lsquo;হামের পরে নিউমোনিয়া, আইসিইউতে লড়ছে ২ যমজ শিশু&rsquo; শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরপরই শিশু দুটির চিকিৎসা ও পরিবারের খোঁজখবর নিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি দলটি দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে হাসান-হোসেনসহ চিকিৎসাধীন অন্যান্য শিশুদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসকরা জানান, যমজ শিশু দুটির শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তাদের আইসিইউ থেকে জেনারেল ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে তারা এখনও পুষ্টিহীনতায় ভুগছে এবং চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মেজবাহুর রহমান, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক (শিশু) ডা. শামীম ইবনে হালিম, ডা. মো. জহিরুল ইসলাম জহির, ডা. হাসিবুল হাসান, ডা. মো. হাফিজুর রহমানসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, হাসান-হোসেনের বাবা একজন রাজমিস্ত্রী। তাদের গ্রামের বাড়ি দিরাই উপজেলার একটি প্রত্যন্ত এলাকায়।</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৪৩৯ </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34641/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-৭-শিশুর-মৃত্যু-মোট-মৃত্যু-৪৩৯</link>
			<pubDate>Thu, 14 May 2026 18:55:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34641/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-৭-শিশুর-মৃত্যু-মোট-মৃত্যু-৪৩৯</guid>
			<description><![CDATA[সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong> <span style="font-size:16px">সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৫৫ জনের। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৩০৫ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬৯ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৩৯ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছে এক হাজার ৩৬৩ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১০৬ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১১৩৬ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>স্কুলগামী শিশুদের মধ্যে উদ্বেগজনকহারে বেড়েছে ডিজিটাল স্ক্রিনের ব্যবহার: আইসিডিডিআর,বি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34640/স্কুলগামী-শিশুদের-মধ্যে-উদ্বেগজনকহারে-বেড়েছে-ডিজিটাল-স্ক্রিনের-ব্যবহার-আইসিডিডিআরবি</link>
			<pubDate>Thu, 14 May 2026 17:51:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34640/স্কুলগামী-শিশুদের-মধ্যে-উদ্বেগজনকহারে-বেড়েছে-ডিজিটাল-স্ক্রিনের-ব্যবহার-আইসিডিডিআরবি</guid>
			<description><![CDATA[ঢাকার স্কুলগামী শিশুদের মধ্যে ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারের মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। এতে শিশুদের ঘুমের ঘাটতি, স্থূলতা, মাথাব্যথা, চোখের সমস্যা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের নানা জটিলতা তৈরী হচ্ছে বলে উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি)  নতুন এক গবেষণায়। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span> <span style="font-size:16px">ঢাকার স্কুলগামী শিশুদের মধ্যে ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহারের মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। এতে শিশুদের ঘুমের ঘাটতি, স্থূলতা, মাথাব্যথা, চোখের সমস্যা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের নানা জটিলতা তৈরী হচ্ছে বলে উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) &nbsp;নতুন এক গবেষণায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে)&nbsp;আইসিডিডিআর,বির ওয়েবসাইটে এই গবেষণা প্রকাশ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আইসিডিডিআর,বির গবেষকরা &nbsp;২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ঢাকার ছয়টি স্কুলের ছয় থেকে ১৪ বছর বয়সী ৪২০ জন শিশুর ওপর এই গবেষণা পরিচালনা করেন। এর মধ্যে তিনটি ছিল বাংলা মাধ্যম এবং তিনটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল। গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নাল &lsquo;জার্নাল অব মেডিক্যাল ইন্টারনেট রিসার্চ&rsquo; (জে-এম-আই-আর) হিউম্যান ফ্যাক্টরসে প্রকাশিত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষকরা শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহারের ধরন, ঘুমের মান, শারীরিক সমস্যা, ওজন, আচরণ এবং মানসিক সুস্থতা মূল্যায়ন করেন সরাসরি সাক্ষাৎকার, শারীরিক পরিমাপ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মূল্যায়ন পদ্ধতির মাধ্যমে। এর মধ্যে ছিল পিটসবার্গ স্লিপ কোয়ালিটি ইনডেক্স (পিএসকিউআই), স্ট্রেংথস অ্যান্ড ডিফিকাল্টিজ কোয়েশ্চেনেয়ার (এসডিকিউ) এবং ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ওয়েল-বিইং অ্যাসেসমেন্ট (ডিএডব্লিউবিএ)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে চারজনেরও বেশি (৮৩%) প্রতিদিন দুই ঘণ্টার বেশি সময় স্ক্রিনে কাটায়, যা শিশুদের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সুপারিশকৃত সীমা অতিক্রম করে। গড়ে শিশুরা প্রতিদিন প্রায় ৪.৬ ঘণ্টা স্মার্টফোন, টেলিভিশন, ট্যাবলেট, কম্পিউটার ও গেমিং ডিভাইসে সময় ব্যয় করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষণায় আরও দেখা যায়, এক-তৃতীয়াংশের বেশি শিশু চোখের সমস্যায় ভুগছে এবং ৮০ শতাংশ শিশু নিয়মিত মাথাব্যথার অভিযোগ করেছে। যারা প্রতিদিন দুই ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন ব্যবহার করে, তারা গড়ে মাত্র ৭.৩ ঘণ্টা ঘুমায়, যা এই বয়সী শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টার চেয়ে কম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষণায় অংশ নেওয়া শিশুদের প্রায় ১৪ শতাংশ অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতায় আক্রান্ত ছিল, এবং অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের সঙ্গে এই হার আরও বেশি দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, দীর্ঘমেয়াদি ঘুমের ঘাটতি শিশুদের স্মৃতি, মনোযোগ, শেখার ক্ষমতা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, শারীরিক বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক মানসিক সুস্থতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষণার ফলাফলে আরও উঠে এসেছে , প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে প্রায় দুজন এক বা একাধিক মানসিক স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছে, যার মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ, অতিচঞ্চলতা, আচরণগত সমস্যা এবং মানসিক অস্থিরতা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার বিভিন্নভাবে শিশুদের ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। রাতে দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারে মস্তিষ্ক অতিরিক্ত সক্রিয় থাকে যা স্বাভাবিক ঘুমের চক্র ব্যাহত করে। দীর্ঘ সময় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের ফলে শারীরিক কর্মকাণ্ড ও বাইরে খেলাধুলা কমে যায়, যা স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারে চোখে চাপ, মাথাব্যথা, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং সামনাসামনি সামাজিক যোগাযোগ কমে যাওয়ার কারণে মানসিক ও আবেগগত সমস্যাও দেখা দিতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্বের অন্যান্য দেশেও একই ধরনের সমস্যা লক্ষ্য করা গেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণায় শিশুদের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের সঙ্গে ঘুমের সমস্যা, কম শারীরিক কর্মকাণ্ড, স্থূলতা, উদ্বেগ এবং পড়াশোনায় খারাপ ফলাফলের সম্পর্কও পাওয়া গেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষণার প্রধান গবেষক ও আইসিডিডিআর,বির সহকারী বিজ্ঞানী ডা. শাহরিয়া হাফিজ কাকন বলেন, &lsquo;অভিভাবকদের উচিত শিশুদের দেরিতে ঘুমানো, মাথাব্যথা বা চোখে অস্বস্তি, অস্বাভাবিক রাগ বা একাকীত্ব, বাইরে খেলাধুলায় অনাগ্রহ বা মনোযোগের ঘাটতির মতো লক্ষণগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া। এগুলো স্ক্রিন ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাবের ইঙ্গিত হতে পারে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষকরা পরিবারগুলোকে &lsquo;২০-২০-২০&rsquo; চোখের যত্নের নিয়ম অনুসরণের পরামর্শও দিয়েছেন। অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিট স্ক্রিন ব্যবহারের পর অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কোনো কিছুর দিকে তাকাতে হবে, যাতে চোখের চাপ কমে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ডা. তাহমীদ আহমেদ বলেন, &lsquo;ডিজিটাল ডিভাইস এখন আধুনিক জীবন ও শিক্ষার অংশ। তবে শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর সীমা নির্ধারণ করা জরুরি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, স্কুলগামী শিশুদের দৈনিক বিনোদনমূলক স্ক্রিন টাইম প্রায় ২ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। অভিভাবকদের উচিত শিশুদের বাইরে খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ডিভাইসমুক্ত পারিবারিক সময় নিশ্চিত করা। পাশাপাশি বিতর্ক, দলগত পাঠ, লাইব্রেরি ব্যবহার ও গাছের যত্ন নেওয়ার মতো সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমেও উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষকরা বলেন, প্রযুক্তিকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা সমাধান নয় বরং পরিবার ও স্কুলে প্রযুক্তির স্বাস্থ্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করাই গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ ও দায়িত্বশীল প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা প্রণয়ন জরুরি। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই &lsquo;নীরব মহামারি&rsquo; মোকাবিলায় এখনই জনস্বাস্থ্যভিত্তিক পদক্ষেপ ও কার্যকর হস্তক্ষেপ শুরু করার উপযুক্ত সময়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>প্রতিবন্ধী শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসনে ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ কর্মসূচির উদ্বোধন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34639/প্রতিবন্ধী-শিশুদের-স্বাস্থ্যসেবা-ও-পুনর্বাসনে-শিশু-স্বর্গ-মডেল-কর্মসূচির-উদ্বোধন</link>
			<pubDate>Thu, 14 May 2026 16:55:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34639/প্রতিবন্ধী-শিশুদের-স্বাস্থ্যসেবা-ও-পুনর্বাসনে-শিশু-স্বর্গ-মডেল-কর্মসূচির-উদ্বোধন</guid>
			<description><![CDATA[রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে প্রতিবন্ধী শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারে ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ শীর্ষক একটি ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য গড়ে তোলা বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্টল পরিদর্শন করেন ডা. জুবাইদা রহমান। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শিশু স্বর্গ মডেল’ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে প্রতিবন্ধী শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারে &lsquo;শিশু স্বর্গ মডেল&rsquo; শীর্ষক একটি ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য গড়ে তোলা বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্টল পরিদর্শন করেন ডা. জুবাইদা রহমান। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে &lsquo;শিশু স্বর্গ মডেল&rsquo; কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এছাড়া &lsquo;শিশু স্বর্গ মডেল&rsquo; বিষয়ক সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি স্ট্যানলি গোয়াভুয়া, রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম (রিজু), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন), প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু)সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে সরকার ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় জরুরি। &lsquo;শিশু স্বর্গ মডেল&rsquo; কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য একটি মানবিক ও সহায়ক পরিবেশ তৈরির আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>চীনে ট্রাম্পের সফরকালে ডব্লিউএইচওর সম্মেলনে যোগদানে তাইওয়ানের উপর বেইজিংয়ের নিষেধাজ্ঞা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34638/চীনে-ট্রাম্পের-সফরকালে-ডব্লিউএইচওর-সম্মেলনে-যোগদানে-তাইওয়ানের-উপর-বেইজিংয়ের-নিষেধাজ্ঞা</link>
			<pubDate>Thu, 14 May 2026 15:26:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34638/চীনে-ট্রাম্পের-সফরকালে-ডব্লিউএইচওর-সম্মেলনে-যোগদানে-তাইওয়ানের-উপর-বেইজিংয়ের-নিষেধাজ্ঞা</guid>
			<description><![CDATA[বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্ষিক সম্মেলনে তাইওয়ানের অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চীন। বেইজিং জানিয়েছে আসন্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্ষিক সম্মেলনে তাইওয়ানকে অংশ নিতে দেওয়া হবে না। তবে তাইওয়ান বলছে, আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ না পেলেও তারা জেনেভায় প্রতিনিধিদল পাঠাবে এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবে।  চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে এমন সময়ে এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন সামনে এসেছে, যখন মার্কিন পেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তিন দিনের সফরে চীনে অস্থান করছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><strong><span style="color:#990000">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span>&nbsp;</strong></span><span style="font-size:16px">আগামী ১৮ মে থেকে&nbsp;শুরু হতে যাওয়া&nbsp;বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও)&nbsp;বার্ষিক সম্মেলনে তাইওয়ানের অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চীন। বেইজিং জানিয়েছে, আসন্ন ডব্লিউএইচওর বার্ষিক সম্মেলনে তাইওয়ানকে অংশ নিতে দেওয়া হবে না। তবে তাইওয়ান বলছে, আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ না পেলেও তারা জেনেভায় প্রতিনিধিদল পাঠাবে এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবে। চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে এমন সময়ে এই কূটনৈতিক টানাপোড়েনের খবর&nbsp;সামনে এসেছে, যখন মার্কিন পেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তিন দিনের সফরে চীনে অস্থান করছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ের দাবি তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং গণচীনই পুরো চীনের একমাত্র বৈধ প্রতিনিধি। এই অবস্থানের কারণেই তাইওয়ান দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও ফোরামে অংশগ্রহণে বাধার মুখে পড়ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছেন, তাইওয়ানের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) তাইওয়ানের স্বাধীনতা প্রশ্নে অনড় রয়েছে। বেইজিং মনে করে, এই অবস্থানই তাইওয়ানের বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে অংশগ্রহণের রাজনৈতিক ভিত্তি নষ্ট করেছে। চীন আরো বলছে, এক চীন নীতি রক্ষায় তারা যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অন্যদিকে তাইওয়ান চীনের এই অবস্থানকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তাইওয়ানের দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার কোনো অধিকার বেইজিংয়ের নেই। তাইওয়ান নিজেকে একটি গণতান্ত্রিক স্বশাসিত ভূখণ্ড হিসেবে দেখলেও, চীন দ্বীপটিকে নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাইওয়ানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিহ চুং-লিয়াং বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য ইস্যুতে তাইওয়ান অনুপস্থিত থাকবে না। আনুষ্ঠানিকভাবে সভায় যোগ দিতে না পারলেও তিনি একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে জেনেভায় যাবেন, সেখানে তাইওয়ান নিজস্ব অনুষ্ঠান আয়োজন করবে এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়া-লুংও জেনেভায় যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাইওয়ান ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য অ্যাসেম্বলিতে পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশ নিয়েছিল। সে সময় তাইওয়ানে মা ইং-জিউ প্রশাসন ক্ষমতায় ছিল এবং চীনের সঙ্গে সম্পর্ক তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে সাই ইং-ওয়েন ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। তিনি চীন ও তাইওয়ান একই চীন&mdash;এই&nbsp;কাঠামো মেনে নেননি। এরপর ২০১৭ সাল থেকে বেইজিং তাইওয়ানের অংশগ্রহণ আটকে দেয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তেও একই নীতি অনুসরণ করছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা&nbsp;করছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের মধ্যেই তাইওয়ানের উপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও চাইনিজ কাউন্টার পার্ট শি জিন পিং দু দেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন দূর করার কথা বললেও, তাইওয়ানের উপর চীনের পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এই দুই পরাশক্তির মধ্যে দ্বন্দ্ব সহজেই দূর হচ্ছে না। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এইউ/এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>১২ চিকিৎসককে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলিপূর্বক পদায়ন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34637/১২-চিকিৎসককে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরে-বদলিপূর্বক-পদায়ন</link>
			<pubDate>Thu, 14 May 2026 13:34:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34637/১২-চিকিৎসককে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরে-বদলিপূর্বক-পদায়ন</guid>
			<description><![CDATA[বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের ১২ চিকিৎসক কর্মকর্তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়েছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span>বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের ১২ চিকিৎসক কর্মকর্তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-৩ শাখার উপসচিব মুহাম্মদ আবদুর রউফ মিয়া স্বাক্ষরিতে ওই প্রজ্ঞাপনে পদায়নকৃত কর্মকর্তাদেরকে ১৬ মের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কর্মকর্তারা হলেন, শেরপুর ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনসিটু সহকারী অধ্যাপক (এ্যানেসথেসিয়া) ডাঃ ফৌজিয়া ইয়াসমিন, শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যানেসথেসিয়া) ডাঃ মোহাম্মাদ তৌহীদুল ইসলাম খান, মাদারীপুর &nbsp;শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যানেসথেসিয়া) ডাঃ শামীম ভুইয়া, গোপালগঞ্জ ব্যাসপুর ২০ শয্যা হাসপাতালের &nbsp;ইনসিটু সহকারী অধ্যাপক (এ্যানেসথেসিয়া) ডাঃ সাফিকুল ইসলাম শিকদার, মুন্সিগঞ্জ &nbsp;সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যানেসথেসিয়া) ডা. আফরোজা আক্তার, বিশ্বম্ভরপুর সুনামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যানেসথেসিয়া) ডা. সোহেল আহমদ এবংসুনামগঞ্জ তাহিরপুর পজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যানেসথেসিয়া) ডা. শুভ্র দেবনাথ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তাদের সবাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে পরিকল্পনা ও গবেষণায় সংযুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করবেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে এর অনুলিপি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><a href="https://drive.google.com/file/d/1wJSOLfw6SqVcNSWm7LQJWIdwjF7d-4mL/view?usp=sharing"><strong>►প্রজ্ঞাপন দেখুন&nbsp;</strong></a></span></p>

<p><span style="font-size:16px"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1wJSOLfw6SqVcNSWm7LQJWIdwjF7d-4mL/preview" width="340"></iframe></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে চিকিৎসার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা জরুরি: বিএমইউ ভিসি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34636/থ্যালাসেমিয়া-প্রতিরোধে-চিকিৎসার-পাশাপাশি-সামাজিক-সচেতনতা-জরুরি-বিএমইউ-ভিসি</link>
			<pubDate>Thu, 14 May 2026 12:45:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34636/থ্যালাসেমিয়া-প্রতিরোধে-চিকিৎসার-পাশাপাশি-সামাজিক-সচেতনতা-জরুরি-বিএমইউ-ভিসি</guid>
			<description><![CDATA[থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা ও পরিবারভিত্তিক জেনেটিক কাউন্সেলিং। থ্যালাসেমিয়ার মতো জিনগত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো স্ক্রিনিং এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সম্প্রসারণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী। আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span>&nbsp;</span></strong><span style="font-size:16px">থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসাই যথেষ্ট নয়, বরং সামাজিক সচেতনতা ও পরিবারভিত্তিক জেনেটিক কাউন্সেলিং প্রয়োজন। জিনগত এই&nbsp;রোগ&nbsp;প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো স্ক্রিনিং এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সম্প্রসারণ করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে&nbsp;বুধবার (১৩ মে) সকালে&nbsp;বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ)&nbsp;এ ব্লক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত&nbsp;সেমিনারে&nbsp;বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে থ্যালাসেমিয়া রোগের সচেতনতা, প্রতিরোধ, আধুনিক চিকিৎসা এবং গবেষণাভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিএমইউ ভিসি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে বিয়ের পূর্বে থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। একইসঙ্গে রোগীদের জন্য উন্নত চিকিৎসা, নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন এবং গবেষণাভিত্তিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, বিএমইউ থ্যালাসেমিয়া মোকাবিলায় গবেষণা, বিশেষায়িত চিকিৎসা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভিসি (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার এবং রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থ্যালাসেমিয়া বিষয়ক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। বিএমইউর পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল করিম &lsquo;বিয়ন্ড দ্য ব্যাগ: রিডিফাইনিং থ্যালাসেমিয়া কেয়ার উইথ টার্গেটেড ড্রাগ থেরাপি&rsquo; বিষয়ে আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি তুলে ধরেন। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;প্রেভেলেন্স অ্যান্ড প্রিভেনশন অব থ্যালাসেমিয়া&rsquo; বিষয়ে আলোচনা করেন হেমাটোলজি বিভাগের ডা. মাহবুবা শারমিন। &lsquo;ট্রান্সফিউশন মেডিসিন: দ্য লাইট অব হোপ টু থ্যালাসেমিয়া&rsquo; শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের ডা. নাহিদ সুলতানা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিএমইউর সেন্ট্রাল সেমিনার সাব-কমিটির উদ্যেগে আয়োজিত এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ভাইরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. আফজালুন নেছা এবং সঞ্চালনা করেন মেডিসিন বিভাগের ডা. খালেদ মাহবুব মুর্শেদ (মামুন)। এ সময় শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>৩৮তম সরকারি মেডিকেল হিসেবে অনুমোদন পেল ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34635/৩৮তম-সরকারি-মেডিকেল-হিসেবে-অনুমোদন-পেল-ঠাকুরগাঁও-মেডিকেল-কলেজ</link>
			<pubDate>Thu, 14 May 2026 11:22:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34635/৩৮তম-সরকারি-মেডিকেল-হিসেবে-অনুমোদন-পেল-ঠাকুরগাঁও-মেডিকেল-কলেজ</guid>
			<description><![CDATA[স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের আওতায় অনুমোদন পেয়েছে ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ। এ নিয়ে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৮। বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"><strong>&nbsp;</strong>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা&nbsp;বিভাগের আওতায় অনুমোদন পেয়েছে ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ। এ নিয়ে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৮। বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব&nbsp;মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, &lsquo;এতদ্বারা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের আওতায় ঠাকুরগাঁও জেলায় &#39;ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ&#39; প্রতিষ্ঠার সরকারি মজুরি জ্ঞাপন করা হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আদেশের অনুলিপি অবগতি ও কার্যার্থে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, চিকিৎসা অনুষদের ডিন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা), ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক, সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, সরকারি ও বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ/ডেন্টাল ইউনিটের অধ্যক্ষ, ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>দেশে মেডিকেল কলেজ </strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ৩৭টি সরকারি ও ৬৬টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অন্য দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ছয়টি মেডিকেল কলেজ পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) অধীনে বগুড়া, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর ও রংপুর একটি করে আর সশস্ত্র বাহিনী চিকিৎসা শাখার (ডিজিএমএস) মাধ্যমে ঢাকায় পরিচালিত হয় সশস্ত্র বাহিনী মেডিকেল কলেজ (এএফএমসি)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>সরকারি-বেসরকারি মেডিকেলের আসন</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধিদপ্তরের তথ্য মতে, সরকারি মেডিকেলে পাঁচ হাজার ৩৮০ জন এবং বেসরকারিতে ছয় হাজার ২৯৩ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনার সুযোগ পেতেন। গত বছরের নভেম্বর মাসে বিন্যাসের পর সরকারিতে পাঁচ হাজার ১০০ এবং বেসরকারি মেডিকেলের আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ছয় হাজার একটি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আর সেনাবাহিনীর ছয়টির মধ্যে বগুড়া, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর ও রংপুরে পরিচালিত মেডিকেলে ৫০টি করে আড়াইশ&rsquo; এবং এএফএমসিতে ১২৫টি আসন রয়েছে। আর নতুন করে চট্টগ্রামে চালু হওয়া নৌবাহিনীর মেডিকেলে ৫০টি আসন রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেই হিসাবে সরকারি, বেসরকারি, সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর মেডিকেল কলেজ মিলিয়ে আসন সংখ্যা হলো ১১ হাজার ৫২৬টি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>সংখ্যা&nbsp;নয়, বিবেচ্য গুণগত শিক্ষা</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এদিকে সংখ্যাগত নয়, মেডিকেল শিক্ষায় গুণগত দিক বিবেচ্য বলে মনে করেন বিশিষ্টজনেরা। তারা বলেন, দেশে গত কয়েক দশকে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে অনেক মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দুঃখের বিষয় সেগুলোর অধিকাংশই মুনাফাভিত্তিক, যাদের প্রধান উদ্দেশ্য হলো&mdash;এই মেডিকেল কলেজগুলোর মাধ্যমে টাকা রোজগার করা। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানতে চাইলে&nbsp;<em><strong>জনস্বাস্থ্যবিদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের (সিডিসি) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ মেডিভয়েসকে</strong></em> বলেন, &lsquo;এটা কোনো মতেই কাঙিক্ষত না। আমাদের শতাধিক মেডিকেল কলেজ আছে। সেগুলোতে চিকিৎসা বিজ্ঞান শিক্ষার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই, ভালো মানের শিক্ষক নেই;&nbsp;পর্যাপ্ত অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি,&nbsp;লাইব্রেরি ও রোগী নেই। এই অবস্থায় নতুন মেডিকেল কলেজ মেডিকেল শিক্ষার মান নিম্নমুখী করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। এটা দেশের কোনো উপকারে আসবে না।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;সুতরাং নতুন মেডিকেল কলেজ না করে যেগুলো আছে সেগুলো মানসম্মত করার চেষ্টা করা উচিত। প্রতিষ্ঠান মানসম্মত হলে ভালো চিকিৎসক তৈরি হয়। এলাকার মানুষ ভালো সেবা পায়, সর্বোপরি দেশ উপকৃত হয়। সরকার&nbsp;যদি বাকি জেলাগুলোতে নতুন করে মেডিকেল কলেজ দেয়, সেটা আমাদের ভালোর চেয়ে মন্দ হবে&rsquo;&mdash;বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল মেডিভয়েসকে বলেন, &lsquo;বর্তমানে যেসব মেডিকেল কলেজ রয়েছে, সেগুলোর অবকাঠামো উন্নত নয়। পাশাপাশি কলেজগুলোতেও শিক্ষক সংকট বিদ্যমান। সেক্ষেত্রে নতুন মেডিকেল কলেজ মান ঠিক রেখে করা হলে মঙ্গলজনক হবে, কারণ বাংলাদেশে এখনো অনেক চিকিৎসক প্রয়োজন। মানসম্পন্ন না হলে এখানে যারা পড়াশোনা করবে তারা সঠিক শিক্ষা পাবে না। যেহেতু এটি সরকারিভাবে করা হবে, আশা করি সরকার একে আধুনিক মেডিকেল কলেজ হিসেবেই গড়ে তুলবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান মেডিকেল কলেজগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষক সংকট দূরীকরণ করার উদ্যেগ নিতে হবে। এতে পড়াশোনার মান উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীরা অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে বের হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify">&nbsp;</p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>চমেকে শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে বোন্স বিতরণ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34634/চমেকে-শতাধিক-শিক্ষার্থীর-মাঝে-বিনামূল্যে-বোন্স-বিতরণ</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 21:14:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34634/চমেকে-শতাধিক-শিক্ষার্থীর-মাঝে-বিনামূল্যে-বোন্স-বিতরণ</guid>
			<description><![CDATA[চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে (চমেকে) নবাগত এমবিবিএস ৬৮ তম ব্যাচের শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে বোন্স বিতরণ করেছে সিএমসি বোন্স ব্যাংক। মঙ্গলবার (১২ মে) চমেক লোয়ার লেকচার গ্যালারিতে এই বোন্স বিতরণ করা হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong><span style="font-size:16px"> চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে (চমেকে) এমবিবিএস ৬৮তম ব্যাচের শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে বোন্স বিতরণ করেছে সিএমসি বোন্স ব্যাংক। মঙ্গলবার (১২ মে) চমেক লোয়ার লেকচার গ্যালারিতে এই বোন্স বিতরণ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা.আবদুস সাত্তার, এনাটমি&nbsp;বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. ইসরাত জাহান, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. নাইমা তাসনিম এবং ফিজিওলজি&nbsp;বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. শাহীন আক্তার।&nbsp;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিনামূল্যে বোন্স পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দেশের সকল মেডিকেল কলেজে বোন্স বিতরণ করার দাবি তুলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বোন্স বিতরণ বিষয়ে আয়োজকরা বলেন, দুইটি প্রধান বিষয়কে মাথায় রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথমত শিক্ষার্থীদের আর্থিক দিক বিবেচনায় রাখা, দ্বিতীয়ত বোন্স ক্রয় বিক্রয়ের হারাম রীতি থেকে শিক্ষার্থীদের বিরত রাখা।&nbsp; </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা বলেন, পরবর্তী সেশন থেকে কলেজের শতভাগ শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে বোন্স বিতরণ করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, গত বছর ৭০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে বোন্স বিতরণের মাধ্যমে সিএমসি বোন্স ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>উচ্চমানের জার্নালে গবেষণা প্রকাশের কৌশল শেখাতে বিএমইউতে সেমিনার</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34633/উচ্চমানের-জার্নালে-গবেষণা-প্রকাশের-কৌশল-শেখাতে-বিএমইউতে-সেমিনার</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 19:47:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34633/উচ্চমানের-জার্নালে-গবেষণা-প্রকাশের-কৌশল-শেখাতে-বিএমইউতে-সেমিনার</guid>
			<description><![CDATA[আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও উচ্চ-প্রভাবসম্পন্ন জার্নালে গবেষণা প্রকাশনার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ‘ফর্ম আইডিয়া টু ইমপ্যাক্ট: ডেভেলপিং এ পাবলিশ্যাবল রিসার্চ কোশ্চেন ইন হাই ইমপ্যাক্ট জার্নালস’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।  আজ বুধবার (১৩ মে) বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span>&nbsp;</strong></span><span style="font-size:16px">আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বিশ্বের প্রভাবশালী&nbsp;জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের কৌশল শেখাতে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ সেমিনার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (১৩ মে) বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে&nbsp;&lsquo;ফর্ম আইডিয়া টু ইমপ্যাক্ট: ডেভেলপিং এ পাবলিশ্যাবল রিসার্চ কোশ্চেন ইন হাই ইমপ্যাক্ট জার্নালস&rsquo; শীর্ষক এই&nbsp;সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। তিনি গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রকাশনার গুরুত্ব তুলে ধরেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেশন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব&nbsp;হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিংয়ের গবেষণা বিষয়ক সহযোগী ডিন এবং পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অব&nbsp;অস্ট্রেলিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আজিজ রহমান। তিনি গবেষণার বিষয় নির্বাচন, গবেষণা প্রশ্ন তৈরির কৌশল, বিশ্বের শীর্ষ জার্নালে প্রকাশনার চ্যালেঞ্জ ও আন্তর্জাতিক গবেষণা মানদণ্ড&nbsp;বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনার&nbsp;সঞ্চালনা&nbsp;করেন বিএমইউর সহকারী প্রক্টর ডা. রিফাত রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের&nbsp;সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম, অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন, নিওন্যাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মান্নান, আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুন নাহার খানম, বিএমইউ জার্নালের এক্সিকিউটিভ এডিটর এম মোস্তফা জামান, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের ডা. ফারজানা ইসলাম প্রমুখ। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিএমইউর ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল আইকিউএসি সেমিনারটির আয়োজন করে। আয়োজকরা জানান, গবেষণার গুণগত মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং তরুণ গবেষকদের উৎসাহিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনার শেষে ভিসির কার্যালয়ে ডা. মুহাম্মদ আজিজ রহমানের গবেষণা ও একাডেমিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিএমইউর পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ক্যান্সারসহ জটিল রোগের ওষুধ কেনা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34632/ক্যান্সারসহ-জটিল-রোগের-ওষুধ-কেনা-নিয়ে-বাড়ছে-উদ্বেগ</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 18:55:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34632/ক্যান্সারসহ-জটিল-রোগের-ওষুধ-কেনা-নিয়ে-বাড়ছে-উদ্বেগ</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ যখন স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পথে এগোচ্ছে, তখন দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত ওষুধ শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খাতসংশ্লিষ্ট ও বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, এলডিসি পরবর্তী সময়ে পেটেন্ট ছাড়ের সুবিধা উঠে গেলে আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্স এবং লাইসেন্সিং জটিলতায় ওষুধের উৎপাদন খরচ বহুগুণ বাড়তে পারে। এতে ক্যানসারসহ জটিল রোগের জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong>বাংলাদেশ যখন স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পথে এগোচ্ছে, তখন দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত ওষুধ শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খাতসংশ্লিষ্ট ও বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, এলডিসি পরবর্তী সময়ে পেটেন্ট ছাড়ের সুবিধা উঠে গেলে আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্স এবং লাইসেন্সিং জটিলতায় ওষুধের উৎপাদন খরচ বহুগুণ বাড়তে পারে। এতে ক্যান্সারসহ জটিল রোগের জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বর্তমানে বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের ট্রিপস (ট্রেড-রিলেটেড অ্যাসপেক্টস অব ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস) চুক্তির অধীনে এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) হওয়ায় ওষুধের পেটেন্টে বিশেষ ছাড় পায়। এর ফলে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো অনেক পেটেন্টকৃত ওষুধের জেনেরিক সংস্করণ কম খরচে তৈরি করতে পারে।&nbsp;কিন্তু বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ করলে এই সুবিধা আর আগের মতো থাকবে না। বর্তমানে উত্তরণের নির্ধারিত সময় চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত। এরপর পূর্ণ ট্রিপস নিয়ম মানতে হতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ&nbsp;বুধবার (১৩)&nbsp;রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত &lsquo;এলডিসি উত্তরণ প্রেক্ষাপটে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও উদ্ভাবন শক্তিশালীকরণ&rsquo; শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব আশঙ্কার কথা জানানো হয়। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক কোম্পানির লাইসেন্স ছাড়াই অনেক জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন করতে পারছে। ফলে উৎপাদন ব্যয় কম থাকছে এবং তুলনামূলক কম দামে ওষুধ বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে। তবে এলডিসি সুবিধা শেষ হলে পরিস্থিতি বদলে যাবে বলে মনে করেন তিনি।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;নতুন পেটেন্টধারী ওষুধ উৎপাদনের জন্য লাইসেন্স নিতে হবে, আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্স মানতে হবে এবং বায়োইকুইভ্যালেন্স ও বায়োসিমিলার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হবে। কিন্তু দেশের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের এখনো সেই সক্ষমতা তৈরি হয়নি। ফলে বিদেশে পরীক্ষা করাতে হবে, বাড়বে উৎপাদন ব্যয়। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে ক্যানসার ও জটিল রোগের ওষুধে। এসব ওষুধের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদন খাত নিয়ে অধ্যাপক হামিদ বলেন, &lsquo;২০১৮ সালের এপিআই নীতিমালায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ থাকলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় গড়ে ওঠা এপিআই শিল্পপার্কও এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ম্যাচিউরিটি লেভেল&ndash;৩ অর্জনেও পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ এপিআই অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএআইএমএ) সভাপতি এস এম সাইফুর রহমান বলেন, ২০১৬ সালে এডিবির অধীনে এ বিষয়ে একটি গবেষণা হয়েছিল। পরে ২০১৮ সালে নীতিমালাও করা হয়। কিন্তু বাস্তবায়নে অগ্রগতি খুবই সীমিত। নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন ছাড়া এই শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব নয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, এলডিসি সুবিধা হারালে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বড় ধরনের চ্যালেঞ্জে পড়বে। বিশেষ করে পেটেন্ট ছাড়, কমপ্লায়েন্স ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণের বাধ্যবাধকতার কারণে ওষুধের দাম বাড়তে পারে এবং রপ্তানি সক্ষমতা কমে যেতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, গবেষণা, বায়োটেকনোলজি ও এপিআই খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে পারলে নতুন সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে কোনো গোষ্ঠীর প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। ড. তিতুমীর আরও বলেন, ইন্ডাস্ট্রি হবে প্রাইস টেকার, প্রাইস মেকার নয়। ওষুধ শিল্পে বহুমুখীকরণ, উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয় না বাড়ালে আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকা কঠিন হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, সরকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে অধিকারভিত্তিক ও সর্বজনীন করতে চায়। একই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিবর্তে সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা বলয় গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি, টাকার অবমূল্যায়ন ও শিল্প বাণিজ্যের দুর্বল পরিবেশ উৎপাদন ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং এর প্রভাব সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে পড়েছে। আমরা একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পেয়েছি কিন্তু একই সঙ্গে ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে যেতে চাই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বকেয়া বেতনের দাবিতে অনশন-অবস্থানে পরিবার পরিকল্পনার অস্থায়ী ৮৭০ স্বাস্থ্যকর্মী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34631/বকেয়া-বেতনের-দাবিতে-অনশন-অবস্থানে-পরিবার-পরিকল্পনার-অস্থায়ী-৮৭০-স্বাস্থ্যকর্মী</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 17:48:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34631/বকেয়া-বেতনের-দাবিতে-অনশন-অবস্থানে-পরিবার-পরিকল্পনার-অস্থায়ী-৮৭০-স্বাস্থ্যকর্মী</guid>
			<description><![CDATA[দীর্ঘ ২২ মাস ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অস্থায়ী ৮৭০ স্বাস্থ্যকর্মী। গত রোববার (১০ মে) থেকে ৩ দিন ধরে কারওয়ানবাজার পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের প্রধান ফটকের সামনে বকেয়া বেতনে পরিশোধের দাবিতে অনশন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;দীর্ঘ ২২ মাস ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অস্থায়ী ৮৭০ স্বাস্থ্যকর্মী। গত রোববার (১০ মে) থেকে ৩ দিন ধরে কারওয়ানবাজার পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের প্রধান ফটকের সামনে বকেয়া বেতনে পরিশোধের দাবিতে অনশন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনশনরত কয়েকজন ভুক্তভোগী স্বাস্থ্যকর্মী জানান, &lsquo;২২ মাস ধরে আমাদের বেতন দেওয়া হয় না। অর্থের অভাবে আমরা অসহায় ও মানবেতর জীবনযাপন করছি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারা আরও জানান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তরা শুধু আশ্বাসই দিচ্ছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত বেতন পরিশোধ করা হয়নি। বেতন পরিশোধের তেমন কোনো নিশ্চয়তাও দিচ্ছে না।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বকেয়া বেতন পরিশোধ না করা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলেও জানিয়েছেন তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবার পরিচালক ডা. নাছির আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, অস্থায়ী স্বাস্থ্যকর্মীদের বকেয়া বেতনের ফাইল এ পর্যন্ত চারবার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন জটিলতা থাকলেও মানবিক কারণে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34630/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-৮-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 16:57:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34630/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-৮-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong> <span style="font-size:16px">সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১২৬ জনের। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ১৫০ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬৩ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৩২ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছে এক হাজার ৪৮৯ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১৭৩ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৫৫ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের টিকার আওতায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34629/হামের-টিকার-আওতায়-এক-কোটি-৮০-লাখ-শিশু-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তর</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 15:54:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34629/হামের-টিকার-আওতায়-এক-কোটি-৮০-লাখ-শিশু-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তর</guid>
			<description><![CDATA[প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেছেন, এটি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ। তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে টিকাদানের ফলে শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। প্রতিটি শিশুর জীবন অমূল্য এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র। আজ বুধবার (১৩ মে) দুপুরে হাম নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong>প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে&nbsp;টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে&nbsp;জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেছেন, এটি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ। তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে&nbsp;টিকাদানের ফলে&nbsp;শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। প্রতিটি শিশুর জীবন অমূল্য এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (১৩ মে) দুপুরে&nbsp;হাম নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময়&nbsp;বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও)&nbsp;বরাত দিয়ে তিনি&nbsp;বলেন,&nbsp;সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বব্যাপী হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বাংলাদেশেও এর প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার দ্রুত, সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও অত্যন্ত স্বল্প সময়ে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন সরকারের শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভায় জানানো হয়, ক্যাম্পেইনের প্রথম পর্যায়ে গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি জেলার উচ্চ সংক্রমণপ্রবণ ৩০টি উপজেলা ও ১৩টি পৌরসভায় শুরু হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরবর্তীতে ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী প্রতিটি এলাকায় এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ করা যায়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডিএইচআইএস-২-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে ইতোমধ্যে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে, যা আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, প্রথম পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত ৩০টি উপজেলা ও ১৩টি পৌরসভায় শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণের পর শরীরে রোগ প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সাধারণত প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগে। সে কারণে আমরা আশাবাদী যে, শীঘ্রই দেশে গ্রামের সংক্রমণ কমে আসবে। আমি সকল অভিভাবকের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যেসব শিশু এখনও টিকা পায়নি, এমনকি যারা নিয়মিত ইপিআইয়ের আওতায় দুই ডোজ হাম রুবেলা টিকা পেয়েছে, তারাও যেন এই ক্যাম্পেইনের আওতায় হাম রুবেলা টিকা গ্রহণ করে&rsquo;&mdash;জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নির্ধারিত বয়সসীমার অনেক শিশু এখনও টিকাদানের আওতার বাইরে রয়েছে জানিয়ে&nbsp;তিনি বলেন, &lsquo;হাম নির্মূল ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এরই লক্ষ্যে আমরা র&zwnj;্যাপিড কনভেনিয়েন্স মনিটরিং (আরসিএম) অ্যাপের মাধ্যমে টিকাবঞ্চিত শিশুদের শনাক্ত করে তাদের টিকার আওতায় আনার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। দেশব্যাপী পোস্টার, লিফলেট, ইনফোগ্রাফিক, উদ্বুদ্ধমূলক ভিডিও বার্তা, টক শো এবং টেলিভিশন স্ক্রলিংয়ের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করা হচ্ছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;এ ছাড়াও বিশেষ সান্ধ্যকালীন টিকাদান সেশন, শুক্রবারভিত্তিক বিশেষ সেশন এবং সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্গম এলাকার শিশুদের জন্য মোবাইল টিকাদান টিম গঠনের মাধ্যমে কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) নিয়মিত কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের ৯ মাস ও ১৫ যান। বয়সে প্রদেয় হাম-রুবেলা টিকাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সকল টিকার সরবরাহ ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে নিশ্চিত করা হচ্ছে&mdash;বলা হয় সংবাদ সম্মেলনে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে সরকার বৃহৎ পরিসরে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইউনিসেফের সহায়তায় ১০টি ভিন্ন ধরনের প্রায় ৯ কোটি ৫০ লাখ ডোজ জীবনরক্ষাকারী ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ইতোাস্থ্য মে মাস থেকেই বড় পরিসরে এই ভ্যাকসিন দেশে আনা শুরু হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩ মে থেকে এ পর্যন্ত দেশে গৌঁছেছে&mdash;বিসিজি ভ্যাকসিন দুই লাখ ৭৪ হাজার ভায়াল, ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন (ওপিভি) এক লাখ ৪০ হাজার ভায়াল, হাম-রুবেলা (এমআর) ভ্যাকসিন ছয় লাখ ৪৫ হাজার ডায়াল, আইপিভি (আইপিভি) এক লাখ ৩৬ হাজার ৮১৬ ভায়াল, পেনটা (পেনটা) দুই লাখ ৪৫ হাজার ৪৫০ ভায়াল, টিডি (টিডি) ভ্যাকসিন ৩ লাখ ৫ হাজার ভায়াল।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বর্তমানে টাইফয়েড ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানান&nbsp;স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তিনি বলেন,&nbsp;নতুন এই সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার ফলে আগামীতে দেশে কোনো ধরনের ভ্যাকসিন সংকট থাকবে না। ধারবাহিকভাবে চলতি মাসজুড়ে আরও ভ্যাকসিন আমাদের সাপ্লাই চেইনে যুক্ত হবে, যা জাতীয় টিকাদান বার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে। এত স্বল্প সময়ে এত বিপুল পরিমাণ ভ্যাকসিন দেশে আনা পূর্বে কখনো সম্ভব হয়নি। বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা এবং শিশুদের জীবন রক্ষায় সরবচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, &lsquo;সরকার নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম ও হ্রাম নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আমরা সকল সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিতে কাজ চলছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অবশ্যই হাম নিয়ন্ত্রণে সফল হবো এবং আমাদের শিশুদের নিরাপদ রাখতে পারবো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম জিয়াউদ্দিন হায়দার,&nbsp;স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান,&nbsp;পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী, পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান,</span><span style="font-size:16px">&nbsp;পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশিদসহ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউনিসেফ ও ডব্লিউএইচওর &nbsp;প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম চিকিৎসায় বাবল সিপ্যাপ ব্যবহারে বিএমইউতে প্রশিক্ষণ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34628/হাম-চিকিৎসায়-বাবল-সিপ্যাপ-ব্যবহারে-বিএমইউতে-প্রশিক্ষণ</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 15:07:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34628/হাম-চিকিৎসায়-বাবল-সিপ্যাপ-ব্যবহারে-বিএমইউতে-প্রশিক্ষণ</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) শিশুদের হামজনিত নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় ভেন্টিলেটরের বিকল্প হিসেবে বাবল সিপ্যাপ ব্যবহারের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন ৫৯ জন চিকিৎসক ও নার্স। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা এ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</span></span></strong><span style="font-size:16px">শিশুদের হামজনিত নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ভেন্টিলেটরের বিকল্প হিসেবে বাবল সিপ্যাপ ব্যবহারের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মঙ্গলবার (১২ মে) অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন ৫৯ জন চিকিৎসক ও নার্স। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা এ প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদ-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ডা. এ আর এম লুৎফুল কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএমইউর পেডিয়াট্রিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. আতিয়ার রহমান বলেন, &lsquo;নিউমোনিয়া জনিত শ্বাসকষ্টের চিকিৎসার শুরুতেই বাবল সিপ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। আমি বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক পালমোনোলজি ফোরামের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিডিডিআর,বির জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ডা. মোহাম্মদ যোবায়ের চিশতী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, আইসিডিডিআর&rsquo;বির&nbsp;জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ যোবায়ের চিশতী ও তাঁর সহকর্মীরা এই বাবল সিপ্যাপ উদ্ভাবন করেন। বাবল সিপ্যাপ একটি সহজ উপায়ের শ্বাস-প্রশ্বাস সহায়তা পদ্ধতি। এটি গুরুতর নিউমোনিয়া ও হাইপোক্সেমিয়ায় (রক্তে অক্সিজেনের স্বল্পতা) আক্রান্ত শিশুদের ফুসফুস সচল রাখতে এবং অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতে সহায়তা করে। এটি প্রথাগত ভেন্টিলেটরের চেয়ে অনেক সাশ্রয়ী এবং সাধারণ লো-ফ্লো অক্সিজেন থেরাপির চেয়ে বেশি কার্যকর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এবং আইসিডিডিআর,বির কারিগরি সহায়তায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বাবল সিপ্যাপ ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ ও বিনামূল্যে ইউনিট সরবরাহ করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক মেডিকেলে ভর্তি: তৃতীয় অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34627/আয়ুর্বেদিক-ও-হোমিওপ্যাথিক-মেডিকেলে-ভর্তি-তৃতীয়-অপেক্ষমান-তালিকা-প্রকাশ</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 15:04:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34627/আয়ুর্বেদিক-ও-হোমিওপ্যাথিক-মেডিকেলে-ভর্তি-তৃতীয়-অপেক্ষমান-তালিকা-প্রকাশ</guid>
			<description><![CDATA[সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে তৃতীয় দফায় অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে প্রথম বর্ষে&nbsp;ভর্তির তৃতীয় দফায় অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বুধবার (১১ মে) অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাকি মো. জাকিউল আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ ব্যাচেলর অব ইউনানী মেডিসিন এন্ড সার্জারী (বিইউএমএস), ব্যাচেলর অব আয়ুর্বেদিক মেডিসিন এন্ড সার্জারী (বিএএমএস) এবং ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারী (বিএইচএমএস) কোর্সে মেধা, পছন্দ ও আসন শুন্যতার ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফায় ভর্তির পর মোট ১৫ জন ছাত্র-ছাত্রীকে সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ এবং সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্যে নির্বাচিত করা হলো।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়, ভর্তির তারিখ ১২ মে হতে ২১ মে পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলো।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রীরা সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের অফিসে ভর্তির ব্যাপারে যোগাযোগ করবেন। ফলাফল স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট যথাক্রমে <a href="https://dghs.gov.bd/">www.dgme.gov.bd</a><a href="https://dgme.gov.bd/"> </a>ও<a href="https://dgme.gov.bd/"> www.dghs.gov.bd</a> হতে জানা যাবে। অত্র অধিদপ্তরের প্রকাশিত ভর্তির বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য শর্তাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1PtEozWUXG2UUhiNjAVVxUebIOlfEi58J/view?usp=sharing"><span style="font-size:16px"><strong>►বিজ্ঞপ্তি দেখুন</strong></span></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1PtEozWUXG2UUhiNjAVVxUebIOlfEi58J/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হান্টাভাইরাস: কোভিডের পর নতুন মহামারী আতঙ্ক</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34626/হান্টাভাইরাস-কোভিডের-পর-নতুন-মহামারী-আতঙ্ক</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 14:16:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34626/হান্টাভাইরাস-কোভিডের-পর-নতুন-মহামারী-আতঙ্ক</guid>
			<description><![CDATA[মহামারি করোনা ভাইরাসের স্মৃতি বিশ্ব থেকে এখনো মুছে যায়নি। এরই মধ্যে নতুন করে উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস। আর্জেন্টিনা থেকে যাত্রা শুরু করা ডাচ প্রমোদতরী এমভি হনডিয়াসে একটি বিরল হান্টাভাইরাস সংক্রমণের খবর পাওয়ার পর থেকে বেশ কয়েকটি দেশে কোভিড-১৯-এর মতো মহামারীর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত ৭ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রমোদতরীটিতে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় হান্টাভাইরাসের পাঁচটি সংক্রমণের বিষয় নিশ্চিত করেছে এবং আরও তিনজন এই ভাইরাসের অ্যান্ডিস স্ট্রেইন (হান্টাভাইরাসের একটি ধরন) বহন করছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস ডেস্ক:</strong> মহামারি করোনা ভাইরাসের স্মৃতি বিশ্ব থেকে এখনো মুছে যায়নি। এরই মধ্যে নতুন করে উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস। আর্জেন্টিনা থেকে যাত্রা শুরু করা ডাচ প্রমোদতরী এমভি হনডিয়াসে একটি বিরল হান্টাভাইরাস সংক্রমণের খবর পাওয়ার পর থেকে বেশ কয়েকটি দেশে কোভিড-১৯-এর মতো মহামারীর&nbsp;আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ৭ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রমোদতরীটিতে তিনজনের&nbsp;মৃত্যুর&nbsp;ঘটনায় হান্টাভাইরাসের পাঁচটি সংক্রমণের বিষয় নিশ্চিত করেছে এবং আরও তিনজন এই ভাইরাসের অ্যান্ডিস স্ট্রেইন (হান্টাভাইরাসের একটি&nbsp;ধরন)&nbsp;বহন করছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংক্রমণের এই ঘটনা সামনে আসার পর বিশ্বজুড়ে নতুন করে মহামারির আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হান্টাভাইরাসের সংক্রমণকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। কারণ আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা একটি জাহাজে একাধিক সংক্রমণের ঘটনা জনস্বাস্থ্যের দিক থেকে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">আটলান্টিকে&nbsp;আতঙ্কের প্রমোদতরী&nbsp;</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝে যাত্রা করা এই প্রমোদতরীতে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। যাত্রাপথেই কয়েকজন যাত্রীর মধ্যে গুরুতর শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকেন। পরে পরীক্ষায় হান্টাভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। সংক্রমণের ফলে ইতিমধ্যেই তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, আরও কয়েকজন অসুস্থ রয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে জাহাজটিকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">যেভাবে জাহাজে এই সংক্রমণ শুরু&nbsp;</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জানা গেছে, সমুদ্রযাত্রায় জাহাজে ওঠার আগে ডাচ দম্পতি চিলি, আর্জেন্টিনা এবং উরুগুয়ে অঞ্চলে একটি পাখি পর্যবেক্ষণ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন, যে অঞ্চলগুলো ভাইরাস বহনকারী ইঁদুরের আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে গুরুতর উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর এই সংক্রমণ শুরু হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">আমেরিকায় বিশেষ সতর্কতা</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেক রোজমারিন নামক একজন আমেরিকান ভ্রমণ বিষয়ক কন্টেন্ট নির্মাতা যিনি হান্টাভাইরাস-আক্রান্ত প্রমোদতরীটিতে ছিলেন। খবর পাওয়ার পর আমেরিকান প্রশাসন তাকে উদ্ধার করে। পরে নেব্রাস্কার কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে তাকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। সেখানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে আরো আরও ১৫ জনকে। এরপর সাত অঙ্গরাজ্যে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">ফ্রান্স ও স্পেনেও হান্টা আতঙ্ক</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এদিকে এপি জানিয়েছে, ওই প্রমোদতরীতে অংশ নেয়া এক ফরাসি নারীকে গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন&nbsp;দেওয়া হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার (১২ মে) প্যারিসের ওই হাসপাতালের একজন চিকিৎসক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্পেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হান্টাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সেই ডাচ প্রমোদতরী থেকে সরিয়ে আনা একজন স্প্যানিশ যাত্রীর শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। রোববার জাহাজটি থেকে সরিয়ে আনা ১৪ জন স্প্যানিশ নাগরিককে মাদ্রিদের একটি সামরিক হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">ভারেতেও উদ্বেগ</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কেপ ভার্দের উপকূলে জাহাজটিতে আটকেপড়া ১৫০ জনের মধ্যে দুজন ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত তাদের অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। এই খবরে ভারতীয় প্রশাসনও সতর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">হান্টাভাইরাস যেভাবে ছড়ায়</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হান্টাভাইরাস হলো ইঁদুরবাহিত ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি বিরল, কিন্তু গুরুতর সংক্রমিত রোগ। প্রধানত আক্রান্ত ইঁদুরের সংস্পর্শে অথবা তাদের মল, মূত্র বা লালার সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে ছড়ায় এর রোগের সংক্রমণ হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই প্রাদুর্ভাবে শনাক্ত হওয়া অ্যান্ডিস স্ট্রেইনটি খুবই ভয়ানক, কারণ এটি মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, হান্টাভাইরাস সংক্রমণে মৃত্যুর হার অনেক বেশি হতে পারে, যা এই রোগটিকে বিশেষভাবে বিপজ্জনক করে তোলে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সারা বিশ্বে হান্টাভাইরাসের বিভিন্ন স্ট্রেইন বিদ্যমান। উত্তর আমেরিকায় এই সংক্রমণ সাধারণত হান্টাভাইরাস পালমোনারি সিনড্রোমের (এইচপিএস) সাথে সম্পর্কিত, যা বিভিন্ন হান্টাভাইরাস স্ট্রেইনের কারণে সৃষ্ট একটি গুরুতর শ্বাসযন্ত্রের রোগ। ইউরোপ এবং এশিয়ায় কিছু স্ট্রেইন হেমোরেজিক ফিভার উইথ রেনাল সিনড্রোমের (এইচএফআরএস) সাথে যুক্ত, যা প্রধানত কিডনিকে আক্রান্ত করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">যেসব উপায়ে ছড়াতে পারে</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ইঁদুরের বর্জ্য থেকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস কণা শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে গ্রহণ, ইঁদুরের কামড়, ইঁদুর দ্বারা দূষিত খাবার খাওয়া এবং দূষিত স্থান স্পর্শ করার ফলে হান্টাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">লক্ষণ</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হান্টাভাইরাসের লক্ষণগুলো প্রায়শই ফ্লু-এর মতো হয়। এ ছাড়াও জ্বর, কাঁপুনি, শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, পেশিতে ব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ক্রমাগত কাশি এবং বুকে ব্যথা, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ প্রকাশ পায়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">হান্টাভাইরাসের চিকিৎসা</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বর্তমানে কোনো দেশ হান্টাভাইরাস টিকা অনুমোদন দেয়নি, যদিও ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ টিকা তৈরির জন্য গবেষণা চালাচ্ছে। হান্টাভাইরাস সংক্রমণের জন্য সার্বজনীন কোনো অ্যান্টিভাইরাস ওষুধও নেই। এর চিকিৎসায় প্রধানত লক্ষণের আলোকে পরিচর্যার ওপর জোর দেওয়া হয়, যার মধ্যে রয়েছে অক্সিজেন থেরাপি এবং শ্বাসকষ্টে ভুগছেন এমন রোগীদের অক্সিজেনের মাত্রা ও রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এইউ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>জুন থেকে দুই ধাপে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34625/জুন-থেকে-দুই-ধাপে-ভিটামিন-এ-ক্যাপসুল-দেওয়া-হবে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 11:50:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34625/জুন-থেকে-দুই-ধাপে-ভিটামিন-এ-ক্যাপসুল-দেওয়া-হবে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[আগামী জুন মাস থেকে দুই ধাপে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চীনের দূতাবাস ও চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের তিন লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> আগামী জুন মাস থেকে দুই ধাপে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চীনের দূতাবাস ও চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের&nbsp;তিন লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, জুন মাস থেকে দুই ধাপে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেয়া হবে।&nbsp;এই মুহূর্তে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের ঘাটতি থাকলেও জুন নাগাদ তা পূরণ হয়ে যাবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ৯৮ শতাংশ শিশুকে হামের টিকা দেয়া হয়েছে, বাকি ২ শতাংশ শিশুকেও টিকার আওতায় আনার চেষ্টা করছে সরকার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাম প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে অনেক ভুল তথ্য আসছে জানিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরকারের কাছে পর্যাপ্ত হামের টিকা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত আমলে হামের টিকা কেন দেয়া হয়নি, তা নিয়ে তদন্ত করবে সরকার। তবে তদন্তের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে সকালে সরকারের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) চলমান কার্যক্রমকে আরও বেশি বেগবান, গতিশীল ও কার্যকর করতে অনুষ্ঠানিকভাবে পোলিও টিকা উৎপাদনকারী চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাইন্ডেশন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওপেং, সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের চিফ বিজনেস ডাইরেক্টর লি নিং&nbsp;উপস্থিত ছিলেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চীনা টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাকের তৈরি অনুদানকৃত মোট ৭৬,৬১৬ ভায়াল (৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজ) পোলিও (Poliomyelitis Vaccine, Inactivated Sabin Strains (sIPV) টিকার চালান এরই মধ্যে ইপিআই সংরক্ষণাগারে পৌছে দেওয়া হয়েছে। যেখান থেকে পরবতীতে চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুদেরকে প্রদান করা হবে। সিনোভ্যাকের তৈরি পোলিও (পোলিওমাইলাইটিস ভ্যাকসিন, ভেরো সেল, ইনঅ্যাক্টিভেটেড সেভিন স্ট্রেইন - sIPV)- টিকা ২০২২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রি-কোয়ালিফিকেশন যোগ্যতা অর্জন করেছে। বৈশ্বিক পোলিও নির্মূল প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সিনোভ্যাক ইতোমধ্যে জাতিসংঘ (UN) সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় এই একই ভ্যাকসিন সফলভাবে সরবরাহ করে আসছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশের এই দঃসময়ে সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের টিকা অনুদানের জন্য চীনের কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক বন্ধু হিসেবে চীন বাংলাদেশের পাশে রয়েছে সেটা আবারও প্রমাণ করেছে দেশটি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, &nbsp;হামের টিকার ব্যবস্থা হলেও এখন সামনে ডেঙ্গু, পোলিও ও হান্টাসহ অনেক রোগ চোখ রাঙাচ্ছে। এগুলো মোকাবিলা করা এখন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ। তবে পোলিও ও যক্ষাসহ যেসব রোগের টিকার প্রয়োজন তা ঘাটতি নেই। এগুলোর টিকা কার্যক্রম চলছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এখন পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত প্রায় সব শিশুকে হামের টিকা দেয়া হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যারা বাকি আছে তাদের শিগগিরই টিকা দেয়া।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি জানান, শীগ্রই &lsquo;ভিটামিন-এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন&rsquo; শুরু হবে। সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ডেঙ্গুর জন্য প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত রয়েছে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা বাড়ানো হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওপেং&nbsp;বক্তব্য রাখেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের চিফ বিজনেস ডাইরেক্টর লি নিং বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা করতে পেরে সিনোভ্যাক অত্যন্ত গর্বিত। আজ আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সিনোভ্যাকের তৈরি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রি-কোয়ালিফিকেশন যোগ্যতা অর্জনকৃত তিন লাখ ৮৩ হাজার ৮৪ ডোজ পোলিও (sIPV) ভ্যাকসিন অনুদান প্রদান করতে পেরে আমরা আনন্দিত।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পোলিও শিশুদের জন্য একটি গুরুতর সংক্রামক রোগ এবং টিকাদানকে পোলিও প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা বলে উল্লেখ করেন তিনি। লী নিং বলেন, &lsquo;আমরা আশা করি, অনুদানের এই টিকা বাংলাদেশের ইপিআই কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং দেশের পোলিও নির্মূল কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। বাংলাদেশের জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে ভবিষ্যতেও সিনোভ্যাক বাংলাদেশের পাশে থেকে চীন-বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাবৃন্দ, চীনা দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি হোআং মৌচং, সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের হেড অব ইন্টারন্যাশনাল রেগুলেটরি ওয়াং পোং, সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সহকারী অধ্যাপক হলেন ১৮ চিকিৎসক</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34624/সহকারী-অধ্যাপক-হলেন-১৮-চিকিৎসক</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 11:49:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34624/সহকারী-অধ্যাপক-হলেন-১৮-চিকিৎসক</guid>
			<description><![CDATA[বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের ১৮ চিকিৎসককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১২ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের  পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের ১৮ চিকিৎসককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১২ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে কর্মরত বর্ণিত কর্মকর্তাদের জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ এর ষষ্ঠ গ্রেডে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রদান করা হলো।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পদোন্নতিপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের মধ্যে এনাটমি বিভাগের ১৪ জন, ফিজিওলজি বিভাগের ৪ জন চিকিৎসক রয়েছেন। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়েছে,&nbsp;</span><span style="font-size:16px">পদায়নকৃত কর্মকর্তাগণ আগামী ১৮ মের মধ্যে বদলি/পদায়নকৃত কর্মস্থলে যোগদান করবেন।&nbsp;যোগদানপত্র প্রাপ্তির পর স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান প্রধান যোগদানপত্র গ্রহণপূর্বক তাৎক্ষণিকভাবে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-১ শাখার ইমেইল <a href="https://www.google.com/search?q=per1%40hsd.gov.bd&amp;rlz=1C1CHBF_enBD1000BD1000&amp;oq=per1%40hsd.gov.bd&amp;gs_lcrp=EgZjaHJvbWUyBggAEEUYOTIGCAEQRRg60gEHMjY4ajBqN6gCALACAA&amp;sourceid=chrome&amp;ie=UTF-8" target="_blank">per1@hsd.gov.bd</a> তে অবহিত করবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়,&nbsp;লিয়েন/প্রেষণ/শিক্ষা ছুটি ভোগরত কর্মকর্তাগণ লিয়েন/প্রেষণ/শিক্ষা ও মাতৃত্বকালীন ছুটি ভোগরত কর্মকর্তাগণ মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে যোগদানের পর পদায়ন কার্যকর হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1Zq5W-xLMs5lrzQbWovJPENh5lNcFuK8n/view?usp=sharing" target="_blank"><strong><span style="font-size:16px">►প্রজ্ঞাপন&nbsp;</span></strong></a></p>

<p style="text-align:justify"><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1Zq5W-xLMs5lrzQbWovJPENh5lNcFuK8n/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিএমইউর নার্সিং সেবা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে: প্রো-ভিসি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34623/বিএমইউর-নার্সিং-সেবা-আন্তর্জাতিক-মানে-উন্নীত-করতে-হবে-প্রো-ভিসি</link>
			<pubDate>Wed, 13 May 2026 11:15:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34623/বিএমইউর-নার্সিং-সেবা-আন্তর্জাতিক-মানে-উন্নীত-করতে-হবে-প্রো-ভিসি</guid>
			<description><![CDATA[বিএমইউর নার্সিং সেবা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) প্রো-ভাইস চ্যান্সলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ব নার্স দিবসে বিএমইউর এ ব্লক অডিটোরিয়ামে র‌্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong>বিএমইউর নার্সিং সেবা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) প্রো-ভাইস চ্যান্সলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ব নার্স দিবসে বিএমইউর এ ব্লক অডিটোরিয়ামে র&zwnj;্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সলর (প্রো-ভিসি) বলেন, বিএমইউর নার্সিং সেবা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে। নার্সিং একটি পবিত্র পেশা। নার্সিং শিক্ষা, গবেষণা ও সেবাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে বাংলাদেশের গণমানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে মানুষের জীবন বাঁচাতে হবে। হতাশা ও সীমাবদ্ধতা থাকলেও তা জয় করে নার্সদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএমইউর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় নার্সদের অবদান অপরিসীম। নার্সিং পেশার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদ সৃষ্টি, আবাসনের ব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ কর্মশালা জোরদার করার ক্ষেত্রে নিজেদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিএমইউর নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেন খান বলেন, নার্সিং শিক্ষা অনেক দূর এগিয়েছে। বিএমইউ থেকে বিএসসি নার্সিং, এমএসসি নার্সিং, পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে নার্সিং সেবার উন্নয়নে এখনও অনেক কিছুই করণীয় রয়েছে, যা নিশ্চিত হলে বাংলাদেশের নার্সিং সেবার মান বিশ্বমানে উন্নীত হবে। নার্সদেরকে রোগীদের প্রতি সদাচরণ ও সহানুভূতি সাথে রোগীদেরকে সেবাদানের আহ্বান জানাই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান, গ্রাজুয়েট নার্সিং বিভাগের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ গাজী, ভিসির একান্ত সচিব-১ সহযোগী অধ্যাপক (সার্জিক্যাল অনকোলজি) ডা. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মোহাম্মদ আবু নাছের, হেমাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও উপ- রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) ডা. নাসরীন আক্তার, ভিসির একান্ত সচিব-২ মো. লুৎফর রহমান, সেবা তত্ত্বাবধায়ক রাশিদা বেগম, গ্রাজুয়েট নার্সিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দেলোয়ারা বেগম, সহকারী অধ্যাপক হাছিনা আক্তার, সহকারী অধ্যাপক নুপুর ডি কস্তা, সহকারী অধ্যাপক বিথীকা মালি, প্রভাষক টুম্পা ঘরামি, প্রভাষক নাঈমা ছিদ্দিকা, প্রভাষক দিপীকা মজুমদার, প্রভাষক সুজন মিয়া, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক শারমিন আক্তার, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক মোছা বিজলী খাতুন, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক নুরুন নাহার স্বপ্না, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক মালেহা, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক নার্গিস পারভীন, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক নাজনীন নাহার মাহফুজা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিএমইউর নার্সরাও অংশ নেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনা শেষে ক্যাম্পাসে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে র&zwnj;্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণসহ নানা কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও পায়রা উড়ানো শেষে ক্যাম্পাসে র&zwnj;্যালির শুভ উদ্বোধন করেন বিএমইউর ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। &lsquo;আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যত-জীবন রক্ষায় প্রয়োজন, নার্সদের ক্ষমতায়ন&rsquo; প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত র&zwnj;্যালিটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়।</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার’</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34622/প্রাথমিক-স্বাস্থ্যসেবা-জোরদারে-এক-লাখ-স্বাস্থ্যকর্মী-নিয়োগ-দেবে-সরকার</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 21:44:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34622/প্রাথমিক-স্বাস্থ্যসেবা-জোরদারে-এক-লাখ-স্বাস্থ্যকর্মী-নিয়োগ-দেবে-সরকার</guid>
			<description><![CDATA[দেশে নার্সদের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত বলেন, বর্তমানে দুই লাখেরও বেশি নার্সের ঘাটতি রয়েছে, তাই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;দেশে নার্সদের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত বলেন, বর্তমানে দুই লাখেরও বেশি নার্সের ঘাটতি রয়েছে, তাই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, একজন ডাক্তারের তুলনায় অন্তত তিনজন নার্স প্রয়োজন। কারণ ডাক্তাররা নির্দিষ্ট সময় দায়িত্ব পালন করলেও নার্সদের ২৪ ঘণ্টা রোগীর পাশে থাকতে হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজও দেশের অধিকাংশ মানুষ সরকারি হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। ঢাকা মেডিকেলের বারান্দায় শুয়েও মানুষ চিকিৎসা নেয়, কারণ তারা বিশ্বাস করে সেখানে অন্তত কিছু সেবা পাওয়া যাবে। আর সেই সেবাটা দিচ্ছেন দেশের ডাক্তার ও নার্সরাই।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, নার্সিং পেশাকে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য করতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই সময় নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠা, নারীদের কর্মসংস্থান ও বিদেশে নার্স পাঠানোর মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে এম এ মুহিত বলেন, গত দেড় দশকে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে স্বাস্থ্যখাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু নতুন ভবন নির্মাণ করলেই স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন হবে না। রোগ প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত না হওয়ায় কিডনি রোগসহ নানা জটিল রোগ দ্রুত বাড়ছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয় করে গ্রাম ও ওয়ার্ড পর্যায়ে স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম চালানো হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নার্সিং শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়েও সরকার কাজ করছে এমনটি জানিয়ে তিনি বলেন, নার্সিং ইনস্টিটিউটগুলোতে ভাষা শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হবে, যাতে বাংলাদেশি নার্সরা বিদেশে গিয়ে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে নার্সদের পক্ষ থেকে সাদা ইউনিফর্ম পুনর্বহাল, ডে-কেয়ার সুবিধা, পদোন্নতি ও ক্যারিয়ার পাথওয়ে নিয়ে বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ বিষয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালে নার্সদের ঐতিহ্যবাহী সাদা পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত জনমত ছাড়াই নেওয়া হয়েছিল। এ দাবি লিখিতভাবে দিলে মন্ত্রণালয়ে আলোচনা করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কর্মজীবী নার্সদের সন্তানদের জন্য ডে-কেয়ার সুবিধার দাবিকে অত্যন্ত মানবিক ও যৌক্তিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়েও মন্ত্রণালয়ে আলোচনা শুরু করা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পদোন্নতি ও উচ্চশিক্ষার মূল্যায়নের বিষয়ে এম এ মুহিত বলেন, নার্সিং পেশায় একটি সুস্পষ্ট ক্যারিয়ার পাথওয়ে থাকা প্রয়োজন, যাতে একজন নার্স ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা করতে পারেন। সরকার এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সাধারণ মানুষের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। সেই লক্ষ্য পূরণে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সহযোগিতা ছাড়া সফল হওয়া সম্ভব নয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>যক্ষ্মা রোগীদের জন্য সাড়ে ১০ কোটি অ্যান্টি-টিবি ওষুধ কিনবে সরকার</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34621/যক্ষ্মা-রোগীদের-জন্য-সাড়ে-১০-কোটি-অ্যান্টি-টিবি-ওষুধ-কিনবে-সরকার</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 21:20:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34621/যক্ষ্মা-রোগীদের-জন্য-সাড়ে-১০-কোটি-অ্যান্টি-টিবি-ওষুধ-কিনবে-সরকার</guid>
			<description><![CDATA[ দেশের যক্ষ্মা রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ১০ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার অ্যান্টি-টিবি ড্রাগস ২ এফডিসি ট্যাবলেট কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব ওষুধ কিনতে ব্যয় হবে ৭৪ কোটি ৩৫ লাখ ১১ হাজার টাকা। রেনেটা পিএলসি থেকে এ ওষুধ কেনা হবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;দেশের যক্ষ্মা রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ১০ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার অ্যান্টি-টিবি ড্রাগস ২ এফডিসি ট্যাবলেট কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব ওষুধ কিনতে ব্যয় হবে ৭৪ কোটি ৩৫ লাখ ১১ হাজার টাকা। রেনেটা পিএলসি থেকে এ ওষুধ কেনা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ই-জিপি পদ্ধতিতে ১০ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার ওষুধ কেনার জন্য উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়। তবে টেন্ডারে একটিমাত্র দরপত্র জমা পড়ে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টেন্ডার মূল্যায়ন কমিটি (টিইসি) দরপত্রটিকে রেসপন্সিভ হিসেবে বিবেচনা করে। পরে দরপ্রস্তাবের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসির সুপারিশ ও নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে একমাত্র দরদাতা প্রতিষ্ঠান রেনেটা পিএলসি থেকে এসব ট্যাবলেট কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি ট্যাবলেটের একক মূল্য ধরা হয়েছে ৬ টাকা ৯৫ পয়সা। সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে ওষুধগুলো কেনা হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি ৩৭</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34620/২৪-ঘণ্টায়-ডেঙ্গুতে-হাসপাতালে-ভর্তি-৩৭</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 20:49:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34620/২৪-ঘণ্টায়-ডেঙ্গুতে-হাসপাতালে-ভর্তি-৩৭</guid>
			<description><![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৩৭ জন । এই সময়ের মধ্যে কারও মৃত্যু হয়নি। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000">মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</span></span></strong><span style="font-size:16px">গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৩৭ জন । এই সময়ের মধ্যে কারও মৃত্যু হয়নি।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১২ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচজন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে দুজন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১০ জন ও খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিনজন রয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ২২ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরে এ যাবৎ মোট দুই হাজার ৬৩৬ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ ছাড়া আজ (১২ মে) পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৭৫৩ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক পাঁচ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক পাঁচ শতাংশ নারী রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।=</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের চিকিৎসায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে রেডিয়েন্টের ১০টি ভেন্টিলেটর হস্তান্তর</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34619/হামের-চিকিৎসায়-স্বাস্থ্য-মন্ত্রণালয়ে-রেডিয়েন্টের-১০টি-ভেন্টিলেটর-হস্তান্তর</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 20:14:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34619/হামের-চিকিৎসায়-স্বাস্থ্য-মন্ত্রণালয়ে-রেডিয়েন্টের-১০টি-ভেন্টিলেটর-হস্তান্তর</guid>
			<description><![CDATA[দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবে শিশু মৃত্যুরোধে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সহায়তার অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত উন্নতমানের ১০টি নিওনেটাল এবং পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর প্রদান করেছে রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবে শিশু মৃত্যুরোধে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সহায়তার অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত উন্নতমানের ১০টি নিওনেটাল এবং পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর প্রদান করেছে রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১২ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে রেডিয়েন্টের বোর্ড মেম্বার মুসাওয়াত শাম্স জাহেদী ভেন্টিলেটরগুলো হস্তান্তর করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অত্যাধুনিক এসব নিওনেটাল ভেন্টিলেটর গুরুতর শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত নবজাতকদের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষত বর্তমান স্বাস্থ্য সংকটের সময়ে নবজাতকদের জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সেবার সক্ষমতা আরও জোরদার হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সহায়তায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ২ সেট নিওনেটাল এবং পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর প্রদান করা হয় রেডিয়েন্টের পক্ষ থেকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিএমইউতে বিশ্ব নার্স দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34618/বিএমইউতে-বিশ্ব-নার্স-দিবস-উপলক্ষে-আলোচনা-সভা-ও-বৃক্ষরোপন</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 19:27:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34618/বিএমইউতে-বিশ্ব-নার্স-দিবস-উপলক্ষে-আলোচনা-সভা-ও-বৃক্ষরোপন</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বিশ্ব নার্স দিবস। এ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যালী, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণসহ নানা কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বিশ্ব নার্স দিবস। এ উপলক্ষে&nbsp;বিশ্ববিদ্যালয়ে র&zwnj;্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণসহ নানা কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও পায়রা উড়ানো শেষে ক্যাম্পাসে র&zwnj;্যালির শুভ উদ্বোধন করেন বিএমইউর ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যত-জীবন রক্ষায় প্রয়োজন, নার্সদের ক্ষমতায়ন&rsquo; প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত র&zwnj;্যালিটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">র&zwnj;্যালি শেষে বিএমইউর এ ব্লক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, বিএমইউর নার্সিং সেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে হবে। নার্সিং একটি পবিত্র পেশা। নার্সিং শিক্ষা, গবেষণা ও সেবাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে বাংলাদেশের গণমানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে মানুষের জীবন বাঁচাতে হবে। হতাশা ও সীমাবদ্ধতা থাকলেও তা জয় করে নার্সদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএমইউর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় নার্সদের অবদান অপরিসীম। নার্সিং পেশার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদ সৃষ্টি, আবাসনের ব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ কর্মশালা জোরদার করার ক্ষেত্রে নিজেদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিএমইউর নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেন খান বলেন, নার্সিং শিক্ষা অনেক দূর এগিয়েছে। বিএমইউ থেকে বিএসসি নার্সিং, এমএসসি নার্সিং, পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে নার্সিং সেবার উন্নয়নে এখনও অনেক কিছুই করণীয় রয়েছে, যা নিশ্চিত হলে বাংলাদেশের নার্সিং সেবার মান বিশ্বমানে উন্নীত হবে। নার্সদেরকে রোগীদের প্রতি সদাচরণ ও সহানুভূতি সাথে&nbsp;রোগীদেরকে সেবাদানের আহ্বান জানাই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিএমইউর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান, গ্রাজুয়েট নার্সিং বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হারুন অর রশিদ গাজী, ভিসির একান্ত সচিব-১ সহযোগী অধ্যাপক (সার্জিক্যাল অনকোলজি) ডা. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মোহাম্মদ আবু নাছের, হেমাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও উপ- রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) ডা. নাসরীন আক্তার, ভিসির একান্ত সচিব-২ মো.&nbsp;লুৎফর রহমান, সেবা তত্ত্বাবধায়ক রাশিদা বেগম, গ্রাজুয়েট নার্সিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দেলোয়ারা বেগম, সহকারী অধ্যাপক হাছিনা আক্তার, সহকারী অধ্যাপক নুপুর ডি কস্তা, সহকারী অধ্যাপক বিথীকা মালি, প্রভাষক টুম্পা ঘরামি, প্রভাষক নাঈমা ছিদ্দিকা, প্রভাষক দিপীকা মজুমদার, প্রভাষক সুজন মিয়া, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক শারমিন আক্তার, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক মোছা বিজলী খাতুন, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক নুরুন নাহার স্বপ্না, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক মালেহা, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক নার্গিস পারভীন, উপ-সেবা তত্ত্বাবধায়ক নাজনীন নাহার মাহফুজা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিএমইউর নার্সবৃন্দও অংশ নেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনা শেষে ক্যাম্পাসে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/ &nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>রংপুরে আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34617/রংপুরে-আন্তর্জাতিক-নার্স-দিবসে-র্যালি-ও-আলোচনা-সভা</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 17:50:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34617/রংপুরে-আন্তর্জাতিক-নার্স-দিবসে-র্যালি-ও-আলোচনা-সভা</guid>
			<description><![CDATA[‘আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যৎ, জীবন রক্ষায় প্রয়োজন নার্সদের ক্ষমতায়ন’—রংপুরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস। আজ মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে রংপুর নার্সিং কলেজ ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্যোগে আলোচনা সভা এবং বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। এতে রংপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সিং কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপার্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">&lsquo;আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যৎ, জীবন রক্ষায় প্রয়োজন নার্সদের ক্ষমতায়ন&rsquo;&mdash;রংপুরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে আন্তর্জাতিক নার্স&nbsp;দিবস।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে&nbsp;রংপুর নার্সিং কলেজ ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্যোগে আলোচনা সভা এবং বর্ণাঢ্য র&zwnj;্যালির আয়োজন করা হয়। এতে রংপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সিং কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুর নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ সুফিয়া বেগম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম (এনডিসি)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন, রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ার হোসেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান এবং রংপুর মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মো. জহুরুল হক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক ও বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন, রংপুরের সভাপতি নাজমা নাহার বেগম এবং রংপুর নার্সিং কলেজের নার্সিং ইন্সট্রাক্টর ও টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শিউলি বেগমসহ অন্যান্য অতিথিরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে নার্সদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগীর সেবায় নার্সরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাই তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, ক্ষমতায়ন এবং প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। বক্তারা আরও বলেন, একটি সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনে চিকিৎসকদের পাশাপাশি নার্সদের অবদানও অপরিসীম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠান শেষে একটি বর্ণাঢ্য র&zwnj;্যালি রংপুর নার্সিং কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন বিষয়ে জানতে থাইল্যান্ড যাচ্ছেন তিন কর্মকর্তা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34616/শিশু-কিশোরদের-মানসিক-স্বাস্থ্যের-উন্নয়ন-বিষয়ে-জানতে-থাইল্যান্ড-যাচ্ছেন-তিন-কর্মকর্তা</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 17:01:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34616/শিশু-কিশোরদের-মানসিক-স্বাস্থ্যের-উন্নয়ন-বিষয়ে-জানতে-থাইল্যান্ড-যাচ্ছেন-তিন-কর্মকর্তা</guid>
			<description><![CDATA[দেশের শিশু ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘শিশু ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য (সিওয়াইপিএমএইচ) সিস্টেম ও সেবাসমূহ শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় অংশগ্রহণের জন্য অনুমোদন দিয়েছে সরকার।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">দেশের শিশু ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে&nbsp;থাইল্যান্ডের ব্যাংককে&nbsp;অনুষ্ঠেয়&nbsp;&lsquo;শিশু ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য (সিওয়াইপিএমএইচ) সিস্টেম ও সেবাসমূহ শক্তিশালীকরণ&rsquo; শীর্ষক কর্মশালায় অংশগ্রহণের জন্য তিন কর্মকর্তাকে অনুমতি দিয়েছে&nbsp;সরকার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;শিশু ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য (সিওয়াইপিএমএইচ) সিস্টেম ও সেবাসমূহ শক্তিশালীকরণ&rsquo; শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করেছে&nbsp;বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১১ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বিশ্বস্বাস্থ্য-১ শাখার&nbsp;সিনিয়র সচিব তানিয়া মুন স্বাক্ষরিত আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ&nbsp;কর্মশালায় বাংলাদেশের&nbsp;তিন কর্মকর্তা যোগদান করবেন। তারা হলেন,&nbsp;মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. তারাফদার মো. আকতার জামিল, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক অধ্যাপক ড. সৈফুন নাহার, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জুবায়ের মিয়া।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আদেশে বলা হয়েছে, &lsquo;উপরোক্ত কর্মকর্তাদের আগামী ৯ থেকে ১১ জুনে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সিওয়াইপিএমএইচ&nbsp;সিস্টেম ও সেবাসমূহ শক্তিশালীকরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য সরকারের অনুমোদন জানানো হলো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে&nbsp;আরও বলা হয়েছে, কোর্সের সময়কাল এবং ভ্রমণ ও স্থানান্তরে ব্যয়িত সময় দায়িত্বকাল হিসেবে গণ্য হবে। এই কর্মসূচি সংক্রান্ত সমস্ত খরচ বহন করবে ডব্লিউএইচও&rsquo;র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক কার্যালয়। এছাড়া, বাংলাদেশে ফিরে আসার সাত কার্যদিবসের মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে একটি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1ODODkaLlzLdYogD-kfDXUx227h3B-8GZ/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">আদেশ দেখতে ক্লিক করুন</span></strong></span></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1ODODkaLlzLdYogD-kfDXUx227h3B-8GZ/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span><br />
&nbsp;</p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের পরিচালককে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34615/সোহরাওয়ার্দী-মেডিকেলের-পরিচালককে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরে-ওএসডি</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 17:24:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34615/সোহরাওয়ার্দী-মেডিকেলের-পরিচালককে-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তরে-ওএসডি</guid>
			<description><![CDATA[রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীনকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে (ওএসডি) করা হয়েছে। রোববার (১০ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীনকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে&nbsp;(ওএসডি) করা হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">রোববার (১০ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,&nbsp;&lsquo;বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাকে তার নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো&rsquo;।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">এতে আরও বলা হয়েছে, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের&nbsp;পরিচাল&nbsp;ডা. মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীনকে&nbsp;স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করা হয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p><span style="font-size:16px">রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">►<a href="https://drive.google.com/file/d/1l3STmydDWVNqNurumv6XdPURkoBsuhiV/view?usp=sharing"><strong>প্রজ্ঞাপন</strong></a></span></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1l3STmydDWVNqNurumv6XdPURkoBsuhiV/preview" width="340"></iframe></p>

<p><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম ও উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34614/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-৯-জনের-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 16:43:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34614/হাম-ও-উপসর্গে-আরও-৯-জনের-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে তিনজন হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নয়&nbsp;জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে তিনজন হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। বাকি ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫৬ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরের ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন সাত&nbsp;হাজার ২৪ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫১ হাজার ৫৬৭ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৮১ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩২ হাজার ৮৭৭ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>‘ইউনিসেফের মাধ্যমে সাড়ে ৯ কোটি ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরিকল্পনা সরকারের’</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34613/ইউনিসেফের-মাধ্যমে-সাড়ে-৯-কোটি-ভ্যাকসিন-সংগ্রহের-পরিকল্পনা-সরকারের</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 16:15:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34613/ইউনিসেফের-মাধ্যমে-সাড়ে-৯-কোটি-ভ্যাকসিন-সংগ্রহের-পরিকল্পনা-সরকারের</guid>
			<description><![CDATA[দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে বৃহৎ পরিসরে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইউনিসেফের মাধ্যমে ১০টি ভিন্ন ধরনের প্রায় নয় কোটি ৫০ লাখ (৯৫ মিলিয়ন) ডোজ ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপের্টি:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে বৃহৎ পরিসরে ভ্যাকসিন সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইউনিসেফের মাধ্যমে ১০টি ভিন্ন ধরনের প্রায় নয় কোটি ৫০ লাখ (৯৫ মিলিয়ন) ডোজ ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে তথ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ বিষয়টি জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইয়াসীন ও তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদ। সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় উপদেষ্টা জানান, এই বিশাল পরিমাণ ভ্যাকসিন সংগ্রহের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যেই ইউনিসেফকে ৮৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদান করেছে। সংগৃহীতব্য এসব ভ্যাকসিনের মধ্যে হাম-রুবেলা (এমআর), টিডি, বিসিজি, টিসিভি, ওরাল পোলিও (ওপিভি) ও পেন্টা ভ্যাকসিনসহ ১০টি জীবনরক্ষাকারী প্রতিষেধক রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভ্যাকসিন সরবরাহের সময়সীমা নিয়ে জাহেদ উর রহমান জানান, মে মাসেই প্রথমে টিকার বড় ধরনের কয়েকটি চালান দেশে এসে পৌঁছেছে। গত (৩ মে) ১৫ লাখ ডোজ আইপিভি, (৬ মে) আরও ১৫ লাখ ডোজ এমআর ও ৯ লাখ ডোজ টিডি ভ্যাকসিন দেশে এসেছে। ১০ মে পর্যন্ত সব মিলিয়ে প্রায়ে এক কোটি ৩২ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন সরকারের হাতে পৌঁছেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৯৫ মিলিয়ন ডোজের পুরো সরবরাহ সম্পন্ন হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমানে দেশে টিসিভি ও এইচপিভি ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। নতুন এই সরবরাহের ফলে আগামী ৮ থেকে ১২ মাস দেশে ভ্যাকসিনের কোনো ঘাটতি হবে না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, ভ্যাকসিনের গুণগত মান নিশ্চিত করতে কোল্ড চেইন ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ইউনিসেফ প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হামের টিকা নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ছয়&nbsp;মাস থেকে ৫ বছরের নিচের প্রায় এক&nbsp;কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এমআর টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, যা ইতোমধ্যেই অর্জিত হয়েছে। এরপরও কোনো শিশু বাদ পড়ে থাকলে, তাদেরকে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান। টিকাদান ও এর মাধ্যমে ইমিউনিটি তৈরিতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হয়। সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং যে কোনো মূল্যে শিশু মৃত্যু রোধে কাজ করে যাচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে &lsquo;মডার্নাইজেশন এন্ড এক্সপানশন অব ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড (ইআরএল)&rsquo; প্রকল্প ২০৩০ সাল পর্যন্ত হাতে নেওয়া হয়েছে। তিন সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর গত (৮ মে) থেকে ইআরএল পুনরায় কার্যক্রম শুরু করেছে। এ ছাড়া মে মাসের ১১ তারিখ পর্যন্ত দেশে কোনো লোডশেডিং হয়নি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ২০-৩১ মে পর্যন্ত বিআরটিএ-তে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হবে। ১২টি সেতুর টোল প্লাজায় আগামী ২০ মে&rsquo;র মধ্যে স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়ের জন্য পিওএস মেশিন বসানো হবে। নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১০ থেকে ১৬ মে নৌ-নিরাপত্তা সপ্তাহ পালিত হচ্ছে। সদরঘাটে লঞ্চে সরাসরি নৌকা থেকে যাত্রী ওঠা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যাত্রীদের জন্য বসিলা ও শিমুলিয়া থেকে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিশ্বজুড়ে নতুন আতঙ্ক ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি ভাইরাস</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34612/বিশ্বজুড়ে-নতুন-আতঙ্ক-ইনফ্লুয়েঞ্জা-ডি-ভাইরাস</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 15:47:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34612/বিশ্বজুড়ে-নতুন-আতঙ্ক-ইনফ্লুয়েঞ্জা-ডি-ভাইরাস</guid>
			<description><![CDATA[ইনফ্লুয়েঞ্জা গোত্রের ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি’ নামক নতুন ও অপরিচিত এক ভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের মহামারির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সাধারণ সর্দি-কাশির অ্যাডিনোভাইরাসের চেয়েও অধিক সংক্রামক এই ভাইরাসটি দ্রুত তার চারিত্রিক রূপ বদলাতে সক্ষম। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong><span style="font-size:16px">&nbsp;ইনফ্লুয়েঞ্জা গোত্রের &lsquo;ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি&rsquo; নামক নতুন ও অপরিচিত এক ভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের মহামারির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সাধারণ সর্দি-কাশির অ্যাডিনোভাইরাসের চেয়েও অধিক সংক্রামক এই ভাইরাসটি দ্রুত তার চারিত্রিক রূপ বদলাতে সক্ষম।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছে, ইতোপূর্বে পরিচিত ইনফ্লুয়েঞ্জা &lsquo;এ&rsquo; এবং &lsquo;বি&rsquo; ভাইরাসের কথা জানলেও, এই নতুন &lsquo;ডি&rsquo; ধরনটি বিশ্ববাসীর জন্য চরম আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে সম্প্রতি ভাইরাল জ্বরের প্রকোপ বাড়ার নেপথ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জার আরও এক প্রতিরূপ &lsquo;সাবক্ল্যাড কে&rsquo; ভাইরাসের সক্রিয়তা লক্ষ করা গেলেও গবেষকদের মূল দুশ্চিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এই রহস্যময় ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষণায় দেখা গেছে, ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি মূলত একটি রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (আরএনএ) ভাইরাস যা আগে কেবল গবাদি পশুর শরীরে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি পশুর দেহ থেকে মানুষের শরীরে অনুপ্রবেশ করার ক্ষমতা অর্জন করেছে বলে ধারণা করছেন আমেরিকার হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল ও ইউনিভার্সিটি অব মিসিসিপি এবং জার্মানির ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির বিজ্ঞানীরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যদিও এটি এখনও মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েনি, তবে পশু খামারের কর্মীদের শরীরে এই ভাইরাসের অ্যান্টিবডি মেলায় এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, মানুষের শরীরে এর সংক্রমণ শুরু হয়েছে। এই ভাইরাসের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটি উচ্চ তাপমাত্রাতেও টিকে থাকতে পারে এবং অত্যন্ত স্থিতিশীল, ফলে যেকোনো আবহাওয়ায় এটি দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের লিভারে তৈরি হওয়া &lsquo;অ্যাপোলিপোপ্রোটিন ডি&rsquo; নামক একটি প্রোটিন এই ভাইরাসের সংক্রমণকে আরও মারাত্মক করে তোলে। রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে এই প্রোটিন সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং লিভার ও ফুসফুসের কোষ নষ্ট করতে শুরু করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষকরা জানিয়েছেন, এটি শরীরের শক্তির উৎস মাইটোকন্ড্রিয়াকে আক্রমণ করে সুস্থ কোষের মৃত্যু ঘটায়, যার ফলে রোগীর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দ্রুত ভেঙে পড়ে। সাধারণ জ্বর বা সর্দি-কাশির মতোই প্রাথমিক উপসর্গ থাকলেও এটি শরীরের ভেতরে ভাইরাসের বিভাজন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা&nbsp;দেয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বর্তমানে এই ভাইরাসটি ঠিক কবে নাগাদ বড় আকারে বিবর্তিত হয়ে মানুষের শরীরে চরম সংক্রামক রূপ নেবে তা অজানা থাকলেও এর বিস্তার রোধে এখন থেকেই কাজ শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা ও প্রতিষেধক তৈরির উপায় খুঁজছেন গবেষকরা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">যেহেতু এটি অত্যন্ত অভিযোজনক্ষম, তাই সাধারণ ফ্লু হিসেবে একে অবহেলা না করে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। আগামী দিনে এই ভাইরাস যেন করোনার মতো বৈশ্বিক বিপর্যয় ডেকে আনতে না পারে, সে লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চলছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>তামাক ব্যবহারের ক্ষতি রাজস্ব আয়ের দ্বিগুণ, বছরে মৃত্যু দুই লাখ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34611/তামাক-ব্যবহারের-ক্ষতি-রাজস্ব-আয়ের-দ্বিগুণ-বছরে-মৃত্যু-দুই-লাখ</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 15:27:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34611/তামাক-ব্যবহারের-ক্ষতি-রাজস্ব-আয়ের-দ্বিগুণ-বছরে-মৃত্যু-দুই-লাখ</guid>
			<description><![CDATA[আসন্ন জাতীয় বাজেটে সিগারেটের মূল্যবৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন  ইউনাইটেড ফোরাম এগেইনস্ট টোব্যাকো ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের চিকিৎসকরা। সোমবার (১১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকরা এ দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে প্ল্যাটফর্ম অব মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল সোসাইটি থেকে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের বেশ কিছু প্রতিনিধি, তরুণ চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> আসন্ন জাতীয় বাজেটে সিগারেটের মূল্যবৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন &nbsp;ইউনাইটেড ফোরাম এগেইনস্ট টোব্যাকো ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের চিকিৎসকরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকরা এ দাবি জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে প্ল্যাটফর্ম অব মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল সোসাইটি থেকে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের বেশ কিছু প্রতিনিধি, তরুণ চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে প্রায় তিন কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করে এবং প্রতি বছর প্রায় দুই লাখ মানুষ তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। তামাক ব্যবহারজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা তামাক খাত থেকে অর্জিত রাজস্ব আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকরা সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন :</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">১. &nbsp;নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট একীভূত করে ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ১০০ টাকা নির্ধারণ।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">২. উচ্চ স্তরের সিগারেট প্যাকেট ১৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেট প্যাকেট ২০০ টাকা নির্ধারণ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">৩. প্রতি প্যাকেটে চার টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপ।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় বক্তারা বলেন এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবেন। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৪০৮ প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৩৩৫ তরুণের অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক মো. ইউনুছুর রহমান। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সাফিউন নাহিন শিমুল এবং জাতীয় বক্ষব্যাধী ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এইউ/ টিআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>লক্ষ্মীপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন, ১০ টাকায় স্যানিটারি প্যাড</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34610/লক্ষ্মীপুরে-শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে-ভেন্ডিং-মেশিন-স্থাপন-১০-টাকায়-স্যানিটারি-প্যাড</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 14:49:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34610/লক্ষ্মীপুরে-শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে-ভেন্ডিং-মেশিন-স্থাপন-১০-টাকায়-স্যানিটারি-প্যাড</guid>
			<description><![CDATA[দেশের গ্রামীণ জনপদে পিরিয়ডকালীন স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ছাত্রীদের স্কুলবিমুখতা রোধে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন। যেখান থেকে মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে ছাত্রীরা সহজেই সংগ্রহ করতে পারছে প্রয়োজনীয় স্যানিটারি প্যাড।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span>&nbsp;</span><span style="font-size:16px">দেশের গ্রামীণ জনপদে পিরিয়ডকালীন স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ছাত্রীদের স্কুলবিমুখতা রোধে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন। যেখান থেকে মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে ছাত্রীরা সহজেই সংগ্রহ করতে পারছে প্রয়োজনীয় স্যানিটারি প্যাড।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সম্প্রতি&nbsp;গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগটি শুরু হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো গ্রামীণ এলাকায় পিরিয়ড বা মাসিকের সময় মেয়েদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার&nbsp;কমানো এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">লক্ষ্মীপুরের বশিকপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী জানান, &lsquo;আগে পিরিয়ডের সময়গুলোতে অনেককে স্কুল ফাঁকি দিতে হতো। কিন্তু এখন স্কুলে মেশিন থাকায় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস বোধ করি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">একই মাদ্রাসার দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলেন, &lsquo;আগে হঠাৎ পিরিয়ড শুরু হলে খুব বিপদে পড়তাম। বাড়ি চলে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। এখন ১০ টাকা দিয়ে সহজেই প্যাড পাই। কিন্তু মাঝে মধ্যে মেশিন কাজ করে না, তখন খুব খারাপ লাগে। আমরা চাই, এটি যেন সব সময় সচল থাকে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মাদ্রাসার সুপার মো. মোরশেদ আলম এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, অভিভাবকরা এখন অনেক আশ্বস্ত যে, তাদের সন্তানরা স্কুলে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে আছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পার্শ্ববর্তী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকারা জানিয়েছেন, গ্রামীণ জনপদে পিরিয়ড নিয়ে এখনো অনেক জড়তা আছে। এই ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনের পর ছাত্রীদের উপস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। আগে পিরিয়ড শুরু হলে তারা অস্বস্তিতে ভুগতো&nbsp;এবং অনেক ক্ষেত্রে স্কুল ফাঁকি দিত। এখন তারা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অভিভাবকদের দাবি, গ্রামীণ অঞ্চলের মেয়েদের জন্য এটি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বড় উপহার। মাসিককালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে এমন উদ্যোগ পুরো জেলায় ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তবে কেবল মেশিন বিতরণ করলেই হবে না, সেগুলোর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা যেন মুখ থুবড়ে না পড়ে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তবে বর্তমানে কিছু কারিগরি ত্রুটি ও প্যাড সরবরাহে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে উল্লেখ করে তারা বলেন,&nbsp;বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে মেশিন অকেজো হয়ে থাকায় শিক্ষার্থীরা সাময়িক ভোগান্তিতে পড়েছেন। অভিভাবকরা এই&nbsp;উদ্যোগটি টিকিয়ে রাখতে নিয়মিত তদারকির ওপর জোর দিয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) </span>&nbsp;<span style="font-size:16px">ক্যাথোয়াইপ্রু&nbsp;প্রু মারমা গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমান&nbsp;প্রশাসন নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ইতোমধ্যে নষ্ট হয়ে যাওয়া মেশিনগুলোর তালিকা করা হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে কারিগরি ত্রুটি সারিয়ে প্যাড সরবরাহ নিশ্চিত করতে টেকনিশিয়ান পাঠানো হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিশ্ব স্বাস্থ্য সমিতির ৭৯তম সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34609/বিশ্ব-স্বাস্থ্য-সমিতির-৭৯তম-সম্মেলনে-বাংলাদেশের-প্রতিনিধিত্ব</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 13:59:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34609/বিশ্ব-স্বাস্থ্য-সমিতির-৭৯তম-সম্মেলনে-বাংলাদেশের-প্রতিনিধিত্ব</guid>
			<description><![CDATA[বিশ্বের কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্ল্যাটফর্ম কমনওয়েলথ হেলথ কো-অর্ডিনেশন ফোরাম (সিএইচসিএফ) এবং ৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সমিতি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে বাংলাদেশ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">বিশ্বের কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্ল্যাটফর্ম কমনওয়েলথ হেলথ কো-অর্ডিনেশন ফোরাম (সিএইচসিএফ) এবং ৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সমিতি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে বাংলাদেশ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১১ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের&nbsp;স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব তানিয়া মুন স্বাক্ষরিত আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আদেশে বলা হয়, সরকারের অনুমোদনক্রমে জানানো হলো যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসকে&nbsp;কমনওয়েলথ হেলথ কো-অর্ডিনেশন ফোরাম এবং ৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সমিতিতে অংশগ্রহণ করবেন। যা আগামী ১৮ থেকে ২২ মে পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আদেশে আরও বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য সমিতির সময়কাল এবং ভ্রমণ ও স্থানান্তরে ব্যয়িত সময় দায়িত্বকাল হিসেবে গণ্য হবে। অংশগ্রহণকারীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বেতন ও ভাতা পাবেন। এ ছাড়া, এই কর্মসূচি সংক্রান্ত অধ্যাপক ড. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের সমস্ত খরচ বহন করবে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশন (জিএআইএন)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><a href="https://drive.google.com/file/d/1lAOtftNmgmmvXJX9Zzu4nQFppsNgeRk9/view?usp=sharing" target="_blank"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">আদেশ দেখতে ক্লিক করুন</span></strong></span></a></p>

<p><iframe height="180" src="https://drive.google.com/file/d/1lAOtftNmgmmvXJX9Zzu4nQFppsNgeRk9/preview" width="340"></iframe></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের জরুরি টিকাদান কর্মসূচিতে প্রায় শতভাগ সাফল্য: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34608/হামের-জরুরি-টিকাদান-কর্মসূচিতে-প্রায়-শতভাগ-সাফল্য-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তর</link>
			<pubDate>Tue, 12 May 2026 12:16:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34608/হামের-জরুরি-টিকাদান-কর্মসূচিতে-প্রায়-শতভাগ-সাফল্য-স্বাস্থ্য-অধিদপ্তর</guid>
			<description><![CDATA[উচ্চ সংক্রামক ব্যাধি হাম নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে পরিচালিত জরুরি টিকাদান কর্মসূচির আওতায় মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল এক কোটি ৮০ লাখ ১৬ হাজার ৯১৪ জন শিশুকে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত এক কোটি ৭৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭৬ জন শিশুকে হাম প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়েছে। সে হিসেবে গত ৫ এপ্রিল শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে, যা সরকারের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। সোমবার (১১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> উচ্চ সংক্রামক ব্যাধি হাম নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে পরিচালিত জরুরি টিকাদান কর্মসূচির আওতায় মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল এক কোটি ৮০ লাখ ১৬ হাজার ৯১৪ জন শিশুকে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত এক কোটি ৭৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭৬ জন শিশুকে হাম প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়েছে। সে হিসেবে গত ৫ এপ্রিল শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রায় শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে, যা সরকারের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, মার্চ মাসে দেশে হামের সংক্রমণ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সরকার জরুরি ভিত্তিতে গত ৫ এপ্রিল টিকাদান কার্যক্রম শুরু করে। প্রথম পর্যায়ে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি উপজেলায় এ কর্মসূচি চালু করা হয়। পরে ১২ এপ্রিল দেশের চারটি সিটি কর্পোরেশনে এবং ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত রবিবার পর্যন্ত সারাদেশে মোট এক কোটি ৭৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯০৬ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল থেকে বরিশাল বিভাগে ১০ লাখ ৪৭ হাজার ২২১, চট্টগ্রামে ৪২ লাখ ৬৮ হাজার ২৯, ঢাকায় ৪৪ লাখ ৬০ হাজার ৮২০, খুলনায় ১৬ লাখ ২ হাজার ৪১৯, ময়মনসিংহে ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৪২৪, রাজশাহীতে ২০ লাখ ৯০ হাজার ২৮৯, রংপুরে ১৯ লাখ ১৭ হাজার ৩৫১ এবং সিলেটে ১২ লাখ ৮০ হাজার ৪২৩ জন শিশুকে হাম প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া ১২টি সিটি কর্পোরেশনে মোট ১৮ লাখ ৭৫ হাজার ৪৪৯ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৯৮ শতাংশ। সিটি কর্পোরেশনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বরিশালে ৪৩ হাজার ২৬৮, চট্টগ্রামে ২ লাখ ৭৫ হাজার ২৩২, কুমিল্লায় ৪৭ হাজার ৮৬৩, ঢাকা উত্তরে ৫ লাখ ৩ হাজার ৩৩২, ঢাকা দক্ষিণে ৪ লাখ ১ হাজার ২৭৮, গাজীপুরে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৩৪, নারায়ণগঞ্জে ৭৮ হাজার ৬৪৯, খুলনায় ৮৬ হাজার ৭৭৫, ময়মনসিংহে ৫৪ হাজার ৮৪২, রাজশাহীতে ৫৭ হাজার ৩৭০, রংপুরে ৭৭ হাজার ৭৪৭ এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনে ৬২ হাজার ১৫৯ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে তুলনামূলকভাবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনে টিকাদানের হার সবচেয়ে কম, যা ৯০ শতাংশ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান জানান, আগামী ২০ মে পর্যন্ত সারা দেশে এই টিকাদান কার্যক্রম চলবে। এ সময়ের মধ্যে নতুনভাবে শনাক্ত বা বাদ পড়া শিশুরাও টিকার আওতায় আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>দায়িত্ব শেষে ফেরার সময় পরের চিকিৎসককে দেখাতে বলায় ডা. শরিফকে রোগীর স্বজনদের হেনস্তা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34607/দায়িত্ব-শেষে-ফেরার-সময়-পরের-চিকিৎসককে-দেখাতে-বলায়-ডা-শরিফকে-রোগীর-স্বজনদের-হেনস্তা</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 21:51:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34607/দায়িত্ব-শেষে-ফেরার-সময়-পরের-চিকিৎসককে-দেখাতে-বলায়-ডা-শরিফকে-রোগীর-স্বজনদের-হেনস্তা</guid>
			<description><![CDATA[ঠাকুরগাঁওয়ে নির্ধারিত কর্মঘন্টার দায়িত্ব শেষে নতুন রোগীকে পরের চিকিৎসক দেখাতে বলায় হেনস্তার স্বীকার ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. শরিফুল ইসলাম।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">নির্ধারিত কর্মঘণ্টা&nbsp;শেষে হাসপাতাল ছাড়ার সময় নতুন করে আসা&nbsp;রোগীকে পরের রোস্টারের&nbsp;চিকিৎসককে দেখাতে বলায়&nbsp;স্বজনদের&nbsp;হেনস্তার শিকার হয়েছেন ডা. শরিফুল ইসলাম।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শনিবার (৯ মে) রাতে ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাসপাতালে জরুরি&nbsp;বিভাগে&nbsp;<em><strong>রোগী&nbsp;না দেখার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. শরিফুল ইসলাম </strong></em>মেডিভয়েসকে বলেন, &lsquo;আমি ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগে দায়িত্বে ছিলাম। দায়িত্ব পালনের পুরো সময়ে&nbsp;আগত সকল রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে। রাত ৮টা ৫ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতালে উপস্থিতি নিশ্চিত করেছি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;রাত ৮টা ৬ মিনিটে নিজের মোটর সাইকেল নিয়ে জরুরি বিভাগের সামনে আসার পর একজন নতুন রোগী দেখতে পাই। রাতের শিফটের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক তখন হাসপাতালে প্রবেশ করেছিলেন। আমি রোগীর স্বজনদের জানিয়েছিলাম, রাতের চিকিৎসক চলে এসেছেন, উনি এখনই রোগী দেখবেন। আমার দায়িত্ব রাত ৮টা পর্যন্ত ছিল। সময় শেষ হওয়ায়&nbsp;আমি বের হয়েছি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;এ সময়&nbsp;</span><span style="font-size:16px">রোগীর ৩-৪ জন স্বজন তার পথরোধ করে উদ্ধত&nbsp;আচরণ শুরু করেন এবং উচ্চস্বরে হুমকি প্রদান করেন। এতে পরিস্থিতি ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে উঠায় তিনি আত্মরক্ষার্থে স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপরও রোগী দেখার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু স্বজনদের হুমকি ও উত্তেজনাপূর্ণ আচরণের কারণে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এখান থেকে সরে পড়েন। এতে&nbsp;দায়িত্ব হস্তান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়&rsquo;&mdash;বলেন ডা. শরীফ। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কিন্তু পুরো ঘটনা তুলে না ধরে&nbsp;&zwj;উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে জড়িয়ে খণ্ডিত&nbsp;ভিডিও ছড়ানো&nbsp;হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন,&nbsp;&lsquo;ঘটনার আংশিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে, যেখানে আমার নিরাপত্তাহীনতা এবং স্বজনদের হুমকির অংশ উপেক্ষা করা হয়েছে। ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে এবং এতে আমার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ&nbsp;হয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতি&nbsp;সবসময় শ্রদ্ধাশীল বলে জানান&nbsp;ডা. শরিফুল ইসলাম।&nbsp;</span><span style="font-size:16px">বলেন, &lsquo;আজকাল মোবাইল থাকলেই কেউ কেউ সাংবাদিক সেজে ভিডিও কাটছাট করে চিকিৎসককে&nbsp;হয়রানি করার ট্রেন্ড চালাচ্ছে, যার আমি নিন্দা জানাই।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. শরিফুল ইসলাম ব্যাচেলর অব&nbsp;মেডিসিন&nbsp;ব্যাচেলর অব&nbsp;সার্জারি (এমবিবিএস) সম্পন্ন করে ৪৪তম বিসিএস&nbsp;স্বাস্থ্য&nbsp;ক্যাডারে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। তিনি কলোরেক্টাল সার্জারিতে&nbsp;এফসিপিএস এবং&nbsp;রয়েল কলেজ অব&nbsp;সার্জন্স&nbsp;(এমআরসিএস) থেকে পার্ট-এ সম্পন্ন করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ওষুধের মূল্য বৃদ্ধিতে ভারসাম্য রক্ষার আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34606/ওষুধের-মূল্য-বৃদ্ধিতে-ভারসাম্য-রক্ষার-আহ্বান-স্বাস্থ্য-প্রতিমন্ত্রীর</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 20:53:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34606/ওষুধের-মূল্য-বৃদ্ধিতে-ভারসাম্য-রক্ষার-আহ্বান-স্বাস্থ্য-প্রতিমন্ত্রীর</guid>
			<description><![CDATA[ওষুধ মালিক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত বলেছেন, যখন-তখন ওষুধের দাম বাড়িয়ে জনগণ ও সরকারকে বিপদে ফেলবেন না। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">যখন-তখন ওষুধের দাম বাড়িয়ে জনগণ ও সরকারকে বিপদে না ফেলতে&nbsp;ওষুধ মালিক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ সোমবার (১১ মে) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে &lsquo;বেসরকারি খাতের সাথে অংশীজন পরামর্শ সভা: স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি&rsquo; শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই&nbsp;কথা বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল এটিএম ইসলামসহ বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন প্রতিনিধি, ওষুধ শিল্পের মালিকগণ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাত্র দুই-আড়াই মাস হলো সরকার গঠিত হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষা এবং গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার&nbsp;দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর&nbsp;দেখা যায় স্বাস্থ্য খাতের সব জায়গায় একটি ভঙ্গুর অবস্থা বিরাজ করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দেশের হাসপাতালগুলোর বেহাল চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, বিগত পাঁচ-সাত বছর ধরে অনেক হাসপাতালের ন্যূনতম রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। কোথাও ভবন আছে তো যন্ত্রপাতি নেই, কোথাও আবার ওষুধের সংকট। এই বিশাল চ্যালেঞ্জের মধ্যেই কাজ করতে হচ্ছে। এর সাথে যোগ হয়েছে বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতি, যা মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ওষুধ কোম্পানিগুলো অবশ্যই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, তাদের মুনাফার প্রয়োজন আছে। অন্য সবকিছুর দাম বাড়লেও ওষুধের দাম বছরের পর বছর আটকে রাখা যেমন সঠিক নয়, তেমনি এমন কোনো নীতিমালাও করা যাবে না, যার ফলে যখন খুশি ওষুধের দাম বাড়িয়ে ফেলা হয়। বর্তমান সরকারের&nbsp;মূল লক্ষ্য হলো, এমন একটি ভারসাম্য বজায় রাখা যাতে জনগণ এবং সরকার কোনোভাবেই বিপদে না পড়ে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই সরকার একটি গণতান্ত্রিক সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন,&nbsp;জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা আছে। সরকারে চাওয়া মানুষকে ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ নিশ্চিত করা। আপনাদের সমস্যাগুলো সরকার বুঝতে পারে&nbsp;এবং সেগুলো দ্রুত সমাধানের আগ্রহী। সম্মিলিতভাবে সমাধান না করলে&nbsp;শিল্প প্রতিষ্ঠান ও দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিএমইউতে ন্যাশনাল ইয়াং হেলথ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34605/বিএমইউতে-ন্যাশনাল-ইয়াং-হেলথ-কনফারেন্স-অনুষ্ঠিত</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 19:17:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34605/বিএমইউতে-ন্যাশনাল-ইয়াং-হেলথ-কনফারেন্স-অনুষ্ঠিত</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ন্যাশনাল ইয়াং হেলথ কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ন্যাশনাল ইয়াং হেলথ কনফারেন্স।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শনিবার (১০ মে) বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তরুণ জনগোষ্ঠী, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যারা&nbsp;দেশে তরুণদের স্বাস্থ্য বিষয়ক সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে জানানো হয়,&nbsp;বাংলাদেশে বর্তমানে মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৯ শতাংশের বয়স ১০ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) এবং ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ (ইউএইচসি) অর্জনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিবেচনায় এনে সম্মেলনে প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণ, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও সুশাসনে যুব সমাজের&nbsp;অর্থবহ </span><span style="font-size:16px">অংশগ্রহণে&nbsp;গুরুত্বারোপ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনায় দ্রুত নগরায়ন, জলবায়ু ঝুঁকি, সামাজিক বৈষম্য এবং অসংক্রামক রোগের ক্রমবর্ধমান বোঝা কীভাবে কিশোর ও তরুণদের স্বাস্থ্যগত ফলাফলে প্রভাব ফেলছে তা তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে নিরাপদ&nbsp;যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা, পুষ্টি, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার এবং সহিংসতা থেকে সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সম্মেলনজুড়ে প্লেনারি সেশন, কুইজ প্রতিযোগিতা, ওরাল ও পোস্টার উপস্থাপনা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং প্যানেল আলোচনার মাধ্যমে কিশোর ও তরুণদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য অগ্রাধিকার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনার মূল থিমগুলো ছিল&nbsp;যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য (এসআরএইচ), পুষ্টি, অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) ও জীবনধারা পরিবর্তন, মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতা, তরুণদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহিংসতা, ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক তরুণ জনগোষ্ঠী এবং জলবায়ু পরিবর্তন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেশনগুলোতে তরুণবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সহিংসতা প্রতিরোধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি এবং জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গঠনে তরুণদের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএমইউ&rsquo;র ডিপিএইচআইয়ের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল হক। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ,প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আশরাফী আহমদ, এনডিসি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মো.&nbsp;শাহ মোহাম্মদ মাহবুব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মাসুম আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের চিফ অব হেলথ ডা. মালালাই আহমাদজাই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘ সংস্থা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, যুব সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি ২০০-এর অধিক তরুণ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগ, উদ্ভাবন এবং অর্থবহ যুব অংশগ্রহণের মাধ্যমে কিশোর ও তরুণদের স্বাস্থ্য উন্নয়নই ছিল এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যনীতি, সেবা ও উদ্ভাবনে তরুণদের অংশগ্রহণের গুরুত্বকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরে। সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষক এবং তরুণদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে এই সম্মেলন তরুণদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে এগিয়ে নেওয়া এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাওয়ার এন্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারপার্সন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান। উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডা. ফারজানা ইসলাম এবং বিএমইউর ডিপার্টমেন্ট অব&nbsp;পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিক্স &nbsp;সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. শহিদুল হক।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে বিপিএফের নতুন কমিটি গঠন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34604/ইস্ট-ওয়েস্ট-ইউনিভার্সিটিতে-বিপিএফের-নতুন-কমিটি-গঠন</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 18:17:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34604/ইস্ট-ওয়েস্ট-ইউনিভার্সিটিতে-বিপিএফের-নতুন-কমিটি-গঠন</guid>
			<description><![CDATA[গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের সংগঠন বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস ফোরাম (বিপিএফ)  ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি  ইউনিটের (২০২৬–২৭) সেশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন তিলক মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মো. মাহিন হাসান ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট: </span></strong></span><span style="font-size:16px">গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের সংগঠন বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস ফোরাম (বিপিএফ) &nbsp;ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি &nbsp;ইউনিটের (২০২৬&ndash;২৭) সেশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন তিলক মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মো. মাহিন হাসান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোববার (১০ মে) বিপিএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান তানভীর যৌথভাবে এ কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এই কমিটিতে দেশে এবং বিদেশে কর্মরত অভিজ্ঞ পেশাজীবী ফার্মাসিস্ট, গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ&nbsp;গঠন করা হয়েছে।&nbsp;উপদেষ্টা পরিষদে</span>&nbsp;<span style="font-size:16px">রয়েছেন&mdash;মেহেদী হাসান, মো. সাইফুল ইসলাম বিপুল, মেহেদী হাসান, জয়নুল আবেদিন, শিবলী সাদিক, নাহিদ ইব নোমান, মো. আসাদুজ্জামান, এস.এফ.আর. খাইরুল, সতুয়া ব্রত সাহা, মো. আদনান আব্দুল্লাহ, ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডা. মো.&nbsp;আনিসুর রহমান, বি এম কনোক, মোহাম্মদ আব্দুর রহমান, সৌমিত্র কুমার সেন, সাবরিনা নাসরিন, আনুশা রহমান, তৌহিদুল হক বাপ্পী, সাইফুল ইসলাম, মো. তানজিব হোসাইন শাকী, এস এম শাফিউল সালেহ, মোহাম্মদ খালিদ হোসাইন, শোভন কুমার দাস, মো. মাহবুবুল আলম, খালেদা জামাল, মো. তানজিম ইসলাম,&nbsp;রাবেয়া ইসলাম, ডা. হাবিব এ. এম. সাকিল,&nbsp;শহিদা করিম সাথী, মো. কাউসার হোসাইন, মো. মাহামুদুল হোসাইন, কে. এম. রাদোয়ান আহমদ, মো. নাসির উদ্দিন, মোহাম্মদ রুমান চৌধুরী, মো. মাহমুদুল হাসান এবং মাহমুদুল হাসান তুষার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/ এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের তদন্ত নিয়ে আমি এখন উৎসাহিত নই, আগে শিশুদের বাঁচাতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34603/হামের-তদন্ত-নিয়ে-আমি-এখন-উৎসাহিত-নই-আগে-শিশুদের-বাঁচাতে-হবে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 17:17:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34603/হামের-তদন্ত-নিয়ে-আমি-এখন-উৎসাহিত-নই-আগে-শিশুদের-বাঁচাতে-হবে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[বরিশালে হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হাম প্রতিরোধে যাদের টিকা দেওয়া হয়েছে, তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে চার সপ্তাহ তথা এক মাসের মতো সময় লাগবে। এরপর দেশে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;বরিশালে হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হাম প্রতিরোধে যাদের টিকা দেওয়া হয়েছে, তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে চার সপ্তাহ তথা এক মাসের মতো সময় লাগবে। এরপর দেশে হামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সোমবার (১১ মে) সকালে বরিশাল সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে দায়িত্বে থাকা এক কর্মীকে অনুপস্থিত দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী চার বছর পরপর হামের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২০ সালের পর সেই ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ায় শিশুদের একটি বড় অংশ টিকার আওতার বাইরে থেকে যায়। এর ফলেই বর্তমানে হামের সংক্রমণ বেড়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাম-রুবেলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এই রোগ&nbsp;মোকাবেলায় আমাদের হাতে কোনও ভ্যাকসিন ছিল না। খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমরা যেভাবে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেছি, তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। এখন রোগীর সংখ্যা কমে আসছে। আগের সরকার টিকা সংগ্রহ কিংবা সচেতনতামূলক প্রচারণা কোনোটাই চালায়নি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ডেঙ্গু মোকাবেলায় মোবাইল হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হামের তদন্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনও কিছুর তদন্ত নিয়ে আমি এখন উৎসাহিত নই। তদন্ত পরে হবে, আগে শিশুদের বাঁচাতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে সকাল ১০টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরিশাল ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছান। তিনি প্রথমে টিকিট কাউন্টারে গিয়ে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে গিয়ে চিকিৎসকদের হাজিরা খাতা পরিদর্শন করেন এবং হাসপাতালের পুরাতন ভবন ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে দায়িত্বে থাকা এক কর্মীকে অনুপস্থিত দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/ টিআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ওআরএস উদ্ভাবনের অন্যতম বিজ্ঞানী ডা. মাজিদ মোল্লা আর নেই</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34602/ওআরএস-উদ্ভাবনের-অন্যতম-বিজ্ঞানী-ডা-মাজিদ-মোল্লা-আর-নেই</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 15:13:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34602/ওআরএস-উদ্ভাবনের-অন্যতম-বিজ্ঞানী-ডা-মাজিদ-মোল্লা-আর-নেই</guid>
			<description><![CDATA[ওরাল রিহাইড্রেশন সল্যুশন (ওআরএস) এবং রাইস ওআরএস উদ্ভাবনের অন্যতম পথিকৃৎ বিজ্ঞানী ডা. আবদুল মাজিদ মোল্লা ইন্তেকাল করেছেন। শুক্রবার (৮ মে) ৮৫ বছর বয়সে  ঢাকায় ইন্তেকাল করেন তিনি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong> <span style="font-size:16px">ওরাল রিহাইড্রেশন সল্যুশন (ওআরএস) এবং রাইস ওআরএস উদ্ভাবনের অন্যতম পথিকৃৎ বিজ্ঞানী ডা. আবদুল মাজিদ মোল্লা ইন্তেকাল করেছেন। শুক্রবার (৮ মে) ঢাকায় ইন্তেকাল করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল&nbsp;৮৫ বছর।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রোববার (১০ মে)&nbsp;ডা. আবদুল মাজিদ মোল্লার মৃত্যুতে গভীর শোক&nbsp;প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ ( আইসিডিডিআর,বি)। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">১৯৪১ সালে জন্মগ্রহণকারী ডা. মোল্লা তাঁর সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়ন, ডায়রিয়াজনিত রোগ নিয়ে গবেষণা এবং দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বজুড়ে চিকিৎসা শিক্ষার অগ্রগতিতে। তিনি ১৯৬৩ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে তৎকালীন পাক-সিয়াটো কলেরা রিসার্চ ল্যাবরেটরিতে (সিআরএল) যোগদানের মাধ্যমে আইসিডিডিআর,বির সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন শুরু করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">১৯৭৫ সালে তিনি বেলজিয়ামের ইউনিভার্সিটি অব লুভেন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের সিলিয়াক রোগ, পাশাপাশি তিনি শিশু স্বাস্থ্যবিদ্যায় বিশেষজ্ঞতা অর্জন করেন। ১৯৭৮ সালে ডা. মোল্লা পুনরায় আইসিডিডিআর,বিতে বিজ্ঞানী হিসেবে যোগদান করেন এবং ক্লিনিক্যাল গবেষণা, রোগীসেবা ও শিশুস্বাস্থ্য নিয়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ কাজ অব্যাহত রাখেন। রাইস ওআরএস উদ্ভাবনে তাঁর ক্লিনিক্যাল গবেষণাভিত্তিক অবদান ডায়রিয়াজনিত রোগ ব্যবস্থাপনায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি আগা খান ইউনিভার্সিটিতে শিশু বিভাগে অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে কুয়েত ইউনিভার্সিটিতে শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চিকিৎসা শিক্ষা ও শিশুস্বাস্থ্যে অবদান রাখেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. মোল্লার পরিবারে তাঁর স্ত্রী, এক পুত্র ও দুই কন্যা রয়েছে। তাঁর স্ত্রী ডা. আয়েশা মোল্লাও আইসিডিডিআর,বিতে সহযোগী বিজ্ঞানী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/ টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ৮০০ রোগীর মাঝে খাবার বিতরণ বিএনএর</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34601/কক্সবাজার-সদর-হাসপাতালে-৮০০-রোগীর-মাঝে-খাবার-বিতরণ-বিএনএর</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 16:21:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34601/কক্সবাজার-সদর-হাসপাতালে-৮০০-রোগীর-মাঝে-খাবার-বিতরণ-বিএনএর</guid>
			<description><![CDATA[আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারে রোগীদের মধ্যে খাদ্য ও ফলমূল বিতরণ করেছে নার্সেস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বিএনএ) কক্সবাজার জেলা শাখা। আজ সোমবার (১১ মে) সংগঠনটির সদস্যদের অর্থায়নে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তিকৃত প্রায় ৮০০ রোগীর মধ্যে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> আন্তর্জাতিক নার্স&nbsp;দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারে রোগীদের মধ্যে খাদ্য ও ফলমূল বিতরণ করেছে নার্সেস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বিএনএ) কক্সবাজার জেলা শাখা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ সোমবার (১১ মে) সংগঠনটির সদস্যদের অর্থায়নে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তিকৃত প্রায় ৮০০ রোগীর মধ্যে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সদর হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মং টিং ঞো কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, সহকারী পরিচালক এবং বিএনএ কক্সবাজার জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় বক্তারা বলেন, নার্সরা স্বাস্থ্য সেবার প্রাণ, তাদের ক্ষমতায়ন করা হলে রোগীদের সেবা প্রদানে তারা আরো উৎসাহিত হবে। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের নার্সদের খাবার বিতরণের কাজটি একটি মানবিক উদাহরণ হয়ে থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামের উপসর্গে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34600/হামের-উপসর্গে-আরও-ছয়-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 16:02:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34600/হামের-উপসর্গে-আরও-ছয়-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[দেশে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই হিসাব গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত। এই সময়ে নিশ্চিত হামে মৃত্যু সংখ্যা শূন্য।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong> <span style="font-size:16px">দেশে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই হিসাব গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত। এই সময়ে নিশ্চিত হামে মৃত্যু সংখ্যা শূন্য। &nbsp;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ সোমবার (১১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১১৮ জনের। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছয় হাজার ৯৩৭ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৫ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫০ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪১৫ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছে এক হাজার ৪১ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১৮ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ৩০ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>‘সরকারের সহযোগিতা পেলে রেমিট্যান্সের বড়খাত হবে নার্সিং’</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34599/সরকারের-সহযোগিতা-পেলে-রেমিট্যান্সের-বড়খাত-হবে-নার্সিং</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 15:22:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34599/সরকারের-সহযোগিতা-পেলে-রেমিট্যান্সের-বড়খাত-হবে-নার্সিং</guid>
			<description><![CDATA[সরকার পরিচর্যা করলে নার্সিং রেমিট্যান্সের বড়খাত হবে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএনএ) বিশেষজ্ঞ নার্সরা। তারা বলেন, বর্তমানে নার্সিংখাত অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। তাদের দক্ষতা উন্নয়নের সরকারের বড় উদ্যোগ প্রয়োজন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span>&nbsp;সরকার পরিচর্যা করলে নার্সিং রেমিট্যান্সের বড়খাত হবে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের&nbsp;(বিএনএ) বিশেষজ্ঞ নার্সরা। তারা বলেন, বর্তমানে নার্সিংখাত অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। তাদের দক্ষতা উন্নয়নের সরকারের বড় উদ্যোগ প্রয়োজন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ সোমবার (১১ মে) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) &lsquo;বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় নার্সদের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা&rsquo; শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তারা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, বাংলাদেশ নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের (বিএনএমসি) রেজিস্ট্রার হালিমা আক্তার, কানাডার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের টিম লিডার ডা. সেলিমা আমিন ও বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভায় বিশেষজ্ঞ নার্সরা বলেন, সরকার পরিচর্যা করলে নার্সিং রেমিট্যান্সের একটি বড়খাত হয়ে দাঁড়াবে। বর্তমানে নার্সিংখাত অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। তাদের দক্ষতা উন্নয়নে সরকারের বড় উদ্যোগ হাতে নেওয়া প্রয়োজন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বক্তারা আরও বলেন, বিদেশে প্রচুর নার্স প্রয়োজন। নার্সদের দক্ষ করে তুলে ইউরোপ, কানাডা, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানো গেলে একদিকে বাড়বে রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং তেমনি বাড়বে দেশের সুনাম। বিদেশে নার্সদের বেতন সবচেয়ে বেশি এবং কাজের সুযোগও ব্যাপক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুন্নত নার্সিং খাতের কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার অর্ধশতক পরেও নার্সিংখাতের উন্নয়ন না হওয়া হতাশাজনক। দেশে জনশক্তি রয়েছে, তাদেরকে ঠিকমতো কাজে লাগানো হচ্ছে না। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে নার্সদের কাজে লাগানো হোক। এ সময় নার্সিং খাত উন্নয়নের জন্য ৮ দফা জানানো হয়। দাবিগুলো হলো&mdash;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">১. স্বতন্ত্র অধিদপ্তর ও কমিশন: নার্সিং অধিদপ্তরকে একীভূতকরণ না করে স্বতন্ত্র রাখা এবং জাতীয় নার্সিং কমিশন গঠন।<br />
২. নিয়োগ ও ক্যারিয়ার পাথ: প্রস্তাবিত নিয়োগবিধি, অর্গানোগ্রাম ও ক্যারিয়ার পাথ দ্রুত বাস্তবায়ন।<br />
৩. পদোন্নতি: নবম থেকে চতুর্থ গ্রেডে ভূতাপেক্ষ ও সুপারনিউমেরারি পদোন্নতি।<br />
৪. গ্রেড উন্নীতকরণ: সুপারভাইজার ও ইন্সট্রাক্টর পদ দশম থেকে নবম গ্রেডে উন্নীতকরণ।<br />
৫. সনদ ও বিসিএস: ডিপ্লোমা সমমান ঘোষণা এবং গ্র্যাজুয়েটদের জন্য প্রফেশনাল বিসিএস চালু।<br />
৬. বেসরকারি নিয়োগ: বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বেতন কাঠামো ও ভুয়া নার্সদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা।<br />
৭. ভাতা ও ইউনিফর্ম: ঝুঁকিভাতা চালু এবং চাপিয়ে দেওয়া ইউনিফর্ম বাতিল।<br />
৮. পদ সৃষ্টি: শয্যা অনুপাতে পর্যাপ্ত নতুন পদ সৃষ্টি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/ এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>এখন টিভির চার সাংবাদিককে চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে ডিইউজের মানববন্ধন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34598/এখন-টিভির-চার-সাংবাদিককে-চাকরিচ্যুতির-প্রতিবাদে-ডিইউজের-মানববন্ধন</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 13:09:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34598/এখন-টিভির-চার-সাংবাদিককে-চাকরিচ্যুতির-প্রতিবাদে-ডিইউজের-মানববন্ধন</guid>
			<description><![CDATA[এখন টিভির চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটি এবং পরবর্তীতে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় টেলিভিশনটির সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাংবাদিক ও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা। সোমবার (১১ মে) সকালে এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></strong></span> <span style="font-size:16px">এখন টিভির চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটি এবং পরবর্তীতে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় টেলিভিশনটির সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাংবাদিক ও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা। আজ&nbsp;সোমবার (১১ মে) সকালে এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অবস্থান কর্মসূচিতে সাংবাদিক নেতারা&nbsp;বলেন, &lsquo;যে পরিবর্তনের জন্য রাজপথে রক্ত ঝরেছে, সেখানে মুক্ত গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের অধিকার কেড়ে নেয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। অভ্যুত্থানের পক্ষের কলম সৈনিকদের এভাবে শাস্তি দেয়া হলে তা নতুন বাংলাদেশের লক্ষ্যকে ব্যাহত করবে। &rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা চার সাংবাদিককে&nbsp;পুনর্বহালের জোর দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন তারা।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এখন টিভির অ্যাসাইনমেন্ট ডেস্ক ইনচার্জ ও বিশেষ প্রতিনিধি মাহমুদ রাকিব, বিশেষ প্রতিনিধি মুজাহিদ শুভ, সিনিয়র রিপোর্টার মোহাম্মদ আজহারুজ্জামান এবং সিনিয়র রিপোর্টার ও ডেপুটি অ্যাসাইনমেন্ট ডেস্ক ইনচার্জ বেলায়েত হোসেনকে শোকজ করে কর্তৃপক্ষ। পরে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, কোনো প্রশাসনিক কারণ ছাড়াই &lsquo;ফ্যাসিবাদী কায়দায়&rsquo;তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/ টিআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ কন্যাশিশু হত্যার প্রবণতা বাড়ায়: হাইকোর্ট</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34597/ভ্রূণের-লিঙ্গ-নির্ধারণ-কন্যাশিশু-হত্যার-প্রবণতা-বাড়ায়-হাইকোর্ট</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 12:45:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34597/ভ্রূণের-লিঙ্গ-নির্ধারণ-কন্যাশিশু-হত্যার-প্রবণতা-বাড়ায়-হাইকোর্ট</guid>
			<description><![CDATA[গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশের অনৈতিক চর্চা বন্ধ করতে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ের ফলে এখন থেকে অনাগত সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না। আজ সোমবার (১১ মে) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><strong><span style="color:#990000">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></strong></span><span style="font-size:16px"> গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশের অনৈতিক চর্চা বন্ধ করতে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ের ফলে এখন থেকে অনাগত সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ সোমবার (১১ মে) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">একই সঙ্গে এটি সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকারেরও পরিপন্থি। আদালতের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম নারীর মর্যাদা, সমতা ও বেঁচে থাকার অধিকারের বিরুদ্ধে যায় এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, মনিটরিং ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা অনুপস্থিত ছিল। শুধু গাইডলাইন প্রণয়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; বরং বাস্তবায়ন, ডিজিটাল নজরদারি এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">রায়ে আরও বলা হয়, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য সৃষ্টি হয়, যা সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের মৌলিক নীতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ ও নারী অধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির সঙ্গেও এটি সাংঘর্ষিক বলে মত দেন বিচারকরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আদালত উল্লেখ করেন, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনাগত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশ কঠোর আইনগত নিয়ন্ত্রণের আওতায় রয়েছে। বাংলাদেশেও এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন আদালত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া আদালত এ নির্দেশনাকে &lsquo;কনটিনিউয়াস ম্যান্ডামাস&rsquo; হিসেবে ঘোষণা করেছেন। অর্থাৎ ভবিষ্যতে নির্দেশনার বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি আদালত নিজেই তদারকি করতে পারবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শেবাচিম ৫৭তম ব্যাচের ফুটবল টুর্নামেন্ট ও ফল উৎসব, মৌসুমী ফল উৎসব,</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34596/শেবাচিম-৫৭তম-ব্যাচের-ফুটবল-টুর্নামেন্ট-ও-ফল-উৎসব-মৌসুমী-ফল-উৎসব</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 12:17:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34596/শেবাচিম-৫৭তম-ব্যাচের-ফুটবল-টুর্নামেন্ট-ও-ফল-উৎসব-মৌসুমী-ফল-উৎসব</guid>
			<description><![CDATA[বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) নবাগত ৫৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইন্ট্রা ব্যাচ ফুটবল টুর্নামেন্ট ও মৌসুমী ফল উৎসব। রোববার (১০ মে) শেবাচিমের কেন্দ্রীয় মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) নবাগত ৫৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইন্ট্রা ব্যাচ ফুটবল টুর্নামেন্ট ও মৌসুমী ফল উৎসব। রোববার (১০ মে) শেবাচিমের কেন্দ্রীয় মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নবাগত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি, ভ্রাতৃত্ববোধ, দলগত মনোভাব এবং ক্যাম্পাস জীবনে প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে আয়োজনটি করে ইনকিলাব শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংসদের ক্রীড়া উইং।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টুর্নামেন্টে ৫৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা চারটি দলে বিভক্ত হয়ে অংশ নেয়। দলগুলো হলো&mdash; শহীদ আবু সাঈদ এফসি, শহীদ ফারহান ফাইয়াজ এফসি, শহীদ সাফকাত সামীর এফসি এবং শহীদ ওসমান হাদী এফসি। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় শহীদ সাফকাত সামীর এফসি চ্যাম্পিয়ন এবং শহীদ ওসমান হাদী এফসি রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শনের জন্য শহীদ সাফকাত সামীর এফসির আবু তাহির রাফিন ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ও আনন্দে পুরো মাঠ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ফুটবল টুর্নামেন্টের পাশাপাশি আয়োজিত মৌসুমী ফল উৎসবও শিক্ষার্থীদের মাঝে বাড়তি আনন্দ যোগ করে। উৎসবে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল জামরুল, আম, আনারস, লিচু, লেবুর শরবতসহ নানা ধরনের মৌসুমী ফল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংসদের আহ্বায়ক ডা. তৌহিদুল ইসলাম সিয়াম, যুগ্ম সদস্য সচিব ইসতিয়াক মাহমুদ মুনাজ, ক্রীড়া উইংয়ের প্রধান মোহাম্মদ কিরণ, সাংস্কৃতিক উইংয়ের প্রধান সায়েম মাহতাব সিয়ামসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আয়োজকরা জানান, নবাগত শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস জীবনের শুরুতেই একটি বন্ধুত্বপূর্ণ, প্রাণবন্ত ও ইতিবাচক পরিবেশ উপহার দেওয়ার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব বিবেচনায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের গঠনমূলক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চালু হচ্ছে অব্যবহৃত ছয় শিশু হাসপাতাল</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34595/প্রধানমন্ত্রীর-নির্দেশে-চালু-হচ্ছে-অব্যবহৃত-ছয়-শিশু-হাসপাতাল</link>
			<pubDate>Mon, 11 May 2026 11:38:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34595/প্রধানমন্ত্রীর-নির্দেশে-চালু-হচ্ছে-অব্যবহৃত-ছয়-শিশু-হাসপাতাল</guid>
			<description><![CDATA[দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা ছয় শিশু হাসপাতাল চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১০ মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে এই নির্দেশ দেন তিনি। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong> <span style="font-size:16px">দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা ছয় শিশু হাসপাতাল চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১০ মে) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে এই নির্দেশ দেন তিনি।&nbsp;প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি বলেন, বৈঠকে উপস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের অব্যবহৃত এই ৬টি হাসপাতাল পরিদর্শন করে দ্রুত চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে আগামী ২ জুন নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির বিষয়ে সার্বিক প্রতিবেদন পেশ করতে বলেছেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া বৈঠকে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি, রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ বাকি হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুরও নির্দেশ দেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ দিকে, নীলফামারীতে ১০০০ শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, &lsquo;৩২০ কোটি টাকা খরচে ৬ শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে&rsquo;&mdash;গত ১২ এপ্রিল একটি গণমাধ্যমে এই শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়&ndash;রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লায় আধুনিক ৬টি হাসপাতাল ভবন নির্মাণ হলেও বছরের পর বছর তা অব্যবহৃত পড়ে আছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম সংক্রমণ নিয়ে এনএইচএর উদ্বেগ, প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34594/হাম-সংক্রমণ-নিয়ে-এনএইচএর-উদ্বেগ-প্রতিরোধে-সমন্বিত-উদ্যোগের-আহ্বান</link>
			<pubDate>Sun, 10 May 2026 20:04:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34594/হাম-সংক্রমণ-নিয়ে-এনএইচএর-উদ্বেগ-প্রতিরোধে-সমন্বিত-উদ্যোগের-আহ্বান</guid>
			<description><![CDATA[দেশে ক্রমবর্ধমান হাম  সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল হেলথ এলায়েন্স (এনএইচএ)। সংক্রমণ রোধে জরুরি ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে সংগঠনটির নির্বাহী কমিটির (ইসি) এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৯ মে) এনএইচএর দপ্তর সম্পাদক ডা. মো. আব্দুস সালাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস রিলিজে এই তথ্য জানানো হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট: </span></span></strong><span style="font-size:16px">দেশে ক্রমবর্ধমান হাম সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল হেলথ এলায়েন্স (এনএইচএ)। একই সঙ্গে&nbsp;সংক্রমণ রোধে জরুরি ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচএর নির্বাহী কমিটির (ইসি) এক সভায় এ আহ্বান জানানো হয় বলে&nbsp;শনিবার (৯ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে&nbsp;এই তথ্য জানানো হয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংগঠনের&nbsp;দপ্তর সম্পাদক ডা. মো. আব্দুস সালাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস রিলিজে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, টিকাদানে ঘাটতি, জনসচেতনতার অভাব এবং শিশুস্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে বৈঠকে&nbsp;আলোচনা করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচএ&nbsp;নেতৃবৃন্দ বলেন, হাম একটি&nbsp;সংক্রামক রোগ হওয়া সত্ত্বেও সময়মতো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। হাম প্রতিরোধে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, বরং সামাজিক, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়েও সম্মিলিত সচেতনতা তৈরি করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে দেশের হাম পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে এবং শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাবে। সর্বোপরি এনএইচএ এই সংকটকালীন সময়ে সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভায় সংগঠনের পক্ষ থেকে হাম মোকাবেলায় কয়েকটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে&mdash;সারাদেশে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো, লিফলেট বিতরণ, ফটোকার্ড ও ভিডিও বার্তা তৈরি, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন এবং হাসপাতালে গিয়ে আক্রান্ত রোগী ও তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নেওয়া।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া টিকা নিয়ে গুজব প্রতিরোধ, ভ্যাকসিনভীতি দূর করা, শিশুদের বাদ পড়া&nbsp;ডোজ সম্পন্ন করতে উদ্বুদ্ধ করা এবং রোগের বিস্তার ও কারণ অনুসন্ধানে গবেষকদের সঙ্গে সমন্বয় করা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় সরকারের কাছে কয়েকটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন এনএইচএর নেতৃবৃন্দ। এর মধ্যে রয়েছে&mdash;টিকাদান কর্মসূচি আরও জোরদার করা, হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশন ওয়ার্ড ও আইসিইউ শয্যা বৃদ্ধি, অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা, ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাম্পেইন পরিচালনা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">একই সঙ্গে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় রেড অ্যালার্ট জারি, জরুরি চিকিৎসাসেবার জন্য বিশেষ সেন্টার প্রস্তুত রাখা এবং দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে বিশেষজ্ঞ জনবলকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>জনবল নেবে ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন  </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34593/জনবল-নেবে-ইসলামী-ব্যাংক-ফাউন্ডেশন</link>
			<pubDate>Sun, 10 May 2026 18:26:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34593/জনবল-নেবে-ইসলামী-ব্যাংক-ফাউন্ডেশন</guid>
			<description><![CDATA[জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন। সুপারিনটেনডেন্ট (পুরুষ) পদে জনবল নেবে প্রতিষ্ঠানটি। আবেদনের শেষ তারিখ  ২১ মে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong> <span style="font-size:16px">জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন। সুপারিনটেনডেন্ট (পুরুষ) পদে জনবল নেবে প্রতিষ্ঠানটি। আবেদনের শেষ তারিখ ২১ মে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>চাকরির বিবরণ</strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পদের নাম: সুপারিনটেনডেন্ট (পুরুষ)</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পদের সংখ্যা: নির্ধারিত ৯টি।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিবিএস/স্নাতকোত্তর</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অন্যান্য যোগ্যতা: এমবিবিএসসহ আর্মি মেডিকেল কোর থেকে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থী/ডিজি হেলথ ও সিভিল সার্জন থেকে অবসরপ্রাপ্ত প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অভিজ্ঞতা: অনুরূপ কাজে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কর্মক্ষেত্র: অফিস</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রার্থীর ধরন: পুরুষ</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৬৫ বছর</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কর্মস্থল: বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা ও&nbsp;রাজশাহী</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আগ্রহী প্রার্থীরা <strong><a href="https://bdjobs.com/h/details/1485378?ln=1"><span style="color:#990000">এখানে ক্লিক করে</span></a></strong> আবেদন করতে পারবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ নিরসনে খুমেকে সাইকোথেরাপি উইং</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34592/শিক্ষার্থীদের-মানসিক-চাপ-নিরসনে-খুমেকে-সাইকোথেরাপি-উইং</link>
			<pubDate>Sun, 10 May 2026 17:51:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34592/শিক্ষার্থীদের-মানসিক-চাপ-নিরসনে-খুমেকে-সাইকোথেরাপি-উইং</guid>
			<description><![CDATA[মেডিকেল শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্যহীনতায় মানসিক চাপ দিন দিন বাড়ছে। স্বাস্থ্যসেবার আগামীর কারিগরদের এই দুরবস্থা শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কঠিন পড়াশোনা, নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া, পারিবারিক দূরত্ব ও সম্পর্কজনিত নানা টানাপোড়েনে অনেক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে। এমন বাস্তবতা বিবেচনায় খুলনা মেডিকেল কলেজে (খুমেক) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘স্টুডেন্ট ওয়েল-বিইং সেন্টার ফর মেডিকেল স্টুডেন্টস’।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>তারিকুল ইসলাম:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">মেডিকেল শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্যহীনতায়&nbsp;মানসিক চাপ&nbsp;দিন দিন বাড়ছে। স্বাস্থ্যসেবার আগামীর কারিগরদের&nbsp;এই দুরবস্থা শিক্ষার্থী, অভিভাবক&nbsp;ও শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কঠিন পড়াশোনা, নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া, পারিবারিক দূরত্ব ও সম্পর্কজনিত নানা টানাপোড়েনে অনেক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে। এমন বাস্তবতা বিবেচনায় খুলনা মেডিকেল কলেজে (খুমেক) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে &lsquo;স্টুডেন্ট ওয়েল-বিইং সেন্টার ফর মেডিকেল স্টুডেন্টস&rsquo;। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা,&nbsp;চাপ নিয়ন্ত্রণ&nbsp;ও ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধানে কাজ করছে এই সেন্টার। এই সাইকোথেরাপি উইং চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৫০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী সেবা নিয়েছেন। সেবা পেয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক ও একাডেমিক সামগ্রিক&nbsp;অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। কারও উন্নতির হার ৮০ শতাংশ, কারও ৭০ শতাংশ। তবে মোটের ওপর বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর মধ্যেই ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px">এ বিষয়ে <em><strong>মেডিভয়েসের সাথে কথা বলেছেন খুমেক হাসপাতালের সাইকিয়াট্রি বিভাগের&nbsp;প্রধান ডা. এস. এম. সাইফুল ইসলাম।</strong></em></span><span style="font-size:16px"> তিন বলেন, &lsquo;আমরা &lsquo;সাইকোথেরাপি উইং&rsquo; প্রায় দেড় বছর ধরে চালু করেছি। মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা করেই এটি শুরু হয়েছে। প্রতি বছরই অনেক মেডিকেল শিক্ষার্থী মানসিক সমস্যায় ভোগে, কেউ কেউ আত্মহত্যার চেষ্টাও করে বা আত্মহত্যা করে। সারাদেশেই এ রকম ঘটনা ঘটে। খুলনাতেও এমন ঘটনা ঘটেছে; খুলনা মেডিকেলে প্রায় পাঁচ-ছয় বছর আগে, সম্ভবত ২০২১ সালের দিকে, এমন একটি ঘটনা ঘটে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;আমি ২০১৮ সালে সেখানে যোগদান করি। এরপর থেকে আমরা শিক্ষার্থীদের মানসিক&nbsp;চাপ নিয়ন্ত্রণে&nbsp;কাজ করছি, কারণ অনেকেই মানসিক চাপ নিতে পারে না। গত বছর আমরা একটি প্রোগ্রাম করেছি, এবারও খুব শিগগিরই করব, যেখানে শেখানো হবে কীভাবে তারা তাদের মানসিক চাপ কমাতে&nbsp;পারে&rsquo;&mdash;যোগ করেন তিনি।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে তাদের একাডেমিক চাপ, সামাজিক ও পারিবারিক চাপ&mdash;সবকিছু সামলে নিতে পারে, সেই লক্ষ্যেই &lsquo;স্টুডেন্ট ওয়েল-বিইং সেন্টার ফর মেডিকেল স্টুডেন্টস&rsquo; প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আমি এই সেন্টারের সভাপতি। আমাদের মেডিকেল কলেজের ফেজ ওয়ান, ফেজ টু ও ফেজ থ্রি&nbsp;অর্থাৎ বেসিক ও ক্লিনিক্যাল সায়েন্সের শিক্ষকরা এতে যুক্ত আছেন। যদি কোনো শিক্ষার্থীর সমস্যা হয়, তারা আমাদের কাছে এসে শেয়ার করতে পারে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কলেজের অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্টরা এতে যুক্ত আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;আমরা শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করি। এজন্য একটি রেজিস্ট্রার রাখা হয়, যেখানে তাদের আইডি নম্বর ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। আমরা ফলোআপও করি, তাদের মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে যোগাযোগ করে খোঁজ নেওয়া হয় যে তাদের সমস্যা সমাধান হয়েছে কিনা।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে সুস্থ রাখাই লক্ষ্য&nbsp;</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এখন নতুন সেমিস্টার শুরু হয়েছে। মূল সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে একাডেমিক চাপ, নতুন কারিকুলাম অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ, হোস্টেল পরিবেশ ও আবাসন সমস্যা। এ&nbsp;ছাড়া অনেক শিক্ষার্থী আগে পরিবারে থেকে পড়াশোনা করত। এখন হঠাৎ পরিবার থেকে দূরে এসে নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া তাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;আমরা একবার ৭২টি প্রশ্নের একটি জরিপ করেছিলাম, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা জানিয়েছে এবং দেখা গেছে, অনেক সমস্যাই একে অপরের সাথে মিল রয়েছে। অনেক সময় দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করলেও তারা ঠিকভাবে আউটপুট দিতে পারে না। অর্থাৎ, পরীক্ষার সময় তাদের&nbsp;চিন্তার অসারতা দেখা&nbsp;দেয়, স্মৃতিশক্তি&nbsp;যেন কাজ করে না বা দুর্বল হয়ে যায়।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর পেছনে শিক্ষা ব্যবস্থার কিছু প্রভাব থাকতে পারে মত দিয়ে </span><span style="font-size:18px">ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন,</span><span style="font-size:16px">&nbsp;হয়তো পড়ানোর পদ্ধতি এমন হওয়া উচিত, যাতে তারা বিষয়গুলো দীর্ঘ সময় মনে রাখতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, পরীক্ষার সময় তারা পড়া ঠিকভাবে মনে করতে পারে না। অনেকে এটাকে একাডেমিক ওভারলোড বলে থাকে। আবার শিক্ষার্থীদের মেমোরাইজ করার ক্ষমতার সীমাবদ্ধতাও একটি বিষয় হতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়াও&nbsp;হোস্টেল পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা একটি বড় ফ্যাক্টর। পরিবার থেকে দূরে এসে নতুন পরিবেশে খাপ খাওয়ানো অনেকের জন্য কঠিন হয়ে যায়। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সম্পর্ক বা রিলেশনশিপ। যেহেতু এটি তাদের ইউনিভার্সিটি লাইফের শুরু, তাই নতুন করে ভালো লাগা বা আবেগের সম্পর্ক তৈরি হতে পারে। কিন্তু অনেক সময় তারা এই সম্পর্ক এবং একাডেমিক লাইফের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে&nbsp;পারে না। ফলে পড়াশোনায় প্রভাব পড়ে। এই বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের গাইড করার চেষ্টা করি, যাতে তারা তাদের ব্যক্তিগত ও একাডেমিক জীবনকে সমন্বয় করে চলতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাইকো থেরাপি ইউংয়ের সভাপতি&nbsp;বলেন, আত্মহত্যার ঘটনা খুব সাম্প্রতিক সময়ে না পেলেও, এমন অনেক শিক্ষার্থী পাওয়া গেছে, যারা শেষ পর্যন্ত ঝরে পড়েছে। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">একজন শিক্ষার্থীর পথ হারানোর কথা&nbsp;উল্লেখ করে তিনি বলেন, &lsquo;সে খুব ভালো শিক্ষার্থী ছিল। খুলনার একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের ফার্স্ট গার্ল ছিল। কিন্তু মেডিকেলে এসে একাডেমিক পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেনি। আমরা তাকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেনি। পরে সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। মূলত মেডিকেলের একাডেমিক সিস্টেমের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারার কারণেই এমন হয়েছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও&nbsp;বলেন, &lsquo;শিক্ষার্থীরা বিভিন্নভাবে এই সেবা গ্রহণ করে। অনেককে শিক্ষক বা হল প্রশাসনের মাধ্যমে আমাদের কাছে পাঠানো হয়। আবার অনেকে নিজেরাই আসে। তবে এখনো একটি সামাজিক সংকোচ বা স্টিগমা কাজ করে। অনেকে মনে করে মনোরোগ বিভাগের কাছে গেলে সহপাঠীদের বুলিংয়ের শিকার হতে হতে পারে। তারপরও আমরা বিভিন্ন পর্যায়ে সচেতনতা তৈরির কাজ করছি। প্রথম বর্ষ, তৃতীয় বর্ষ, হল কিংবা ক্লিনিক্যাল ওয়ার্ড প্লেসমেন্ট&mdash;সব জায়গায় আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছি। ফলে ধীরে ধীরে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে এবং এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি শিক্ষার্থী সহায়তা নিতে আসছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, যেসব শিক্ষার্থীর ওষুধের প্রয়োজন হয়, তাদের ক্ষেত্রে আমাদের সুপারভিশনে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিভাগের অন্যান্য সাইকিয়াট্রিস্টরাও এতে যুক্ত আছেন। যদি দেখা যায় সমস্যা গুরুতর, তখন শিক্ষার্থীর অভিভাবককে ডাকা হয়। অনেক সময় দেখা যায়, শিক্ষার্থী হোস্টেলে মানিয়ে নিতে পারছে না। সম্প্রতি এমন একজন শিক্ষার্থীকে কিছুদিনের জন্য বাসায় পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পরে তার মা এসে তাকে নিয়ে গেছেন। গুরুতর ক্ষেত্রে আমরা মেডিকেল বোর্ডও গঠন করি, যেখানে মেডিসিন, বেসিক সায়েন্সসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা যুক্ত থাকেন। ওষুধের পাশাপাশি কাউন্সেলিং ও সাইকোথেরাপিও দেওয়া হয়।<br />
গোপনীয়তার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সব সময় শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করি। কোনো শিক্ষার্থী চাইলে সব তথ্য শেয়ার করবে, না চাইলে করবে না&mdash;এটি তার ব্যক্তিগত অধিকার। আমরা কখনো জোর করে তথ্য নিই না। শিক্ষার্থীদের আস্থা ও স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য।দীর্ঘদিন ধরে এই সেবা দেওয়ার ফলে ইতিবাচক ফলও দেখা যাচ্ছে বলে জানান তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে মানসিক সমস্যার জন্য সহায়তা নেওয়ার একটি নিরাপদ জায়গা আছে। তারা জানে, প্রয়োজনে এখানে এসে কথা বলা যায়। ২০২১ সালের দিকে যেসব উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছিল, এখন সেগুলো অনেকটাই কমে এসেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও জানান, শুধু খুলনা মেডিকেল কলেজ নয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এর শিক্ষার্থীরাও এই সেবা নিচ্ছে। কুয়েটে আত্মহত্যার ঘটনা আগের তুলনায় কমেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এখনো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সরাসরি এখানে এসে সহায়তা নিচ্ছে। অর্থাৎ, এই সেবা শুধু মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জন্য সীমাবদ্ধ নয়; অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও চাইলে এই সহায়তা নিতে পারে।<br />
মানসিক চাপ কাটিয়ে উঠতে শিক্ষার্থীদের প্রতি বার্তা</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানসিক চাপে থাকা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, &lsquo;জীবনে চাপমুক্ত মানুষ বলে কেউ নেই। মেডিকেল শিক্ষার্থীরা অনেক সময় মনে করে তাদের ওপর চাপ বেশি, কিন্তু এই যাত্রাপথে সহজে ভেঙে পড়লে চলবে না। আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হবে এবং ইতিবাচক মনোভাব রাখতে হবে। আমি পেরেছি, আবারও পারব।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়ানোই কাজ</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, কোনো সমস্যা সাময়িকভাবে জীবনে আসতেই পারে। কিন্তু সমস্যা সমাধান হয়ে গেলে সেটিও কেটে যায়। তাই শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে শক্ত হওয়া এবং নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। অনেক শিক্ষার্থী এসে বলে, তারা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না। তখন আমরা বোঝার চেষ্টা করি, আসলে মনোযোগ অন্য কোথাও চলে যাচ্ছে কি না। কারণ মনোযোগের বিচ্যুতির পেছনে কোনো না কোনো কারণ থাকে। সেই কারণটি খুঁজে বের করে আবার পড়াশোনায় ফোকাস ফিরিয়ে আনাই আমাদের কাজ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">খুমেক হাসপাতালের সাইকিয়াট্রি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মেহেদী হাসান বলেন, &lsquo;অনেক শিক্ষার্থী আমাদের কাছে আসে, যাদের একাডেমিক বিভিন্ন সমস্যা থাকে। কোনো কারণে তাদের পরীক্ষা আটকে যায় বা তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে না। এসব ক্ষেত্রে আমরা তাদের সেবা দিই। পাশাপাশি তারা যে বিষয় বা ফেজে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে&mdash;প্রথম বর্ষ, দ্বিতীয় বর্ষ বা অন্য যেকোনো পর্যায়, সেসব বর্ষের&nbsp;সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সঙ্গেও আমরা আলোচনা করি, যাতে শিক্ষার্থীকে কীভাবে সহায়তা করা যায় তা নির্ধারণ করা যায়। এর ফলে যারা একাডেমিকভাবে পিছিয়ে পড়ছিল, তাদের অবস্থার উন্নতি হয় এবং অর্জনও ভালো হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;আমরা শিক্ষার্থীদের মোটিভেশন দিই, কাউন্সেলিং করি এবং যাদের প্রয়োজন হয় তাদের ওষুধও দেওয়া হয়। মূলত যারা একাডেমিকভাবে পিছিয়ে পড়ছে, তাদের ক্ষেত্রে আমরা সমস্যার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করি। কারণ প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সমস্যার পেছনে আলাদা কারণ থাকে। কারও ডিপ্রেশন, কারও উদ্বেগ, আবার কারও নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা থাকে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;মূল সমস্যার চিকিৎসা শুরু হলে একাডেমিক ক্ষেত্রেও স্বাভাবিকভাবেই কিছু উন্নতি দেখা যায়। এরপর আমরা কলেজের সঙ্গেও সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করি। অনেক সময় এমন হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থী মানসিক সমস্যার কারণে পরীক্ষার দিন উপস্থিত থাকতে পারেনি। পরে আমরা তাদের কাউন্সেলিং করেছি এবং বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে আলাদা করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো, কোনো শিক্ষার্থী যেন পিছিয়ে না পড়ে এবং তারা যেন স্বাভাবিকভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>&lsquo;শুনো বলি মনের কথা&rsquo; সেন্টারে&nbsp;সাধারণের সাইকোথেরাপি</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাইকিয়াট্রি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মেহেদী হাসান বলেন, &lsquo;আমাদের আউটডোরে গড়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী আসে। তবে সবার সাইকোথেরাপি প্রয়োজন হয় না। যাদের প্রয়োজন হয়, তাদের আমরা পরামর্শ দিই।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও&nbsp;বলেন, &lsquo;শুনো বলি মনের কথা&rsquo; নামে আমাদের একটি রুটিনভিত্তিক সাইকোথেরাপি কার্যক্রম রয়েছে। প্রতি রবি, সোম ও মঙ্গলবার এই সেবা দেওয়া হয়। যাদের সাইকোথেরাপি প্রয়োজন, তাদের নির্দিষ্ট দিনে আসতে বলা হয় এবং এভাবেই তাদের নিয়মিত ফলোআপ করা হয়। মূলত আউটডোর ও ইনডোর&mdash;উভয় বিভাগের রোগীদের মধ্য থেকে যাদের প্রয়োজন হয়, তাদের এই সেবা নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়।<img alt="" src="https://medivoicebd.com/uploads/others/2026/may/kmc-jpg1.jpg?1778414800245" style="border-style:solid; border-width:10px; float:right; height:184px; margin:1px 5px; width:350px" /></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. মেহেদী হাসান বলেন &lsquo;যেসব রোগী সাইকোথেরাপির জন্য বেশি আসেন, তাদের মধ্যে বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, আত্মহত্যাপ্রবণতা, ব্যক্তিত্বজনিত সমস্যা উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া অনেকেই দাম্পত্য বা পারিবারিক সমস্যার কারণে থেরাপি নিতে আসেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই একাডেমিক চাপ, পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা কিংবা নতুন পরিবেশে খাপ খাওয়াতে না পারার সমস্যায় ভোগেন। আবার অনেক রোগী কাজের প্রতি মনোযোগ হারিয়ে ফেলেন। এসব সমস্যার ক্ষেত্রেই আমরা সাইকোথেরাপির পরামর্শ দিয়ে থাকি।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>রোগীকে সুস্থ করে তোলার প্রক্রিয়া</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. মেহেদী হাসান বলেন, সাইকোথেরাপি একটি দীর্ঘ ও বিস্তারিত প্রক্রিয়া। প্রত্যেক মানুষের চিন্তার ধরন আলাদা। সাইকোথেরাপির মাধ্যমে মূলত একজন মানুষের চিন্তা-ভাবনার ধরন&nbsp;পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়। আর চিন্তার পরিবর্তনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তার আচরণেও পরিবর্তন আসে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;যখন একজন মানুষের চিন্তার ধরন&nbsp;ইতিবাচকভাবে বদলাতে শুরু করে, তখন স্বাভাবিকভাবেই তার আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। আবার অনেকের মধ্যে একই কাজ বারবার করার প্রবণতা থাকে। এসব ক্ষেত্রে আমরা চিন্তা ও আচরণ দুই দিক নিয়েই কাজ করি। তবে শুরুটা হয় মূলত চিন্তার ধরন&nbsp;পরিবর্তনের মাধ্যমে। কারণ চিন্তার পরিবর্তনই একজন মানুষের আচরণ ও জীবনযাপনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।&rsquo; </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>উপকৃত মেডিকেল&nbsp;শিক্ষার্থীর বক্তব্য&nbsp;</strong></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মেডিকেল শিক্ষার্থী বলেন, &lsquo;ছোটবেলা থেকেই আমার ঘুম কম ছিল। তবে তখন এত বেশি সমস্যা হতো না। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমস্যাটা আরও প্রকট হতে থাকে। বিশেষ করে গত তিন-চার বছর ধরে আমি তীব্র ঘুমের সমস্যায় ভুগছিলাম। রাতে ঘুমাতে যেতে যেতে ১২টা-১২টা ৩০ বেজে যেত, কিন্তু ঘুম আসত ভোর ৪টার দিকে। আবার সকালে কলেজে যেতে হতো, ফলে ঘুম ঠিকভাবে পূর্ণ হতো না। সারাদিন খুব ক্লান্ত, দুর্বল ও অস্বস্তি লাগত।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;আমি সাধারণত দুপুরেও ঘুমাই না। ফলে দিনে মাত্র তিন-চার ঘণ্টা ঘুম হতো, যা আমার জন্য খুব কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। একদিন আমি বিষয়টি এক বন্ধুকে বলি। তখন সে আমাকে পরামর্শ দেয় সাইকিয়াট্রি বিভাগের একজন শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে। পরে আমি স্যারের কাছে যাই। তিনি আমার সমস্যার কথা শুনে কাউন্সেলিংয়ের জন্য পাঠান। সেখানে একজন কাউন্সেলর আমাকে &lsquo;স্লিপ হাইজিন&rsquo; সম্পর্কে বিভিন্ন পরামর্শ দেন এবং কিছু নিয়ম মেনে চলতে বলেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;পরে স্যার আমাকে কিছু ওষুধ দেন, যা আমি নিয়মিত খেয়েছি। এখন প্রায় ২৬ দিন চলছে। আল্লাহর রহমতে আমি অনেকটাই সুস্থ আছি। আগের তুলনায় এখন ঘুম অনেক ভালো হচ্ছে। যদিও মাঝে মাঝে একটু দেরিতে ঘুম আসে, তবে আগের মতো তীব্র সমস্যা আর নেই। এক মাসের ডোজ শেষ হলে আবার স্যারের কাছে যাব, তখন পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ নেব।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিএমইউ ভিসির একান্ত সচিব হলেন ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34591/বিএমইউ-ভিসির-একান্ত-সচিব-হলেন-ডা-জাহাঙ্গীর-হোসেন</link>
			<pubDate>Sun, 10 May 2026 17:00:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34591/বিএমইউ-ভিসির-একান্ত-সচিব-হলেন-ডা-জাহাঙ্গীর-হোসেন</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর একান্ত সচিব (পিএস)-১ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জিক্যাল অনকোলজি বিভাগের ডা. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। আজ রোববার (১০ মে) বিএমইউর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong> <span style="font-size:16px">বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর একান্ত সচিব (পিএস)-১ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জিক্যাল অনকোলজি বিভাগের ডা. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ রোববার (১০ মে) বিএমইউর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অফিস আদেশে বলা হয়, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জিক্যাল অনকোলজি বিভাগের ডা. মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে তাঁর নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ভিসির পিএস-১ পদে কর্তৃপক্ষের অনুমোদক্রমে নিয়োগ দেয়া হলো। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সকল সুযোগ সুবিধা প্রাপ্য হবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সংক্রান্ত নিয়োগপত্রটি ভিসি&nbsp;কার্যালয়ে&nbsp;ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর হাতে তুলে দেন অধ্যাপক&nbsp;এফ এম সিদ্দিকী। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>গর্ভের শিশুর ওজন বৃদ্ধি: মা ও পরিবারের যা জানা জরুরি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34590/গর্ভের-শিশুর-ওজন-বৃদ্ধি-মা-ও-পরিবারের-যা-জানা-জরুরি</link>
			<pubDate>Sun, 10 May 2026 17:06:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34590/গর্ভের-শিশুর-ওজন-বৃদ্ধি-মা-ও-পরিবারের-যা-জানা-জরুরি</guid>
			<description><![CDATA[গর্ভাবস্থা প্রতিটি মায়ের জীবনে একটি রোমাঞ্চকর এবং সংবেদনশীল অধ্যায়। এই সময়ে গর্ভস্থ সন্তান ঠিকঠাক বাড়ছে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। অনেক সময় আমরা বুঝতে পারি না ঠিক কোন সময়ে বাচ্চার ওজনের দিকে নজর দেওয়া উচিত। গর্ভস্থ শিশুর ওজনের তারতম্যই বলে দেয় তার ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য কেমন হবে। তাই প্রতিটি মা ও পরিবারেরই উচিৎ এই সময়টাতে অনাগত নবজাতকের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখা।  ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size:16px">গর্ভকালীন অবস্থা&nbsp;প্রতিটি প্রসূতি&nbsp;মায়ের জীবনে একটি রোমাঞ্চকর এবং সংবেদনশীল অধ্যায়। এই সময়ে গর্ভের সন্তান ঠিকঠাক বাড়ছে কি-না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। অনেক সময় আমরা বুঝতে পারি না ঠিক কোন সময়ে বাচ্চার ওজনের দিকে নজর দেওয়া উচিত। শিশুর ওজনের তারতম্যই বলে দেয় তার ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য কেমন হবে। তাই প্রতিটি মা ও পরিবারেরই উচিত&nbsp;এই সময়টাতে অনাগত নবজাতকের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখা। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">প্রথম তিন মাস&nbsp;ওজন নয়, লম্বাই মাপকাঠি</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস বা প্রথম ধাপে বাচ্চার ওজন নিয়ে চিন্তিত হওয়ার বিশেষ কারণ নেই। এই সময়ে বাচ্চার ওজন পরিমাপ করা সম্ভব হয় না, বরং বাচ্চা কতটুকু লম্বা হচ্ছে সেটিই দেখা হয়। এই লম্বার পরিমাপ দেখেই মূলত প্রসবের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তাই এই সময়ে ওজনের চেয়ে ভ্রূণের গঠনগত বিকাশের দিকেই বেশি নজর দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>দ্বিতীয় ধাপ: সতর্ক হওয়ার সময়</strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চতুর্থ মাস থেকে ষষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় থেকেই বাচ্চার ওজন দ্রুত বাড়তে শুরু করে। এই পর্যায়ে নিয়মিত আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা জরুরি, যাতে বাচ্চার ওজন চার্ট অনুযায়ী বাড়ছে কি-না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়। মায়ের ওজন বৃদ্ধি এখানে একটি বড় সংকেত। যদি মায়ের ওজন নিয়মিত বাড়ে, তবে ধরে নেওয়া হয় বাচ্চার বৃদ্ধি ঠিক আছে। যদি মায়ের ওজন স্থির থাকে বা কমতে থাকে, তবে বুঝতে হবে গর্ভস্থ শিশুটি সঠিক পুষ্টি পাচ্ছে না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">ওজনের আদর্শ মাপকাঠি ও ঝুঁকি</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">একটি সুস্থ শিশুর&nbsp;বৃদ্ধির নির্দিষ্ট চার্ট রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ ৩২ সপ্তাহে শিশুর ওজন হওয়া উচিত প্রায় ১৯ শ&rsquo; গ্রাম থেকে দুই কেজির কাছাকাছি। ৩৬ সপ্তাহে বাচ্চার ওজন আড়াই কেজি হওয়া বাঞ্ছনীয়। যদি ৩২ সপ্তাহে ওজন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হয় এবং সঠিক ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে এটি শিশুর জীবনের জন্য ঝুঁকি বয়ে আনতে পারে। এমনকি গর্ভস্থ শিশুর মৃত্যুও হতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">জন্মের সময় কম ওজন: পরবর্তী জটিলতা</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জন্মের সময় একটি শিশুর আদর্শ ওজন হলো আড়াই কেজি। এর কম ওজনে জন্ম নেওয়া শিশুরা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতায় পিছিয়ে থাকে। এদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি অপুষ্টিতে ভোগার ঝুঁকি থাকে, ফলে বারবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। এ থেকে উত্তরণের জন্য মায়ের খাদ্যাভ্যাস ও সচেতনতা ও বাচ্চার সঠিক ওজন নিশ্চিত করতে মায়ের পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। মা যদি অপুষ্টিতে ভোগেন, তবে শিশুটিও অপুষ্টি নিয়েই জন্মাবে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">গর্ভাবস্থায় খাবার তালিকা</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গর্ভাবস্থায় বাচ্চার সঠিক ওজন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে মায়ের দৈনিক খাবার তালিকায় বৈচিত্র্য এবং পর্যাপ্ত পুষ্টি থাকা অত্যন্ত জরুরি। মায়ের শরীরের প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই মাছ, মাংস অথবা ডিম রাখা উচিত, যা বাচ্চার কোষ ও শারীরিক গঠনে সরাসরি ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনের জোগান দিতে প্রতিদিন অন্তত এক গ্লাস দুধ খাওয়া প্রয়োজন। উদ্ভিজ প্রোটিনের চমৎকার উৎস হিসেবে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের ডাল এবং এক মুঠো বাদাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যা বাচ্চার হাড় ও মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া আয়রন ও ফলিক অ্যাসিডের অভাব দূর করতে প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি এবং রঙিন ফলমূল খেতে হবে। মনে রাখতে হবে, মা যদি নিয়ম মেনে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার গ্রহণ করেন, তবেই গর্ভস্থ শিশুটি সঠিক ওজন নিয়ে পৃথিবীতে আসবে এবং পরবর্তী বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা থেকে মুক্ত থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><strong><span style="font-size:16px">ডাক্তারের পরামর্শগ্রহণ</span></strong></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য গর্ভাবস্থায় নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। বাচ্চার ওজন কম হলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া এবং মায়ের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা প্রতিটি পরিবারের দায়িত্ব। সঠিক যত্ন আর পুষ্টিই পারে একটি সুস্থ ও সবল শিশুর জন্ম নিশ্চিত করতে।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমইউ</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>কাশি ও হাঁচির মাধ্যমেও ছড়াতে পারে হান্টা ভাইরাস, যা বলছে গবেষণা</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34589/কাশি-ও-হাঁচির-মাধ্যমেও-ছড়াতে-পারে-হান্টা-ভাইরাস-যা-বলছে-গবেষণা</link>
			<pubDate>Sun, 10 May 2026 14:58:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34589/কাশি-ও-হাঁচির-মাধ্যমেও-ছড়াতে-পারে-হান্টা-ভাইরাস-যা-বলছে-গবেষণা</guid>
			<description><![CDATA[দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ইউরোপগামী এমভি হন্ডিয়াস নামক একটি প্রমোদতরীতে হান্টাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এই ভাইরাসের একটি বিশেষ ধরন (অ্যান্ডিস স্ট্রেইন) মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন পর্যন্ত পাঁচজন যাত্রী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ইউরোপগামী এমভি হন্ডিয়াস নামক একটি প্রমোদতরীতে হান্টাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এই ভাইরাসের একটি বিশেষ ধরন (অ্যান্ডিস স্ট্রেইন) মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন পর্যন্ত পাঁচজন যাত্রী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দ্যা টেলিগ্রাফের বরাত জানা যায়, সাধারণত ইঁদুরের মল, মূত্র বা লালা থেকে এই ভাইরাস ছড়ালেও, অ্যান্ডিস ভাইরাসের ক্ষেত্রে নতুন কিছু তথ্য সামনে এসেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্ত ব্যক্তির লালা বা শ্লেষ্মায় এই ভাইরাস থাকে। ফলে চুম্বন, পানীয় ভাগ করে খাওয়া বা খুব কাছ থেকে কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে এটি ছড়াতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, পরিবারের সদস্যদের চেয়ে যৌন সঙ্গীদের মধ্যে এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় ১০ গুণ বেশি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ধারণা করা হচ্ছে, দক্ষিণ আমেরিকায় পাখি দেখতে গিয়ে দুই ডাচ পর্যটক ইঁদুরের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়েছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তারাই জাহাজে থাকা অন্য যাত্রীদের মধ্যে এটি ছড়িয়ে দেন। গত ১লা এপ্রিল আর্জেন্টিনা থেকে যাত্রা শুরু করা এই জাহাজটিতে প্রায় ১৫০ জন আরোহী ছিলেন। পথিমধ্যে ১১ এপ্রিল একজন যাত্রী মারা যান এবং ২৪শে এপ্রিল বেশ কয়েকজন যাত্রী সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নেমে যান। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে কর্তৃপক্ষ সেই যাত্রীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মানুষের উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, করোনা বা ইনফ্লুয়েঞ্জার তুলনায় এই ভাইরাস অনেক কম ছড়ায়। জাহাজের মতো ছোট জায়গায় কাছাকাছি থাকার কারণে সংক্রমণ বেড়েছে, ভাইরাসের শক্তি বাড়ার কারণে নয়। আক্রান্তদের আলাদা করা বা কোয়ারেন্টাইনের মাধ্যমে এই সংক্রমণ সহজেই থামিয়ে দেওয়া সম্ভব।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্যার অ্যান্ড্রু পোলার্ড জানিয়েছেন, এই ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার গতি মহামারি হওয়ার মতো নয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামে মৃত ৩৫২ শিশুর পরিবারকে ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রিট</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34588/হামে-মৃত-৩৫২-শিশুর-পরিবারকে-২-কোটি-টাকা-ক্ষতিপূরণ-দিতে-রিট</link>
			<pubDate>Sun, 10 May 2026 15:02:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34588/হামে-মৃত-৩৫২-শিশুর-পরিবারকে-২-কোটি-টাকা-ক্ষতিপূরণ-দিতে-রিট</guid>
			<description><![CDATA[সারাদেশে হামে মৃত্যু হওয়া ৩৫২ শিশুর পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টে রিট আবদেন দায়ের করা হয়েছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;সারাদেশে হামে মৃত্যু হওয়া ৩৫২ শিশুর পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টে রিট আবদেন দায়ের করা হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ রবিবার (১০ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবীর পল্লব জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেন। রিট আবেদনে স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ব্যারিস্টার পল্লব গণমাধ্যমকে বলেন, দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। এত অল্প সময়ে বিপুল সংখ্যক শিশুর মৃত্যু জনস্বাস্থ্যের চরম বিপর্যয় এবং কর্তৃপক্ষের অবহেলার ইঙ্গিত দেয়। তাই মৃত শিশুদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের দাবি জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>সারাদেশে এক কোটি ৭৩ লাখ শিশুর হামের টিকা সম্পন্ন </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34586/সারাদেশে-এক-কোটি-৭৩-লাখ-শিশুর-হামের-টিকা-সম্পন্ন</link>
			<pubDate>Sun, 10 May 2026 11:04:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34586/সারাদেশে-এক-কোটি-৭৩-লাখ-শিশুর-হামের-টিকা-সম্পন্ন</guid>
			<description><![CDATA[দেশব্যাপি ছড়িয়ে পড়া হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকারের জরুরি টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত এক কোটি ৭২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৮ জন শিশু হাম-রুবেলার টিকা গ্রহণ করেছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span>&nbsp;</span><span style="font-size:16px">দেশব্যাপি ছড়িয়ে পড়া হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকারের জরুরি টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত এক কোটি ৭২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৮ জন শিশু হাম-রুবেলার টিকা গ্রহণ করেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সারাদেশে প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এই কার্যক্রমের আওতায় টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এতে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৬ শতাংশ পূরণ হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-রুবেলা টিকাদান সমন্বয় নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিভাগভিত্তিক টিকা গ্রহণকারী শিশুর সংখ্যা হিসেবে বরিশালে ১০ লাখ ৮ হাজার ৩০১ জন, চট্টগ্রামে ৩৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭৭২, ঢাকায় ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৭০, খুলনায় ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৫৪৬, ময়মনসিংহে ১২ লাখ ৯৪ হাজার ১৫, রাজশাহীতে ২০ লাখ ২০ হাজার ৩৭৩, রংপুরে ১৮ লাখ ৬২ হাজার ১৯৬ এবং সিলেটে ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৩৫ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সিটি কর্পোরেশন এলাকাগুলোর মধ্যে টিকা নিয়েছে- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ৩৯ হাজার ৫৩ জন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন দুই&nbsp;লাখ ৫৩ হাজার ৬৬২, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ৪৭ হাজার ৬১২, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন চার&nbsp;লাখ ৯০ হাজার ৫৪৮, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন তিন&nbsp;লাখ ৯৬ হাজার ৯৪৯, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এক&nbsp;লাখ ৮০ হাজার ৮৬১, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ৭৭ হাজার ৮৮, খুলনা সিটি কর্পোরেশন ৮২ হাজার ৮৯৭, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন ৫৩ হাজার ৮১, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ৫৩ হাজার ৬৮৭, রংপুর সিটি কর্পোরেশন ৭৫ হাজার ৫৯৮ ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন ৫৮ হাজার ২৯ জন শিশু।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ৫ এপ্রিল প্রথম দফায় দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় এবং তা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">দ্বিতীয় দফায় ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, বরিশাল ও ময়মনসিংহে একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়, যা এখনও চলমান। সর্বশেষ ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে তৃতীয় দফার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলছে। দেশব্যাপী বিশেষ এই ক্যাম্পেইন সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ২০ মে এবং অন্যান্য স্থানে ১২ মে পর্যন্ত চলবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, কর্মসূচি শেষ হওয়া উপজেলাগুলোতে হামের রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শতভাগ শিশু টিকার আওতায় চলে আসবে। সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় দেশে হামের প্রকোপ কমতে শুরু করেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/&nbsp;</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>তামাকের ব্যবহার কমাতে জাতীয় বাজেটে মূল্যবৃদ্ধির দাবি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34585/তামাকের-ব্যবহার-কমাতে-জাতীয়-বাজেটে-মূল্যবৃদ্ধির-দাবি</link>
			<pubDate>Sun, 10 May 2026 10:02:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34585/তামাকের-ব্যবহার-কমাতে-জাতীয়-বাজেটে-মূল্যবৃদ্ধির-দাবি</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশে তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে তামাক সেবনের হার উদ্বেগজনক। তাই তরুণদের তামাকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে তামাকপণ্যের কার্যকর মূল্যবৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন তরুণ চিকিৎসকরা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="color:#990000"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span> </span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশে তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে তামাক সেবনের হার উদ্বেগজনক। তাই তরুণদের তামাকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে আসন্ন ২০২৬&ndash;২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে তামাকপণ্যের কার্যকর মূল্যবৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন তরুণ চিকিৎসকরা।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">শনিবার (৯ মে) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের (এনএইচএফবি) উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তর একীভূত করে প্রতি দশ শলাকার প্যাকেটের খুচরা মূল্য ন্যূনতম ১০০ টাকা নির্ধারণের দাবি জানান তাঁরা।&nbsp;</span></p>

<p><span style="font-size:16px">একইসাথে উচ্চ স্তরের সিগারেটের মূল্য ১৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের মূল্য ২০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি স্তরের প্যাকেটে চার টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপেরও দাবি জানান তাঁরা।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের (এনএইচএফবি) মানববন্ধনে প্ল্যাটফর্ম অব মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল সোসাইটি, সন্ধানীসহ মেডিকেল শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকদের বেশ কিছু সংগঠন থেকে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের তরুণ চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>নীলফামারীতে চীনের সহায়তায় ১০০০ শয্যার হাসপাতালের কাজ শুরু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34584/নীলফামারীতে-চীনের-সহায়তায়-১০০০-শয্যার-হাসপাতালের-কাজ-শুরু</link>
			<pubDate>Sat, 09 May 2026 20:25:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34584/নীলফামারীতে-চীনের-সহায়তায়-১০০০-শয্যার-হাসপাতালের-কাজ-শুরু</guid>
			<description><![CDATA[উত্তরবঙ্গের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে নীলফামারীতে নির্মিত হতে যাচ্ছে এক হাজার শয্যা বিশিষ্ট ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল’। এতে প্রায় দুই হাজার ২৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই মেগা প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষা শুরু করেছে চীনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><strong><span style="color:#990000">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span> </strong></span><span style="font-size:16px">উত্তরবঙ্গের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে নীলফামারীতে নির্মিত হতে যাচ্ছে এক হাজার শয্যা বিশিষ্ট &lsquo;বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল&rsquo;। এতে&nbsp;প্রায় দুই হাজার ২৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই মেগা প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষা শুরু করেছে চীনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রতিনিধি দলের নেতা ডং লি&rsquo;র নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি কারিগরি দল নীলফামারীর দারোয়ানী টেক্সটাইল এলাকায় পৌঁছে প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ২৫ একর জমির কারিগরি ও প্রাথমিক সমীক্ষা পরিচালনা করেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়িতব্য এই প্রকল্পে চীন সরকার অনুদান হিসেবে প্রায় দুই হাজার ২১৯ কোটি টাকা প্রদান করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ফাতেমা তুজ জোহরা গণমাধ্যমকে জানান, নির্ধারিত জায়গার ওপর আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন দশ তলা হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ডরমেটরি, আবাসিক ভবন, ডিরেক্টরস বাংলোসহ প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। স্থাপন করা হবে অত্যাধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতিও।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও জানান, ১০০০ শয্যার এই হাসপাতালের মধ্যে পাঁশত সাধারণ বেড এবং বাকি পাঁচশটি বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবার জন্য বরাদ্দ থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, &lsquo;এই হাসপাতালে সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি নেফ্রোলজি, কার্ডিওলজি, অনকোলজি ও নিউরোলজির মতো জটিল ও বিশেষায়িত বিভাগে উন্নত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি জানান, আধুনিক জরুরি বিভাগ, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) ও উচ্চ-নির্ভরশীলতা কেন্দ্র (এইচডিইউ) সুবিধাসহ উন্নত ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং আধুনিক অপারেশন থিয়েটার স্থাপন করা হবে। এর ফলে উত্তরবঙ্গের মানুষের জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা স্থানীয়ভাবেই নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিনিধি দলের সফরকালে আরও উপস্থিত ছিলেন নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাইদুল ইসলাম এবং সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, হাসপাতালটি নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আর রাজধানীমুখী হতে হবে না। একই সঙ্গে এই প্রকল্প উত্তরাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার সামগ্রিক চিত্র বদলে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক হুমকি: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34583/অ্যান্টিবায়োটিকের-যথেচ্ছ-ব্যবহার-জনস্বাস্থ্যে-মারাত্মক-হুমকি-মৎস্য-প্রতিমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Sat, 09 May 2026 18:25:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34583/অ্যান্টিবায়োটিকের-যথেচ্ছ-ব্যবহার-জনস্বাস্থ্যে-মারাত্মক-হুমকি-মৎস্য-প্রতিমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান ও অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। আজ শনিবার (৯ মে) ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড (বিএসএসএফ) আয়োজিত ৮ম জাতীয় বৈজ্ঞানিক সম্মেলন ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড হেলথ’-অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:</span></span></strong> <span style="font-size:16px">খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান ও অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে&nbsp;বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (৯ মে) ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড (বিএসএসএফ) আয়োজিত ৮ম জাতীয় বৈজ্ঞানিক&nbsp;&lsquo;ফুড সেফটি অ্যান্ড হেলথ&rsquo; সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিমন্ত্রী বলেন,&nbsp;জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, &lsquo;বিপুল জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষের পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণ এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বর্তমানে মাদক সমস্যা দেশের অন্যতম বড় সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষায় পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুডের (বিএসএসএফ) সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. খালেদ হোসেনের সভাপতিত্বে &nbsp;বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো: আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মোশিউর রহমান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, শিক্ষক, বিজ্ঞানী, খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট খাতের পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>মোড়কজাত খাদ্যে চিনি ও লবণ শনাক্তে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা চালুর দাবি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34582/মোড়কজাত-খাদ্যে-চিনি-ও-লবণ-শনাক্তে-স্বাস্থ্য-সতর্কবার্তা-চালুর-দাবি</link>
			<pubDate>Sat, 09 May 2026 17:26:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34582/মোড়কজাত-খাদ্যে-চিনি-ও-লবণ-শনাক্তে-স্বাস্থ্য-সতর্কবার্তা-চালুর-দাবি</guid>
			<description><![CDATA[দেশের মোড়কজাত খাদ্যে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও ক্ষতিকর চর্বির উপস্থিতি সহজে শনাক্ত করতে কার্যকর ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং (এফওপিএল) বা স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, খাদ্যপণ্যের মোড়কের সামনের অংশে স্পষ্ট সতর্কবার্তা থাকলে ভোক্তারা সহজেই স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং সচেতনভাবে খাদ্য নির্বাচন করতে পারবেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">দেশের মোড়কজাত খাদ্যে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও ক্ষতিকর চর্বির উপস্থিতি সহজে শনাক্ত করতে কার্যকর ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং (এফওপিএল) বা স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, খাদ্যপণ্যের মোড়কের সামনের অংশে স্পষ্ট সতর্কবার্তা থাকলে ভোক্তারা সহজেই স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং সচেতনভাবে খাদ্য নির্বাচন করতে পারবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (৯ মে) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে &lsquo;জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতে ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং : বিদ্যমান আইন ও নীতি&rsquo; শীর্ষক আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন তারা। সেন্টার ফর ল&rsquo; অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্স (সিএলপিএ), পাবলিক হেলথ ল&rsquo; ইয়ার্স নেটওয়ার্ক, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এবং সিটিজেন নেটওয়ার্ক-সিনেট আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভায় বক্তৃতা করেন সাবেক উপদেষ্টা ও উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা (উবিনীগ) নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার, পাবলিক হেলথ ল&rsquo; ইয়ার্স নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ তাইফুর রহমান, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মো. বজলুর রহমান, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মোস্তফা খান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুলতান মুহাম্মদ বান্না, ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার, অ্যাডভোকেট মমতাজ পারভীন প্রমুখ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর ল&rsquo; অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্সের সেক্রেটারি অ্যাড. সৈয়দ মাহবুবুল আমল। তিনি বলেন, দেশে অসংক্রামক রোগ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশই অসংক্রামক রোগে ঘটে এবং ৩০ থেকে ৭০ বছর বয়সীদের মধ্যে এসব রোগে মৃত্যুঝুঁকি প্রায় ১৯ শতাংশ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শিশু ও তরুণদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন অস্বাস্থ্যকর প্যাকেটজাত খাবারের আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করা হলেও সেসব পণ্যের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পুষ্টিগত তথ্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয় না। ফলে ভোক্তারা বিভ্রান্ত হন এবং অজান্তেই অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরো বলেন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণে ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং একটি কার্যকর ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে খাদ্যপণ্যের মোড়কের সামনের অংশে সহজ ভাষা বা চিহ্ন ব্যবহার করে জানানো হয়, কোনো পণ্যে অতিরিক্ত চিনি, সোডিয়াম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা ট্রান্স-ফ্যাট রয়েছে কিনা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভায় মোড়কজাত খাদ্যের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা চালু করা জরুরি জানিয়ে বক্তারা বলেন, অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত পরিবারগুলোর স্বাস্থ্য ব্যয়ের বড় অংশ ওষুধ কেনার পেছনে ব্যয় হয়। তাই সংবিধান অনুযায়ী জনগণের পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নিরাপদ খাদ্য আইন ও সংশ্লিষ্ট প্রবিধান সংশোধনের মাধ্যমে বাধ্যতামূলক ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং চালু করতে হবে। এ ব্যবস্থা চালু হলে ভোক্তারা সহজেই খাদ্যের ঝুঁকি বুঝতে পারবেন, বিভ্রান্তিকর বিপণন কমবে এবং দীর্ঘ মেয়াদে অসংক্রামক রোগের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। দ্রুত কার্যকর, স্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান বক্তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হামে শিশুমৃত্যু ও টিকার সংকট নিয়ে তদন্ত চলছে: স্বাস্থ্য সচিব</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34580/হামে-শিশুমৃত্যু-ও-টিকার-সংকট-নিয়ে-তদন্ত-চলছে-স্বাস্থ্য-সচিব</link>
			<pubDate>Sat, 09 May 2026 16:42:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34580/হামে-শিশুমৃত্যু-ও-টিকার-সংকট-নিয়ে-তদন্ত-চলছে-স্বাস্থ্য-সচিব</guid>
			<description><![CDATA[দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর নেপথ্য ঘটনা জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় রয়েছে এবং জনগণের জানার স্বার্থে সেসব ঘটনার যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব&nbsp;ও শিশু মৃত্যুর নেপথ্য&nbsp;ঘটনা জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় রয়েছে এবং জনগণের জানার স্বার্থে সেসব ঘটনার যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (৯ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। &lsquo;হামের প্রাদুর্ভাব ও উত্তরণের পথ&rsquo; শীর্ষক এ গোলটেবিলের আয়োজন করে স্বাস্থ্য সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন,&nbsp;হামের প্রাদুর্ভাবের নেপথ্য কারণ ও শিশু মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে উঠে আসবে কেন আমরা এতগুলো শিশু হারালাম। কী কারণে, কোথায় আমাদের সমস্যা ছিল, আমাদের কোনো গাফিলতি ছিল কিনা বা আমাদের কর্মকর্তাদের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে কোনো অবহেলা ছিল কিনা। তদন্ত হলে যা হয়, তার সব কিছু হচ্ছে। এ নিয়ে আর বেশি কিছু না বলি। আমরা তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবো। এর আলোকেই আপনারা সব কিছু জানবেন। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তদন্ত করা&nbsp;রাষ্ট্রের&nbsp;দায়িত্ব উল্লেখ করে স্বাস্থ্য সচিব আরও&nbsp;বলেন, &lsquo;প্রত্যেকটি ঘটনার তদন্ত হওয়া দরকার। জনগণের জানা দরকার। আমাদের সরকার একটি গণতান্ত্রিক সরকার, জবাবদিহিমূলক সরকার। আমি বিশ্বাস করি, সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করার জন্য প্রস্তুত।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈঠকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, &lsquo;হাম-রুবেলার মতো রোগ প্রতিরোধে টিকার ন্যাশনাল ক্যাম্পেইন নিয়মিত করা জরুরি। অথচ দেশে ২০১৯ সালের পর আর কোনো ন্যাশনাল ক্যাম্পেইনিং হয়নি। দেশের হাম আক্রান্ত শিশুদের রোগের ধরন ও অন্যান্য জটিলতা নিরূপনের ইতিমধ্যে রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটকে (আইইডিসিআর) জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের অনুরোধ করেছি। হাম ও হামের উপসর্গে মারা যাওয়া শিশুদের ডেথ রিভিউয়ের বিষয়টি আমরা জাতীয় টিকাদান সংক্রান্ত কারিগরি উপদেষ্টা গ্রুপ (নাইট্যাগ) এ উপস্থাপন করবো। তারা পরামর্শ দিলে আমরা শিগগিরই ডেথ রিভিউ শুরু করবো।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে বিএমইউ প্রো- ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, &lsquo;তা না হলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারতো। এত দ্রুত টিকা এনে সেই টিকাদান কর্মসূচি দেশব্যাপী চালু করা&mdash;এটি নতুন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল, সরকার সেখানে উত্তীর্ণ হয়েছে। এখন আমাদের উচিত হাম মোকাবেলায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কর্মসূচি সুচারুরূপে চলমান রাখা। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিশ্চয়ই আমরা এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারব।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জনস্বাস্থ্যবিদ ও&nbsp;স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের (সিডিসি) সাবেক পরিচালক&nbsp;অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ,&nbsp;&lsquo;কোনো মহামারী দেখা দিলে বিষয়টি আমরা স্বীকার করি না, মহামারি ঘোষণা করি না। কিন্তু মহামারী মোকাবেলায় কাজ করি। অথচ পরিস্থিতি স্বীকার করে কাজ করলে উত্তরণ সহজ হয়।&rsquo; </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাম পরিস্থিতি মোকাবেলায় একটি ন্যাশনাল গাইডলাইন প্রণয়ন করে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল বলেন, &lsquo;আমাদের সচেতনতার অনেক অভাব, সেটা ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে&mdash;সর্বত্র। এজন্য অনেক শিশুর টিকা নেওয়া হয়নি। হাম নিয়ে নতুন করে চিন্তা করতে হবে। কারণ এখন যারা আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের অনেকের বয়স ছয় মাসের নিচে। একটা পরিসংখানে এসেছে, ৫০ ভাগ শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো হয় না। এই পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণা ও আলোচনা বাড়ানো উচিত।&rsquo;&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি অভিযোগ করেন, &lsquo;ডিজি অফিস থেকে অনেক তথ্য পাওয়া যায় না। যেখানে আওয়ামী দোসররা এখনো বসে আছে, সেখানে কতটুকু তথ্য পাওয়া যাবে, সেটা আমি নিয়ে আমি সন্দিহান।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশে হেলথ সেক্টরে এখন একটা ক্রান্তিকাল চলছে জানিয়ে ড্যাব মহাসচিব বলেন, &lsquo;ডিজি অফিসসহ অনেক জায়গায় আওয়ামী দোসররা বসে আছে। টিকা আনা, দেওয়া ও পরিবেশনের যে অব্যবস্থাপনা&mdash;এর জন্য কারা দায়ী, এর একটা তদন্ত হওয়া উচিত। তদন্তে যারা দোষী সাব্যস্ত হবে, তাদেরকে অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম শাকিল বলেন, &lsquo;আমরা হয় তো এখান থেকে উৎরে যাবো, প্রাদুর্ভাব অনেকাংশে কমে এসেছে। ৯৫ ভাগ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে হাম থেকে উত্তরণ ঘটবে। কিন্তু এ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবো কিনা, জানি না। করোনা সংকট থেকে আমরা শিক্ষা নিয়েছি? নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের&nbsp;(আইসিইউ) জন্য শত শত কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনা হলো, অথচ জেলা পর্যায়ে আইসিইউগুলো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। আইসিইউ চালাবার জনবল নেই, তৈরিও হয়নি। ফলে চালানো যাচ্ছে না। শিশুদের আইসিইউ দেশে খুবই কম। হামের কারণে হয় তো অনেক ভ্যান্টিলেটর পাওয় যাবে, এই সংকট দূর হওয়ার পর সেগুলো চালানো যাবে না। এভাবে আমরা বেশি দূর আগাতে পারবো না। আমাদের সম্মিলিত প্রয়াস দরকার।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর টিবি রোগী বেড়ে যাচ্ছে, ম্যালেরিয়া বেড়ে যাচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ওপি বন্ধ হওয়ার পর অনেক জনবল বসে আছে। তাদের পদায়ন নেই, কাজ নেই।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) প্রতিনিধি অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সংক্রামক রোগ কোথাও ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন উপায়ে&nbsp;নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এক নম্বরের কাজ হলো&nbsp;রোগ শনাক্ত করা। এজন্য সরকারসহ বিভিন্ন অংশীজনরা কাজ করছেন। এটা খুবই দক্ষতার সঙ্গে করা হলেও আইসোলেশনে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। কোভিডে এ ক্ষেত্রে খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে এনডিএফ&nbsp;একটি পরামর্শও দেয়, তবে সময়ের অভাবে হয় তো বাস্তবায়ন করা&nbsp;সম্ভব হয়নি। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও&nbsp;বলেন, &lsquo;এর পাশাপাশি অনলাইনে টেলিমেডিসিনের ব্যবস্থা করা যেত। যেখানে অভিভাবকরা সন্তানদের স্বাস্থ্য সংকট তুলে ধরলে&nbsp;মেডিকেল অফিসার&nbsp;সমাধানমূলক পরামর্শ দিতেন। আমি অনেক পরিচিত-স্বজনকে এভাবে কার্যকর পরামর্শ দিয়েছি। কিন্তু এটা রাষ্ট্রীয়ভাবে&nbsp;করা সম্ভব হয়নি। তাহলে আইসোলেশনের পরিধি&nbsp;বাড়ানো যেত। এটা না হলে এক রোগী হাসপাতালে আসার সুযোগ পেলে গড়ে ১৮ জনকে আক্রান্ত করতে পারে। তবে খুশির খবর হলো,&nbsp;ব্যাপক সংখ্যক শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এটা&nbsp;সরকারের বিরাট সাফল্য।&rsquo; </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে&nbsp;ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের (এনএইচএ) মুখ্য সমন্বয়ক ডা. হুমায়ুন কবির হিমু বলেন, &lsquo;হাম ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ না দিয়ে আমরা&nbsp;ভিন্ন হাঁটা শুরু করি। আমরা দোষারূপের পথে গেলাম। এ কারণে যতটা সক্রিয়ভাবে কাজ করা সম্ভব হতো, দ্রুততার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব হতো&mdash;তা অনেকাংশে ব্যাহত হয়েছে। কোনো জাতীয় সংকটে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে না আগালে লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়&nbsp;না।&rsquo; </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাম নিয়ন্ত্রণে&nbsp;দ্রুত পদক্ষেপের গ্রহণের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;সরকার এতো তাড়াতাড়ি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে যে, ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র&nbsp;দুই মাসের মধ্যে তারা হাসপাতাল তৈরি করতে সক্ষম হয়। আইসোলেশন তৈরি করে ফেলেছে, আইসিইউগুলো প্রস্তুত করে ফেলেছে। এজন্য তারা অবশ্যই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;আমাদের খুঁজে বের করা উচিত, হামের ক্যাম্পেইন সরকার দুই-তিনবার পিছিয়েছে। এটা কেন হলো? এখানে আলোচনা হয়েছে যে, আমাদের টিকা ছিল, ইউনিসেফ কর্মকর্তাও জানিয়ে গেছেন, আমাদের টিকা ছিল। তাহলে কেন ক্যাম্পেইন পেছানো হলো। আমরা একবার বললাম, জুলাইয়ে করবো, আরেকবার বললাম সেপ্টেম্বরে, পরে কেন সেটা ২০২৬ পর্যন্ত গড়াল। এটা আমাদের জানা প্রয়োজন&rsquo;&mdash;যোগ করেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচএ&nbsp;মুখ্য সমন্বয়ক বলেন,&nbsp;&lsquo;আরেকটি বিষয় আমাদের জানা প্রয়োজন, টাইফয়েডে আমাদের কতটা শিশু মারা যায়? দেশে টাইফয়েডের খুব ভালো চিকিৎসা আছে। তাহলে আমরা কেন টাইফয়েডকে এত গুরুত্ব দিয়ে হামের ক্যাম্পেইনে গুরুত্ব দিলাম না।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হাম ছড়িয়ে পড়ার পেছনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ব্যর্থতা থাকলে অবশ্যই তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে বলেও মত দেন তিনি। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠান&nbsp;সঞ্চালনায় ছিলেন&nbsp;বিএইচআরএফ&nbsp;সভাপতি প্রতীক&nbsp;ইজাজ।&nbsp;গোল টেবিলে&nbsp;হাম পরিস্থিতি কাভারে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিষয়ে তুলে ধরেন বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক তবিবুর রহমান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">হামের বর্তমান পরিস্থিতি: ঝুঁকি, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে কি-নোট&nbsp;উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পিডিয়াট্রিক ইনফেকশন ডিজিজের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মির্জা জিয়াউল ইসলাম।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক&nbsp;হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের জাতীয় পোলিও ও হাম-রুবেলা ল্যাবরেটরির ভাইরোলজিস্ট ও সাবেক সাবেক প্রধান ডা. খন্দকার মাহবুবা জামিল, বিএমইউর নবজাতক বিভাগের অধ্যাপক ডা. সঞ্জয় কুমার দে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আব্দুস সবুর খান, জনস্বাস্থ্যবিদ ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর)&nbsp;সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা&nbsp;ডা. মুশতাক হোসেন, টিকা বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সাবেক গবেষক ডা. তাজুল ইসলাম এ বারি, বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, বিএমইউ ডেন্টাল অনুষদের ডিন ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, পুষ্টিবিদ ও ব্র্যাকের ক্লাইমেট ব্রিজ ফান্ডের প্রধান সাইকা সিরাজ, ডব্লিউএইচও বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার (ইমিউনাইজেশন) ডা. চিরঞ্জিত দাস প্রমুখ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>স্বাস্থ্য বীমাভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থা প্রবর্তন ও স্বাস্থ্য খাতে সংস্কারের সুপারিশ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34579/স্বাস্থ্য-বীমাভিত্তিক-অর্থায়ন-ব্যবস্থা-প্রবর্তন-ও-স্বাস্থ্য-খাতে-সংস্কারের-সুপারিশ</link>
			<pubDate>Sat, 09 May 2026 16:29:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34579/স্বাস্থ্য-বীমাভিত্তিক-অর্থায়ন-ব্যবস্থা-প্রবর্তন-ও-স্বাস্থ্য-খাতে-সংস্কারের-সুপারিশ</guid>
			<description><![CDATA[দেশে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য বীমাভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক সংস্কারের সুপারিশ করেছে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস)।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;দেশে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য বীমাভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক সংস্কারের সুপারিশ করেছে&nbsp;সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস)।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিআইডিএসের সম্মেলন কক্ষে&nbsp;&lsquo;বাংলাদেশে অপূরণীয় স্বাস্থ্যসেবা চাহিদা ও ব্যক্তির পকেট থেকে ব্যয়ের বিষয়ে পুনর্ভাবনা&rsquo; শিরোনামের একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবায় এখনও বড় সংকট রয়ে গেছে। দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা ক্রমেই পশ্চাৎমুখী হয়ে পড়ছে। চিকিৎসা ব্যয়ের ৭৯ শতাংশই ব্যক্তির পকেট থেকে যাচ্ছে। গরিব মানুষের মোট আয়ের ৩৫ শতাংশই যায় চিকিৎসায়। ক্যান্সার কিংবা কিডনি রোগের মতো দুরারোগ্য ব্যাধির বড় ব্যয়ের কারণে বহু পরিবার দারিদ্র্যসীমায় নেমে গেছে। অসংখ্য পরিবার আছে দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে। গবেষণা প্রতিবেদনে দেশের স্বাস্থ্য খাতের এমন চিত্র উঠে এসেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন&nbsp;</span><span style="font-size:16px">সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ও</span><span style="font-size:16px"> বিশিষ্ট&nbsp;অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইডিএসের জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো ড. আবদুর রাজ্জাক সরকার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গবেষণা প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যন ব্যুরোর ২০২২ সালে পরিচালিত সর্বশেষ খানা আয়-ব্যয় জরিপের তথ্য পর্যালোচনা ও নতুন করে ৬২ হাজার ৩৮৭ জনের ওপর স্বাস্থ্যবিষয়ক চাহিদা ও চিকিৎসার উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যেমে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, ১৯৯৭ সালে চিকিৎসায় ব্যক্তির পকেট থেকে ব্যয়ের হার ছিল ৫৫ দশমিক ৯ শতাংশ। বাকিটা রাষ্ট্র ব্যয় করত। ২০২০ সালে এ হার বেড়ে দাঁড়ায় ৬৮ দশমিক ৫ শতাংশে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জরিপকালে ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, চিকিৎসার চাহিদা পূরণ হয়নি। উচ্চ ব্যয়, পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব, রোগের ভয়, কিংবা চিকিৎসাকেন্দ্রে যাওয়ার মতো সহায়তাকারী না থাকায় তাদের চিকিৎসা নেওয়া হয়নি। চিকিৎসা বঞ্চিতদের মধ্যে গ্রাম-শহর ব্যাবধানও বেশ স্পষ্ট। গ্রামের ৬৮ শতাংশের বিপরীতে শহরের ৫৯ শতাংশ রোগীর চিকিৎসাসেবার প্রয়োজন অপূরণীয় থাকে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে আরও দেখা যায়, চিকিৎসাসেবায়ও আঞ্চলিক বৈষম্যচিত্র বেশ স্পষ্ট। বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজশাহী বিভাগে চিকিৎসা না পাওয়ার হার সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ৭৩ শতাংশ। সিলেটে এ হার ৭০ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে চট্টগ্রামে তুলনামূলক কম, প্রায় ৫১ শতাংশ। জেলাভিত্তিক চিত্র আরও উদ্বেগজনক। নড়াইলে অপূর্ণ চিকিৎসা চাহিদার হার ৮১ শতাংশ। বিপরীতে ফেনীতে এ হার সবচেয়ে কম, ১৮ শতাংশ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসা ব্যয়ের চিত্র তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি পরিবারের গড়ে প্রতি মাসে চিকিৎসা ব্যয় তিন হাজার ৪৫৪ টাকা, যা পরিবারের মোট ব্যয়ের ১১ শতাংশ। দরিদ্র পরিবারগুলোর মোট আয়ের প্রায় ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত চিকিৎসা ব্যয়ে চলে যাচ্ছে। ধনী পরিবারের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র পাঁচ শতাংশ। শহরাঞ্চলের পরিবারগুলো গড়ে মাসে চার হাজার ১৯২ টাকা চিকিৎসায় ব্যয় করছে, যেখানে গ্রামে এ ব্যয় তিন হাজার ১০৯ টাকা। ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসায় গড়ে ব্যয় হয় প্রায় দুই লাখ ২৪ হাজার টাকা। হৃদরোগে গড়ে প্রায় এক লাখ টাকা ও কিডনি রোগে প্রায় ৬৩ হাজার টাকা ব্যয় হয়। এমনকি সাধারণ দুর্ঘটনা বা আঘাতজনিত চিকিৎসাতেও গড়ে ৪৪ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসা সেবায় ব্যয়ের খাত প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ক্ষেত্রে ওষুধ, রোগ নির্ণয় পরীক্ষা, অস্ত্রোপচার এবং শয্যা ভাড়া সবচেয়ে বড় ব্যয় খাত। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মোট ব্যয়ের ২৬ শতাংশই যাচ্ছে ওষুধে, ১৭ শতাংশ রোগ নির্ণয় পরীক্ষায় এবং ২৩ শতাংশ অস্ত্রোপচারে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য খাতের এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বিআইডিএসের গবেষণায় বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে&ndash; দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। এছাড়া স্বাস্থ্য বীমাভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক সংস্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা জাতীয় উন্নয়নের প্রধান এবং গুরুত্বপূর্ণ খাত। তবে এই দুই খাতের উন্নয়ন মানে কেবল সুন্দর ভবন নয়। মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34578/হাম-ও-উপসর্গে-২৪-ঘণ্টায়-আরও-৯-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Sat, 09 May 2026 16:03:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34578/হাম-ও-উপসর্গে-২৪-ঘণ্টায়-আরও-৯-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে তিন শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</span></span></strong><span style="font-size:16px">সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে তিন শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শনিবার (৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৪৮৯ জনের। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছয় হাজার ৯৭৯ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯১ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫২ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে গেছে ৯৪৬ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৬৯ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৯৪ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআর/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন জামায়াত আমির</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34576/ক্যান্সার-হাসপাতাল-নির্মাণে-জাপানের-সহযোগিতা-চাইলেন-জামায়াত-আমির</link>
			<pubDate>Sat, 09 May 2026 13:07:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34576/ক্যান্সার-হাসপাতাল-নির্মাণে-জাপানের-সহযোগিতা-চাইলেন-জামায়াত-আমির</guid>
			<description><![CDATA[জাপানকে বাংলাদেশে বিশেষায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপনের জন্য অনুরোধ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">জাপানকে বাংলাদেশে বিশেষায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শুক্রবার (৮ মে) জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমোকির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ অনুরোধ জানান। জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায়&nbsp;এই বৈঠক অনুষ্ঠিত&nbsp;হয়। এ সময় জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিকতা, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতেই ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমোকি ডা. শফিকুর রহমানকে বাংলাদেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা মনোনীত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বিরোধীদলীয় নেতা বিশেষভাবে বাংলাদেশে বিশেষায়িত ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপনের জন্য জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টারকে অনুরোধ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আলোচনায় জাপানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সামাজিক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করা হয়। একই সঙ্গে জাপান বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশে জাপানের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/ টিআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিএমইউতে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে সচেতনতামূলক র‌্যালি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34575/বিএমইউতে-বিশ্ব-থ্যালাসেমিয়া-দিবস-উপলক্ষে-সচেতনতামূলক-র্যালি</link>
			<pubDate>Sat, 09 May 2026 12:37:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34575/বিএমইউতে-বিশ্ব-থ্যালাসেমিয়া-দিবস-উপলক্ষে-সচেতনতামূলক-র্যালি</guid>
			<description><![CDATA[রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লক থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:18px"><strong><span style="color:#990000">মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</span></strong></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক র&zwnj;্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লক থেকে র&zwnj;্যালিটি বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;থ্যালাসেমিয়া অদৃশ্য আর নয়, অজানাদের খুঁজি ও সহযোগিতার হাত বাড়াই&rsquo;&mdash;এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত র&zwnj;্যালির উদ্বোধন করেন বিএমইউর ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। বেলুন উড়িয়ে তিনি র&zwnj;্যালির শুভ সূচনা করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি বিভাগ, পেডিয়াট্রিক হেমাটো-অনকোলজি বিভাগ এবং ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো স্ক্রিনিং এবং নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের কোনো বিকল্প নেই। তিনি রোগ প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. আমিন লুৎফুল কবির ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আদনান হাসান মাসুদসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক ও চিকিৎসকরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বক্তারা বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি প্রতিরোধযোগ্য বংশগত রক্তরোগ। বিয়ের আগে স্ক্রিনিং, যথাযথ সচেতনতা এবং সময়মতো রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে এ রোগের বিস্তার অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। একই সঙ্গে রোগীদের জন্য মানসম্মত চিকিৎসা ও নিরাপদ রক্ত নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">র&zwnj;্যালিতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, ট্রেইনি, শিক্ষার্থী, রোগী ও তাদের অভিভাবকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিএমইউর নতুন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34573/বিএমইউর-নতুন-রেজিস্ট্রার-অধ্যাপক-ডা-মো-মোস্তফা-কামাল</link>
			<pubDate>Sat, 09 May 2026 11:41:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34573/বিএমইউর-নতুন-রেজিস্ট্রার-অধ্যাপক-ডা-মো-মোস্তফা-কামাল</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) নতুন রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এ্যানেসথেসিয়া, এনালজেসিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) নতুন রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এ্যানেসথেসিয়া, এনালজেসিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল।&nbsp;</span></p>

<p><span style="font-size:16px">গত ২১ এপ্রিল&nbsp;বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। &nbsp;</span></p>

<p><span style="font-size:16px">অফিস আদেশে বলা হয়, বিএমইউর এ্যানেসথেসিয়া, এনালজেসিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামালকে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে রেজিস্ট্রার পদে দায়িত্ব প্রদান করা হলো। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সকল সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল এ্যনেসথেশিওলজি অ্যান্ড পেইন মেডিসিন গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অফ এ্যানেসথেশিওলজিস্টস ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড পেইন ফিজিশিয়ান্সের বিভিন্ন কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">তিনি বিএমইউয়ের রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় তাঁর প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা, নেতৃত্বের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের চিকিৎসা সেবার মান আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।</span></p>

<p><span style="font-size:16px">জেএইচ/ টিআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে ব্যাংককে সফররত জামায়াত আমীরের সাক্ষাৎ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34572/চিকিৎসাধীন-জুলাই-যোদ্ধাদের-সঙ্গে-ব্যাংককে-সফররত-জামায়াত-আমীরের-সাক্ষাৎ</link>
			<pubDate>Sat, 09 May 2026 10:17:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34572/চিকিৎসাধীন-জুলাই-যোদ্ধাদের-সঙ্গে-ব্যাংককে-সফররত-জামায়াত-আমীরের-সাক্ষাৎ</guid>
			<description><![CDATA[চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে ও সার্বিক খোঁজখবর নিতে ব্যাংককে সাক্ষাৎ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান, এমপি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</span></span></strong><span style="font-size:16px">চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে ও সার্বিক খোঁজখবর নিতে ব্যাংককে সাক্ষাৎ করেছেন&nbsp;বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান, এমপি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ &nbsp;শনিবার (৯ মে) ব্যাংকের ভেজথানি ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে সফরকালে তিনি গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের চিকিৎসার সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, এমপি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিরোধীদলীয় নেতা আহত জুলাই যোদ্ধাদের সাহস ও আত্মত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাদের দ্রুত ও পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে তাদের আরোগ্য কামনায় বিশেষ দোয়া করেন। পাশাপাশি&nbsp;তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">চিকিৎসাধীন আহত&nbsp;জুলাই যোদ্ধারা জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে&nbsp;বিরোধীদলীয় নেতার প্রতি&nbsp;আহ্বান জানান।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/ টিআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>দেশের ২০ শতাংশ মানুষ থাইরয়েড রোগে ভুগছে</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34571/দেশের-২০-শতাংশ-মানুষ-থাইরয়েড-রোগে-ভুগছে</link>
			<pubDate>Fri, 08 May 2026 21:17:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34571/দেশের-২০-শতাংশ-মানুষ-থাইরয়েড-রোগে-ভুগছে</guid>
			<description><![CDATA[দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ থাইরয়েড গ্রন্থির নানা রোগে ভুগছে। যাদের প্রতি পাঁচজনের তিনজনই নারী। এছাড়া প্রতি ২৩শ’ শিশুর মধ্যে একজন জন্মগত থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> </span></span><span style="font-size:16px">দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ থাইরয়েড গ্রন্থির নানা রোগে ভুগছে। যাদের প্রতি পাঁচজনের তিনজনই নারী। এছাড়া প্রতি ২৩শ&rsquo; শিশুর মধ্যে একজন জন্মগত থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশ্ব থাইরয়েড দিবসে&nbsp;আন্তর্জাতিক থাইরয়েড সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিয়ম সভায় বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষজ্ঞরা বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তির ৬০ শতাংশ চিকিৎসার বাইরে। ফলে যে পরিবারে থাইরয়েড রোগী আছে ওই পরিবারের সব সদস্যের থাইরয়েড স্ক্রিনিং (পরীক্ষা) জরুরি। বিশেষ করে মায়েদের গর্ভধারণের পূর্বে, শিশুর জন্মের পর, বয়ঃসন্ধিকালে এবং বয়স ৪০ হওয়ার পর অবশ্যই থাইরয়েড স্ক্রিনিং করা প্রয়োজন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে চার দিনব্যাপী &lsquo;থাইরয়েড মেলা&rsquo; উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের (বিইউএস্এইচ) সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের (নিনমাস) পরিচালক ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এ.কে.এম ফজলুল বারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির মহাসচিব ডা. শাহজাদা সেলিম। অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন নিনমাসের অধ্যাপক ডা. মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট ওফ থাইরয়েড মেডিসিন অ্যান্ড ইমেজিং রিসার্চের (বিটমির) সিনিয়র শিক্ষক ডা. মোহিত-উল-আলম, ডা. সোনিয়া ফেরদৌস, ডা. রোমেলা ইয়াসমীন তৃণা প্রমুখ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভায় থাইরয়েড বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ.কে.এম ফজলুল বারী বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, থাইরয়েড রোগ বিস্তারে বংশগতির প্রভাব রয়েছে, বিশেষ করে দাদী, নানী বা মায়ের থাইরয়েডে সমস্যা থাকলে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে শিশুদের ও আত্মীয়স্বজনদের থাইরয়েড সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এ ছাড়াও আট শতাংশ রোগী সাব-ক্লিনিক্যাল হাইপোথাইরয়েডিজমে ভুগছে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে থাইরয়েড নির্ণয়ের মাধ্যমে এ রোগের সফল চিকিৎসা সম্ভব।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম থাইরয়েড চিকিৎসায় দি থাইরয়েড সেন্টার ও থাইরয়েড মেলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ক্রমবর্ধমান থাইরয়েড রোগী ও থাইরয়েড ক্যানসার রোগীর চিকিৎসার জন্য দেশে অপ্রতুল ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন। তিনি ওজন বাড়া বা কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, শীত বা গরম অসহ্য লাগা, শরীর ব্যাথা, চুল পড়া, ত্বকের সমস্যা, বুক ধড়ফড় বা হাত অথবা পা কাঁপা, গলার স্বর বসে যাওয়া, মানসিক সমস্যা, গলা ফোলা, নিঃসন্তান দম্পতি, বারবার গর্ভপাত ও অনিয়মিত মাসিকের সমস্যায় থাইরয়েড বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর পরামর্শ দেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ডা. শাহজাদা সেলিম বলেন, থাইরয়েড একটি নীরব ঘাতক। অনেক ক্ষেত্রে রোগীরা লক্ষণগুলোকে সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করেন, ফলে রোগটি দীর্ঘদিন অজানা থেকে যায় এবং পরে গুরুতর আকার ধারণ করে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সচেতনতা এবং প্রাথমিক অবস্থায় নির্ণয়ই থাইরয়েডজনিত ঝুঁকি থেকে সুরক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সভায় আরও জানানো হয়, জনসচেতনতা তৈরি করতে দ্যা&nbsp;থাইরয়েড সেন্টার ও বিটমির প্রায় দুইযুগ ধরে কাজ করে যাচ্ছে। সেন্টারটির প্রায় দশ হাজার নিয়মিত সদস্য আছে। বিশ্ব থাইরয়েড দিবস উপলক্ষ্যে চার দিনব্যাপী এই থাইরয়েড মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় প্রায় তিন&nbsp;হাজার রোগীর বিনামূল্যে ও কম মূল্যে সেবা দেওয়া হবে। রোগীদের স্বল্প মূল্যে চিকিৎসা, যাদের থাইরয়েড হওয়ার সম্ভাবনা আছে তাদের ৫০ শতাংশ ছাড়ে ও এক বছরের কম বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। ২৫ শতাংশ ছাড়ে থাইরয়েড টিউমার আরএফ অথবা লেজারের মাধ্যেমে অ্যাবলেশন, কালার ডপলার স্ক্যান অথবা ইলাসটোস্ক্যান, থাইরয়েড গ্রন্থি পয়টার অথবা টিউমার অথবা ক্যানসারের রেডিওফ্রিকুয়েন্সি, লেজার ও স্ক্লেরোথেরাপ করা হবে। অধ্যাপক এবং কনসালটেন্ট চিকিৎসক ৫০০ টাকায় রোগী দেখছেন, ৩৫০০ টাকায় থাইরয়েড চেকআপ, রক্ত, আল্ট্রাসনোগ্রাম এবং ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় করা হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গুর টিকা ও অ্যান্টিভেনম উৎপাদনের উদ্যোগ সরকারের</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34570/হাম-জলাতঙ্ক-ডেঙ্গুর-টিকা-ও-অ্যান্টিভেনম-উৎপাদনের-উদ্যোগ-সরকারের</link>
			<pubDate>Fri, 08 May 2026 20:36:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34570/হাম-জলাতঙ্ক-ডেঙ্গুর-টিকা-ও-অ্যান্টিভেনম-উৎপাদনের-উদ্যোগ-সরকারের</guid>
			<description><![CDATA[ সরকারি উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক ও হামের টিকা এবং অ্যান্টিভেনম উৎপাদন করতে যাচ্ছে ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড। সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে দেশের টিকার চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রফতানির সুযোগও তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;সরকারি উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক ও হামের টিকা এবং অ্যান্টিভেনম (</span><span style="font-size:16px">সাপের কামড়ের প্রতিষেধক) উৎপাদন করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড। সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে দেশের টিকার চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রফতানির সুযোগও তৈরি হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এসেনসিয়াল ড্রাগস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বাজারে এসব টিকার ব্যাপক চাহিদা থাকায় এগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এ সামাদ মৃধা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে কোম্পানিটি জরুরি ভিত্তিতে এ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। দেশের জনস্বাস্থ্যের বর্তমান চাহিদা বিবেচনায় ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক, সাপের কামড় ও হাম বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব রোগ প্রতিরোধে স্থানীয়ভাবে টিকা উৎপাদন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;আমরা এক বছরের মধ্যে এই চারটি টিকার উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি আগামী বছরের জুনের মধ্যে উৎপাদন শুরু করে সরকারের কাছে সরবরাহ করা সম্ভব হবে&rsquo;।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এসেনসিয়াল ড্রাগস জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করেই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এতে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা। প্রকল্পটি চালু হলে বছরে প্রায় ৯০ লাখ থেকে এক কোটি ভায়াল টিকা উৎপাদন করা সম্ভব হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বর্তমানে দেশে এই চার ধরনের টিকার মোট বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৫০ লাখ ডোজ। ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত টিকা বিদেশে রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার: চার হাজার কর্মীর চাকরি বহালের দাবি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34569/আরবান-প্রাইমারি-হেলথ-কেয়ার-চার-হাজার-কর্মীর-চাকরি-বহালের-দাবি</link>
			<pubDate>Fri, 08 May 2026 19:38:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34569/আরবান-প্রাইমারি-হেলথ-কেয়ার-চার-হাজার-কর্মীর-চাকরি-বহালের-দাবি</guid>
			<description><![CDATA[স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায়াধীন ‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের (২য় পর্যায়)’ আওতায় নির্মিত ১৯২টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখা এবং কর্মরত ৪ হাজার ৩৮২ জন দক্ষ জনবলের চাকরি বহাল রাখার দাবি জানানো হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায়াধীন &lsquo;আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের (২য় পর্যায়)&rsquo; আওতায় নির্মিত ১৯২টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখা এবং কর্মরত চার&nbsp;হাজার ৩৮২ জন দক্ষ জনবলের চাকরি বহাল রাখার দাবি জানানো হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ আবেদন জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা) আইন ২০০৯ অনুযায়ী নগরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ&nbsp;(এডিবি)&nbsp;অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে এ প্রকল্পের মাধ্যমে নির্বাচিত এলাকাগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম গত (৩০ জুন) পর্যন্ত চলমান ছিল। প্রকল্পের আওতায় ১১টি সিটি কর্পোরেশন ও ১৮টি পৌরসভা এলাকায় ৪৫টি নগর মাতৃসদন এবং ১৪৭টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ মোট ১৯২টি কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে এই কেন্দ্রগুলো সরাসরি সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা পরিচালনা করছে। বর্তমানে ১৮টি বেসরকারি সংস্থা এবং তিনটি পৌরসভা ও একটি সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে কেন্দ্রগুলোতে সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রকল্পটি মূলত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ৪৫টি পার্টনারশিপ এলাকায় ১৬ ধরনের বহুমুখী সেবা দেয়। এর মধ্যে প্রসব-পূর্ব, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্য,&nbsp;সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি&nbsp;</span><span style="font-size:16px">(ইপিআই) সেবা, পরিবার পরিকল্পনা এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণসহ নির্যাতিত নারীদের সেবা অন্যতম। নীতিমালা অনুযায়ী, এই কেন্দ্রগুলোতে দরিদ্রদের জন্য অন্তত ৩০ শতাংশ সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বা সুলভ মূল্যে দেওয়া হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত ২০১৮ সালের ১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত এই প্রকল্পের মাধ্যমে এক কোটি ৭০ লাখ মানুষকে সেবা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ লাখ ৬০ হাজার প্রসব-পূর্ব সেবা এবং এক লাখ ৯০ হাজার শিশুর নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করার মতো উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে এই সেবা কার্যক্রমটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এই পরিবর্তনকালীন অবস্থায় প্রকল্পে কর্মরত চার&nbsp;হাজার ৩৮২ জন দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবলের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংবাদ সম্মেলনে জনস্বার্থ বিবেচনা করে এই বিপুল সংখ্যক কর্মীর চাকরি বহাল রাখা এবং নগরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম কোনো বিঘ্ন ছাড়াই সচল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোরালো আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হাম ও উপসর্গ: আরও ৭ শিশুর মৃত্যু</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34568/হাম-ও-উপসর্গ-আরও-৭-শিশুর-মৃত্যু</link>
			<pubDate>Fri, 08 May 2026 18:32:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34568/হাম-ও-উপসর্গ-আরও-৭-শিশুর-মৃত্যু</guid>
			<description><![CDATA[সারাদেশে হাম ও হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট: </strong></span></span><span style="font-size:16px">সারাদেশে হাম ও হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শুক্রবার (৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল বৃহস্পিতবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২১২ এবং চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৪৬ হাজার ৭১০ জন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২৮২, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ছয় হাজার ৪৯০ জন। সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩২ হাজার ৮৬২ শিশু। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ২৯ হাজার ১৫২ শিশু।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু সংখ্যা ৫৮। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে বা উপসর্গে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৮ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ২৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>ঢামেকে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি গ্রেপ্তারের নিন্দা বিএফএমবির  </title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34563/ঢামেকে-ওষুধ-কোম্পানির-প্রতিনিধিগ্রেপ্তারের-নিন্দা-বিএফএমবির</link>
			<pubDate>Fri, 08 May 2026 16:52:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34563/ঢামেকে-ওষুধ-কোম্পানির-প্রতিনিধিগ্রেপ্তারের-নিন্দা-বিএফএমবির</guid>
			<description><![CDATA[সম্প্রতি ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) ‘দালাল’ আখ্যা দিয়ে বেশ কয়েকজন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা গ্রেফতারের নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশ ফার্মা মাইক্রোবায়োলজিস্ট ফাউন্ডেশন (বিএফএমবি)। আজ শুক্রবার (৮ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় প্রতিবাদ জানানো হয়। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</span></strong></span><span style="font-size:16px">সম্প্রতি ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) &lsquo;দালাল&rsquo; আখ্যা দিয়ে বেশ কয়েকজন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি&nbsp;গ্রেফতারের নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশ ফার্মা মাইক্রোবায়োলজিস্ট ফাউন্ডেশন (বিএফএমবি)। আজ শুক্রবার (৮ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এই প্রতিবাদ জানানো হয়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এতে বলা হয়, ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা&nbsp;কোনোভাবেই দালাল নয়, তারা দেশের বড় সম্পদ। তাদের সবাই কমপক্ষে অনার্স বা মাস্টার্স পাশ। এই মানুষগুলো দেশের ওষুধের সঠিক সরবরাহ প্রদানে নিয়মিত তথ্য আনয়ন, ডাক্তার ভিজিট এবং মার্কেটিংয়ের কাজে ব্যাপক ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। তাদের দ্রুত মুক্তি এবং ভবিষ্যতে এমন লজ্জাজনক কাজ থেকে বিরত থাকতে প্রশাসনসহ দায়িত্বরত সকলকে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন বিএফএমবির আহ্বায়ক মনোজিৎ কুমার রায়।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন,&nbsp;ফাউন্ডেশন মনে করে, ৯৮ শতাংশ ওষুধের যোগানদাতা বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো ব্যাপকভাবে দেশের মানুষকে পরোক্ষভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এই নিবেদিতপ্রানগুলো রাত-দিন পরিশ্রম করে জরুরি সেবক হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা দিচ্ছে। তারা দালাল নয়, বরং হালাল কাজেই আমাদের পাশে আছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/টিআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>‘পূর্ণ জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা বলয় গঠনের দিকে এগোচ্ছে সরকার’</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34562/পূর্ণ-জীবনচক্রভিত্তিক-সামাজিক-সুরক্ষা-বলয়-গঠনের-দিকে-এগোচ্ছে-সরকার</link>
			<pubDate>Fri, 08 May 2026 15:34:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34562/পূর্ণ-জীবনচক্রভিত্তিক-সামাজিক-সুরক্ষা-বলয়-গঠনের-দিকে-এগোচ্ছে-সরকার</guid>
			<description><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সামাজিক সুরক্ষার বিষয় নিয়ে বলেছেন, সরকার একটি পূর্ণ জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা বলয় গঠনের দিকে এগোচ্ছে। এতে গর্ভকাল থেকে শুরু করে শেষ জীবন পর্যন্ত নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;একটি পূর্ণ জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা বলয় গঠনের দিকে এগোচ্ছে সরকার।&nbsp;গর্ভকাল থেকে শুরু করে শেষ জীবন পর্যন্ত নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন&nbsp;প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারে &lsquo;বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার অপূর্ণতা এবং ব্যক্তিগত ব্যয়ে চিকিৎসার গতিপ্রকৃতি পুনর্বিবেচনা&rsquo; শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা&nbsp;বলেন, এটি দাতব্য নয়, এটি নাগরিকের অধিকার। রাষ্ট্রের দায়িত্ব এই অধিকার নিশ্চিত করা। স্বাস্থ্য খাতে কাঠামোগত সংস্কার, ডিজিটালাইজেশন এবং সঠিক নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। ই-হেলথ কার্ড স্বাস্থ্য খাতে অপচয় কমানো এবং সেবা গ্রহণ সহজ করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিতুমীর বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় বাড়ানো গেলে বৈষম্য কমানো সম্ভব। তবে সেই ব্যয় কোথায় কীভাবে করা হবে, সেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তার মতে, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় জোর না দিলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব&nbsp;না। আমরা মনে করি, প্রথমেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা দিতে হবে। একই সঙ্গে সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি সেবাও গুরুত্বপূর্ণ, তবে প্রাথমিক পর্যায়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, সরকার মনে করছে স্বাস্থ্যকে একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এজন্য গর্ভাবস্থা থেকে শুরু করে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। এই দায়িত্ব দাতব্য নয়, বরং অধিকারভিত্তিক একটি কাঠামোর অংশ। স্বাস্থ্যসেবাকে জীবনচক্রভিত্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হচ্ছে। শিশুর জন্ম থেকে শুরু করে শিক্ষা, নারী ও শিশু স্বাস্থ্য এবং বয়স্কদের সুরক্ষা&mdash;সবকিছুই একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষভাবে নারীর ক্ষমতায়নকে উন্নয়নের কেন্দ্রীয় সূচক হিসেবে ধরা হচ্ছে। কারণ নারীর স্বাস্থ্য ও অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সরকার ইতোমধ্যে সর্বজনীন ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী, বিধবা এবং বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, অনেক ক্ষেত্রে যাদের তালিকাভুক্ত হওয়া দরকার তারা হচ্ছেন না, আবার অনেকে তালিকাভুক্ত হয়ে যাচ্ছেন। এ সমস্যা সমাধানে একটি কার্যকর ডাটাবেজ ও ডিজিটাল ব্যবস্থা দরকার।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জনভোগান্তি দূর করতে ই-হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে একজন নাগরিকের স্বাস্থ্য ইতিহাস, চিকিৎসা তথ্য এবং সেবা গ্রহণের রেকর্ড এক জায়গায় সংরক্ষিত থাকবে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ কমবে। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সেটি সঠিকভাবে ব্যবহার করাও জরুরি। আমরা চাই, জিডিপির পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হোক এবং সেটি যেন কার্যকরভাবে ব্যবহার হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ব্যয় বাড়ানো মানে অপচয় বাড়ানো নয়। বরং দক্ষতা বাড়িয়ে সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সরকার ইতোমধ্যে এক লাখ স্বাস্থ্যসেবা কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। এসব কর্মী মূলত রোগ প্রতিরোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করবেন। এতে হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষ ঘরোয়া পর্যায়েই প্রাথমিক সেবা পাবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, দেশে অসংক্রামক রোগ যেমন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং কিডনি রোগ দ্রুত বাড়ছে। এর প্রধান কারণ পরিবেশ দূষণ, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং নগরায়ণ। এসব রোগের চিকিৎসা ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিতুমীর বলেন, সরকার ২৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোতে তিনটি বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিট, কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা এবং জটিল গাইনী ও প্রসূতি সেবা। এই তিনটি সেবা আমাদের জন্য খুবই জরুরি। কারণ এসব ক্ষেত্রে রোগীর চাপ বেশি এবং ব্যয়ও বেশি। স্বাস্থ্য খাতে প্রোগ্রামিং, বাস্তবায়ন এবং মনিটরিং ব্যবস্থার দুর্বলতার কথাও উল্লেখ করেন। শুধু পরিকল্পনা করলেই হবে না, বরং তার বাস্তবায়ন কাঠামো শক্তিশালী করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে নাগরিকের কী পরিমাণ অর্থ গুনতে হয় এবং অর্থ সংকটে সেবাগ্রহণ ব্যাহত হওয়া সম্পর্কিত একটি গবেষণা প্রবন্ধ সেখানে উপস্থাপন করা হয়। গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন বিআইডিএসের রিসার্চ ফেলো ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। সেমিনারের সভাপতিত্ব</span><span style="font-size:16px">&nbsp;করেন সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>হান্টাভাইরাস তদন্তে আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়ের সফর খতিয়ে দেখছে ডব্লিউএইচও</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34561/হান্টাভাইরাস-তদন্তে-আর্জেন্টিনা-চিলি-ও-উরুগুয়ের-সফর-খতিয়ে-দেখছে-ডব্লিউএইচও</link>
			<pubDate>Fri, 08 May 2026 14:42:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34561/হান্টাভাইরাস-তদন্তে-আর্জেন্টিনা-চিলি-ও-উরুগুয়ের-সফর-খতিয়ে-দেখছে-ডব্লিউএইচও</guid>
			<description><![CDATA[বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত দম্পতি তাদের ভ্রমণের সময় এমন কিছু এলাকায় অবস্থান করেছিলেন, যেখানে ভাইরাসটির বাহক হিসেবে পরিচিত এক ধরনের ইঁদুরের উপস্থিতি ছিল। ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস বলেন, কীভাবে এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত আছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><strong><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px">মেডিভয়েস রিপোর্ট</span></span></strong><span style="font-size:16px"><strong>:</strong> হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত দম্পতি তাদের ভ্রমণের সময় এমন কিছু এলাকায় অবস্থান করেছিলেন, যেখানে ভাইরাসটির বাহক হিসেবে পরিচিত এক ধরনের ইঁদুরের উপস্থিতি ছিল বলে&nbsp;জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস। তিনি&nbsp;বলেন, কীভাবে এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত আছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তদন্তের&nbsp;প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম দুই ব্যক্তি আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়েতে পাখি পর্যবেক্ষণ ভ্রমণে গিয়েছিলেন। ওই সফরের কয়েকটি স্থানে হান্টাভাইরাস বহনকারী ইঁদুরের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি জানান, আক্রান্ত দম্পতির ভ্রমণপথ ও চলাচল সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে আর্জেন্টিনার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করছে ডব্লিউএইচও।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এদিকে এমভি হন্ডিয়াস জাহাজের ক্যাপ্টেনের সঙ্গেও কথা হয়েছে বলে জানান টেড্রোস। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জাহাজটি আবার চলাচল শুরু করায় যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ও ইতিবাচক মনোভাব ফিরে এসেছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এনএইচ/এমআই</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জরুরি কার্যকর আইন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34560/থ্যালাসেমিয়া-প্রতিরোধে-জরুরি-কার্যকর-আইন</link>
			<pubDate>Fri, 08 May 2026 14:02:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34560/থ্যালাসেমিয়া-প্রতিরোধে-জরুরি-কার্যকর-আইন</guid>
			<description><![CDATA[দেশে বর্তমানে প্রায় ৬০ থেকে ৮০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে এবং সচেতনতার অভাবে নতুন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিয়ের পূর্বে নারী-পুরুষের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি করে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এজন্য প্রয়োজন কার্যকর আইন প্রণয়ন। তাদের ভাষ্য, জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো আইনি বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়ার পরীক্ষাও নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এ ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত রক্তদান এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণেও গুরুত্বারোপ করেন বিশিষ্টজনেরা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong> দেশে বর্তমানে প্রায় ৬০ থেকে ৮০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে এবং সচেতনতার অভাবে&nbsp;নতুন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিয়ের পূর্বে নারী-পুরুষের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি করে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এজন্য প্রয়োজন&nbsp;কার্যকর আইন প্রণয়ন। তাদের ভাষ্য, জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো আইনি বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়ার পরীক্ষাও নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এ ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত রক্তদান এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণেও গুরুত্বারোপ করেন বিশিষ্টজনেরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শুক্রবার (৮ মে) বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবসে রাজধানীর মালিবাগে হোসাফ টাওয়ারে থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতালে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তারা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশের ৬০-৮০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে প্রধান বিষয় হলো প্রতিরোধ। আর এটা সম্ভব শুধু থ্যালাসেমিয়া বহন করা স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ রোধের মাধ্যমে। কারণ তাদের সন্তানদের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">বিয়ের পূর্বে&nbsp;কিছু&nbsp;পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হোক</span></strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে আইন প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, &lsquo;বিয়ের পূর্বে নারী পুরুষের থ্যালাসেমিয়ার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করে&nbsp;দেওয়া দরকার, যেমন&mdash;আগে আমরা ব্লাড গ্রুপ জানতামই&nbsp;না,&nbsp;এনআইডির বিষয়টি অনেকে গায়েই মাখেনি। যখন এনআইডি বাধ্যতামূলক হলো, তখন সব মানুষ জাতীয় পরিচয়পত্রের আওতায় চলে আসলো। কাজেই মানুষকে যদি থ্যালাসেমিয়া&nbsp;পরীক্ষার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করা যায়, তাহলে তারা রাজি হবেন।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;আমরা যদি এ রকম একটি আন্দোলন গড়ে তুলতে পারি, তাহলে বিয়ের আগে ছেলে-মেয়ের ব্লাডের কিছু কিছু টেস্ট করানো হবে। থ্যালাসেমিয়ার বাহক ধরা পড়লে নন-থ্যালাসেমিয়ার সঙ্গে বিয়ে হবে। বিয়ে বন্ধ থাকবে না। বিয়ের পর একটি অসুস্থ সন্তানের সন্তান, যার দুঃখ-কষ্ট সন্তান ও অভিভাবককে সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে, এর জন্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কাজেই এই দুর্ভোগের পড়ার চেয়ে বাহকদের মধ্যে বিয়ে না হওয়া ভালো। সুতরাং বিপত্তির মনে হলেও এর চেয়ে বরং বিয়ের পূর্বে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া বহুগুন ভালো&rsquo;&mdash;বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ব্যাপারে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ&nbsp;করে&nbsp;অধ্যাপক ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন বলেন, &lsquo;খুবই দুর্ভাগ্যজনক বিষয় যে, স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও থ্যালাসেমিয়া&nbsp;রোগীদের চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের সরকারি মেডিকেল কলেজে আমরা সেই সুযোগ সৃষ্টি করতে পারিনি। অনেকে বলবেন, এটা কেমন কথা! জি। এটাই বাস্তবতা যে, আমরা পারিনি। এটা স্বীকার করতে নিজের মধ্যে কোনো দীনতা থাকা উচিত না। আর্থিক সীমাবদ্ধতা, জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা, উদ্যোগের সীমাবদ্ধতা&mdash;যে কোনো সীমাবদ্ধতার জন্য আমরা পারিনি। এটা যথাযথভাবে চিহ্নিত করা&nbsp;গুরুত্বপূর্ণ।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমরা আপনাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই, বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের সকল মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত হবে। অর্থাৎ অর্থের অভাবে চিকিৎসা হবে না, এই দৃশ্যটা সরকার বাংলাদেশে রাখতে চায় না। আসন্ন বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও শিক্ষায় বরাদ্দে সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হবে।&rsquo; </span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ব্যাপারে&nbsp;গণমাধ্যম&nbsp;সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন,&nbsp;</span><span style="font-size:16px">কনটেন্ট ক্রিয়েটররাও এগিয়ে আসতে পারেন। তারা জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা সৃষ্টি করতে পারেন। থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধের জন্য আন্দোলন গড়ে ওঠা জরুরি। গণমাধ্যমকর্মীরা&nbsp;এ ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে পারেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">উন্নত বিশ্বে&nbsp;থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ যেভাবে</span></strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ সময়&nbsp;সাধারণ মানুষদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির উপরও গুরুত্বারোপ করেন অধ্যাপক জেড. এম. জাহিদ হোসেন।&nbsp;বলেন, এই উপায়েই উন্নত বিশ্বে&nbsp;থ্যালাসেমিয়ার হার কমিয়ে এনেছেন। এটা চিকিৎসার মাধ্যমে সম্ভব না। এটা নিশ্চিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ও গণমাধ্যমকে তৎপর হতে হবে।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো রক্ত সরবরাহ করা। আমরা ১৮০ মিলিয়ন মানুষের অন্তত ১০০ মিলিয়ন মানুষ রক্ত দান করতে সক্ষম। অর্থাৎ দশ কোটি। যেসব রোগী আছে, তাদের জন্য এক কোটি ব্যাগও লাগবে না। কিন্তু আমরা কতজন রক্তদান করি? আমাদের ১৮-৬০ বছর বয়সীরা তিন মাস পর পর রক্ত দান করতে পারে। তারা ছয় মাস পর যদি রক্ত দান করেন, তাহলে রোগীদের সংকট হবে না। রক্তদানে দাতার তো সংকট হবে না। বরং ১২০ দিন পর লোহিত রক্তকণিকা মরে যাচ্ছে।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><strong><span style="font-size:16px">ওষুধ সহজলভ্যতায় জরুরি&nbsp;সমন্বিত উদ্যোগ</span></strong></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, রোগী কম হওয়ায় কোম্পানিগুলো থ্যালাসেমিয়ার ওষুধ কম উৎপাদন করে, এতে বাজারে সরবরাহ কম থাকে, দামও বেশি হয়। এক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সহজলভ্য করতে হবে। ২০২৬ সনে এসে এই কথা বলার অবকাশ নেই যে, এই ওষুধ পাওয়া যায় না বা এটা সহজলভ্য না।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, সমাজে ট্যাবু আছে যে, থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে তাকে বিয়ে দেওয়া যাবে না। বিষয়টি তা না। ছেলে-মেয়ে&nbsp;বাহক হলে বিয়ের সময় খেয়াল রাখতে হবে বিপরীত লিঙ্গের মানুষটিও যেন বাহক না হন। এটা নিশ্চিত করা গেলেই হলো। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বাহক হলে থ্যালাসেমিক শিশুর জন্মের আশঙ্কা ২৫ শতাংশ (৪টি জন্মের মধ্যে অন্তত ১টি) এবং ৫০ শতাংশ বাহক হওয়ার আশঙ্কা (৪টি জন্মের মধ্যে ২টি) রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দুর্ভাগ্যবশত বাহক পিতা-মাতার সব সন্তানই থ্যালাসেমিয়ার রোগ নিয়ে জন্ম নিতে পারে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">&lsquo;সরকারের কাছে আবেদন থাকবে, বিয়ের আগে যেন এটা বাধ্যতামূলক করা হয় যে, বিয়ের পূর্বে ছেলে-মেয়ের ডাক্তারি সার্টিফিকেট যেন থাকে। এটা নিশ্চিত করা গেলে এই রোগের হার বাংলাদেশে অনেক কমে আসবে&rsquo;&mdash;বলেন তিনি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসা ঢাকা কেন্দ্রিক না রেখে মফস্বলে ছড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, এ রোগের চিকিৎসা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভাগীয় শহরে কেন্দ্র করার সুযোগ করে দেওয়া দরকার। তাহলে ময়মনসিংহ, সাতক্ষীরা, খুলনা, বরিশাল থেকে রোগীকে ঢাকায় আসতে হবে না। এতে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতি থেকে মুক্তি পাবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মনজুর মোরশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এমইউ/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসা সহজলভ্য করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34559/থ্যালাসেমিয়া-চিকিৎসা-সহজলভ্য-করতে-উদ্যোগ-নেওয়া-হবে-সমাজকল্যাণমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Fri, 08 May 2026 13:02:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34559/থ্যালাসেমিয়া-চিকিৎসা-সহজলভ্য-করতে-উদ্যোগ-নেওয়া-হবে-সমাজকল্যাণমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[স্বাধীনতার এত বছর পার হলেও সরকারি পর্যায়ে দেশে থ্যালাসেমিয়ার পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সেবা এখনো সব হাসপাতালে নিশ্চিত করা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। আজ শুক্রবার (৮ মে) সকালে রাজধানীর মালিবাগে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> স্বাধীনতার এত বছর পার হলেও সরকারি পর্যায়ে দেশে থ্যালাসেমিয়ার পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সেবা এখনো সব হাসপাতালে নিশ্চিত করা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শুক্রবার (৮ মে) সকালে রাজধানীর মালিবাগে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সকল মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। থ্যালাসেমিয়া রোগ নির্ণয়ে একটি জাতীয় গাইডলাইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে এ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ সহজলভ্য করা হবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য রক্তদানে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান মন্ত্রী।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এর আগে থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশে প্রতি বছর প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নেয়। বর্তমানে দেশে আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে বলে সংগঠনটি দাবি করে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সেমিনারে বক্তারা থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ, ব্যাপক সচেতনতা কার্যক্রম এবং স্ক্রিনিং ব্যবস্থার ওপর জোর দেন।</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বিপিএফ নর্দান ইউনিভার্সিটি শাখার নতুন কমিটি গঠন</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34558/বিপিএফ-নর্দান-ইউনিভার্সিটি-শাখার-নতুন-কমিটি-গঠন</link>
			<pubDate>Fri, 08 May 2026 12:46:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34558/বিপিএফ-নর্দান-ইউনিভার্সিটি-শাখার-নতুন-কমিটি-গঠন</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট ফোরাম (বিপিএফ) নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখার পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৮ মে) বিপিএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান তানভীর যৌথভাবে এই কমিটির অনুমোদন দেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px"> বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট ফোরাম (বিপিএফ) নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখার পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদন করা হয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ শুক্রবার (৮ মে) বিপিএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান তানভীর যৌথভাবে এই কমিটির অনুমোদন দেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আশরাফ জাহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন তারেক রহমান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নবগঠিত এই কমিটিতে দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংস্থা, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কর্মরত অভিজ্ঞ ফার্মাসিস্ট, গবেষক, উদ্যোক্তা ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সমন্বয় রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নবনির্বাচিত সভাপতি আশরাফ জাহিদ বলেন, &lsquo;আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আমরা নিষ্ঠার সাথে পালন করব। শিক্ষার্থীদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং ফার্মাসিস্টদের ঐক্যবদ্ধ রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সাধারণ সম্পাদক তারেক রহমান বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট ফোরাম একটি সেবামূলক প্ল্যাটফর্ম। আমরা শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শাখাটিকে আরও গতিশীল করে তুলব।&rsquo;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কমিটির মূল লক্ষ্য হলো ফার্মেসি শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্ব বিকাশ, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, জনস্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি, সামাজিক দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি এবং ফার্মেসি পেশার উন্নয়ন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে একাধিক শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী দায়িত্ব পেয়েছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">কমিটির অধীনে আগামী এক বছরে সেমিনার, কর্মশালা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেশন, গবেষণা কার্যক্রম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রসঙ্গত, বিপিএফের উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন আইসিডিডিআর,বি&rsquo;র সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার মো. জাহেদ মাসুদ, হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল (যুক্তরাষ্ট্র)-এর আশরাফুল ইসলাম টিংকু, বিভিন্ন দেশি-বিদেশি গবেষক, উদ্যোক্তা ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর উদ্যোগ জরুরি: প্রধানমন্ত্রী</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34557/থ্যালাসেমিয়া-প্রতিরোধে-জনসচেতনতা-বৃদ্ধি-ও-কার্যকর-উদ্যোগ-জরুরি-প্রধানমন্ত্রী</link>
			<pubDate>Fri, 08 May 2026 11:30:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34557/থ্যালাসেমিয়া-প্রতিরোধে-জনসচেতনতা-বৃদ্ধি-ও-কার্যকর-উদ্যোগ-জরুরি-প্রধানমন্ত্রী</guid>
			<description><![CDATA[থ্যালাসেমিয়া একটি জটিল বংশগত রক্তরোগ, যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, পিতা-মাতা উভয়েই থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক হলে তাঁদের সন্তানের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়োপযোগী পরীক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। শুক্রবার (৮ মে) বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:</strong></span></span><span style="font-size:16px">&nbsp;থ্যালাসেমিয়া একটি জটিল বংশগত রক্তরোগ, যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, পিতা-মাতা উভয়েই থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক হলে তাঁদের সন্তানের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়োপযোগী পরীক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">শুক্রবার (৮ মে) বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এবারের থ্যালাসেমিয়া দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে&mdash; &lsquo;আর আড়াল নয়: রোগ নির্ণয়হীনদের খুঁজে বের করি, অলক্ষ্যে থাকা রোগীদের সহায়তা করি&rsquo;।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ দিবসটি থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিরোধ এবং আক্রান্তদের প্রতি সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক বলে ধারণা করা হয়। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকার &lsquo;প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম&rsquo; নীতি অবলম্বন করেছে। থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে এই নীতি সবচেয়ে বেশি কার্যকর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি জনমুখী ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। রোগীর স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য নিয়ে সরকার নাগরিকদের জন্য &lsquo;ই-হেলথ কার্ড&rsquo; চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি বলেন, &lsquo;ই-হেলথ কার্ড&rsquo; চালু হয়ে গেলে এই কার্ডের মাধ্যমে নাগরিকেরা নিজেদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য জানতে সক্ষম হবেন। একই সঙ্গে একজন রোগী গ্রাম কিংবা শহর&mdash; যেখানেই চিকিৎসা গ্রহণ করুন না কেন, এই কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসক সংশ্লিষ্ট রোগীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য দ্রুত জানতে পারবেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুইজন থ্যালাসেমিয়া জিন-বাহকের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক হলে সন্তানের মধ্যে এ রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই থ্যালাসেমিয়ার মতো দুরারোগ্য রক্তরোগ প্রতিরোধে, বিশেষ করে জিন-বাহকদের মধ্যে বিবাহের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্র&mdash; সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">তিনি সরকারের পাশাপাশি সব পেশাজীবী, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গণমাধ্যম, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিক সমাজকে এ বিষয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">টিআই/</span></p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>বেগম জেবুন্নেছার মৃত্যুতে এনডিএফ’র শোক প্রকাশ</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34556/বেগম-জেবুন্নেছার-মৃত্যুতে-এনডিএফর-শোক-প্রকাশ</link>
			<pubDate>Thu, 07 May 2026 22:01:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34556/বেগম-জেবুন্নেছার-মৃত্যুতে-এনডিএফর-শোক-প্রকাশ</guid>
			<description><![CDATA[সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এর মমতাময়ী মা বেগম জেবুন্নেছার (৮৩) মৃত্যুতে ভীর শোক প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px"><span style="color:#990000"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span>সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এর মমতাময়ী মা বেগম জেবুন্নেছার (৮৩) মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)।&nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বুধবার (৬ মে) এক শোকবার্তায় এনডিএফের অফিস সম্পাদক&nbsp;ডা. এ কে এম জিয়াউল হক মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম এবং জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বুধবার (৬ মে) ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বেগম জেবুন্নেছা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">একই দিন বাদ আছর ময়মনসিংহের ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে গুলকিবাড়ি কবরস্থানে মরহুমার স্বামী মরহুম জাফর আলী সরকারের কবরের পাশে দাফন করা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বেগম জেবুন্নেছা পেশায় শিক্ষক ছিলেন। তিনি ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৪৪ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ পুত্র ও ২ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন, গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/</span></p>

<p><br />
&nbsp;</p>]]></content:encoded>
		</item>
				<item>
			<title>চিকিৎসা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ জোরদারে বিএমইউ-চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চুক্তি</title>
			<link>https://medivoicebd.com/article/34555/চিকিৎসা-গবেষণা-ও-প্রশিক্ষণ-জোরদারে-বিএমইউ-চীনা-বিশ্ববিদ্যালয়ের-মধ্যে-চুক্তি</link>
			<pubDate>Thu, 07 May 2026 20:20:00 UTC+6</pubDate>
						<category><![CDATA[Article]]></category>
			<guid isPermaLink="false">article/34555/চিকিৎসা-গবেষণা-ও-প্রশিক্ষণ-জোরদারে-বিএমইউ-চীনা-বিশ্ববিদ্যালয়ের-মধ্যে-চুক্তি</guid>
			<description><![CDATA[বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর সঙ্গে চীনের জিয়ান জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞগণসহ একটি উচ্চ পর্যায়ের চীনা প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align:justify"><span style="color:#990000"><span style="font-size:18px"><strong>মেডিভয়েস রিপোর্ট:&nbsp;</strong></span></span><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সঙ্গে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট, ক্যান্সারের আধুনিক চিকিৎসাসেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে চীনের জিয়ান জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিএমইউর&nbsp;ভাইস চ্যান্সেলরের&nbsp;(ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর সঙ্গে তাঁর নিজ কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে&nbsp;জিয়ান জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞসহ একটি উচ্চ পর্যায়ের চীনা প্রতিনিধি দল এ&nbsp;সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন।&nbsp;এ সময় চিকিৎসা শিক্ষা, সেবা ও গবেষণাসহ বিভিন্ন বিষয়ে&nbsp;বিস্তারিত আলোচনা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">এ ছাড়া&nbsp;বিএমইউতে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্যান্সার রিসার্চ ইনস্টিটিটিউট প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করাসহ স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশে চীনের প্রতিনিধি দলটি সফর করছেন। এই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ক্লিনিক্যাল চিকিৎসা প্রযুক্তির রূপান্তরে সহযোগিতা প্রদান, &nbsp;চিকিৎসা মানবসম্পদ উন্নয়ন, যৌথ বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করা, আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যপেশাজীবীদের জন্য বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সহায়তা দান ইত্যাদি। &nbsp;</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">ভিসি অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তাফা কামাল, অনকোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, হেপাটোবিচলিয়ারি, প্যানক্রিয়েটিক ও লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. মোহছেন চৌধুরী, চীনের খ্যাতনামা অনকোলজিস্ট অধ্যাপক ইউ জ্বী এবং হেপাটোবিলিয়ারি সার্জন জিয়ান জুফেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:16px">জেএইচ/টিআই</span><br />
&nbsp;</p>]]></content:encoded>
		</item>
			</channel>
</rss>